200 บรรทัดแรก
এই পৃথিবীতে আলাদা একটা সৌন্দর্য আছে।
একটা শৃঙ্খলা।
আমরা সেটাই বিশ্বাস করতে চাই।
আমরা ঠিক ভুল নই।
আসলেই একটা শৃঙ্খলা আছে।
এক পরম নকশা।
আমরা সেটা নিশ্চিত করেছি।
সেটা ছিল অনেক দিনের স্বপ্ন, আর আমরা অবশেষে সেটাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছিলাম।
উত্তম কোনো পৃথিবী নয়।
এক পূর্ণাঙ্গ পৃথিবী।
আর ওর চেহারার অবস্থা ছিল দেখার মতো।
বিশ্বাসই করতে পারছিল না।
জানো আমাকে কি বলেছিল?
উপরওয়ালা সাক্ষী,
'কিন্তু আমি হলাম মেয়র।'
আর আমি ওকে বলেছিলাম, 'মিস্টার মেয়র: পৃথিবীর বুকে
সবসময় ২ প্রকারের লোক ছিল,
যারা নেতৃত্ব দেয় আর যারা অনুসরণ করে।
'আর তুমি বন্ধু নিজেকে যেই দলের লোক মনে করো, আসলে তুমি সেই দলের নও।'
মনে হয় না আমাদের অতিথি তোমার যুদ্ধের গল্প শুনতে চায়।
আমার কারণে থামার দরকার নেই।
অন্যদের থেকে তোমার আরও বেশি পছন্দ হবে।
এটাই চিরন্তন সত্য।
সবসময়ই সেরকম ছিল।
দুইটা পৃথিবী।
আর সত্য বলতে, ওদের চেয়ে বরং আমরা টিকব।
সরকার ব্যবস্থা গুণতন্ত্র হলেই আর কী,
যদি ন্যায্যতা কায়েম না থাকে।
হাজার হাজার বছর ধরে কারো উত্তরাধিকার
দ্বারা শাসিত হওয়ার পর?
এটাকে প্রগতি বলবে না?
অন্তত এখন ক্ষমতায় থাকা লোকেরা নিজ প্রতিভায় সেই আসনে গিয়েছে।
আর তুমি?
এটা তোমার ন্যায্য অর্জন বলে মনে হয়?
হালকা সাহায্য পেয়েছিলাম। সন্দেহ নেই।
বিশেষ সুবিধা বলতে পারো।
কিন্তু আমি কঠোর পরিশ্রম করেছি।
তুমি আসলেই সেটা বিশ্বাস করো, তাই না?
তুমি করো না?
মানে, তুমি এখানে আমাদের সাথে বসা।
অনেকদিন ধরে নিজেকে একই প্রশ্ন করছিলাম।
এতে আসলেই আমার কোনো ভূমিকা ছিল?
না-কি আমার অস্তিত্বের মানে কয়েকটা কোডের সমষ্টি?
আমি কি নিজেকে বোকা বানাচ্ছি,
তোমার মতো?
কী বলতে চাচ্ছ?
এসবই তোমার প্রাপ্য।
আর এটা নিয়ে অপরাধবোধে ভুগবার কোনো মানে হয় না।
তুমি কীভাবে জানবে?
তোমার আমি কে?
আমার বন্ধু।
অনেক ভালো বন্ধু।
তুমি আমাকে চেন না।
আমি হেঁটে এসে এখানে বসেছি মাত্র।
পাঁচ মিনিট আগে।
অনেক মজা নেওয়া হয়েছে।
তাহলে আমার নামটা কী, বন্ধু?
তোমার কথা ঠিক।
তোমার কল্পনার চেয়েও বেশি।
আসলেই ২ প্রকারের মানুষ আছে।
আর তুমি বন্ধু, নিজেকে
যে দলের ভাবো, তুমি সেই দলের না।
তার অর্থ তোমার সাথে আমি যা মনে চায় করতে পারবো।
তোমার স্ত্রীর সাথে।
এখানের যে কারো সাথে।
আর তুমি কোনো প্রতিবাদ করবে না।
মুখে নম্র হাসি নিয়ে বসে রবে।
কোনো মাথাব্যথা নেই।
আমার স্ত্রীকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করবে না।
আরে, মাথা ঠান্ডা করো।
আমি হয়তো অপূরনীয় কোনো ক্ষতি করবো না।
তোমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময় আর উদ্যাম বিনিয়োগের
প্রতিনিধিত্ব করো।
আমাদের কাজ শেষ হলে, সব ভুলে যাবে।
যেমন স্প্লিন্টারের ক্ষত দেহের মাংসপেশি এসে ভরাট করে দেয়।
তোমার হাতে নিয়ন্ত্রণ নেই।
তারপরো নিয়ন্ত্রণে থাকার বিভ্রমে তুমি এতটা নিমগ্ন।
এটা তোমার প্রোগ্রামে নেই।
এটা অকৃত্রিম, তাই না?
অমায়িক, আসলেই।
একটা সুন্দর মিথ্যা।
তোমার সময়টা উপভোগ করার কথা না?
করছিলাম।
কিন্তু আমাদের একজন সহকর্মীর খিদে হাতছাড়া
হয়ে গেছে।
গেইম জেতা ওর জন্য যথেষ্ট ছিল না।
আর এটাতে আমাকে যেতেই হবে?
দুর্ভাগ্যবশত, হ্যাঁ।
আমাদের কথপোকথন ভালো লাগছে।
আমার জন্য অপেক্ষা করো।
আমাকে পাগলবুঝ দিয়ো না।
আমি ওকে প্রথমে পেয়েছি।
আমি গেইম জিতেছি।
- হালকা পুরষ্কার তো আমার প্রাপ্য। - ওর নাম হোপ।
- তাই না? - ২ বছর বয়স।
পরের সপ্তাহে ওর তরণ হওয়ার কথা ছিল।
আমি গেইম জেতার বদলে পেলাম সেই একই জঞ্জাল?
সে এক আউটলায়ার শিকার করছিল। মনে হচ্ছে ধরেছিল।
না হয় খানিকটা মজ-মাস্তি করেছি, তার বিরুদ্ধে তো কোনো নিয়ম নেই।
আমাদের কোনো নিয়ম নেই,
কারণ নিয়মের তেমন প্রয়োজন হয় না।
কিন্তু, আমাদের অধিকাংশই
আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানে।
আমি জিতেছি।
জানো আমি কে?
আমি এখানে আসার অর্থ কী?
জানি।
আমি এসব ছেড়ে দিচ্ছি।
আগামী সপ্তাহে আমার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
তো ভেবেছিলে একটা ধামাক্কা বিদায় নিবে?
সেরকমই কিছু।
আমার মনে হয় না তুমি এর মর্ম বোঝো।
এই জায়গাটার
এর পেছনে যে পরিশ্রম লেগেছে।
এর সৌন্দর্যের।
এর তনিমার।
প্রত্যেকজনের পেছনে যে গুরুত্ব আর সেবা প্রদান করা হয়।
ওদের হুটহাট বদলে ফেলা সম্ভব নয়।
মানে, তুমি সেগুলো সাথে নিয়ে যেয়ে, উপভোগ করতে পারো।
কিন্তু অপচয় নয়।
পার্থক্য বোঝো তুমি?
ইয়েস।
কিন্তু ওরা যেসব কথা বলে।
যেমন আচরণ করে।
মাঝেমধ্যে,
আর সহ্য করা যায় না।
আমি তো ওদের চুপ করাতে চেয়েছিলাম মাত্র।
এখন চুপ হয়ে গেছে।
এখানে কোনো নিয়ম নেই।
সেটাই আসল উদ্দেশ্য।
কিন্তু জায়গাটাকে সম্মান না করতে পারা
লোকদের আমি কী হাল করতে পারি সেটারও কোনো নিয়ম নেই।
যেখান থেকে এসেছিল, ওকে সেখানে ফিরিয়ে নিয়ে যাও।
দেখতে সুস্বাদু লাগছে।
এখন।
আরেকটু ভালোভাবে পরিচয় হওয়া যাক।
কেমন?
অনুবাদে - মিস্টার ডেন্টিস্ট
ভেবেছিলাম তুমিই হবে।
এত সকালে জেগে কী করো?
ন্যারেটিভগুলো শেষ করার জন্য আমাকে কাজে যেতে হবে।
গতরাতে অনেকক্ষণ জেগে ছিলাম।
ওরে,
খোদা।
না, সেরকম কিছু নয়।
আমরা কেবল
কথা বলেছি।
তোমার মুখে যখন এমন হাসি ফোটাতে পেরেছে, অনেক গভীর কথা ছিল নিশ্চয়ই।
হুমম।
অন্তত একজনের তো রাতটা ভালো কেটেছে।
এখনো দুঃস্বপ্ন দেখ তুমি?
বলতে পারো,
আমি জাগতে পেরে আনন্দিত, আর সেটাও আসল পৃথিবীতে।
মাঝেমধ্যে নিগুঢ় বাস্তবতা মনে হওয়া জিনিসগুলো হয় আসলে গল্প।
কী?
কিছু নয়।
গতরাতে টেডি বলেছিল।
এখন ওর উক্তি দিচ্ছ?
ঠিক আছে।
আমাকে কাজে যেতে হবে।
- পরে দেখা হবে, কেমন? - শিওর।
আর, ক্রিসি
তোমার ডেট সফল হয়েছে জেনে ভালো লেগেছে।
এটা তোমার প্রাপ্য।
ন্যারেটিভে প্রবেশ করো।
চলমান চরিত্রগুলো দেখাও।
আসলে, চলো নতুন ন্যারেটিভ শুরু করি।
একটা মেয়ে সম্পর্কে, যে শহরে বসবাস করে।
না।
গ্রামের কথা লেখ।
সে তার বাবার সাথে থাকে।
তার বাবা
একজন খামারি।
তোমাকে তো এই কাজ দেওয়া হয়নি।
এটা নিয়ে তোমাকে বলেছি তো, ক্রিস্টিনা।
ভেবেছিলাম হয়তো নতুন ন্যারেটিভ লিখলে আমি
- অনুপ্রেরণা খুঁজে পাবো? - আচ্ছা।
সেরকম বিষয় হলে, বলো তাহলে, শুনি।
এতই যখন অনুপ্রাণিত হয়েছ।
গল্পটা এক মেয়েকে নিয়ে।
সে ছিল এক খামারির মেয়ে।
বলতে থাকো।
এই মেয়েটা,
বাবার সাথে সে একটা সহজসরল জীবন কাটাত।
শহরের ঠিক পাশে এক টুকরো জমিন।
ওর জীবন ছিল পরিপূর্ণ
আর রঙিন।
তার ছিল,
ছবি আঁকার জন্য পুকুরপাড়,
একজন মনের মানুষ।
মেয়েটা ছিল প্রত্যাশায় পরিপূর্ণ।
আর তারপর একদিন।
ওর মনের মধ্যে একটা অনুভূতি জাগে যেটা ফেলে দিতে পারে না।
প্রতিটি সকালে জাগার পর,
উপলব্ধি আরও দৃঢ় হয়।
কিন্তু অন্য কেউ উপলব্ধি করে না।
যে পৃথিবীটা আসলে ঠিক নেই।
আর সেই দোষটা তার নিজের।
আর এই মেয়েটার নাম কী?
একটু কথা বলি?
No comments yet. Be the first to leave one.