200 บรรทัดแรก
এবার তোমার পালা।
মার্ক!
মার্ক!
থামো, বিপদে পড়ব আমরা!
মার্ক!
মার্ক, আমরা নিচে চাপা পড়ে মারা যাব!
মার্ক!
মার্ক!
অবশেষে পেরেছি আমরা!
The last days
পরের জন?
তার পরের জন?
এতোটুকুই পানি দেবেন?
হ্যাঁ, এর বেশি কেউ পানি পাবে না।
অবিশ্বাস্য!
কোথায় যাচ্ছেন আপনি?
ভিলা অলিম্পিকা?
- আপনি? - ভার্দাগুয়ের।
আমার গার্লফ্রেন্ডকে খুঁজতে যাচ্ছি।
ওটা তো জিপিএস, ঠিক বলেছি?
কিসের কথা বলছ?
যেটা আপনার ব্যাগে আছে।
এই জিপিএসটা নিচ তলা থেকে চুরি করা হয়েছে।
- চলো, ভেতরে গিয়ে কথা বলি। - ঠিক আছে।
শোনো।
দেখ শালাকে!
বদমাশ একটা!
শুয়োরের বাচ্চা!
ভবিষ্যৎ থেকে ব্যাটা এখানে এসেছে আমাদের সবার পুঙ্গি মারতে!
মার্ক দেলগো?
নিশ্চয়ই আমার এখানে থাকার কারণটা জানো?
হ্যাঁ, সবাই সে ব্যাপারে অবগত।
কী বলে ডাকে তারা আমাকে?
কসাইয়ের বাচ্চা?
নাকি আরো নিকৃষ্ট কিছু?
মার্ক দেলগো।
আপনি নিরাপত্তা প্রটোকলের ইন চার্জে আছেন।
প্রজেক্ট লিডার জানিয়েছে যে ডেডলাইন পার হলেও আপনার প্রটোটাইপ এখনও জমা দেননি।
আসলে, বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম আমরা...
এসব ভুংভাং আমাকে বোঝাবেন না, আমি কোনো প্রোগ্রামার নই।
আমি শুধু জানি, প্রোটোকল রেডি না থাকার কারণে আমরা প্রজেক্টের কার্যকারিতা পরীক্ষা করতে পারছি না।
যদি আপনি প্রোগ্রামার হতেন...
নিশ্চয়ই এর পেছনের জটিলতাগুলো বুঝতেন।
যদি ভালোভাবে চেক না করেই ছেড়ে দেই, ইঁদুরের গর্তের মতো অসংখ্য গর্ত থেকে যাবে!
সেসব ইস্যু সমাধান করতেও আবার পুরো বছর লেগে যাবে।
তাড়াহুড়ো শুধু বিপর্যই ডেকে আনবে।
দেখুন, দেলগো...
আমার এখানে থাকার প্রধাণ কারণ হচ্ছে কেউ নিশ্চয়ই তার কাজটা ঠিকমত করছে না।
সবকিছু পরিকল্পনামাফিক চললে ম্যানেজমেন্ট আমাকে ডাকত না।
তাই কান খুলে শুনুন...
আপনাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলে সেটার জন্য আমি দায়ী হবো না।
- এই মাসেই এর কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। - হওয়ার কথা নাকি হবে?
হবে।
নিরীক্ষা করা হচ্ছে, অপেক্ষা করুন।
এরর! কোড করাপ্টেড!
ধুর বাল!
হাই!
হেই জানু, দোকান একটু পরেই বন্ধ হয়ে যাবে!
- তুমি বের হবে না? - আজ রাতটা ।
আন্দ্রেয়ার সাথে কিছুক্ষণ সময় কাটাও।
না, সোজা বাসায় চলে আসব!
আন্দ্রেয়া ফাজিলটা সারাটা রাত আমাকে জাগিয়ে রাখে!
তোমরা একদমই রসকষহীন!
আমার বাপও এতো রসকষহীন না!
ডিনারের সময় দেখা হচ্ছে, ওকে?
মার্ক
ওরে ওরে, কোমরটা নড়াতেই পারছি না!
প্রতিটা সকাল আমার বয়ফ্রেন্ডকে তরতাজা অবস্থায় অফিসে পাঠাই...
আর বাসায় আসে সে একদম বিদ্ধস্ত হয়ে!
দেখো তো, কেমন হয়েছে?
- ভয়াবহ! - এটা হয়ত বেচব না।
আমার কাছেই রেখেই দেব!
জুলিয়া!
আপাতত এখন না!
যখন আমরা সিদ্ধান্ত নেব! যখন তোমার সময় হবে!
এটা আসলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো বিষয় না!
সময়টা আসলে খারাপ!
ধরো, বাচ্চা নিলাম এখন, তারপর?
ওই এইচআর বানচোদ সবার ঘাড়ের উপর চেপে বসে আছে এখন!
খোদা জানে পরের মাসের বাড়িভাড়া দিতে পারব কিনা!
শালা একটা আস্ত বানচোদ!
তোমার খাবার বেড়ে দেব?
আগ্নেয়গিরীর উদ্গীরণের কারণে সৃষ্ট ছাইয়ের কারণে অনেকগুলো বিমানবন্দর এখন বন্ধ আছে...
যেগুলো মাউন্ট হেকলার কাছাকাছি আছে।
এই বছর তৃতীয়বারের মতো এরকম বিপর্যয় ঘটল!
ছাইয়ের মেঘ দক্ষিণ ইউরোপেও পৌঁছেছে!
কানাডা থেকে সদ্য পাওয়া ফুটেজে দেখা যাচ্ছে...
১৬ বছর বয়সী গ্রেগ ল্যাফার্টি গত শনিবারে আত্মহত্যা করেছে...
যে গত ছয় মাস ধরে তার বাড়িতে স্বেচ্ছাবন্দী ছিল।
বাসা থেকে বের হলেই দমটা কেমন বন্ধ হয়ে আসত!
ছেলেটির বাবা মা তার লাশ খুঁজে পেয়েছেন।
মাবুদ!
এই নিয়ে চারবার দেখলাম তাও গায়ে কেমন কাঁটা দিচ্ছে!
ওই জাপানিজ বাচ্চাগুলোর মতো কেস।
পিচ্চিগুলো সারাটা দিন বাসায় বসে বসে চিডিয়ো গেমস খেলে...
সেটা শুধু জাপানেই।
আমাদের আশেপাশের অনেক বাচ্চা মানসিক অবসাদে ভুগছে।
- রোভিরা, দেখে তো চলো? - দুঃখিত!
ও আজকে একই স্যুট আবারও পরেছে?
গত দুই সপ্তাহ ধরে একই স্যুট কেন পরছে?
শেষ কবে ঠিকমত গোসল করেছে সেটাও কিন্তু প্রশ্ন!
- সারাক্ষণ ও কেমন একটা অস্বস্তিতে ভোগে! - তাই?
আপনি কী চান?
অলরেডি বলেছি। আমার গার্লফ্রেন্ডকে খুঁজব।
তো?
সেখানে যেতে আমার একটা জিপিএস লাগবে।
সব ফোনেই তো জিপিএস আছে এখন।
সেল ফোন টাওয়ারগুলো অকেজো, তাই এসব ফোন এখন বাতিল মাল।
কিন্তু, স্যাটেলাইটগুলো সক্রিয় এখন পর্যন্ত।
সেটা নিশ্চয়ই আপনিও জানেন?
নয়তো জিপিএসটা চুরি করতেন না।
চুরি করেছি?
বাইরে গিয়ে বাকিদের জিজ্ঞেস করুন না? শুনে দেখুন তারা কী বলে?
আবারও জিজ্ঞেস করছি, কী চান আপনি?
কোথাও ফ্ল্যাশলাইট ছাড়া মুভই করতে পারবেন না।
পাতাল রেলের রাস্তাটায় কাজ চালানোর মতো আলো থাকলেও...
নর্দমার রাস্তায় যখন ঢুকবেন, কালিঘোলা অন্ধকার থাকবে সেখানে!
আমাকে জুলিয়াকে খুঁজতে সাহায্য করুন, তারপর এগুলো দিয়ে দেব আপনাকে।
তারপর ভিলা অলিম্পিকা কেন, যে কোনো জায়গায় যেতে পারেন।
আপনিও তো আমার মতো চুরিই করলেন।
রোভিরা!
রাখুন, আমার এসব লাগবে না।
ব্যাপার না, অন্যদের কানে রটাচ্ছি বিষয়টা।
আপনি যে একটা আহাম্মক সেটা জানেন?
এখানে গত তিন মাস ধরে আমরা আটকে আছি!
ও বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে সেটাও জানি না!
আমাকে আহাম্মক বলার অধিকার নেই আপনার।
কী করবেন সেটা ভাবুন।
হ্যাঁ নাকি না?
দরজাটা বন্ধ করুন।
গুড লাক!
আশা করি, আবারও দেখা হবে একদিন!
হতেই হবে!
আশা করি।
কী দেখাচ্ছে সামনে?
সামনে অনেকগুলো ব্লক আছে। কিছুটা অস্পষ্ট যদিও, তবে বোঝা যাচ্ছে।
- যদি আমরা ঘুরপথ দিয়ে যাই... - হাত সরান।
অযথা এটা অন রাখবেন না। ব্যাটারির হায়াত কমিয়ে দিচ্ছেন আপনি।
নর্দমায় না পৌঁছানো পর্যন্ত এটার সাহায্য লাগবে না আমাদের।
লাইন ৩ আমাদেরকে নিয়ে যাবে সান্টসে...
তারপর লাইন ৫ ধরে সোজা গেলেই ভার্দাগুয়ের পড়বে।
লাইন ৪ ধরে এগুলে ভিলা অলিম্পিকায় পৌঁছুতে পারবেন আপনি।
পালান!
বাল!
আমার পানির বোতল দে বলছি!
ওটা আমার!
ফিরিয়ে দে বলছি!
জিপিএসটা!
এই ছেলে দাঁড়াও!
জাভি!
- আর সামনে এগোবে না! - ধুত্তোরি, থামালেন কেন আমাদের?
কী হয়েছে?
অই খানকির ছেলে...
কে, ও?
এই খানকির ছেলে আমার ভাই!
তাহলে এর মানে কী দাঁড়াল?
আমিও খানকির ছেলে, ঠিক বলেছি?
না, না!
দেখুন, আমরা কোনো হাঙ্গামা করতে চাই না এখানে!
এই ছেলেটা আমাদের ব্যাগ চুরি করেছে!
ওকে?
ব্যাগটা ফিরে পেলেই আমরা চলে যাব!
আপনাদের কাউকে বিরক্ত করব না!
বুঝলাম।
নইলে?
নইলে কী করবে?
পুলিশ ডাকবে?
শিট!
এখন আর আইন বলে কিছু নেই।
বেঁচে থাকার জন্য যে কোনো কিছু করা এখন বৈধ।
এখন জোর যার মুল্লুক তার।
বোঝা গেছে বিষয়টা?
হাঁটু গেড়ে বোস।
আমাদেরকে যেতে দিন!
জাভি!
কাজ করছে ওটা?
অনেক চালাক আপনারা!
ওই ব্যাগে কী আছে?
একটা প্রশ্ন করেছি আমি।
- আমি বলামাত্র জিপিএসটা নিয়ে নেবেন! - কী করতে চাচ্ছেন আপনি?
তোদের কাছে যা আছে...
সব ফ্লোরে রাখ?
- জিপিএসটা নিয়ে নিও। - কিন্তু...
মার্ক?
মার্ক!
আছি!
জিপিএসটা পেয়েছ?
পেয়েছি!
রেডি?
কিসের জন্য?
পালাও!
সরে যান!
সরে যান!
এটা কী ঘটল একটু আগে?
প্ল্যানটা কাজ করেছে?
কী হয়েছিল সেখানে? অন্ধকারে কিছু দেখতে পারিনি!
- তাকে মেরে ফেলেছেন? - প্ল্যানটা কাজ করেছে?
প্লিজ...
জিপিএসটা আমাকে ফেরত দিন?
এখন কি আমাকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেবেন?
No comments yet. Be the first to leave one.