200 บรรทัดแรก
পূর্বে যা ঘটেছে...
অনুবাদে - মিস্টার ডেন্টিস্ট
সিরিল।
জড়োসড়ো হয়ে বসা যে?
সবার সামনে এভাবেই বসে থাকতে না-কি?
তাহলে তো এমন অবস্থা হবেই।
নেতারা তন্দ্রাঘোরেও নেতার মতো থাকে।
যতক্ষণে শিরদাঁড়া সোজা করতে যাবে, দুর্বলতা প্রকাশ হয়ে গেছে।
ওভাবে বসে থাকা মানে, নিজের আত্মবিশ্বাসের অভাব প্রকাশ করা।
তোমার সমৃদ্ধির সময়টাতে আমাদের বেশি একটা দেখা না হওয়া দুঃখজনক।
অন্তত একটা সুখস্মৃতির অবলম্বন থাকত।
তোমার ইচ্ছে হলে যেকোন সময় চলে আসতে পারতে।
সভ্য সমাজের সবাই জানে এমন অবাধ নিমন্ত্রণ আসলে নিমন্ত্রণ নয়।
আমার মনে হয়, ভবিষ্যত নিয়ে তোমার কোনো প্রত্যাশা নেই।
একটা বাড়তি রুম ছিল।
চাইলে যেকোন সময় বেড়াতে যেতে পারতে।
- সেটা ভালো করেই জানো। - যতটা বলো ততটা আমি জানি।
বাকিটা আন্দাজ করি।
আমার আন্দাজ হলো তোমার কোনো ভবিষ্যত নেই।
তোমার ভবিষ্যত গননার ক্ষমতা যে কত নির্ভুল, ভুলে গেছিলাম।
- কিন্তু আমাকে উপহাস করার উপায় ঠিকই মনে আছে। - তোমার ঠুনকো অনুভূতির কথা ভুলে গেছিলাম।
হয়তো আমার প্রশ্নটা তুমি ভুলে গেছ।
তোমার ভবিষ্যত নিয়ে ন্যূনতম পরিকল্পনা আছে?
একটা পথ বাতলে নেব।
আমি হার্লো আঙ্কলকে ফোন দিচ্ছি।
পারিবারিক আনুকূল্যতা চেয়ে।
অনেকদিন পর শুনলাম কথাটা।
এখন মরিয়া সময়।
- ধরে নিচ্ছ সে তোমাকে মনে রেখেছে। - হাসালে!
আর তোমার সাথে কথা বলবে?
জানি কথা বলবে।
আর ফোন কেন দিয়েছি সেটাও জানবে।
আর সাহায্য চাওয়ার বিষয়ে বিচক্ষণতা দেখিয়েছি ও এতদিন অপেক্ষা করেছি
বলে আমাকে সমীহ করবে।
কী চাইবে তুমি?
তোমাকে চাকরি দেওয়ার জন্য, সিরিল।
প্রত্যাশার পারদ বেশি উপরে উঠে যাচ্ছে না?
কী করতে হবে হার্লো আঙ্কেল ভালো জানবে।
সব ওখানে আছে।
ভ্যাল আমাকে পরীক্ষা করে দেখতে বলেছিল।
আমার মনে হয় সে পুনর্বিবেচনা করছে।
চাইলে ওর সাথে কথা বলে দেখ।
ওর জাগার সময় হয়ে গেছে।
তুমি প্রায় খালি হাতে এসেছ।
সাথে আঘাতপ্রাপ্ত হাত?
এতেই বোঝা যায় যেখান থেকেই এসেছ, তাড়াহুড়ার মধ্যে এসেছ।
নিবন্ধনকৃত। কৌতূহলের বিষয়।
মন খারাপ করে লাভ নেই।
বেঁচে আছ এই তো অনেক।
আমরা এখানে কয়েক মাস ধরে আছি, আর বাজিটা অনেক বড়।
- হাতের অবস্থা কেমন? - চিন্তার কারণ নেই।
আচ্ছা।
আর, এটা কার?
নাম জানতে পারিনি।
ওহ।
এর মানে তুমি বোঝো, ঠিক?
ইয়াহ, ওখানে তোমার চোখ আটকে যেতে দেখেছি।
ক্রেইট ড্রাগনের মাথা।
ওরা কিন্তু জানে না।
ওদের কোনো ধারণা নেই।
আর এটা?
'বাই দ্য হ্যান্ড'
তো, কোথায় ছিলে তুমি?
সিপো।
কিশোর-কেন্দ্র।
তিন বছর। তেরো বছর বয়সে ঢুকেছিলাম।
কখনো নাম শুনিনি।
- তেমন বৈশিষ্টপূর্ণ কোন জায়গা নয়। - ইয়াহ।
ওরা অনেক কারাগার তৈরি করেছে, হাহ?
'কুঠার ভুলে যায়, কিন্তু গাছ মনে রাখে।'
এখন আমাদের কাঁটার পালা।
তো, এটাই?
এজন্যই তুমি এখানে?
প্রতিশোধ?
ইয়াহ, আমার জন্য এখন সেটাই যথেষ্ট।
তুমি?
একজন বলেছিল আমি সাহায্য করতে পারবো।
হ্যাঁ, কিন্তু লোকটার নাম তুমি বলবে না।
অন্য মানুষের সাথে কাজ করা কখনোই সহজ নয়।
ইয়াহ।
তোমাকে দেখে দলবদ্ধ কাজ করা লোক মনে হয়নি।
ভাঙন শুরু হয় দুর্বল জায়গা থেকেই।
তুমি বাচ্চাদের নিয়ে চিন্তিত।
নেমিক একটা বিস্ময়।
অভিজ্ঞতা কম, কিন্তু নিবেদিতপ্রাণ।
সাঁচ্চা বিশ্বাসী,
খাঁটি বিদ্রোহী চেতনা নিয়ে এসেছে।
আর আছে সিন্টা।
সিন্টা কাজ।
নির্লিপ্ত আর নির্ভীক।
সম্ভবত এখানকার সবচেয়ে দৃঢ়চেতা।
ইতোমধ্যে একটা প্রেমিক আছে, যদি সেরকম ভাবনা এসে থাকে।
আর লেফটেন্যান্ট?
সে ছাড়া, কোনো পরিকল্পনা নেই।
আমাদের নিয়ে গিয়ে ফাঁদেও ফেলতে পারে।
তেমন উদ্দেশ্য থাকলে এতদিন টিকতাম না।
অথবা হয়তো সেজন্যই তুমি এখানে এসেছ।
আমি এখানে জিতে, নিজের রাস্তায় চলে যেতে এসেছি।
তাহলে তো অসাধারণ হতো।
ড্রাইভার চলে এসেছে।
ক্লোরিস।
ইয়েস।
ওর নাম তুমি জানো।
লিডা প্রস্তুত হয়েছে?
আমি নিশ্চিত না।
কোথায় সে? লিডা?
হুমম। খাওয়া শেষ তোমার?
সময় পেলাম কখন?
মাত্র নিচে এলাম।
রাস্তার জন্য খাবার নিয়ে নাও।
- কী? - আমাদের যেতে হবে।
ওহ। পরিকল্পনায় রদবদল।
বাবা নিয়ে যাচ্ছে আমাকে।
নিয়ে তো যাচ্ছ, ঠিক?
ওর সাথে কথা বলতে হবে।
আজ সকালে ক্লাস নেই আমার।
- আমরা এর পরিকল্পনা করেছিলাম। - তুমি করেছিলে।
কোট পরে আসো, আর কোনো কথা নয়।
তুমি সিরিয়াস?
আমি কি সিরিয়াস?
যাও তুমি। আজ আর কষ্ট করতে হবে না।
উপভোগ করছ?
কোট পরে আসো।
তুমি তো অন্য রাস্তায় যাবে, তো লাভটা কী?
লাভ হলো, আমাদের পূর্বপরিকল্পনা ছিল আর ড্রাইভার অপেক্ষা করছে।
- আমার পরিকল্পনায় ছিল, আর আমরা যাচ্ছি। - তুমি এটা লোক দেখানোর জন্য করছ।
- কী? - যাও তো।
লোকদের কী দেখাব আমি?
যে তুমি আমার জীবনে জড়িত।
কী? কথাটা একদম..
চিন্তা নেই, এসব নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না।
কষ্ট পেলাম।
- দেখলে তো? - কী দেখলাম?
আমার কথার প্রমাণ।
সব তোমাকে ঘিরে আবর্তিত, তাই না?
প্রতিটি ক্ষেত্রেই এমন।
এভাবেই দিন শুরু করতে চাও?
আলাপ আমি শুরু করিনি।
সাহায্যের জন্য কৃতজ্ঞতা।
কেনা দুধ।
এটা খেয়েই বেঁচে থাকা সম্ভব।
হয়তো কয়েকদিন পর নিজের অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ জাগবে, কিন্তু...
স্মরণীয়, তাই না?
বেশ পুরোনো জিনিস দেখছি।
পুরোনো আর খাঁটি।
আর শক্তিশালী।
এখন পর্যন্ত তৈরি হওয়া অন্যতম সেরা নেভিগেশন যন্ত্র।
জ্যাম করা কিংবা বাঁধা দেওয়া যায় না।
কোন অংশ ভেঙে গেলে, নিজেই ঠিক করা যায়।
শেখা কঠিন।
কিন্তু, একবার আয়ত্ত্বে এসে গেলে, তুমি মুক্ত।
আমরা ইম্পেরিয়াল প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি আর নিজেদের করেছি অরক্ষিত।
আমাদের জানা জিনিস ভুলে যাওয়ার তালিকা বেড়েই চলেছে,
যেগুলো ওরা আমাদের ভুলতে বাধ্য করেছে।
যেমন স্বাধীনতা।
নেমিক সবখানে নিপীড়ন দেখে।
স্কিন না শোনার ভান করে, কিন্তু আমি জানি কথাগুলো চেতনা জাগ্রত করছে।
ও একটা ইস্তেহার রচনা করছে।
বলেছে তোমাকে?
আমাদের না-কি মাত্র কয়েকটা আইডিয়া স্বাধীনতা দূরে রাখছে।
মাত্র কয়েকটা আইডিয়া।
অনেক বিভ্রান্তিকর বিষয়, তাই না?
অনেক ভুল হচ্ছে, অনেক বলা বাকি, আর সব ঘটছে অনেক বেশি জলদি।
নিপীড়নের গতিময়তা সেটাকে উপলব্ধির ক্ষমতা ছাপিয়ে যায়।
আর এটাই ইম্পেরিয়াল দৌরাত্ম্যের আসল চালাকি।
একটা ঘটনার চেয়ে চল্লিশটা নৃশংসতার পেছনে লুকানো সহজ।
কিন্তু ওদের হাতে একটা যুদ্ধ আছে, তাই না?
আমাদের মৌলিক অধিকার মনে লালন করা তেমন কঠিন কাজ নয়,
সেটাকে ছিনিয়ে নিতে হলে ছায়াপথে বড় রকমের তোলপাড় করে ফেলতে হবে।
আমি ক্লেমের বিশ্বাস সম্পর্কে জানতে চাই।
আমি নিজের প্রতিপক্ষকে জানি।
বাকিসব নিয়ে পরে চিন্তা করা যাবে।
তুমি আমাকে বুঝতে পারবে।
- এবার ফাঁদে পা দিয়েছ। - এখনো নাম রাখিনি। অপেক্ষা করছিলাম।
এটা চলমান কাজ, আর আমি জানি এখনো বলার মতো অনেক কথা বাকি।
মানে, দেখ।
এখানেই।
টাটকা অনুপ্রেরণা।
আপাতদৃষ্টিতে দু'টি আলাদা বস্তু, কিন্তু এটা নক্ষত্রের অবস্থান আর
এটা রাজনৈতিক চেতনা বর্ণনা করে।
দু’টিই সত্যের উপর নির্ভর করে তৈরি,
দু'টিই পরিষ্কার আর সাধনযোগ্য ফলাফলের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
- মৌলিক ঘটনাগুলো... - ক্লেম।
আলোচনা চলতে থাকবে।
ব্যস্ত দিন, ক্লেম। দুধ শেষ করো।
ওকে বিশ্বাস করো না?
- তোমাকেই তো সম্পূর্ণ বিশ্বাস করি না। - আচ্ছা।
অবশ্যই, বিমানটা চালিয়ে উড়াতে হয়,
তো উড়ার জন্য একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ ধাক্কা অর্জন করতে হবে।
- ওকে। - রাস্তাটা সামনের দিকে উঁচান।
- হতেই হবে। - তো ওজন পরিমাপ...
- কী হয়েছে সেটার? - সেটা কীভাবে করতে হয়?
ওজন কীভাবে জানবো?
এটা কোনো পরীক্ষা?
একটা সাধারণ প্রশ্ন।
কীভাবে রানওয়ে থেকে উড্ডয়ন করাতে হয় সেটা জানো না, তাই না?
আমরা উড়াতে জানি।
ইয়াহ, কিন্তু প্রথমে তো বাতাসে ভাসাতে হবে।
প্রশ্নের উত্তর দাও।
আসলেই জানো না।
No comments yet. Be the first to leave one.