İlk 200 satır.
কেউ আছে?
বং সু!
বং সু?
গরম লাগছে?
যখন ইচ্ছে করেছে আমার বাড়িতে থেকেছো!
আমি কেবল এক রাত থাকছি। ভালো করছো না কিন্তু।
আমি যাবো না।
জেদ ধরেছো কেন?
তোমাকে ভয় পাই না।
আমি কে জানো না?
জানোই না কতকিছু লুকাচ্ছি...
তোমার ধারণাই নেই।
দরকার নেই।
তুমি কি বোকা?
আমাকে ধুরে ঠেলে দিও না।
দিলে...
কেঁদে বুক ভাসাবে।
আমি...
তোমাকে বিপদে ফেলতে পারি।
না।
তুমি কখনোই আমাকে আঘাত পেতে দিবে না... কখনোই না।
দূরে ঠেলে দিও না।
দিও না।
ভেবেছিলাম এটা স্বপ্ন। আমি সাধারণত খুব একটা স্বপ্ন দেখি না।
কোন ধরণের স্বপ্ন এতক্ষণ স্থায়ী হয়?
তাই, এর সত্যতা যাচাইয়ের চেষ্টা করলাম।
এটা কি সত্যি?
হয়তো সত্যি না।
তারপর, ভাবতে থাকলাম... এটা সত্যি হলে...
সমস্যা হবে না তো?
আরে, জ্বালা।
- ঠাণ্ডা তো। - একদমই না।
দিয়ে আসি না।
আমার রান্না করা খাবারগুলো না খেয়ে বের হলে খবর আছে।
এখনও তোমার উপর রাগার যথেষ্ট কারণ আছে, বুঝলে?
হ্যাঁ, বুঝেছি।
টাটা।
আরে!
এক স্টপ।
- তুমি খুব একগুঁয়ে। - এই একবার।
- এক স্টপ তো? - হ্যাঁ।
আচ্ছা।
জানো আজুম্মা...
আসল ও নকলে আমি কনফিউজ হয়ে যাই।
কাজ চায় নকল থাকি।
আমাকে চেহারা লুকিয়ে ছদ্মবেশে থাকতে হয়।
বাইরের পৃথিবীতে বের হলে, আমাকে নকল থাকতে হয়।
কিন্তু, ওর সামনে গেলে, আসল হতে হয়।
কিন্তু, তুমি জানো...
আসল হওয়াটা...
কী সেটা? তার অস্তিত্ব আছে?
কখন থেকে এতো ভাবাভাবির রোগে ধরলো তোকে?
ঠিক না?
৪৯তম বারের মতো বলছি। ভাবাভাবি ছেড়ে দে।
- ভাবতে গিয়ে ঝামেলা পাকাস। - আজুম্মা।
- ঘড়িটা রিসেট দে। - ধন্যবাদ দিতে চাই।
সেজন্য ব্যাটারিও চেক করা লাগবে।
- আমি যাচ্ছি। - কোথায়?
উমম... আসল আমিকে খুঁজতে।
কাজটা ও হারাতে যাচ্ছে। ওর বদলে কাউকে নিতেও পারছি না।
অনেকদিন একসাথে কাজ করায়।
তোমাকে নিয়ে চিন্তায় ছিলাম।
ছে ইয়ং সিনও অপেক্ষা করছিল। ওর সাথে যোগাযোগ করেছো?
আমাকে খুঁজতে এসেছিল।
কোনোভাবে কি, ওকে তোমার পরিচয় জানিয়েছো?
কখনোই জনাইনি।
তবে, ও নিজেই জেনে গেছে।
- কতটুকু জানে? - কতটুকু জানাবো সেটাই ভাবছি।
কিন্তু মেয়েটা... কিছু জিজ্ঞেস করছে না।
কেন এভাবে থাকি। কেন কষ্ট পাই।
এমনকি...
নামটাও জিজ্ঞেস করেনি।
জিয়ানকে ভালোবাসো, তাই না?
সেজন্যই ওকে ওর পরিচয় জানাতে পারছো না।
বলতে পারছো না কে ওর বাবা আর সে কীভাবে তোমার বাবাকে চিনতো।
বললাম না ভাবছি।
তাহলে, আমাকেও একটু বুঝবে?
কারণ আমিও ওদেরকে ভালোবাসি, মিউং হি আর জিয়ানকে।
তাইতো কিছু বলতে পারছি না।
অনেক বোঝাবুঝি হয়েছে। এবার কাজের কথায় আসুন।
ঠিক আছে।
- স্যারের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেবো - আচ্ছা।
আর গোটা পৃথিবীর কাছে আমার বাবাকে নির্দোষ প্রমাণ করবো।
আমরা দুজনে মিলে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারবো না।
হ্যাঁ... তারপর?
জানা দরকার ছে ইয়ং সিনকে কখন বলা যাবে?
'তোমার মা বেঁচে আছে।'
মিউং হির স্বাস্থ্য যখন ঝুঁকিতে থাকবে না তখন বললে ভালো হয় না?
- কখন সেটা? - আগে দেখতে হবে।
আপনি বলেছেন এটা একটা পিরামিড তাই সবাইকে জড়ো করতে হবে।
- কিছু একটা বের করবেন বলেছিলেন না? - হ্যাঁ, বলেছিলাম।
বের করেছেন?
ভেবে দেখলাম একটা মাত্র উপায়ই আমার জানা।
যে পদ্ধতি তোমার বাবা আর ছে ইয়ং সিনের বাবা অবলম্বন করতো।
সারাজীবন যে পদ্ধতি অনুকরণ করে এসেছি।
আমার সাথে করবে সেটা?
- আমার বাবার পদ্ধতি? - হ্যাঁ।
কার কত?
হিলার, তুমি করলে... 50-50.
ঠিক ধরেছিলেন...
আমি ছে ইয়ং সিনকে ভালোবাসি।
আপনাকে জানানো উচিত মনে হলো।
কিম মুন সিক বড় ভাইয়ের হয়ে কাজ শুরু করে ১৯৯২ তে।
সেই ঘটনার পর।
তার অধীনে বছরখানেক কাজ করে ছাড়ার পর বড় ভাই সেক্রেটারি ওহ'কে তার কাজে নিযুক্ত করে।
তার অনেক নাম ও পরিচয় রয়েছে, উকিলের পরিচয় তার মধ্যে একটা।
দুজনের সম্পর্ক ইন্টারেস্টিং।
কিম মুন সিক আর সেক্রেটারি ওহ যেন কয়েনের এপিঠ-ওপিঠ।
ও আমার খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল।
ওর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া যেন ভালোভাবেই করা হয়।
সবচেয়ে ভালো অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া এবং কবরের ব্যবস্থা করবো।
সবরকম নোংরা কাজ সেক্রেটারি ওহ করে।
কিম মুন সিক নির্দোষ হিসেবে ভদ্রলোকের বেশে থাকে।
আমার মনে হয় কিম মুন সিক ভাবে ও অন্যায় কিছু করেনি।
নিজের অপকর্ম ভুলে গেছে বোধহয়।
তাই বারবার আমি বোকা বনেছি।
আর কোনো ছবি পাওনি?
পুলিশকে বলে কোনোমতে এটা জোগাড় করেছি।
তুমি এখানে নেই আমি জানি।
আছে কেবল ছাই আর অস্থি, তবুও মন সায় দেয়নি।
তবুও... তোমাকে ওই লোকের হাতে..
তুলে দিতে পারিনি।
এখন একটু ব্যস্ত আছি, তবে সময় পেলে...
তোমার অস্থি ভালো কোথাও কবর দেবো।
সাউথ প্যাসিফিক দারুণ হয় না?
এটা ABS এ কিম মুন সিকের ইন্টার্ভিউর স্ক্রিপ্ট।
স্ক্রিপ্টটা আমিই এনেছি। জীবনের বাজি ধরেছি।
এই সাতটা প্রশ্ন নিয়ে আমরা মাথা ঘামাবো।
আমরা যা করছিলাম এটা তার মতোই তো।
কিন্তু, আমাদের তথ্যের কতটুকু প্রকাশ করবো?
সেটা নিয়ে ভাববো কেন? সেন্সর করা হচ্ছে না।
হ্যাঁ!
সেন্সরে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে গেছে একেবারে।
- জং সু? - জ্বী?
- স্পাইগিরি করেছো? - করেছি।
আমরা কী করছি কিম মুন সিককে বলেছো?
বলেছি বড়সড় কিছু করতে যাচ্ছেন।
- ভয় পাওয়াতে পেরেছো? - হ্যাঁ।
কিম মুন সিকের একটা সাইবার টিম আছে। ওরা বসে থাকবে না।
তোমাকে তৈরি থাকতে হবে, নাকি?
অবশ্যয়ই, কালকের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে।
কালকের মধ্যে পারবো না বললেও, কেউ শুনবে না...
- ছে ইয়ং সিন? - হ্যাঁ।
আজকে ডিটেকটিভ ইয়ুনের সাথে দেখা করছো?
হ্যাঁ, ২টায়।
- দেখা করেই চলে আসবো। - না, না। ওখানেই থাকবে।
- আমাদের সম্প্রচারটা স্পেশাল হবে। - হ্যাঁ?
এরজন্য ফ্রিল্যান্সার ভাড়া করেছি। তার আজকে হেল্প লাগবে। যেতে পারবে?
- কীরকম হেল্প? - নিজেই জিজ্ঞেস করে নিবে।
- ও, পার্ক বং সু ছুটিতে। - ছুটিতে?
- কতদিনের জন্য? - ব্যক্তিগত কারণে।
মিটিং ছোট হওয়াই ভালো, তাই এখানেই শেষ করছি।
ইয়ং সিন, আমার সাথে আসো। রাস্তা চিনিয়ে দিই।
আচ্ছা।
ছুটিতে গেলে, বেতন পাবে নাকি পাবে না?
পাবে নাকি পাবে না? ব্যাপারটা গুরুত্বপূর্ণ।
রিপোর্টার ছে ইয়ং সিন?
আমি সেও জং হো।
আমিই সেই ফ্রিল্যান্সার যার আপনার সাহায্য লাগবে।
আপনার সাথে আমাকেও একটু পুলিশ স্টেশন যেতে হবে।
- কী নাম বললে? - সেও জং হো।
১৯৮৭ এর ডিসেম্বরে জন্ম।
আর কিছু জানতে চাও?
সেও জং হো?
মি. সেও জং হো?
নাকি, শুধু...
জং হো।
স্যরি।
নিজের পরিচয় দিতে দেরি করে ফেললাম।
তাহলে, আমাদের সাক্ষাত হলো।
হলো।
ভালো লাগলো।
- কিন্তু... - হ্যাঁ?
তোমাকে একটু পিটাতে হবে।
বেশি জোরে হয়ে যাচ্ছে না?
এরকম একটা জায়গায় যাবে? পুলিশ স্টেশন বলে কথা?
ছদ্মবেশ নিবে না? টুপি আর মুখ ঢাকার জন্য কিছু?
দরকারে ছদ্মবেশ লাগে, আর কিছু লাগবে কিনা সেটা গেলেই জানতে পারবো।
এভাবেই আমি কাজ করি।
আর এটা... ম্যাডামের নতুন আবিষ্কার।
এইযে।
এখন, কিছু বলো।
- কী বলবো? - আবার বলো।
তাহলে কি, পার্ক বং সু আর আসবে না?
ভলিউম কম নাকি?
পার্ক বং সুকে মিস করছি বললাম।
এটার সেন্সিটিভিটি বেশ হাই। চেঁচানো লাগবে না।
এটা যে আছে সেটা ভুলে থাকো।
আছে ভাবলে লোকজন খেয়াল করবে।
তোমার উপর নজর রাখবো। বুঝেছো?
বং সু! বং সু। বং সু...
কী বলে?
শুভকামনা রইলো।
একটু দাঁড়ান।
ফার্স্ট ফ্লোর থেকে বলছি।
হ্যাঁ। হ্যাঁ, বুঝেছি।
আপনার আইডি দেখতে পারি?
তিন তলায় গেলে সাইবার টিমকে পাবেন।
ধন্যবাদ।
পরের জন।
No comments yet. Be the first to leave one.