200 บรรทัดแรก
সাবটাইটেল পরিবেশনায় "অনুবাদে অনুরণন"
অনুবাদে : আরমান আল মাহমুদ, আসিফ নেওয়াজ, রফিকুল রনি, আল মাকসুদ, সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম, তানভীর রহমান নকিব
সম্পাদনায় : আরমান আল মাহমুদ
হ্যালো?
রিপোর্টার কিম মুন হো?
কে?
হিলারের নাম শুনেছেন?
তুমি নাকি ফোনে কথা বলো না।
হ্যাঁ। বলি না।
কিছু জানার আছে।
সামনা-সামনি জানতে চাই।
বিনিময়ে কিছু পাবেন।
যেমন, এই লাইনের সবচেয়ে ভালো নাইট কুরিয়ারের কোনো সেবা।
কী জানতে চাও? ডিল পরেও করা যাবে।
সিন্দুকের ছবিটায় থাকা...
ওই পাঁচজন লোককে চেনেন?
চিনি।
১৯৯২ এর ফেব্রুয়ারিতে ঘটে যাওয়া ঘটনাটা...
জানেন?
জানি।
- দেখেছিও। - আমাকে বলার বিনিময়ে...
কী চান?
তোমার চেহারা দেখাবে?
আসলে, সেটা...
পার্ক বং সু।
ওই রিপোর্টারের জ্যাকেটে ফোনটা পেয়েছি।
ফোনটা আনকমন হওয়ায়, ভালোই মনে আছে।
এটা ছে ইয়ং সিনের, তাই না?
লিফট দুর্ঘটনার সময় হারিয়েছে।
সেখানে কেবল আসামিটা আর হিলার ছিল।
পার্ক বং সু।
তোমার চেহারাটা আরেকবার ভালোভাবে দেখতে চাই।
দেখাবে?
আমার অফারের এটাই শর্ত।
চেহারা দেখাও।
তাহলে, যা জানতে চাও সব বলবো।
একদিন পত্রিকার মোহে পড়ে থেকে যেতে চেয়েছি। খারাপ হলো ব্যাপারটা।
শুরু করি?
এদের মধ্যে, কার সম্বন্ধে জানতে চাও?
একেবারে বাঁয়েরটা।
লাল জ্যাকেট।
সেও যুন সেওক।
১৯৯২ এ সে কী করেছে জানেন?
কোনোভাবে কি...
- সিক্রেট সিক্রেট আইল্যান্ডের ব্যাপারে জানো? - কী?
সেটা কোথায় কেউ জানে না।
নামটাও কেউ জানে না।
তাই, সেটা সিক্রেট সিক্রেট আইল্যান্ড।
দেখুন...
চেহারা দেখিয়েছি মানে আমি খুবই সিরিয়াস, তাই...
এটা সিক্রেট সিক্রেট আইল্যান্ড! সিক্রেট সিক্রেট আইল্যান্ড!
সিক্রেট সিক্রেট আইল্যান্ড!
বলে যান।
কিছুক্ষণ আগে, মিউং হি কল দেয়।
বললো বাসায় ডাকাত এসেছিল।
পুরনো বন্ধুর চেহারার সাথে তার মিল দেখে অবাকই হয়।
সম্ভবত আমার চেয়ে মিউং হির ভালো মনে আছে।
ওর সময় থমকে গেছে।
এখনো ১৯৯২ তে পড়ে আছে।
এখন বুঝলাম...
কত মিল।
সিক্রেটই নাইট কুরিয়ারের সম্বল।
যুন সেওক সম্বন্ধে জানতে...
চেহারাটাও দেখিয়ে বসলে।
ওর চোখ পেয়েছ, সেও জং হো।
জং হো, না?
জং হো, জং হো! খেলো না!
জং হো! জং হো! জং হো! খেলো!
দৌড়াবে না!
দৌড়ালে, আইল্যান্ডে যেতে দেবো না।
- এটা সিক্রেট সিক্রেট আইল্যান্ড। - হ্যাঁ।
এটা কোথায় এবং নাম কী কেউ জানে না, তাই এটা সিক্রেট সিক্রেট আইল্যান্ড।
- ভেতরে যাই? - এখন না।
- এটার নাম কী? - সিক্রেট সিক্রেট আইল্যান্ড!
- এটা কোথায়? - কেউ জানে না!
- এটার নাম কী? - সিক্রেট সিক্রেট আইল্যান্ড।
হায় হায়... নাম জানে না তো।
তাহলে কে যাবে?
চুপচাপ খেলো।
শব্দ করলে, জলদস্যুরা জেনে যাবে, বুঝলে?
বুঝেছি।
তোমাদের মা-বাবারা একত্রিত হলে
সারারাত ড্রিংক করে নয়তো কথা বলে কাটিয়ে দিতো।
তাই, তোমাদের দেখাশোনা আমাকেই করতে হতো।
যার তার সাথে ড্রিংক করি না।
তোমরা আমার সাথেও খুব মিশতে।
'তোমরা'...
আমি ছাড়াও...
আমার বয়সী একটা মেয়েও ছিল?
হ্যাঁ, গিল হানের মেয়ে।
- কোথায় এখন? - মারা গেছে।
১৯৯২ তে মারা গেছে।
সে বছর অনেকেই মরেছে।
- কোত্থেকে শুরু করবো? - আমার বাবা কাকে মেরেছিল?
- কেউ বলেনি? - না।
মানুষের সাথে আমার ওঠাবসা কম। তাই বলে ফেলুন, কাকে?
আমার বাবা...
যাকে মেরেছে...
ওহ গিল হান।
হ্যাঁ।
পাঁচ বন্ধুর একজন সে।
বন্ধু?
বন্ধুকে মেরেছে?
তবে, প্রশ্নটা ভুল ছিল।
তোমার বাবা ছিল সন্দেহভাজন, আসামি নয়।
পার্থক্যটা জানো?
জানি। আমিও এই পরিস্থিতির শিকার হয়েছি।
নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার আগেই, সে মারা যায়।
তখন থেকে আজও...
তোমার বাবা খুনের সন্দেহভাজন।
তাকে নির্দোষ প্রমাণ করবে?
সেজন্যই এসেছ?
বাবাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে সে সাহায্য করবে।
তো?
একদিন পত্রিকায়, পার্ক বং সু হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবো।
কাছেই থাকতে বলেছে।
আমার মত নেই।
শুরু থেকেই কিম মুন হোকে আমার অপছন্দ।
তুইও জানিস
দরকার পড়লে খুব সহজেই সে মিথ্যা বলে।
অমন লোককে তোর চেহারা দেখানোয় মোটেও খুশি নই।
আমার সাথে নাকি ছোটকালে খেলেছে।
আমারও মনে আছে।
একটা কথা বলি।
এতদিন পর বাবাকে নির্দোষ প্রমাণ করাটা এত জরুরি কেন?
নির্দোষ প্রমাণ করলে, স্বর্গ থেকে ধন্যবাদ পাঠাবে?
ডেলিভারির সার্ভিসের মাধ্যমে?
- আসলে... - কী?
বলতে চাই।
ছে ইয়ং সিনকে বলতে চাই।
আমি যে একটা চোর।
কিন্তু বাবাকে খুনি হিসেবে পরিচয় দেয়াটা বেশিই হয়ে যায়।
কাকে কী বলছিস?
বলোনি তুমি?
আমার দ্বীপে যে আসবে তাকে বলা যাবে?
এটাই, ওকে বলা যায়।
ছে ইয়ং সিনকে বলাতে ঝুঁকি নেই।
আমার পরিচয় এবং আমার সাথে আসতে পারবে কিনা?
প্রথমে হয়তো, এতদিন বোকা বানানোয় মারবে।
লাথি দিবে, ঘুষি দিবে।
ওতে সমস্যা নেই।
তবে...
ঠিক হয়ে যাবে সব।
ও এমনই।
অদ্ভুত গান গায়, উরাধুরা নাচে।
তখন আর রাগ করবে না।
আজুম্মা, শুনছো?
জানি কী ভাবছো।
হিলার গোল্লায় গেছে।
অন্য কাউকে খুঁজে নিই, কী জ্বালা রে বাবা।
আমি জানি। সব জানি, কিন্তু...
বাবাকে নির্দোষ প্রমাণ না করা পর্যন্ত...
মনে শান্তি পাচ্ছি না।
কিছু একটা আমাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে।
তাই, আর কিছুটাদিন আমার সাথে থাকো।
আমি পারবো, বুঝলে?
আজুম্মা?
- রিপোর্টার ছে ইয়ং সিন! - ওহ! ভয় পাইয়ে দিলেন!
- এখানে কী করছেন? বড় খবর আছে! - কী খবর?
- কল পাননি? - কীসের কল?
হোয়াং জে গুক আত্মহত্যা করেছে।
দাঁড়ান! দাঁড়ান!
- সেই হোয়াং জে গুক না? - হ্যাঁ, সে।
সে এমন লোক না। মজা করছেন? এটা মজা।
সত্যি? আরে, একটু দাঁড়ান তো।
গতকাল রাতের ব্রডকাস্টের কারণে একদিন পত্রিকার সার্ভার ডাউন হয়ে আছে।
- এখনো ঠিক করেননি কেন? - কী, বিশ্রাম?
কেন আমি বসে বসে সেটা করবো? তুমি কবে কাজ করো?
সেখানে গেলে, ছবি তোলার লাইন দেখবে। সামনে গিয়ে ভালো অ্যাঙ্গেলে ছবি তুলবে।
সুযোগ পেলেই প্রশ্ন করবে।
কিন্তু, আমি জানি না কী প্রশ্ন করতে হবে আর কী বলতে হবে...
- নোট লিখো। - নোট লিখো।
পার্ক বং সু। কী হচ্ছে এখানে?
শুনলাম হোয়াং জে গুক নাকি আত্মহত্যা করেছে।
এটা আমার কারণে হয়নি, তাই না?
হতেই পারে না, ঠিক? এই!
ওর আবার কী হলো?
মনে হয় সার্ভারের সমস্যার কারণে আমাদের দেরি হচ্ছে।
এখনো ঠিক করতে পারছে না? যত্তোসব।
আমাদের নিজস্ব সার্ভার সেট করলে কেমন হয়?
বাহিরের চাপের কারণে সার্ভার বন্ধ হলে তাতে কোনো লাভ হবে না।
- অন্য কী উপায় আছে? - বাহিরের সার্ভার ব্যবহার করতে পারি।
করো তাহলে। শুরু করে দাও।
এখন... এখন?
- ছে ইয়ং সিন। - জ্বী?
- যু ইয়ন হি তোমার বাসায়, তাই না? - হ্যাঁ, আমার সাথেই থাকে।
হোয়াং জে গুকের সুইসাইড নোটে যু ইয়ন হির নাম আছে। রিপোর্টাররা তাকে খুঁজবে।
অন্য কেউ খোঁজ পাবার আগেই তাকে বের করে আনো।
তার ইন্টার্ভিউ নিয়ে তাকে নিয়ে চলে আসবে।
- পার্ক বং সু? - আ... জং সু।
জ্বী?
ছে ইয়ং সিনের সাথে যাও। তোমার ক্যামেরাটাও নিও।
আচ্ছা।
কিন্তু...
- পার্ক বং সু। - হ্যাঁ?
যাওয়ার জন্য তৈরি হও। তুমি আমার সাথে যাবে।
বুঝেছি। এখনই রেডি হচ্ছি।
কেন... কেন?
এই পার্ক বং সু। আমাকে এভয়েড করছো?
সেদিন তোমার গোপন জায়গায় ঐসব কথা হওয়ায়?
No comments yet. Be the first to leave one.