İlk 200 satır.
মূল উপন্যাস: Waranimosugaru Kemonotachi লেখক: Keisuke Sone , প্রকাশক: Kodansha Ltd.
রচনা ও পরিচালনায় KIM Yong-hoon
১ম অধ্যায়: ঋণ
একটি লেক থেকে মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ উদ্ধার করা হয়েছে।
এছাড়াও গতরাতে, ময়লার ট্রাকের নিচে চাপা পড়েছে এক লোক,
অকস্মাৎ গলি থেকে দৌড়ে বের হয়েছিল লোকটি।
$১ মিলিয়ন ইনভেস্টমেন্ট টাকা সঞ্চয় ও চুরির দায়ে,
৪০ বছর বয়সী এক লোককে গতরাতে আটক করেছে পুলিশ।
বাপরে!
কী রে...
ধুর!
এসেছো।
এক লোক এটা ফেলে গেছে।
এসেছিল ভোরের আগে, কিন্তু বাইরে গিয়ে আর আসেনি।
স্টোরেজে রেখে দিচ্ছি।
আচ্ছা।
ডায়াপার পরতে বলেছিলাম তোমাকে।
আমি বাচ্চা নই, ডায়াপার কেন পরবো?
তাহলে টয়লেটে গিয়ে করো।
ও প্রতিদিন কীভাবে পরিষ্কার করে বলো তো?
ওর কষ্টটাও একবার দেখো।
ও তো দোকানে কাজই করে না,
সারাদিন বাসায় শুয়ে-বসে থাকে।
এসব কথা বলো না।
দোকানটা দাঁড় করাতে তোর বাবা দিনরাত খেটেছে।
তোরা হেলাফেলায় কাজ করলে, রেগুলার কাস্টমার সব চলে যাবে।
দোকানে চলে যেতে চাচ্ছিল,
বীচের সিঁড়ির ওখানে থেকে কোনোক্রমে নিয়ে এসেছি,
চেঁচালো অনেকক্ষণ, আমি নাকি ওনাকে মেরে ফেলছি।
তোমাকে জানাতে সেটাও বলবে।
বুঝেছি।
আর ইয়ুন-হি কল দিয়েছিল।
ওর স্টুডেন্ট লোণ নিতে পারছে না,
কাজ করতে এক সেমিস্টার অফ দিবে।
আসুন।
ক্যামেরায় তাকান।
আঙুল রাখুন।
যান।
পার্ক: কাজ শেষে আমার ওখানে আসবেন।
ধুর...
তাকান!
ভেতরে যান।
শালা বলদ, বজ্জাত মেয়ের পাল্লায় পড়েছিল।
ওই, পোর্ট অফিসার সাহেব!
পার্ক সাহেব!
আমাদের হ্যান্ডসাম অফিসার!
আসুন আসুন।
পরিষ্কার করবে না জায়গাটা।
ওদিকে চলুন।
ধুর...
ডিনার করেছেন?
ঠিক আছে।
বেশ!
তো।
কিছুক্ষণ সত্যবাদী হওয়া যাক।
আমি কি...
আরেকটু সময় পেতে পারি?
কী বলছেন?
আজকে টাকা দেয়ার কথা ছিল।
নিজেই বলেছিলেন,
কথা না রাখলে আপনার হাত আমার।
হাত?
একথা এই প্রথম শুনছি।
ধুর...
ইয়ন-হি ঝামেলা না পাকালে, আমি এখানে থাকতাম না।
আপনিও জানেন আমি ভিক্টিম।
তো কী করবো?
ওর ঋণের জন্য আপনিও সাইন করেছিলেন,
অন্যায় হচ্ছে মনে হলে, ওকে ধরে আনুন।
পারলে তো আনতামই!
কিন্তু ও তো হাওয়া হয়ে গেছে,
ওর জিনিসপত্রও আমার বাসায় রেখে গেছে।
পার্ক সাহেব,
আরেকটা সপ্তাহ সময় দিন।
টাকার সন্ধান পেয়েছি।
কখন? কোথায়? কীভাবে?
আরে...
সেটা ব্যবসায়িক সিক্রেট।
একটা সপ্তাহ দিন।
সুদে-আসলে ফিরিয়ে দেবো!
দিতে না পারলে নিতে কাবজাব হবে প্রচুর।
ও নাড়িভুঁড়ি খেতে ভালোবাসে।
ওদেরকে কাঁচা মাছ, মাংস নয়তো মানুষ খেতে দিতে হয়। শালার পাগলা সব।
শালার।
আপনার ডায়ালকৃত নাম্বারটি এই মুহূর্তে...
ধুর।
শালী।
বড় অংকের ঋণ
শালার, এ যেন স্বর্গ...
কী মনোরম দৃশ্য, আহা।
এই, মি-রান।
বসের কাছে আগাম টাকা চেয়েছিলে?
হ্যাঁ, ধন্যবাদ।
উনি তোমার কথা খুব ভাবেন।
- ঠিক আছো? - হ্যাঁ।
#৩০২ এর এক মাল মেয়েদের তাড়িয়ে যাচ্ছে,
গিয়ে ওকে খুশি করবে?
স্যার, আরেকজনকে এনেছি।
আচ্ছা।
দাঁড়াও...
ও চলবে।
শালা, অবশেষে।
উপভোগ করুন!
হ্যালো।
চায়না থেকে এসেছো?
হ্যাঁ।
কোথা থেকে ঠিক?
হুয়ানরেন চেনো?
তা, এখানে কেন?
পালিয়েছি।
কী করেছিলে?
মানুষ মেরেছিলাম।
মজা করছি।
টাকা কামাতে, আর কেন?
এই।
ওঠো।
এসেছো?
ফুর্তিতে আছো দেখি।
স্যরি, পরিষ্কার করে ফেলছি।
ওই।
আমরা কীসের মধ্যে আছি এখনো বুঝতে পারছিস না?
ওই।
তোর দেনা চুকাতে গাধার মতো খাটছি আমি।
সেজন্য আমিও তো খাটছি।
কী?
দাঁড়া।
কী বললি তুই?
কী বললি?
- স্যরি, সব আমার দোষ। - না, কী বললি?
মাগী, কত টাকার মারা খেয়েছিস জানিস না?
তোকে যে কী করি?!
স্যরি, সব আমার দোষ।
না, পেঁদাতে হবে।
স্যরি! সোনা, স্যরি!
কাল ফ্রি আছো?
দেখা করবে?
২য় অধ্যায়: গবেট
দং-ফাল?
হ্যাঁ, ভাবিস না।
টাকা নগদে আনছিস?
ট্রেন স্টেশনে অনেক ক্যামেরা, বাসে আসিস।
শেষ জাহাজ ছাড়বে ১০টায়,
৮টার মধ্যে আসিস।
আমি গাড়িতে থাকবো, দেখতে পাবি।
আরে, আমরা বন্ধু না।
ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করিস না।
হ্যাঁ, সাবধানে আসিস, ২ দিনের মধ্যে দেখা হবে।
ডিলিট কল রেকর্ড
ইয়ে, কার্প মাছ।
ইয়ে, ভাই আমার!
আয়, জলদি আয়...
শালায় আবার কী চায়?
- হাই, কার্প! - হাই!
আমি ভীষণ ব্যস্ত, কী হয়েছে?
শালার ভাই!
ব্যবসা তো রমরমা, তাও ব্যস্ততার ভান করছিস।
ওটা পার্কের হাতে যাওয়ায়, ব্যস্ততা চরমে।
পুলিশী অভিযান মোটেও নেই।
হারামীর দল...
ইয়ন-হির হাতে থাকতে, রোজ হানা দিতো।
ওকে এখনো পাওনি?
আমার এক পুলিশ বন্ধু খুঁজছে, ক্রেডিট কার্ড কিংবা গাড়ির কোনো রেকর্ড নেই,
বলেছে মাস পেরিয়ে গেলে, ধরে নিতে হবে মরে গেছে।
ও এত সহজে মরার মেয়ে নয়।
এই হারামজাদা, আজ পর্যন্ত ও আমার প্রেমিকা ছিল।
এখনো বের হতে পারছো না!
বলেছিলাম, ও তোমাকে খেয়ে ছেড়ে দিবে।
প্রথম প্রথম মজাই লাগে,
পরে অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায়, ভালোবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।
আস্ত মাথামোটা তুমি!
বলে বেড়াতে, "ইয়ন-হি! ভালোবাসি!"
ধন্যবাদ রে।
আমাকে নিয়ে ভাবার জন্য।
- স্যরি। - না, সত্যি বলছি।
শোন, একটা কথা আছে।
আমাকে দিয়ে কিছু করাতে চাচ্ছো!
সেরকম কিছু না।
- ধুর... - প্লিজ?
কী?
কার্প!
কার্প রে, ভাই আমার!
একটা আস্ত গবেটকে ফাঁদে ফেলেছি।
জানতাম কাহিনী আছে!
দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
ওই!
আমরা পরিবার না।
তুমি দূরসম্পর্কের কাজিনের দূরসম্পর্কের কাজিন!
মানুষ আমাদের আলাদা করতে পারে না, তুই জানিস না?
আমার আর তোর চেহারার মিল নেই?
বাদ দাও।
১০০ লার্জ, সব নগদ।
এত টাকা একা সামলাতে পারবো না।
সবটা আমারই নিতে হবে।
কেমন বলদ এত টাকা নিয়ে ঘুরে?
আছে এমন বলদ।
কাহিনী তো আছেই।
আছেই তো।
সেজন্য আমরা টাকা নিয়ে ভাগলেও পুলিশে জানাতে পারবে না।
বুঝতে পারছিস?
সবসময়ই তো জুয়ার দেনা নিয়ে বিলাপ করিস।
No comments yet. Be the first to leave one.