183 บรรทัดแรก
আমরা অনেক দূরে চলে এসেছি।
তাই নাকি?
তুমি কাল ব্যস্ত থাকবে?
খুব একটা নয়।
তাহলে চলো আরেকটু দূরে যাই।
সামনে খুব সুন্দর একটা জায়গা রয়েছে, সেখান থেকে আলোয় ঝলমল পুরো শহরটাই দেখা যায়।
এই বেল্ট কী কারণে?
কিহ্!
এই প্রথমবার কোনো গাড়িতে উঠলে নাকি?
হেই, কী করছো?
আমার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো অকার্যকর হয়ে পড়েছে...
এই শরীরটা মরে যাবে।
লোকটা কেমন আছে?
এবার বুঝলাম।
এজন্যই তাহলে সিটবেল্ট ব্যবহার করা হয়।
এই লোকটার শরীরের স্থানান্তর ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
তার মাথায় যেতে হবে।
পুরুষ হোক বা নারী, শরীর নিয়ন্ত্রণ করাটা খুব একটা আলাদা হওয়ার কথা নয়।
মাথাটা চিঁড়ে,
যুক্ত হওয়া এবং নিজের পুনরুৎপাদন।
আমাকে এখনই এটা করতে হবে।
কী ব্যাপার?
নড়ো।
নড়ো।
নড়ো...
পরিবেশনায় : :.:.: A N I M E F R E A K S :.:.:
অনুবাদে : আকতার হোসেন
সম্পাদনায় : ফরহাদ হোসাইন
Parasyte The Maxim
The Stranger
আহ্, ধুরু!
দেরি হয়ে গেলো!
আমাকে জাগওনি কেন?
তুমি ঘুমিয়ে ছিলে...
কারণ তোমার শরীরের পর্যাপ্ত ঘুম হয়নি।
ঘুম সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যাবশ্যক।
হ্যাঁ, হ্যাঁ।
তুমি ভালো থাকলে আমিও ভালো থাকবো।
যদিও এটা যৎসামান্য, কিন্তু তুমি আর আগের মতো বিশুদ্ধ নও।
সেটা বলে তিনি কী বোঝাতে চাচ্ছিলেন।
আমার শরীর...
তোমার মস্তিষ্ক, স্নায়ু এবং দৈহিক তরলগুলোর সাথে যুক্ত।
এ কারণেই হয়তোবা...
কিহ্?
মানে হয়তোবা তোমার মস্তিষ্কে কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে।
তামিয়া রিয়োকো তা বুঝতে পেরেছে,
এবং তোমাকে "অমানুষ" হিসেবে মনে করছে।
"অমানুষ"?
ডান হাতের কথা বাদ দিলে, আমি তো মানুষ, তাই না?
আমি নিশ্চিত নই।
আসলে, তোমার কিছুটা পরিবর্তণ হলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছুই নেই...
বিশেষ করে মানসিকভাবে।
ক্লান্তি লাগছে, ঘুমুতে যাচ্ছি।
হেই, দাঁড়াও!
আর বিশুদ্ধ নই?
আকর্ষণীয়...
আমি তোমাকে মারবো না।
না, আমি একজন সাধারণ মানুষ।
কিছু... কিছু একটা পাল্টে গেছে।
জানো, সম্প্রতি তুমি কিছুটা পাল্টে গেছো।
না, আমি হইনি!
মানুষকে মারা কিংবা খাওয়ার কোনো ইচ্ছা আমার নেই!
হেই, দাঁড়া!
কী ব্যাপার? হাহ?
নাগাই!
থামো!
তুই আবার কে?
ও আমার সহপাঠী।
ইজুমি...
তো কী হয়েছে?
আমি পুরো ঘটনাটা জানি না,
কিন্তু এটা একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে না?
এখন বুঝেছিস, চার-চোখা?
দিবো নাকি আরেকটা?
নাহ। তার উপর আমার মায়া হচ্ছে।
আমরা শুধু তোর বন্ধুর সাথে কথা বলছি।
মানুষের স্বভাবের অন্যতম একটা দুর্বোধ্য আচরণ হলো...
পরার্থপরতা।
অন্যের সাহায্য করা,
নিজের ক্ষতি করে হলেও।
এটাই আমি বুঝি না।
মানুষের মন?
হেই, দাঁড়া।
সঠিকই তো!
মানুষ পরজীবীদের থেকে আলাদা!
থামতে বলেছি না!
যদি তোমরা তার সাথে লড়তে চাও, তোমাদের উচিত ন্যায্যভাবে করা।
সত্যি সত্যি বলছিস?
হ-হ্যাঁ।
এখন মনে হয় পস্তাতে হবে।
বেশি হয়ে যাচ্ছে না?
হয়নি এখনো।
এদের মতো গাধা আমার একদমই পছন্দ নয়।
শিট...
আমি মিগিকে সাবধান করতে ভুলে গিয়েছি।
যথেষ্ট হয়েছে!
দুর্বল কাউকে মারা জঘন্য ব্যাপার।
মনে হয় বেঁচে গেলি।
এমন দুর্বল হয়েও এখানে নাক গলাতে গেলে কেন?
কে তুমি?
হেই, চলো কানা।
ঠিক আছো, নাগাই?
তুমি বোকা নাকি?
হ্যাঁ, আমার নিজেরও তাই মনে হয়।
কিন্তু এটাই মানুষ এবং পশুর মধ্যকার পার্থক্য।
ওই, তোমার মুখে কী হয়েছে?
ওহ্, তেমন কিছু না।
আমিও তাকে জিগ্গাসা করেছিলাম,
বলেনি কিছুই।
দাঁড়াও, তুমি মারামারি করেছো?
ওই, ইজুমি।
নাগাইয়ের কাছে শুনলাম,
মিতসুওর দলকে নাকি মেরেছো?
আমি মারিনি তাদের।
তারাই আমাকে মেরেছে।
আমিতো দাঁড়ানোরই সুযোগ পাইনি।
ইদানিং ওরা একটু বেশিই লাফাচ্ছে।
কিছু হলে আমাকে জানাবে।
অ-অবশ্যই...
তুমি...
তাহলে তোমার গার্লফ্রেন্ডও আছে।
এখন আবার কী চাও আমার কাছে?
সকালে তখন তুমি কেন পালাওনি?
হাহ্? কোনো কারণ নেই...
শুধু সহপাঠী হওয়ায় তার হয়ে মার খেলে!
সে স্বাভাবিক নয়, তাই না?
কিহ্?
কেউ তো বলে না এটা!
চলো।
বোকা সেজো না।
এমন ভাব নিচ্ছো যেন মাছ উল্টিয়ে খেতে জানো না,
কিন্তু তলে তলে কী করে বেড়াচ্ছো কে জানে?
কী সমস্যা তার?
কিছু না।
কানা...
থামো!
ইজুমি-কুন!
মুরানো!
ইজুমি-কুন!
এই তো এসে গেছে, গাধাটা।
তা-তাকে যেতে দাও।
তা তো করতে পারবো না!
কিন্তু তুই চাইলে যেতে পারিস।
কিহ?
আউ!
ইজুমি-কুন!
বাসায় যা!
হিরোগিরি দেখাতে যাস না!
থামো!
তুই জঘন্য...
শিনিচি...
মিগি, ঘুমাতে যাও।
তোমাকে কিছু করতে হবে না।
এটা নির্ভর করে পরিস্থিতির উপর।
চিন্তা করো না...
তোমার ভালোর জন্য বলছি তারা কতটা শক্তিশালী।
তোমার শক্তি যদি ১০ হয়,
তাহলে তার ১৮,
মেয়ের ডান পাশেরটার ১৩ আর বামের দুজনের ১৪ এবং ১২।
এসব জেনে কী হবে?
কুকুর এবং বিড়ালদেরও প্রতিদ্বন্দ্বীর শক্তি যাচাইয়ের ক্ষমতা রয়েছে।
যার সাথে জিততে পারবে না, পশুরা তার সাথে লড়াইয়ে যায় না।
তো কী হয়েছে?
থামো!
এমন কিছু সময় আসে যখন মানুষরা আর লড়াই থেকে পিছু হটতে পারে না!
এটাই পশু এবং আমাদের মধ্যে পার্থক্য।
মিগি, আমার ডান হাত ঠিকমতো কাজ করছে না।
আমাকে পুরো নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দাও!
কী বিড়বিড় করছিস?
সে পালাচ্ছে না কেন?
তাকে যেতে দাও।
যদি না দাও...
দা-দাঁড়াও, বোকা!
যদি না দেই, তাহলে কী করবি?
দৌড়ে গিয়ে তোর মা'কে ডেকে আনবি?
বন্ধ করো এসব, মিতসুয়ো।
ক-কানা...
কী করছিস তোরা এখানে?
কামিজু...
নাগাই...
সংখ্যাগুরু বনাম সংখ্যালঘু!
তারা তোমার চেয়ে ভালো প্রাণী, শিনিচি।
আমরা তোদের সব কৃতকর্মের ফল কড়ায়-গণ্ডায় ফেরত দিবো।
No comments yet. Be the first to leave one.