200 บรรทัดแรก
Moshiur Shuvo Presents
বঙ্গানুবাদে : মশিউর শুভ
- বাড়িতে কেউ নেই? - দাদী আছে। সে কানে কম শোনে।
না! ওটা তার রুম। এটা আমার!
- শুভ রাত্রি! - চুপ!
আমি এখনি আসছি।
Chetan Bhagat!
The Perks of Being a Wallflower! এটা পড়েছিস?
বই পড়েছি, সিনেমাটা দেখেছি আর আমি তাদের একজন!
তুই কোনটা? wallflower না perk?
তুই wallflower, তাইনা?
এক কোনায় বসে থাকিস। সব দেখিস এবং শুনিস।
কিন্তু কখনই কিছু করিস না। আমাকেই করতে হয়।
তুই Sophie Kinsella পড়েছিস?
শুরু করেছিলাম তবে শেষ করতে পারি নি।
কেন?
অনেক কঠিন Natasha পড়তে বলেছিল।
তুই Wallflower বুঝিস কিন্তু Kinsella বুঝিস না?
ওটা সহজ ছিল।
wallflower অথবা fly, সব একই জিনিস।
তুই তো দেখি স্মার্ট!
কী সমস্যা? প্রথমবার করছিস?
- সত্যি? - হ্যাঁ।
চল, তোকে শেখাই।
চা হবে?
গতরাতে যা হয়েছে...
ভাল ছিল, তাইনা?
- হ্যাঁ। - হ্যাঁ।
এমনিতেই হয়ে গেছে, তাইনা?
ওটার কথা তুলে বিষয়টা খারাপ করছেন কেন?
ওটার কথা বাদ দিন।
আমার উচিত হয় নি।
- তুই প্রেমে পড়বি না তো? - না।
বেশি ভাববি না।
- ওকে। - ঠিক আছে?
Mihir বলেছিল, ছেলেরা
সেক্স করার পর ইমোশনাল হয়
এবং প্রেমে পড়ে।
তারা অধিকার খাটাতে চায়।
আচ্ছা।
কী হয়েছে? হাসছ কেন?
আমাদের ভেতর কোন গোপনীয়তা আছে?
আছে?
আমার বয়স ২৬ ছিল
যখন Mihir এর সাথে আমার বিয়ে হয়।
সে আমার থেকে ১২ বছরের বড় ছিল।
আগে আমি কারো সাথে ডেট করি নি।
কিন্তু Mihir বহু মেয়ের সাথে ডেট করেছিল।
এজন্য আমার থেকে বেশি বয়সের কাউকে বিয়ে করা আমার জন্য রোমাঞ্চকর ছিল।
বাবা-মা মত দেয় নি।
তার গল্পের অভাব ছিল না! যেমন সে একটা জায়গায় গিয়েছিল,
একটা মেয়ের সাথে দেখা হয়, আলাপ হয়।
তার গল্পগুলো মুভিকেও হার মানাত।
আমার সেরকম কিছু ছিল না।
আমরা কথা বলতাম এবং সে আমাকে বুঝাতো যে
আমি তাকে ঘৃণা করব
যদি আমি আমার জীবনটা নিজের মত করে না কাটাই।
সে আমাকে আমার জীবনটাকে পরীক্ষা করতে বলত।
মেয়েটার প্রেমিক ছিল, Imroze, যে তার থেকে বয়সে ছোট ছিল।
ধ্রুপদী পঞ্চ পান্ডবের সাথে থাকত।
সে তাদের ভালবাসতো হয়তো তারাও তাকে ভালবাসতো।
তারা তাকে নিয়ে ঝগড়া করে নি।
আমি বিবাহিত এবং আমি অন্য কারো সাথে থাকতে পারব না।
যদি আমি কল্পনায় অন্য কাউকে কামনা করি?
এটা ঠিক নয়।
একটা লোকের কাছ থেকে এতকিছু চাও কীভাবে?
তাকে তোমার বেষ্ট ফ্রেন্ড, তোমার প্রেমিক, তোমার বন্য কামনা হতে বলো।
আমি কী করব?
তারা শেষ পর্যন্ত কথা বলেছে বলে ভাল হয়েছে।
কিন্তু প্রমাণ করবে কীভাবে?
লোকে পাবলিসিটির জন্য ভিক্টিমের অভিনয় করে।
এটা পড়েছ?
মেয়েটার স্বামী বিষয়টা শোনা মাত্রই তাকে ডিভোর্স দিয়েছে।
ওখানে অমনটা প্রায়ই হয়।
তবে এটা সঠিক নয়।
ছাত্রটার বয়স কত ছিল?
- তার বয়স ১৮। - তাহলে সে প্রাপ্তবয়স্ক।
- তাতে কী? - তার বয়স যাইহোক না কেন...
- কিন্তু সে তো প্রাপ্তবয়স্ক! - তার সম্মতিতে হয়েছিল জানলে কীভাবে?
তার নিরবতাই প্রমাণ করছে যে তার সম্মতি ছিল না।
- Tejas Bhave? - হ্যাঁ।
তোমার সাথে কথা আছে।
তাকে আজব মনে হয় না?
শোন! তোর বয়স কত?
কেন?
- তোর বয়স বল। - ২১।
- সত্যি? - হ্যাঁ।
তোর এডমিশন ফর্মে ওটা লিখা আছে?
- না। - লোকে প্রায়ই ওটা করে।
- আমি শিওর নই। - কী বলিস!
- তোর জন্ম সনদ আছে? - হ্যাঁ।
আমাকে এনে দিবি।
কলেজ অফিস থেকে নিয়ে নিন।
আমি সেটা কীভাবে চাইব? তারা জিগ্যেস করলে কী বলব?
আপনার দরকার কেন?
শোন।
ঐ রাতে যা হয়েছিল
তোর সম্মতিতে হয়েছিল, ঠিক?
মানে কী?
তোকে জোর করে সেক্স করেছি?
না। তবে...
কী?
প্রথমে আপনি শুরু করেছিলেন!
তুই না বলেছিলি?
- না। - ঠিক।
তাহলে এটা সম্মতিক্রমে হয়েছিল, ঠিক?
এটা বল। সম্মতিক্রমে হয়েছিল।
কী বলব?
বল যে এটা সম্মতিক্রমে হয়েছিল।
- শব্দটা যেন কী? - সম্মতিক্রমে!
হ্যাঁ, এটা বল।
এটা হল
"আমাদের ভেতর যা হয়েছিল সেটা সম্মতিক্রমে। "
- আমাদের ভেতর যা হয়েছিল... - হ্যাঁ...
- সেটা সম্মতিক্রমে! - সেটা সম্মতিক্রমে।
- একেবারে বল। - পুরো কথাটা?
- হ্যাঁ - আমাদের...
এটা বল। "আমাদের ভেতর যা হয়েছিল,"
"মিস. Kalindi, সেটা সম্মতিক্রমে হয়েছিল।"
- আমাদের... - "আমি Tejas বলছি। মিস. Kalindi..."
"আমাদের ভেতর যা হয়েছিল, সেটা সম্মতিক্রমে হয়েছিল। "
মিস. Kalindi, আমি Tejas বলছি। আমাদের ভেতর যা হয়েছিল
- সেটা... - সম্মতিক্রমে হয়েছিল!
এবার ঠিকভাবে বল!
মিস. Kalindi, আমাদের ভেতর যা হয়েছিল সেটা সম্মতিক্রমে হয়েছিল।
- আমি Tejas. - ওকে।
এটা আমার ভুল! আমি দেরী করে বাসায় ফিরলে আমাকে তাদের হাতে মার খেতে হবে।
বাড়ি যাও। দরজা বন্ধ করো। চমৎকার গান বাজাও।
হাত ধুয়ে নেবে
Hrithik Roshan এর কথা ভেবে কাজ শুরু করে দেবে।
ঐ মেয়েটাকে দেখো, হস্তমৈথুনের কথা শুনে সে মুখ লুকিয়েছে!
- মিস. Kalindi! - আমি ক্ষমা চাইতে এসেছি।
কেন?
আমি তোর কথা রেকর্ড করে তোকে ভয় পাইয়ে দিয়েছি।
না, আমি বিষয়টা বুঝিই নি। শব্দটা যেন কী ছিল।
বাদ দে।
- শোন, আমরা এখন থেকে বন্ধু, ওকে? - হ্যাঁ।
আসল বন্ধুরা যেমন... সবকিছু শেয়ার করে।
ওকে।
- তবে স্বার্থহীন ভাবে। - কী বললেন?
মানে বললাম, আমার এখন বয়ফ্রেন্ড আছে।
- প্রফেসর Neeraj! - হ্যাঁ।
- ঐ গণিতের প্রফেসর? - হ্যাঁ।
- তার চুল দেখেছেন? - জোস না?
সে বাকিদের মত নয়।
সে বিশ্বস্ত। সে কী বলে জানিস?
তুমি জানতে যে
পেঙ্গুইনরা একস্ত্রীক।
আর এটা তাদেরকে প্রচন্ড শীতে বাঁচতে সহায়তা করে?
সে আমাকে তার নিজের করতে চায়।
আর সে আমাকে আজব ভাবে না। যেমনটা তোর Natasha ভাবে।
- আমার Natasha? - হ্যাঁ!
আমি সব জানি
আমি Mihir কে ভালবাসি
সাথে Tejas কেও ভালবাসি।
যদি আমি Tejas এবং Neeraj কে একই সাথে ভালবাসি...
তাহলে আমার নিজেকে বন্দী করে রাখা হবে না।
কই তুই?
কোথায় তুই?
তুই কোথায় বল?
কী হয়েছে?
- কী হয়েছে? - আমাকে বল!
আপনি বললেন এটা আর্জেন্ট।
কাজটা সেরে ফেলেছি।
- এত সহজে? - Neeraj এর সাথে ঠিকভাবে যাচ্ছিল না
কী হয়েছিল?
ভেবেছিলাম সে স্মার্ট, বুদ্ধিমান।
যেন সে সব কিছু জানে।
কিন্তু কেমেস্ট্রি জানে না।
সে শুরু করা জানে না।
তার ১৭ দিন, ১৬ ঘন্টা এবং ৩২ মিনিট লাগল বলতে...
আমিও তাকে একই প্রশ্ন জিগ্যেস করেছিলাম।
দাঁড়াও!
- তোমার কাছে কনডম আছে? - তোমার পাশের ড্রয়ারে।
- ওটা আমি পড়ব? - না।
- কী হল? - কিছু না!
কী হল?
পেয়েছি!
- ফোন ধর। - থাক।
- কে ফোন দিয়েছিল? - জানি না।
- এটা Natasha ছিল? - না।
তাহলে আপনারা আর একসাথে নেই?
এটা শেষ।
সত্যি?
তার সাথে সেক্স হয়েছে?
না।
মিথ্যুক।
তাতে আপনার কী?
- আমার কাহিনী তোকে বলি না? - আমি জানতে চাই?
আপনি তো বমি করার মত করে বলেন।
তোর আর Natasha 'র মাঝে কী হয়েছে?
কিছুনা।
আপনি আর প্রফেসর Neeraj ব্রেকআপ করেছেন,
আমরা কী আবার...
না?
তুমি টেক্সট করতে এসেছ?
তোমার ফোন দাও।
পাসওয়ার্ড বলো।
ভুলে গেছি।
পাসওয়ার্ড দাও।
No comments yet. Be the first to leave one.