200 บรรทัดแรก
আমাদের ফেসবুক গ্রুপ - ১. মালায়ালাম সিনেখোর। ২. মালায়ালাম মুভি লাভারস।
মেসি!
মেসি!
আউচ!
আল্লাহ!
তুই আর আমার সাথে ঘুমাবি না।
হুম।
সারাক্ষণ খালি মেসি! মেসি!
___অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ___ © আরুশ আরিয়ান।
:::AANAPARAMBILE WORLD CUP:::
এই পুরো গল্পটা
আমাদের আনাপরম্বুর।
এটা হলো আমাদের আনাপরম্বুর খেলার মাঠ।
আমাদের এই ভূখণ্ডের ইতিহাস
এই খেলার মাঠ থেকে শুরু।
১৯৭৮ সালের বিশ্বকাপ
আমরা প্রথমবার টেলিভিশনে দেখি।
আমাদের সুফি হাজির বাড়িতে।
তার মৃত্যুর পর থেকেই তাদের বাড়ি
স্থানীয়দের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হলো।
তারপর থেকে আমরা খেলা দেখা শুরু করলাম
আমাদের ক্লাব ঘরে।
এই মাঠের পাশেই
আমাদের পল্লীপুরাম মন্দির।
শুনেছি আগে নাকি মন্দিরে
কয়েক ডজন বড় বড় হাতি ছিল।
তবে বর্তমানে মন্দিরের সৌন্দর্য
আর উৎসব বিলীন হয়ে গেছে।
যা কয়েকটা হাতি অবশিষ্ট ছিল সেখান থেকে কিছু মারা গেছে।
আর কিছু বিক্রি করে দিয়েছে।
আমরা যখন ছোট ছিলাম,
তখন মন্দিরের উৎসবে
বড় একটা অঘটন ঘটে।
কিছুদিন পর,
উত্তরাধিকারী আর স্থানীয়রা
মন্দির সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।
কিন্তু, তাদের কাছে
সংস্কারের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ টাকা ছিল না।
তখন সাহায্যের হাত নিয়ে এগিয়ে আসেন আমাদের সুফি হাজি।
মন্দির সংস্কারের জন্য
তিনি প্রচুর টাকা দান করেছিলেন।
বিনিময়ে তিনি কিছুই নেননি।
কিন্তু তার মৃত্যুর পরে
উত্তরাধিকারী আর স্থানীয়রা মিলে,
জমি ভাগাভাগি করে নেয়
৫ একর ধানি জমি
হাজির বড় আর ছোট ছেলে
আয়ামাদ এবং আবদুল্লাহ জন্য।
খোদার রহমতে আবদুল্লাহর
একটা মেয়ে উত্তরাধিকারীর জন্ম হয়।
তার জন্মের সময় যে আয়া ছিল
যে তার পাসপোর্টের জন্য ছবি তুলেছিল...
সবাই একই কথা বলেছে
মেয়েটা নীল নয়নধারী মায়াবী মেয়ে।
আজ তার এনগেজমেন্ট।
সেই উপলক্ষে আজ রাতে হাজি সাহেব বিশাল আয়োজন করেছেন।
কিন্তু, যাই হোক
তাতে আমাদের কোনো আগ্রহ নেই।
কারণ আজ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ।
কী বাল খেলে?
ধ্যাৎ! ফালতু!
"ইয়া রহিম আল্লাহ"
"ইয়া রহিম আল্লাহ"
"ইয়া রহিম আল্লাহ"
"ইয়া রহিম"
"ইয়া আল্লাহু ইয়া আল্লাহ"
"ইয়া আল্লাহু ইয়া আল্লাহ"
"ইয়া রাহিম আল্লাহ"
"ইয়া আল্লাহু ইয়া আল্লাহ"
কেউ আছে?
হুম?
দাড়া ভাই! আমি টুপিটা পড়ে নিই।
কেন? এখন টুপির কী দরকার?
নামাজীদের ভাব নেওয়ার জন্য!
- ঠিক করে ধর!! - একটু জায়গা ছাড়!!!
"ইয়া আল্লাহু ইয়া আল্লাহ"
"হু ইয়া হু ইয়া আল্লাহ"
"ইয়া আল্লাহু ইয়া আল্লাহ"
"হু ইয়া হু ইয়া আল্লাহ"
"প্রেমময় মধু মিশ্রিত সুরে"
"পৌঁছে গেছি আমি স্বর্গ দ্বারে"
"ওই সুরের গানে আমার এই হৃদয় আকুল।"
"প্রেমময় মধু মিশ্রিত সুরে"
"পৌঁছে গেছি আমি স্বর্গ দ্বারে"
"ওই সুরের গানে আমার এই হৃদয় আকুল।"
"গোটা পৃথিবী ঘুরে আমি করেছি সেই মিষ্টি সুরের সন্ধান।"
"গোটা পৃথিবী ঘুরে আমি করেছি সেই মিষ্টি সুরের সন্ধান।"
"শুধু আপনার দোয়া চায় এই জীবন উৎসর্গ করবো আপনার প্রশংসাই।"
"ইয়া আল্লাহু ইয়া আল্লাহ"
"হু ইয়া হু ইয়া আল্লাহ"
"ইয়া আল্লাহু ইয়া আল্লাহ"
"হু ইয়া হু ইয়া আল্লাহ"
"গোধুলী লাল আকাশ শুনেছে সেই বৃষ্টির সুরেলা সঙ্গীত"
"দমকা বাতাসের ইশারায় বসন্তের ফুলে-ফুলে হচ্ছে প্রতিধ্বনি"
"গোধুলী লাল আকাশ শুনেছে সেই বৃষ্টির সুরেলা সঙ্গীত"
"দমকা বাতাসের ইশারায় বসন্তের ফুলে-ফুলে হচ্ছে প্রতিধ্বনি"
"স্বপ্নের সন্ধানে আমি খুঁজছি আমি আত্মার গভীর দুর্গ।"
"স্বপ্নের সন্ধানে আমি খুঁজছি আমি আত্মার গভীর দুর্গ।"
"স্বর্গীয় নীড় করে নিই আমি আমার মনে তাজমহলে।"
"ইয়া আল্লাহু ইয়া আল্লাহ" "হু ইয়া হু ইয়া আল্লাহ"
"সোনায় গড়া রেশমের সুতোর মতো একটা তারা কিভাবে দেখো করছে ঝলমল।"
"দুষ্টমি করার মতো ঠিক স্বর্ণ পাত্র পাতার ছন্দ হয়ে।"
"সোনায় গড়া রেশমের সুতোর মতো একটা তারা কিভাবে দেখো করছে ঝলমল।"
"দুষ্টমি করার মতো ঠিক স্বর্ণ পাত্র পাতার ছন্দ হয়ে।"
"আকাঙ্ক্ষায় পুরলো অনলে আমার এই আশাবাদী হৃদয়ে।"
"আকাঙ্ক্ষায় পুরলো অনলে আমার এই আশাবাদী হৃদয়।"
"আমায় মহাবিশ্ব ভ্রমণের ক্ষমতা দাও"
"মুক্ত পরাগের মতো করে ঘুরতে চায় আমি সাতটি পৃথিবী।"
"ইয়া আল্লাহু ইয়া আল্লাহ" "হু ইয়া হু ইয়া আল্লাহ"
"প্রেমময় মধু মিশ্রিত সুরে"
"পৌঁছে গেছি আমি স্বর্গ দ্বারে"
"ওই সুরের গানে আমার এই হৃদয় আকুল।"
"গোটা পৃথিবী ঘুরে আমি করেছি সেই মিষ্টি সুরের সন্ধান।"
"গোটা পৃথিবী ঘুরে আমি করেছি সেই মিষ্টি সুরের সন্ধান।"
হিশাম!
"শুধু আপনার দোয়া চায় এই জীবন উৎসর্গ করবো আপনার প্রশংসাই।"
ওহ না! হিশাম!
রাস্তা কোই?
দীপক, পালা!
আমার নাম ধরে ডাকিস না, মুনির।
ওহ স্যরি।
"ইয়া আল্লাহু ইয়া আল্লাহ"
"হু ইয়া হু ইয়া আল্লাহ"
"ইয়া আল্লাহু ইয়া আল্লাহ"
"হু ইয়া হু ইয়া আল্লাহ"
"ইয়া আল্লাহু ইয়া আল্লাহ"
"হু ইয়া হু ইয়া আল্লাহ"
"ইয়া আল্লাহু ইয়া আল্লাহ"
"হু ইয়া হু ইয়া আল্লাহ"
"ইয়া আল্লাহু ইয়া আল্লাহ"
"হু ইয়া হু ইয়া আল্লাহ"
ওহ!
চোর।
চোর, চোর!
ধরো!
ধরো।
পালাতে দিও না।
দাড়া।
ওহ!
শয়তানের বাচ্চা! ওখানে গিয়েছিলি তোর মা'য়ের বিয়ে দেখতে?
ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে গিয়েছিলাম।
হ্যাঁ?
স্যার, উকিল সাহেব এসেছে জামিনে জন্য।
ভিতরে পাঠিয়ে দাও।
তুই কী নিজেকে আরবী মনে করিস
এধরনের পাঞ্জাবি পাজামা লাগিয়েছিস?
গতরাতে কে কে ছিল তোর সাথে?
- ভিতরে এসো। - তুই আগে যা।
এরাই সাথে ছিল তাই না?
না স্যার ওরা আমার সাথে ছিল না।
- তাহলে? - আমি একা ছিলাম।
তারা জামিন করাতে এসছে, স্যার।
বসুন।
- এই। - হুম?
- টুপি। - কী?
টুপি খুল।
যদি আমি আবার কখনো তোকে হাজী বাড়ির আশেপাশে দেখি।
তোকে এমন একটা ফ্রি-কিক দিব তোর মহাবিশ্ব ভ্রমণ করা হয়ে যাবে।
বুঝলি?
- উকিল সাহেব। - জ্বি স্যার।
এবারের মতো মাফ করে দিচ্ছি।
আপনি একটু বুঝিয়ে দিবেন।
কিন্তু আবার যদি কোনো ঝামেলা করে।
আমি সব বুঝিয়ে দিব, স্যার।
এমন করে বুঝিয়ে দিবেন যেন জীবনেও না ভুলে, ঠিক আছে?
- এখন তাহলে যান। - ঠিক আছে।
বের হ্!
চল, চল।
- যাচ্ছি, স্যার। - হ্যাঁ।
তোরা আসলে কোনো কাজের না।
কেন?
তোরা দুইজনই হঠাৎ অদৃশ্য হয়েগেলি আমি ধরা পড়ার সাথে-সাথে। গাধারা!
হ্যাঁ, আমরা পালিয়েছি কিন্তু আমরাই উকিল এনে তোকে বাঁচালাম না, দীপক?
তাছাড়া আমাদের কী করা উচিত ছিল?
তখন আমাদের উদ্ধার করতে কী তোর বাবা আসতো?
তোদের একটা উকিল খুঁজতে
গতরাত থেকে আজ সকাল পর্যন্ত সময় লাগলো, তাই না?
উকিল তো আমার দুলাভাই লাগে না যে রাতবেরাত এসে আমাদের বাঁচাবে।
আচ্ছা এখন এসব বাদ দে।
তোকে কী মেরেছে নাকি?
তখন তোদের নামগুলোও বলে দেওয়া উচিত ছিল।
আরে, দোস্ত!
দাড়া, আমরা পৌঁছে গেছি।
সাবধানে নাম মামা।
হিশাম ভাই জেল থেকে ছাড়া পেলে কবে?
ভাগ এখান থেকে, বোকাচোদা!
গতরাতে যা হয়েছিল সবাই কী জেনে গেছে?
আমার মনে হয় কেউ জানে না
কেউ কিচ্ছু শোনেনি।
কী মনে হয় মা কী জানে?
চিন্তা করিস না, দোস্ত।
শতভাগ আত্মবিশ্বাস নিয়ে বাড়িতে ঢুকে যা।
আমি এখন কিভাবে যাবো?
তোকে কী দেখাতে হবে তুই এখন কিভাবে যাবি?
প্লিজ ভাই আমার সাথে আয়।
না! আমরা যাবো না
আন্টি আমাদের অনেক বার অকথ্য ভাষায় বোকা দিয়েছে। তুই একাই যা।
যা ভাই বাড়িতে যা আরে কিচ্ছু হবে।
কিছু লাগলে ফোন করিস।
সব শালা বেঈমান!
No comments yet. Be the first to leave one.