İlk 200 satır.
অনুবাদক গণ As Peyash, Afsana Tithi, Titas Sarkar
পাহাড়ের পূর্বদিকের অবস্থা জানাও।
মিলিটারিদের কোনো কাজ ছাড়া ডাক দেওয়া যায় না। শিওর হয়ে জানাচ্ছি।
দুদিক থেকেই আমরা নিশ্চিত হয়েছি, স্যার।
ফ্যালকন 2, তুমি কতজন দেখতে পাচ্ছো?
তিন শতাধিক, স্যার। স্যার, আরো বেশিও হতে পারে।
সেইন্ট বলছি। তারা পাহাড়ের পূর্ব দিকে আছে।
আমি কিন্তু বলেছিলাম এখানে তুষারপাত হয়!
তোমাকে হাজারবার বলেছি, পাহারাদারের কাছে ধরা খেয়ো না!
তোমাকে কিন্তু হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখতে বলেছিলাম।
কোবরাগুলো কোথায়?
ক্রিমিয়া, তারা সমরকন্দে আছে।
কোবরাদের বের করা সম্ভব না, কারণ তুষারপাত হচ্ছে।
স্যার, মনে হচ্ছে তারা ক্রিমিয়ার দিকে অ্যাটাকের পরিকল্পনা করছে।
আমি আর বেশি প্যাঁচাল পারতে পারবো না! দ্রুত হেলিকপ্টার পাঠান।
আমরা তাঁদের সেখানে ছেড়ে আসতে পারি না!
সেইন্ট বলছি, শীঘ্রই সৈন্য পাঠাচ্ছি।
স্যার, ঈগল নেস্ট বলছি। তুষারপাত শুরু হতে যাচ্ছে।
তারা অনেক জন একসাথে, আমাদের আরোও সৈন্য দরকার।
কয়েকজন কুঁড়েঘরের দিকে এগিয়ে আসছে, ক্রিমিয়া।
তোমাদের সেখানে লুকিয়ে থাকতে হবে।
ক্রিমিয়া, কতজন অবশিষ্ট আছে সেখানে?
ক্রিমিয়া রিপ্লাই করছে না, স্যার। তারা বাহিরে পাহারা দিচ্ছে না কি?
ভেয়সেল বলছি, স্যার। সেখানে চারজন অবশিষ্ট আছে।
তাঁরা সকাল পাঁচটা বাজে বের হয়েছিল।
কারা?
প্রতিনিধি ইয়াসার, সার্জেন্ট কামাল এবং সাথে আরো দুজন বেসরকারি।
- তোমার কাছে অাগুন জ্বালানোর উপকরণ অাছে? - হ্যাঁ, স্যার।
- বিস্কুট বা হালকা খাবার? - আছে, স্যার।
যা কিছুই হোক না কেন, তোমাদের নিচে নামতে হবে।
আমরা তাঁদের রেডিওতে জানাবো ঠিকই, কিন্তু হেডকোয়ার্টরে যথেষ্ট সময় নেই।
কেউ আমাদের রক্ষা করতে আসবে না, আমরাই একে অপরকে বাঁচিয়ে রাখবো।
ছাড়ো।
- সার্জেন্ট কামাল! - হ্যাঁ, স্যার।
কী দেখতে পাচ্ছো?
দশজন পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছে, স্যার।
আরো দশজন হাটাহাটি করছে, স্যার।
অগুজ!
অগুজ ওঠো, অগুজ!
নাইন হানড্রেড টুইন্টি-থ্রি ক্রিমিয়া। মাউন্টেইন বলছি।
মাউন্টেইন, ক্রিমিয়া বলছি। বলতে থাকো।
আকস্মিক আক্রমণের পর আমরা মাউন্টেইনের চূড়ায় অবস্থান নেব।
দশজন আমাদের দিকে বন্দুক তাক করে আছে। এছাড়াও আরো অনেকে সামনে এগিয়ে আসছে।
ওইখানেই থাকো। সেইন্ট শীঘ্রই আসছে, মাউন্টেইন।
আমাদের হাতে বেশি সময় নেই, ক্রিমিয়া।
তাঁরা চার-পাঁচ ঘন্টার মধ্যে সেখানে উপস্থিত হবে। অবশ্যই তোমাদের অপেক্ষা করতে হবে।
সার্জেন্ট কামালের কাছে যাও।
ভেয়সেল, মনোযোগ দিয়ে শুনো।
চার-পাঁচ ঘন্টা পরে এখানে...
...চারটা মৃত দেহ খুঁজে পাবে।
তোমার আঘাতের কী অবস্থা এখন?
আমার ক্ষত-এর কথা ভুলে যাও।
যেভাবেই হোক তোমাকে আসতে হবে।
সময় স্বল্প, এমনকি আমাদের কাছে ভালো বন্দুকও নেই।
বেকিরের কথা ভেবে দেখো।
ইয়াসার, তুষারঝড় হচ্ছে পাহাড়ের পাদদেশে।
হেলিকপ্টার এখন বের করা সম্ভব না।
সেইন্ট শীঘ্রই পৌঁছাবে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ধৈর্য ধরো।
তুমি এতো মোটা হলে কীভাবে, দোস্ত?
বেকির, আবার শুরু করেছো...
স্যার! আল্লার দোহাই দিলাম, তোমার বন্দুক কোথায়, দোস্ত?
নির্বোধ কোথাকার। কর্পোরাল বলেছিল...
এন্টেনা মেরামত করতে যাচ্ছো ওটা এতো দরকারি না।
তো তোমার বন্দুক ছিল নাকি?
অবশ্যই। কিন্তু ব্যবহার করি না। কারণ আমি ডিটেক্টিভ। আর তুমি কী করেছ?!
তুমি আর তোমার কর্নেল, দুই আবুলের জন্য,
এখন আমরা মরতে যাচ্ছি।
বেকির, মুখ বন্ধ করো নয়তো মুখ বরাবর একটা দেবো।
দুমাস আগেই ডগ ট্যাগ নেওয়ার দরকার ছিল কোনো?
- ব্যাপারটা ফ্যাশনেবল! - লাভ কী?
তোমার পরিবার তো পাঁচ মাসের টাকা অগ্রিম দিতে রাজি হয়েছে।
সাড়ে পাঁচ মাস।
যদিও কখনো বলা হয়নি। কিন্তু আমি চাই যে, তুমি থেকে যাও।
তুমি ভালো করেই জানো, আমিও চাই থেকে যেতে।
হ্যাঁ, সে তো বোঝাই যাচ্ছে!
টাকা দিয়ে কিংবা অস্ত্র ব্যবহার করে তো
এখান থেকে বের হওয়া সম্ভব না, পেলিন।
এই দেশপ্রেম দেখিয়ে নিজেকে খুব পুরুষ মনে হচ্ছে, না?
হুম, হচ্ছে তো অবশ্যই।
আর সে পুরুষের জন্যই অপেক্ষা করছি আমি।
আর তোমার শূন্যতার রাগটা ফোনের উপর ঝাঁড়ছি!
মোটেই না। আর আমিও অমন পুরুষ নই।
তো?
মিলিটারি সার্ভিসের মানুষকে সম্মান করতে জানে,
এ প্রজন্মে এমন মেয়ে খুঁজে পাওয়া কঠিন!
তো আমি কী করতে পারি?
কোন মেয়েটা তোমার জন্য এভাবে... মাসের পর মাস অপেক্ষা করবে, শুনি?
এত চিন্তাকে নিরবে সহ্য করে যাবে?
এত চিন্তা সহ্য না করে, আমি যাবার পর ব্রেকআপ করে ফেললেই পারো!
সপ্তাহখানেক নেটে আড্ডা দিবে।
তারপর তোমার বন্ধুদের আড্ডাখানা
...আসমালিমেসকিট থেকে,
কাউকে ধরে নিয়ে রাতও কাটাতে পারবে।
অবশ্যই, নিজেকে সস্তা মনে হবার আগ পর্যন্ত প্রেম চলবে।
প্রেমের আবেশে একে অন্যের গভীরে যাবে। খুব গভীরে।
শেষমেশ, নিজের গুরুত্ব বাড়াতে, ওকে ছ্যাঁকা দিয়ে ছেড়ে দেবে।
এটাই তোমার আগামী দুই বছরের পরিকল্পনা।
পাঁচ মাসের সাথে এসবের তুলনা হয় কীভাবে?
যাও, তুমি তোমার বন্দুক নিয়েই থাকো।
এটা হচ্ছে উলফ'স টুথ। দুই কদম এগিয়ে পূর্বদিকে।
তাঁরা বললো কিছু সৈন্য পাঠাবে...
আমাদের উদ্ধার করার জন্য।
কিন্তু আমাদের অন্য কোথাও লুকাতে হবে...
তাহলে হয়তো প্রাণ নিয়ে ফেরার সম্ভাবনা আছে।
স্যার, দুইশ মিটার দূরত্ব।
তারা বুঝেছে আমরা এখানে,
নয়তো বিশ জন একসাথে ঘেরাও করার প্রশ্ন-ই আসে না।
- কামাল! - বলুন স্যার।
উলফ'স টুথে নিয়ে যাবার দায়িত্ব তোমার।
কে ভালো বন্দুক চালাতে পারে?
অগুজ।
কী? স্যার, কি বলেন এসব! আমি ওর থেকে ভালো বন্দুক চালাই।
তোমার সাথে কথা বলছি না।
কামাল।
তোমার বন্দুকটা অগুজকে দাও। রেডিওটা বেকিরকে দাও।
- স্যার... - বেকির!
ধরো এটা।
যত বিপত্তি ই আসুক, এটা ছাড়বে না।
তুমি সোজা দৌড়ের ওপর থাকবে। তারা বুঝতে পেরেছে পাহাড়ে স্নাইপার আছে।
কামাল তোমাকে কভার করবে।
দৌড়ে পাহাড়ের ঢালু কোনো এক জায়গায় আশ্রয় নেবে।
তুষারগুলো খুবই নরম। গড়াতে গড়াতে ১০০ মিটার পর্যন্ত যেতে পারবে।
অগুজ, যখন আমি অর্ডার করবো...
তুমিও তাদের মতোই দৌড়াবে।
- স্যার, আপনি? - স্যার, একশত পঞ্চাশ মিটার।
শান্ত হও।
আমি তোমাদের পেছনেই থাকবো।
আমরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করছি।
বসো।
বুরাক।
বুরাক!
হ্যাঁ, স্যার।
তোমার বন্ধুর জন্য কিছু খাবার নিয়ে আসো।
তোমার কার্তুজ বেল্ট কোথায়?
যাও এখান থেকে!
আচ্ছা, স্যার।
তোমার জন্মস্থান?
পরিবারের সবাই "কুজান" থেকে... কিন্তু আমার জন্ম হয় "আনকারা", স্যার।
আমি বড় হয়েছি "ইস্তানবুল"।
এখানে আসার জন্য বোধহয় অনেক কসম-টসম কাটতে হয়েছে?
আরে না স্যার।
বিষণ্ণতা হচ্ছে তোমার কাছের শত্রু।
এগুলো থেকে নিজেকে দূরে রাখবে! বাদবাকিগুলো মেনে নেয়ার মতো।
- কোন বিষয়ের ওপর স্টাডি করেছ? - ইতিহাস, স্যার।
কিন্তু আমি সবরকম কাজই পারবো।
একজন জার্মানি, একজন ইতালিয়ান, একজন তুর্কীয়, তিনজন একই হোটেলে বাস করতো।
প্রত্যেকের রুমে একজন দাসী...
এবং একটি ইস্ত্রি ছিল।
জার্মান,
রুমে গেলো আয়রন করলো।
তারপর দাসীর সাথে ঘুমালো।
তারপর সে গর্বের সহিত বললো, "আমাদের জন্য, কাজ আগে, ভালোবাসা পরে"
ইতালিয়ান করলো তার উল্টোটা,
প্রথমে দাসীর সাথে ঘুমালো, তারপর আয়রন করলো।
আর গর্বের সাথে বললো, "আমাদের কাছে ভালোবাসা আগে, কাজ পরে"
এবার আমাদের তুর্কি ছেলের পালা।
সে দাসীকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে তাকে দিয়ে আয়রন করালো।
আর বলল, "যে কাজ করে, সে মারা ও খায়"
দূরত্ব একশত মিটার!
অগুজ
অস্ত্র নাও!
নিশানা ঠিক করো!
জেন্টলম্যান, তৈরি হও!
বেকির, ভয় পেয়ো না। আমি তোমার পেছনেই আছি।
- সোজা দৌড়াবে, বুঝেছ? - হ্যাঁ, স্যার।
কামাল!
আমরা প্রস্তুত, স্যার।
আসো!
দৌড়াও, দৌড়াও!
সোজা দৌড়াবে, পা থামাবে না!
বেকির, দৌড়াও!
নিচে ঝুকো!
দৌড়াও! দৌড়াও, থামবে না!
00:10:30 --> 00:10:40 সম্পাদনায় : Afsana Tithi
- প্রস্তুত হও। - স্যার, আমি আপনাকে নিয়ে যাবো।
আমি আপনাকে নিয়ে যাবো, স্যার।
এ অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে কোথায় নিয়ে যেতে পারবে?
পারবে না।
আমাকে না! আমার বন্দুকটাকে নাও।
অগুজ...
মৃত্যু যেনো তোমাকে স্পর্শ না করে।
টিকে থাকতে হবে।
যাও, দৌড়াও, যাও।
দৌড়াও!
বেশ্যার বাচ্চারা!
দৌড়াও! দৌড়াও, থামবে না।
দৌড়াও, তুষারের গা ঘেসে।
স্নাইপার!
একজন মরবে, হাজারজন জন্ম নেবে!
অগুজ!
অগুজ!
সার্জেন্ট কামাল কোথায়?
কথা বলো, দোস্ত!
আমাদের যেতে হবে।
সার্জেন্ট কোথায়?
তাঁরা মারা গেছে।
তাঁরা মারা গেছে মানে? দোস্ত, কী বলছ এসব?
হ্যাঁ, তারা মারা গেছে।
ঐ কুঁড়েঘরে ক্যাপ্টেনের শরীরে, আরো একবার গুলি ভেদ করে।
এবং সার্জেন্ট কামালকেও তারা গুলি করে।
No comments yet. Be the first to leave one.