200 บรรทัดแรก
মুভির নামঃ Retribution (স্প্যানিশ) অনুবাদ আয়োজনেঃ মোহাম্মদ ইউসুফ ও হোসেইন সাদি সম্পাদনাঃ মোহাম্মদ ইউসুফ
RETRIBUTION
সমস্যাটা কি তোমার! এখনও নাশতা করছো?
তাড়াতাড়ি করো, আমার একটু তাড়া আছে।
নাশতা করা শেষ হলে বাসন কোসন গুছিয়ে রাখবে।
- শুভ সকাল, আলেজান্দ্রো। - শুভ সকাল, কার্লোস।
এত সকালে কল দেওয়ার জন্য সরি, কিন্তু না করেও পারলাম না! .
কি ব্যাপার?
খবরটা যে কোন সময় ফাস হয়ে যেতে পারে। .
মানুষের কানে কথাটা ছড়িয়ে পড়ার আগেই তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে হবে। .
আমাদের হাতে আর কত সময় আছে?
খবরটা হতে পারে এক মাস পরেও ফাঁস হতে পারে.. ,
এক সপ্তাহ, কিংবা দুদিন পরেও ফাঁস হতে পারে
কেমন লাগছে খেতে?
কাস্টোমারদেরকে কি আমরা বিষয়টা অবহিত করবো?
-না না, একদমই না! - খরগোশের মত দাঁত বের করে হাসছিস কেন?
তোমার ভাল লেগেছে বিস্কুটটা, তাই না?
আমরা কাস্টোমারদের দরকার হলে লভ্যাংশ দেব। .
নয়তো ভাল অফার দেব। ,.
তুমি নিশ্চয়ই কোম্পানির নীতিমালাগুলো জানো।
-যদি তারা আপত্তি করে... - মার্কোস, সারা।
দু মিনিটের মধ্যে তোমাদের গাড়িতে দেখতে চাই।
খুব ভাল লাভের সম্ভাবনা আছে ভবিষ্যতে। .
খাওয়া শেষ হলে টেবিল দ্রুত পরিষ্কার করো!
-আমাদের অতিসত্বর এ নিয়ে মিটিঙে বসতে হবে। - এখুনি বের হও!
বাচ্চারা, আমার সাথে চলো।
মার্থা, আমি ওদেরকে নামিয়ে দেব!
দরকার হলে মিটিংটা ক্যান্সেল করব।
অফিসে যাবার সময় ওদের নামিয়ে দেব।
তোমার ওপর আমার ভরসা আছে।
যখন ব্যাপারটার নিষ্পত্তি হবে আমাকে ফোন দেবে।
-আচ্ছা। - ঠিক আছে, পরে কথা হবে।
- মার্কোস। - কি?
- গাড়ির চাবি কি তোমার কাছে? - না, গাড়ির দরজা খোলাই ছিল!
পেছনে বসো, সামনের সিটে অফিসের কিছু গুরুত্বপূর্ন কাগজ আছে।
আহ, শখ কত!
বল এনেছ কেন?
স্কুলে কেউ বিশ্বাসই করতে চায় না তার অটোগ্রাফ নিয়েছিলাম আমি!
- বলটা দাও। - না।
- বল! - ঠিক আছে, নাও।
ব্যাগটাও দাও।
- বাবা, ও আমাকে চড় মেরেছে! - দুষ্টুমি ক্রো না কেউ!!
গাড়িতে কেমন যেন একটা বাজে গন্ধ!
নিশ্চয়ই তোর মুখ থেকে বেরুচ্ছে।
দুজনেই মুখ বন্ধ রাখবে, একটা কল দিতে হবে আমাকে।
- কার্লোস! - আবারও শুরু হতে যাচ্ছে প্যানপ্যানানি!
করছোটা কি তুমি?
ওদেরকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে তারপর অফিসে যাব।
তুমি বলেছিলে আমাকে নিয়ে যেতে!
তোমার নাকি মহা গুরুত্বপূর্ন অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে?
ওটা ক্যান্সেল করেছি...
এর জন্য আমার অফিসের মিটিং টা আমাকে পেছাতে হয়েছে, জানো তুমি?
ভেবেছিলাম এতে তোমার সুবিধাই হবে।
সুবিধা?
একটা কথা বলি, মার্কোস?
তোমার সাথে কথা বলা সময় নষ্ট ছাড়া কিছুই না।
-জি বস,বলুন। - ভিক্টর, কেমন যাচ্ছে সব কিছু?
রজার্স হেড অফিস থেকে ফোন দিয়েছিল।
এত তাড়াতাড়ি? উনি চানটা কি?
উনি চান, আমরা কাস্টোমারদের গণহারে লভ্যাংশ দেওয়া শুরু করি।
বলেন কি!
কোম্পানির ফান্ডে নেই ফুটা পয়সা, উনি দেবেন লভ্যাংশ!
আচ্ছা, কিসের ভিত্তিতে তারা এই সিদ্ধান্ত নিতে চাচ্ছেন?
বাদ দাও, আমার পকেট থেকে তো আর লভ্যাংশ দেব না।
একবার মিটিং এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেলে আর কিন্তু পেছাতে পারবেন না।
বস, আপনি চেষ্টা করুন কোম্পানির পরিচালক পর্ষদের সবার সাথে কথা বলার।
আচ্ছা, বিস্তারিত খবর তোমাকে পরে জানাবো।
বাবা, ফোনটা তুলো!
ঠিক আছে, আমি জুলিয়াকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাচ্ছি। .
আমি গাড়িতে, অফিসে কথা হবে।
আচ্ছা, বেশ।
এটা কে ঝুলিয়েছে?
হ্যালো?
কার্লোস?
বলছি।
যখন গাড়ির দরজা খোলা ছিল, কি ভেবেছিলে তুমি?
কে বলছেন আপনি? আপনার পরিচয় দিন।
তুই যে একটা শুয়োরের বাচ্চা, সেটা জানিস?
মুখ সামলে কথা বলুন!
- কি চান আপনি? -এইতো, লাইনে এসেছিস।
যা চাই, সেটা না দিলে তোর কপালে দুর্গতি আছে।
মজা করবেন না আমার সাথে।
মুখ বন্ধ করে কথা শোন আমার।
তোরা তিনজন বোমার ওপর বসে আছিস।
যদি সিট ছেড়ে উঠিস, বোমাটা সাথে সাথে বিস্ফোরিত হবে।
বুঝেছিস আমার কথা?
অফিস
কার্লোস, শুভ সকাল। .
হ্যালো, মার্সেদাস।
মিটিং টা ১১ টার দিকে ফিক্স করো।
আর কিছু, স্যার?
হুম, হেড অফিসে কল করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস গুলো পাঠাতে বলো।
খুব শীঘ্রই নতুন একটা প্রজেক্ট শুরু করতে হবে।
- ঠিক আছে? - আচ্ছা, ঠিক আছে স্যার।
অপরিচিত
তোর বয়ফ্রেন্ডকে বলেছিস তুই যে আরেকটা ছেলের সাথে টাংকিবাজি করিস?
না, তবে এটা বলব প্রতি রাতে তুই মুতে বিছানা ভাসিয়ে দিস।
মা কিন্তু বলেছে তোকে এটা নিয়ে ফাজলামি করতে না!
করছিও না, সত্য কথা শুনতে তিতাই লাগে।
- আল্লাহর ৩০ টা দিন তুই রাতে এই আকাম করিস! - চুপ কর!
দাড়া, এক্ষুনি বলছি ওকে। অনলাইনে আছে ও।
জানো সোনা...
মার্কোস না প্রতি রাতে..
বিছানায় ঘুমের সময় আরামসে মূত্র বিসর্জন করে।
না!
মার্কোস, তুই তো শেষ!
তোর ব্যাবস্থা আমি পরে করব।
দেখ দেখ, ও কি রিপ্লাই দিয়েছে?
না, দেখব না..তোর খবর আছে!
তোর দৌড় আমার জানা আছে।
মার্কোস, গায়ে হাত তুলবি না।
তোর জায়গায় আমি হলে কখনোই বাসা থেকে বের হতাম না।
- ফোনটা দে আমাকে। - আমার চুল ছাড় আগে!
- আগে আমায় ফোনটা দে! - মার্কোস, চুল ছাড়!
বাবা!
- দাড়া, তোর আরও কিছু কুকীর্তির কথা লিখি। - ফোনটা আমাকে দে!
- জি? -আর কখনও মুখের ওপর ফোন কেটে দিবি না!
ফোন রিসিভ করতে দেরি করেছিস, জানিয়েছিস নাকি কাউকে?
- না। - জানালে খুব খারাপ হবে।
শোন এরপর যদি ফোন কেটে দিস বা কাউকে কিছু জানানোর চেষ্টা করিস তোকে নরক দেখিয়ে ছাড়বো এরপরে।
গাড়িতে আমার বাচ্চারা আছে, প্লিজ মজা করবেন না!
মজার আর দেখেছিস কি!
মজা কত প্রকার ও কি কি আজ বুঝবি!
তুই আর তোর বাচ্চারা সবাই সিটে বসে থাক।
- ফোনটা দে বলছি! - চুপ করে বসে থাক।
- মার্কোস, সিটবেল্ট টা পড়ো। - কি হয়েছে আব্বু, কোন সমস্যা?
- সিটে চুপচাপ বসে থাকবি। - কেন?
মার্কোস, তোকে সিটবেল্ট পড়তে বলেছি।
- বাবার কথা শোন। - সারা ফাজলামি করছে!
যদি তোমার আর আম্মুর মধ্যে কোন সমস্যা থাকে প্লিজ আমাদেরকে এর মধ্যে টেনো না।
সিটে চুপ করে বস।
- কিন্তু? - আর একটা কথাও নয়া!
আমি আমার টাকা চাই।
কিসের টাকা?
৬৭৫৪৭ ইউরো, ক্যাশে।
বাকি ৪২০০০০ ইউরো তোর একাউন্ট থেকে।
সাবধান, টাকা ট্রান্সফারের সময় কোন ধরনের চালাকি করবি না।
বুঝেছিস?
অসম্ভব!
সম্ভব কর।
যদি আমি চাইও, তাও আমার পক্ষে এটা অসম্ভব।
এখন অত টাকা ক্যাশ আমার কাছে নেই।
আর যতক্ষন না অফিসে পৌছচ্ছি, টাকা ট্রান্সফারও করতে পারব না আমি।
ব্যাপারটা প্লিজ বোঝার চেষ্টা করুন।
না না, আমার সাথে কোন কৌশল খাটবে না। .
আমি এই প্ল্যানিং টা লম্বা একটা সময় ধরে করেছি।
আজকে শুক্রবার, মাসের শেষ দিন।
ব্যাংকে সবাই বেতন আর পেনশনের জন্য ভিড় করবে।
৬৭৫৪৭ তোর একাউন্ট থেকে ক্যাশে দিবি আমাকে। .
আমার কাছে এই মুহূর্তে এত টাকা নেই!
তোর কাছে নেই?Y
তোর একাউন্টে ৫৭৭৯ ইউরো আছে।
তোর স্ত্রীর একাউন্টে আছে ১৭৬৮ ইউরো।
ওর সেভিংস একাউন্টে আছে আরও ৬০০০০ ইউরো। .
- সব মিলিয়ে ৬৭৫৪৭ ইউরী। - গারী থেমে কেন?Why have we stopped?
উনার কাছে ব্যাংকের কাজ সব কিছুর আগে।
এত কিছু কিভাবে জানলেন?
চুপচাপ যা বলেছি কর, তুই আর তোর তোর বাচ্চা প্রানে বেচে যাবি।
আমি তোকে জিপিএসের মাধ্যমে অনুসরন করছি, আর বোমাটা রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে।
সুতরাং, বোকার মত কোন কাজ করে বসবি না।
আচ্ছা, আমি এখনও বুঝতে পারছি না আমার ওপর কিসের ক্ষোভ আপনার?
তুই আর তোর বাচ্চা বেঘোরে মারা পড়বি...
যদি সময়মত টাকা আমার হাতে না আসে। .
- বুঝেছিস? - আব্বু, স্কুল!
আব্বু, তুমি তো স্কুল পেরিয়ে যাচ্ছো!
আব্বু!
দেখুন, আমি সর্বসান্ত হয়ে যাব...
মুখ বন্ধ করে আমার কথা শোন .
হয় তুই আমাকে টাকাটা দিবি আর নয়তো আমি বাটন প্রেস করব। .
কিন্তু, বাকি ৪২০০০০ ইউরো কিভাবে আপনাকে দেব?
সেটা তুই আর তোর খোদা জানে।
- না, না, না! - তুই হচ্ছিস একটা ব্র্যাঞ্চের ম্যানেজার।
-তোর পক্ষে এই কাজ মামুলি ব্যাপার। - সিটবেল্ট পড়।
দুজনকেই সিটব্যাল্ট পড়তে বলেছি।
সমস্যাটা কি?
তোরা দুজন কি আমার কথা একবারের জন্য হলেও শুনবি না?
- কেন? - এত প্রশ্ন করবি না।
সিটবেল্ট পড়তে বলেছি, পড়।
দারুন, কাজ শুরু করে দে।
আচ্ছা, ঠিক আছে।
একজন লোক ফোন দিয়ে বলল...
আমাদের সিটের তলায় বোমা আছে।
- যদি কেউ সিট ছেড়ে উঠিস, তবে বোমাটা ফাটবে। - বোমা?
হয়ত কেউ মজা করছে...
তবুও আমি জেনে শুনে এত বড় ঝুঁকি নিতে পারি না।
স্বাগতম
তোরা একটু শান্ত হয়ে বসে থাক, এই অনুরোধটুকু করছি শুধু।
তুমি তো এতটা বোকা প্রকৃতির ছিলে না, আব্বু!
- কেউ ফোনে ধমকি দিল আর ভয় পেয়ে গেলে? - নড়াচড়া করিস না, ঠিক আছে?
কিসের জন্য অপেক্ষা করছ? পুলিশকে ফোন দাও!
যদি শুনি তুই পুলিশকে ফোন দিয়েছিস...সাথে সাথে বুম্মম্মম্ম!
যা বলছিস সেটা এখন সম্ভব নয়।
অই পরিমান টাকা জোগাড় করতে হলে, আমাকে শারিরীকভাবে অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে।
তারপরও অত সোজা হবে না কাজটা।
তাড়াহুড়ো কিসের, ৬৭৫৪৭ দিয়েই শুরু কর।
বেশিরভাগই আমার স্ত্রীর নামে।
- ওটা আমার দেখার বিষয় না। - ব্যাপারটা হাস্যকর লাগছে।
ফোনের স্পিকারটা অন করো, ভাড়টা কি বলে একটু শুনি।
সারা, প্লিজ
আমি শুধু টাকা চাই এবং সেটা এক্ষুনি। .
No comments yet. Be the first to leave one.