200 บรรทัดแรก
" এই নাটকটি কাল্পনিক এবং মানুষ, দল, সংগঠন, "
" কাহিনী, গোষ্ঠী ও স্থাপনার সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। "
" বন্ধুভাবাপন্ন, সেবা, সম্মান, আমরা আপনাকে কীভাবে সাহায্য করতে পারি? "
" আপনি যে কাজের দায়িত্বে আছেন তার প্রতি নিবেদিত থাকুন। "
" আমরা আপনাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি? "
কি হয়েছে? বাথরুমে যাবে?
না। আমি অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করেছি। কিন্তু কেউ আসেনি।
ওহ আচ্ছা। সামনের দোকানটা বন্ধ হয়ে গিয়েছে,
তাই শহরের শেষ মাথায় যেতে হয়েছে।
তোমার নিশ্চয়ই খিদে পেয়েছে। বসো।
জানতাম না তুমি কি পছন্দ করো, তাই আমি প্রায় সব কিছু নিয়ে এসেছি।
এই নাও।
" লাল শিমের রুটি "
সবটা নিতে পারো। তোমার জন্যই এনেছি।
যাই হোক,
কিছু মনে করো না কিন্তু,
তুমি আমাকে যা বলেছ সবই কি সত্যি?
কেন?
আপনার মনে হয় আমি মিথ্যা বলেছি?
না, তা না।
এটা বিশ্বাস করা অনেক কঠিন।
এটা বিশ্বাস করা কঠিন কেউ বাচ্চাদের এভাবে আটকে রেখে,
তাদের সাথে দাসের মত আচরণ করবে,
তাও আবার এই যুগে?
তুমি বলেছ সেখানে তোমার মত আরও অনেকজন ছিল।
ওরা কিছু করে নাই, কিন্তু তুমি নিজে থেকে পালিয়ে এসেছ।
পালাতে গিয়ে ধরা পড়লে ওরা পিটিয়ে মেরে ফেলে প্রায়।
ভাগ্য খারাপ থাকলে আপনিও মারা যেতে পারেন।
তোমার মরার ভয় নেই?
কার-ই বা নেই বলেন?
তাও পালিয়েছ?
কারণ আমার আশা ছিল।
ওখানে যা যা দেখেছ বা ঘটেছে সব এই কাগজে লিখতে পারবে?
বিস্তারিত ভাবে লিখ আর কিছু বাদ দিও না।
কীভাবে পালিয়ে এসেছ তাও লিখ।
ঘুমাচ্ছিস নাকি?
জানিস কোন জিনিস মানুষকে বেশি ধোঁকা দেয়?
আশা।
আশাকে কখনো বিশ্বাস করতে নেই।
" হোপ ওয়েলফেয়ার সেন্টার "
" পুলিশ "
স্বাগতম, চিফ ইউম।
তোরা বাচ্চাদের কীভাবে পাহারা দিচ্ছিস?
ক্ষমা করবেন।
আমরা ওদেরকে তাৎক্ষনিক চিকিৎসা দিয়েছি,
কিন্তু ওরা বলেছে ওর ঝিল্লীতে প্রদাহজনিত সমস্যা থাকতে পারে।
ও আসলে ভান ধরেছিল।
ও ভান করেছিল যাতে বাইরের হাসপাতালে ভর্তি হতে পারে।
ও খুবই চালাক।
দরজা খোল, শয়তান!
খোল!
দরজা খোল!
দরজাটা খোল, শয়তান!
খোল, এটা!
আমি আজকে মেরেই ফেলবো তোকে!
শপথ করে বলছি মেরে ফেলবো!
" হোপ ওয়েলফেয়ার সেন্টার "
" এপিসোডঃ ০২ - যতক্ষণ আপনি এখানে আছেন ততক্ষণ আপনার আশা নাই। "
আমি কাউকে মারিনি।
বিশ্বাস করুন, বিচারক মশাই।
জুরিগণ, বিশ্বাস করুন। আমি খুনি নই।
আপনি খুনি নন প্রমাণ করতে পারবেন?
হ্যাঁ, পারব।
ওই রাতে আমি ছাড়াও সেখানে আরেকজন ছিল।
" মহিলাদের জন্য নিরাপদ রাস্তা "
নিত্যনতুন বাংলা সাবটাইটেল এবং মুভি সিরিজ সম্পর্কিত তথ্য পেতে আমাদের গ্রুপের যুক্ত থাকুন। Facebook Group: Bangla Subtitle Freak
" বঙ্গানুবাদ ও সম্পাদনায় " মোঃ জমির উদ্দীন খাঁন
মরতে না চাইলে চুপচাপ আমাকে অনুসরণ করো।
আমাকে বাঁচান।
দয়া করে আমাকে বাঁচান।
ওই লোকটা আমাকে মেরে ফেলতে চাইছে।
দয়া করে দরজাটা খুলুন।
আপনার পায়ে ধরি, খুলুন দরজাটা।
দয়া করুন।
ব্যেক সাহেবের মেয়েকে আমি তখনই শেষবার দেখেছি।
- তার মানে ও মেয়েটার সাথে দেখা করেছে। - মেয়েটাকে আঘাত করার চেষ্টা করেছে।
আমি এটা বিশ্বাস করতে পারছি না।
" আইনজীবী, আসামি "
আসামি, আপনি কেন জিজ্ঞাসাবাদের সময় পুলিশ,
এবং প্রকিউরেটরকে ব্যাপারটা বলেননি?
কারণ পুলিশরা আমাকে আসামি বানানোর জন্য বদ্ধপরিকর ছিল,
তদন্ত করার সময়।
সেদিন মাথা খারাপ হয়ে যাবার মত বৃষ্টি হচ্ছিল।
চাকুতে রক্তের দাগ থাকার কোন সম্ভাবনাই ছিল না।
যে ডিটেকটিভরা প্রমাণ জালিয়াতি করছে তাদের আমি কীভাবে বিশ্বাস করবো?
ভিকটিম যে গাড়িতে উঠেছিল সেটা দেখতে কেমন ছিল?
ব্ল্যাক এসইউভি।
সামনের দিকে মৌচাকের মত ডিজাইন ছিল।
- তুই ভাবছিস আমরা এটা বিশ্বাস করবো? - ওরকম গাড়ি হাজার হাজার আছে!
আমি হলফ করে বলতে পারি ও বানিয়ে কথা বলছে!
-ও বানিয়ে কথা বলছে! - ও কি বলছে এসব?
ওহ, গাড়ির সামনের,
- অংশটা মৌচাকের মত ছিল। - ওহ, ওটা?
- গাড়ির সামনের অংশ? - হ্যাঁ।
" আইনজীবী, আসামি "
গাড়ির সামনের গ্রিলের ডিজাইন মৌচাকের মত দেখায়,
ওরকম ডজন ডজন গাড়ি আছে।
আপনি কি আর কিছু দেখেননি?
হ্যাঁ, দেখেছি।
আমি নিজে চোখে দেখেছি।
কি দেখেছেন?
চালকের সিটে বসেছিল যে লোকটা।
মুইয়ং পুলিশ স্টেশনের ডিটেকটিভ রিউ সুং-জুন।
ওই ছিল।
- ও কি বলছে এসব? - ও কি পাগল হয়ে গেছে?
- আরে ভাইই! - ও কি সিরিয়াস?
ওই ব্যেক সাহেবের মেয়েকে হত্যা করেছে।
ওই আমাকে ফাঁসাতে চেয়েছিল,
তাই সে ঠিক তখনই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে হাজির হয়,
আর ড্যাশকাম ফুটেজ ফেলে যায়।
- কি ফালতু বকছে এসব। - ও পাগল আসলে।
মিঃ ব্যেক এর মেয়েকে হত্যাকারী আসামি,
মুইয়ং পুলিশ স্টেশনের ডিটেকটিভ রিউ সুং-জুন ছাড়া আর কেউ না।
ওই ডিটেকটিভই আসল হত্যাকারী।
- ও কি বলছে এসব? - ওকে জেলে পুরে দিন তো!
- এই কথার কোন ভিত্তিই নেই! - ওই!
ও কি বলছে ডিটেকটিভই আসল হত্যাকারী?
হতেই পারে না।
ওর মত একজনকে কীভাবে বিশ্বাস করবো?
ঠিক বলেছেন।
" জুরিগণ "
মুইয়ং পুলিশ স্টেশন ডিটেকটিভ রিউ সুং-জুন
- একদম পোঁড়া কপাল, তাই না? - কি?
আমরা এটা লাইভে সরাসরি সম্প্রচার করলে অনেক মানুষ দেখত।
এটা খুব দুঃখের ব্যাপার এখন শুধু আমরাই দেখছি জিনিসটা।
মহামান্য।
আমরা মুইয়ং পুলিশ স্টেশনের ডিটেকটিভ রিউ সুং-জুনকে,
প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আসার জন্য অনুরোধ করছি।
ব্যেক জি-ইউনকে অপহরণের পর হত্যাকারী আসামি আমি?
ভাইরে ভাই।
আমি পুরোই বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম।
ওকে গ্রেফতারের সময়,
জুং মান ছুন নৌকায় করে পালিয়ে যাবার পরিকল্পনা করছিল।
ও এমনকি আমাকে খুন করার জন্য ছুরিও চালিয়েছে।
- জঘন্য লোক একটা। - ও বাজে মিথ্যা বকছিল।
- দেখেছ? আমি কি বলেছিলাম? - হায় খোদা!
- ওর কোন কথাই বিশ্বাসযোগ্য না। - জানি।
- অবিশ্বাস্য। - একদম!
ও যদি সত্যিই নির্দোষ হত, যেমনটা ও বলছে,
কাজটা কেন করলো তাহলে?
আমি যদি আরেকটু আলসে হতাম,
ও এতক্ষণে দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার কোন এক প্রান্তে সমুদ্র সৈকতে শুয়ে,
সাগরের রূপ উপভোগ করতো আর মোহিতো গিলত।
ও আমাকে যা ঘৃণা করে সেটা বুঝাই যাচ্ছে।
- ও নিজেকে কি মনে করে? - সেটাই তো।
ও কি ভেবেছে মিথ্যা বলে পার পেয়ে যাবে?
- ভাইরে ভাই! - এটা খুব লজ্জাজনক।
- ওই! - হায় খোদা।
প্রত্যক্ষদর্শী।
গাড়িটা কে চালাচ্ছিলেন সেটা কি আপনি লক্ষ্য করেছিলেন,
ড্যাশক্যাম ফুটেজের প্রমাণ কোথা থেকে এলো?
হ্যাঁ, অবশ্যই।
গাড়ির মালিকানা হচ্ছে,
২৭ বছর বয়সী একজন যুবক ডেলিভারিম্যানের।
তাহলে এটা গাড়ি না বরং মোটরসাইকেলের ছিল?
ঠিক ধরেছন।
জুং মান-ছুন যখন ব্যেক জি-ইউনকে অপহরণের চেষ্টা চালাচ্ছিল,
মোটরবাইকের চালক তখন রোস্ট চিকেন ডেলিভারি করতে যাচ্ছিল।
তুমুল বৃষ্টি হচ্ছিল সেই সময়,
জুং মান-ছুন ব্যেক জি-ইউনকে রেইনকোটে মুড়িয়ে রেখেছিল,
তাই পরিস্থিতি কতটা মারাত্মক ছিল সে সেটা বুঝে উঠতে পারেনি।
কিন্তু তার হেলমেটে সেট করা অ্যাকশন ক্যামেরা,
ঠিকই সেটা রেকর্ড করে ফেলেছে।
" প্রমাণ "
আমার জানামতে অ্যাকশন ক্যাম গুলোতে স্টোরেজ কম থাকে,
সিকিউরিটি ক্যামের তুলনায়।
ব্যেক জি-ইউনের লাশ পাওয়া গিয়েছিল,
তাকে হত্যার এক সপ্তাহ পরে।
এই ফুটেজের তো সেই ক্ষেত্রে অস্তিত্বই থাকার কথা ছিল না।
ভাগ্য আমাদের সহায় হয়েছিল।
ডেলিভারি করতে গিয়ে একটা দুর্ঘটনা ঘটেছিল,
তাই ডেলিভারিম্যান কাস্টমার সার্ভিসে উনার ফুটেজ জমা দিয়েছিলেন।
প্রসঙ্গক্রমে বলি, ফুটেজটা কিন্তু আমি পাইনি,
ভায়োলেন্ট ক্রাইমের ৪ এর টিমের ডিটেকটিভ কাং পেয়েছিলেন,
যিনি একজন সম্ভ্রান্ত অফিসার এবং পুলিশ ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক করেছেন।
আমি খুব ঠেকে ঠেকে পুলিশ অফিসার হয়েছি।
খুব মজার লোক তো!
মহামান্য।
এখন হাতে দুইটি অকাট্য প্রমাণ রয়েছে,
জুং মান ছুন দ্বারা ভিকটিমের অপহরিত হবার ভিডিও,
ওর ছুরিতে লেগে থাকা রক্তের দাগ।
- এটা কি সত্যি নাকি? - হায় ঈশ্বর।
যাই হোক, একটা জিনিস দেখে আমি খুব সহজেই বলে দিতে পারি জুং মান ছুনই আসল খুনি,
সেটা হচ্ছে ওর অনন্য কৌশল।
যেটাকে আজকাল অনেকে বলে,
"সিগনেচার"।
ওই যে ওই বাড়িটা।
কিন্তু, ডিটেকটিভ।
মান ছুনকে বলবেন না আমি আপনাকে ওর বাড়ি চিনিয়ে দিয়েছি।
ও যদি জানতে পারে আমি ওকে ধোঁকা দিয়েছি,
ওই মেয়েটার মতো আমারও মুখ ছিঁড়ে ফেলবে ও।
ব্যেক জি-ইউনের সাথে যা ঘটেছিল তা আপনি কি করে জানলেন?
আমি,
ব্যেক সাহেবের মেয়ের সাথেও একই কাহিনী করেছে?
আপনি কি বলছেন?
আপনি ব্যেক জি-ইউনের কথা বলছিলেন না?
যে মহিলার কথা বললেন তিনি এখন কোথায়?
পুলিশ।
জুং মান ছুনকে চিনেন আপনি?
আপনি কি দয়া করে আপনার মাস্কটা খুলতে পারবেন?
No comments yet. Be the first to leave one.