200 บรรทัดแรก
এই সময়.. এতো জরুরি তলব?
জন্মদিনের পার্টি নাকি?
আরেব্বাস! এতোগুলো বোতল?
রুম তো গন্ধে মৌ মৌ করছে।
তোরা চুপ করে আছিস কেন?
কিরে, সাত্থি? ব্যাপার কী?
সুন্দরী!
কিরে! ভাইলোগ কাহিনী কী বল।
তো, জন্মদিনটা কার?
এটা তোরা কী করলি?
- দ্য বার্থডে বয় --
লুঙ্গি পড়েছিস কেন, বন্ধু গরম লাগছে নাকি?
হ্যাঁ, হ্যাঁ, খুব গরম একটু চেক কর তো।
তোর সমস্যা কী বাল?
গরম কেমন রে?
তুই নিজেই তো জিজ্ঞেস করলি।
কিরে! কী দেখছিস?
"Knives Out" মুভিটা দেখছি।
মজা আছে নাকি?
তোর ভাল নাও লাগতে পারে।
কেন?
চোদাচুদির সিন নাই তো, তাই।
বালের সেন্সর বোর্ড।
কী রান্না করছিস?
টমেটোর ঝোল।
চিরকাল তো টমেটোই খাচ্ছি মাংস রান্না করতে পারিস না?
প্রোটিনের অভাবে দুর্বল হয়ে যাচ্ছি।
কী আর করা! রান্না কর, খেয়ে নিবো।
একটু জুস খাই।
ওই! ডিম সাবধানে নষ্ট হলে তোকে দিয়ে পাড়াবো।
মারবি না, আমি এমনিতেই দুর্বল জিমে গিয়ে মাশলগুলো শক্ত করতে হবে।
মাশল নাকি অন্যকিছু?
এসব মাশল না এক দলা চর্বি।
চর্বিই আমার মাশল, এখন প্লিজ দ্রুত রান্না কর ক্ষিদেয় মরে যাচ্ছি।
১০ মিনিট লাগবে ঘ্যানঘ্যান বন্ধ কর।
ঠিক আছে।
আমার সাথে তাস খেলবি কে?
তোদের সাথে তাস খেলার চেয়ে নিজের পায়ে কুড়াল মারা ভাল।
তোরা খেল, আমাকে ছেড়ে দে।
এই সালা বাদ তুই খেলবি, সাই?
হ্যাঁ, জাহাপনা।
তাস নিয়ে আয়।
চলুন শুরু করি, প্রভু।
চল।
ভেঙ্কি!
থালা-বাসনগুলো পরিষ্কার কর।
আমিই কেন পরিষ্কার করবো? অন্য কাউকে তো বলিস না।
এখনি না গেলে কিন্তু হোগায় লাত্তি খাবি।
তোরা চুপ কর ভাই বাবা কল দিয়েছে।
সাত্থি!
কাজটা তুই করবি, সাই?
ওয়াশিং মেশিনে কাপড় দিতে হবে এক্ষুনি আসছি।
বালু, তুই কী..?
থালা-বাসন, তাই না?
আচ্ছা, ঠিক আছে।
ঘ্যানঘ্যান বন্ধ কর।
হ্যালো!
হ্যালো, ভাইয়া আমি শ্বেতার বান্ধবী, প্রিয়া।
হ্যাঁ, প্রিয়া বলো... কেমন আছো?
আমি ভাল আছি, ভাইয়া আপনি কী ব্যস্ত?
হ্যাঁ।
না, না, বলো।
ভাবছি বিদেশ চলে যাবো ব্যাপারটা নিয়ে জানতে চাচ্ছিলাম।
কিসের আমেরিকা, বাবা সব বেহুদা.. ইন্ডিয়া যথেষ্ট ভাল।
ওই, সাত্থি! চিল্লাচিল্লি করবি না।
বুঝতে পারলাম, প্রিয়া সফ্টওয়্যার কোর্স করার জন্য?
হ্যাঁ, সফ্টওয়্যার।
সফটওয়্যার? সফটওয়্যার একটা বাল এরচেয়ে ইন্ডিয়ায় ডেলিভারি বয় হওয়া ভাল।
আপনার পাশে কে? আজেবাজে কথা বলেই যাচ্ছে!
আমার রুমমেট, সাত্থি।
আয়, খাবি চল।
এরা মাথায় ঝেঁকে বসে থাকে।
অন্য কোথায় গিয়ে নিরিবিলি কথা বলতে পারবেন?
এখন ঠিক আছে, বলো।
কিরে! কথা কী কানে যাচ্ছে না? চল খেয়ে নিই।
আস্তে বলতে পারিস না?
দুঃখিত, দুঃখিত।
যা এখান থেকে।
হ্যালো, ভাইয়া!
এবার বলো, প্রিয়া।
ঠিক আছে, আর কতবার বলবে?
ঠিক আছে, বাই।
বাল, সবাই কেন যে ভাবে টাকা গাছে জন্মায়!
বাবা-মা টাকার জন্য আমাকে একরম নির্যাতন করছে।
এজন্য আমি উনাদের ফোন'ই করি না।
তোর কতো লাগবে?
মোটামুটি ৩০ লাখের মতো।
আমার ৪০
জরুরী দরকার নাকি?
ফালতু খরচ করে নষ্ট করার জন্য।
তোর জন্য একটা পরামর্শ আছে।
আমার বন্ধুরও উপকার হয়েছিল।
তোরা দুজন...
তোদের কিডনি বিক্রি করে দে।
তাকিয়ে দেখ ও কী সিরিয়াস ছিল!
আমি কিডনি বিক্রি করেও পরিবারকে সন্তুষ্ট করতে পারবো না।
এক কাজ কর, তোরটাও বিক্রি করে আমার পরিবারকে সাহায্য কর।
মদের কারণে আমাদের কিডনি হয়তো পঁচেই গেছে।
মদের কথায় মনে হলো আজকে কী খাবো?
প্রতিদিন খেতে পারবো না নয়তো মায়ের স্বর্ণ বিক্রি করতে হবে।
চল মদ খাওয়া কিছুদিন বন্ধ রাখি।
হ্যাঁ, চল এক মাস না খাই।
পুরো এক মাস? নিঃশ্বাস না নিয়ে থাকতে পারবো, কিন্তু মদ ছাড়া!
আমি বাঁচতে পারবো না।
যাই হোক, আগামী সপ্তাহে বালুর জন্মদিন এমন মদ খাবো, যতক্ষণ না হোগা দিয়ে বের হচ্ছে।
হ খাবিই তো কারণ বিল তো আমাকেই দিতে হবে।
সবাই ঐদিন মদ খাবো.. কোন অজুহাত চলবে না বিশেষ করে সাই তুই..
যদি কোন অজুহাত দেখিয়েছিস হোগা দিয়ে ডিম ভরে দিবো।
ঐদিন ভাল কোন জায়গায় যাই চল।
আমি প্ল্যান করেই রেখেছি।
কোথায়?
সারপ্রাইজ!
এখন খাবার খা।
ভেঙ্কি, কোথায় রে? দেরি হয়ে যাচ্ছে।
এসব কী?
এভাবে সাজিয়েছিস কেন, ভেঙ্কি? আমরা না বাইরে যাবো!
বন্ধু! তোর প্ল্যান তো দারুণ।
ঠিক আছে, এবার বস।
মুখোশ কেন? সাজ-সজ্জা তো পর্ণ মুভির মতো বল তো তোর প্ল্যান কী?
আমি তোর জন্মদিন উদযাপন করছি তুই শুধু বিল দিস, এবার চুপচাপ বস।
এতো টাকা কোথায় পেল?
এগুলো ধর।
কখনো এমন পার্টি দেখেছিস, চোদনারা? এই নে ধর।
ঠিক আছে বন্ধুগণ পার্টি শুরু করার আগে।
একটু গলা ভিজিয়ে নিই, ঠিক আছে?
ঠিক আছে!
ঠিক আছে।
বালু! মেয়েগুলা দারুণ রে।
ভেঙ্কি, এদিকে আয়।
হ্যাপি বার্থডে, বালু।
তোর জন্য সবার পক্ষ থেকে...
স্পেশাল গিফট আছে।
তাই নাকি?
না, না। এটা কগ-নি-এসি।
কর্নি...
কগনাক।
সে যাই হোক একটু মেরে দে।
ধন্যবাদ তোদের।
আরে ব্যাপার না।
আমাকেও চুমু দে।
তুইও আয়।
তোকে ভাল করে চুমু দিয়েছে।
এখন মালটা খাবো।
খা, খা।
হেই! ঘ্রাণ নিস না ডকডক মেরে দে।
কেমন?
মিষ্টি।
তাহলে পুরোটা শেষ কর।
খা, মজা! তাই না?
খুব মজা।
স্পেশালভাবে তোর জন্য তৈরি করা হয়েছে।
আমাকে ছাড়াই খেয়ে নিচ্ছিস?
- তোর খেতে হবে না। - কেন?
না, আমিও খাবো বালু আমাকে একটু দে।
তোর জন্মদিনেও দিবো নে।
খা, শেষ কর।
বোতলের মধ্যে প্রশ্রাব আছে খাবি তুই?
না, না, খাবো না।
খা তো।
নারে, লোড হয়ে গেছি।
- আরে খা তো ভাই। - এটা কী?
কীভাবে খুলে?
এখন চল কেক কাটি।
সর তো।
তোর পছন্দ হয়েছে?
স্পেশালভাবে তোর জন্য তৈরি করেছি।
ধন্যবাদ রে।
তুই কেক কাট, আমি এক্ষুণি আসছি বোতল সাবধানে।
কীভাবে কাটবো?
কাটার চেষ্টা কর আমিও এক্ষুণি আসছি।
ছুরি কোথায়?
ওই, বালু।
সৈন্যরা, যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও।
তোরা কী করছিস?
না, না।
দাঁড়া বলছি এদিকে আয়।
আমি ওর হাড্ডি ভাঙ্গবো।
সালা চোদনা যেটা সামর্থ্য আছে সেটা তোল।
ওই, বালু!
ওরে চ্যাংদোলা কর।
তোকে পালাতে দিচ্ছি না।
কেক কাট।
না কেটে যাবি কই?
এমন করিস না, ভাই।
- না, না। - এমন করলে চড় খাবি।
চেরী দিয়েই শুরু কর।
নিচ থেকে শুরু কর।
চেরীটা নে।
- এটাই শেষবার, ঠিক আছে? - ঠিক আছে।
ওর মাথায় হাত রেখে কসম খাচ্ছি।
হাত সরা।
- শুধু চেরী, তাই তো? - না, না, নিচ থেকে।
দাঁড়া তোরা আমি শুধু চেরীটা নিবো।
ডান নাকি বামেরটা? বল।
- সেটা তোর ইচ্ছা। - নিচ থেকে।
- না, না, বামেরটা। - নিচে।
বন্ধ কর, ঠান্ডা লাগছে।
তোরা পাগলামী করছিস কেন?
এই নে...
ভাই, বন্ধ কর এসব।
No comments yet. Be the first to leave one.