İlk 200 satır.
সিক্রেট ফরেস্ট -
অনুবাদক পিয়াস ভৌমিক
সম্পাদনাঃ জায়েদ খান
[সাবটাইটেল ভালো লাগলে রেটিং দিয়ে উৎসাহিত করার আহবান জানাচ্ছি।]
সিক্রেট ফরেস্ট -
=(এপিসোড ৫)=
আমরা শুরু করছি।
-মাইক্রোফোন চেক, এক, দুই, তিন। -শুরু করা যাক।
আমার পিছনে যে বাড়িটি দেখছেন
এখানে এই বছরের জানুয়ারীতে পার্ক মো-সাং খুন হয়েছিল,
এবং আজকে আরেকটি নৃশংস অপরাধ এখানে ঘটেছে।
মনে হচ্ছে আরেকজন খুন হয়েছে।
-হায় ঈশ্বর। -একজন শিক্ষার্থীর সামাজিক যোগাযোগ...
মাধ্যমে ভুক্তভোগীর ছবি পোষ্ট করায় ঘটনাটি সবার সামনে এসেছে।
একদল কিশোর-কিশোরীরা এখানে মৃত মি. পার্কের খালি বাড়িতে এসেছিল।
লাশটি তারা দেখার পর পুলিশকে খবর না দিয়ে
তারা লাশটির ছবি অনলাইনে পোস্ট করে,
-যেটা আমাদের অনেককে অবাক করে। -ছেলে-মেয়েরা বাইরে আসছে!
-তারা বাইরে আসছে! -এইযে এরা এসেছে।
-কিছু বলো। -কী হয়েছে তা সম্পর্কে আমাদের বলো।
-ক্যামেরা বন্ধ করুন! -কিছু বলে যান।
-দাড়ান। -ছবি তুলবেন না!
না, ছবি তুলবেন না!
-প্লিজ কিছু বলে যান। -আসল ঘটনা কী?
-এদিকে তাকান! -প্লিজ বলে যান কী ঘটেছে।
-কী ঘটেছে? -তোমরা ওখানে গেলে কীভাবে ?
-অফিসার। -আমাদের কিছু প্রশ্ন করতে দিন।
-প্লিজ সুযোগ দিন! -এই?
এই।
আপনি এখানে কেন এসেছেন?
এটা কী আগের কেসটার সাথে সম্পৃক্ত? এবারের খুনটি কী হুবহু আগের মতোই?
আপনার কথা দেওয়ার পরে আরেকজন খুন করা হয়েছে।
-আপনার কিছু বলার আছে? -কিছু বলুন।
-এটা সিরিয়াল মার্ডার কেস? -এটা কী সত্যি, প্রসিকিউটর?
-প্রসিকিউটর হোয়াং! -আপনার মতামত দিন?
-মি. হোয়াং! -কিছু বলুন।
ফরেন্সিক অফিসার
এই।
মেয়েটার জিনিসপত্র খোঁজার চেষ্টা করো।
যা খুঁজে পাও।
হ্যাঁ, স্যার।
এই বাড়ির মালিক কোথায় গেছেন?
তিনি এভাবেই বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে, কিন্তু তার কোন জিনিসই এখানে নেই।
কী?
ওনার মানি ব্যাগও নেই। তার কোন জিনিসপত্র নেই এখানে।
আমি জানি এই বাড়ির মালিক কোথায়।
মেয়েটাকে আগে অজ্ঞান করে এভাবে বাধাটা খুব একটা সহজ কাজ নয়।
এখানে ওয়ালে কোনো রক্ত নেই।
-ঈশ্বর! -সে বেঁচে আছে!
-সে বেঁচে আছে। -কী? কী বলছো?
সে বেঁচে আছে!
-সে জীবিত? -এই!
এই!
-তাড়াতাড়ি করো তাকে খোলো। -সে মৃত ছিল!
-কাঁচি! -হাতটা খোলো!
কাঁচি দিয়ে কেটে দাও।
আমাকে কাঁচিটা এনে দাও!
-তাড়াতাড়ি! -হাত খোলো!
-সরে যাও। -তাকে তোলো।
এক, দুই, তিন। ঈশ্বর।
সাবধানে।
-কোথায় নিয়ে যাবো? -বাইরে!
এই, মেয়েটা জীবিত!
-জীবিত? -রাস্তা থেকে সরে যাও। সে বেঁচে আছে!
এই, উঠো।
-অপরাধীকে দেখেছ? -হায় ঈশ্বর!
সে তার চোখ খুলেছে বেঁচে থাকার জন্য, আমাদের অপরাধী ধরার জন্য না।
ডাক্তার। ডাক্তারকে তাড়াতাড়ি ডাকো।
সে মেয়েটাকে মারেনি কেন?
মানে, এতোকিছু হওয়ার পরও।
আর, এখানেই কেন?
সে এখানে কী করতে চাচ্ছে?
ওকে। এক, দুই।
দরজা খুলুন, প্লিজ। দরজা!
- মনে হচ্ছে সে জীবিত। -মেয়েটা কি জীবিত?
-সে কি জীবিত? -আমাদের বলুন।
-সে কি জীবিত? -মেয়েটা কি সত্যিই বেঁচে আছে?
-জীবিত? -প্লিজ কিছু বলে যান!
মেয়েটি বেঁচে আছে। তাকে নামসাম হসপাতালে নেয়া হচ্ছে।
এখানে অনেক সাংবাদিক আছে। খুনি শীঘ্রই জেনে যাবে।
প্লিজ এখনই আমাদের আরও টিম পাঠিয়ে দিন। ইয়েস, স্যার।
আরেকটু সাবধানে কাজ করবে, প্লিজ?
ডিটেকটিভ কিম।
-হ্যাঁ? -চিফ কথা বলবেন।
হায় ঈশ্বর, আমরা এখনো কিছু জানি না। তিনি কল করছেন কেন?
ওনাকে বলে দিন নাম: কোয়ান মিন আহ, ২৫ নম্বর কলোনির দিকে থাকে।
কে? ভুক্তভোগী?
আপনি তাকে চিনেন?
আমি মেয়েটাকে চিনি না, কিন্তু আমি জানি মেয়েটা কোথায় থাকে।
-দুঃখিত? -তিনি অপেক্ষা করছেন।
তুই কিছু একটা বলে দে।
প্রসিকিউটর হোয়াং, দাঁড়ান।
আপনি তাকে ব্যক্তিগতভাবে না চিনলে কোথায় থাকে সেটা জানলেন কীভাবে?
সে একটা সংস্থায় কাজ করতো
যেটা আমাদের পতিতাবৃত্তি অভিযানের সময় ধরা পড়ে।
তো, সে কী কাজ করে?
সে গত রাতে আরেকটা অভিযানে ধরা পড়েছিল।
আমি তার বাড়িতে যাবার আগেই সে পালিয়ে যায়।
এখন, এটা ছিল দুই রাত আগের ঘটনা।
একজন কাজ করা মেয়ে এখানে আসল কীভাবে?
আমিও এটার উত্তর জানতে চাই।
আর এর মানে কী।
সে হয়তো অপরাধীকে দেখেছে।
তার অবশ্যই বাচঁতে হবে।
-প্রসিকিউটর। -প্রসিকিউটর!
-প্রসিকিউটর! -প্রসিকিউটর, প্লিজ কিছু বলে যান।
আপনি কি আসল খুনিকে চিহ্নিত করতে পেরেছেন?
আজকের ঘটনায় আপনার মতামত কী?
-প্রসিকিউটর, আর কী কোনো... -প্লিজ আমাদের বলুন।
প্লিজ কিছু বলুন।
-প্লিজ কিছু বলে যান! -প্লিজ।
আপনি কি নিশ্চিত যে খুনীকে ধরতে পারবেন?
-আমি এটা প্রবেশ করাচ্ছি। -তাকে তাড়াতাড়ি রুমে নিয়ে যাও।
-আরও ছয় ব্যাগ রক্ত নিয়ে আসো। তরলও। -হ্যাঁ, ডক্টর।
-সে কি শকড হয়ে আছে? -হ্যাঁ।
-হয়েছে। -তাড়াতাড়ি ধরো।
-সে বেঁচে যাবে, তাই না? -এটা হোমোরজিক শক।
হাইপোক্সিয়া এবং নিম্ন রক্তচাপের কারণে হয়েছে।
সে বেঁচে যাবে, তাই না?
ফুসফুসের মধ্যে ক্ষত রক্ত ক্ষয় করেছে এবং অক্সিজেনের ঘাটতি সৃষ্টি করেছে।
এটা আরও বিপদজনক হতে পারতো।
সে একজন সিরিয়াল কিলার কে দেখেছে। সে-ই একমাত্র সাক্ষী।
প্লিজ ওকে জীবিত ফিরিয়ে আনুন।
সে সাক্ষী হোক বা না হোক আমাদের তাকে বাঁচাতে হবে।
সে সাক্ষী হোক বা না হোক।
বেঁচে ফিরো। ওকে তোমাকে হারিয়ে দিতে দিও না।
তুমি অনেক ভয় পেয়েছিলে। এটা নিশ্চয়ই ভয়ানক ছিল।
তোমার এই জীবনে এই পৃথিবীতে ওগুলোকে শেষ স্মৃতি হিসেবে রেখে যেও না।
তোমাকে বেঁচে ফিরতে হবেই!
মিস. হান!
-স্যার। -এই।
কী হয়েছে?
তাকে এখন অপারেশন করা হচ্ছে। যদিও ডাক্তার কোনকিছুর নিশ্চয়তা দেয়নি।
আমরা তার পরিচয় জানতে পেরেছি।
প্রসিকিউটর তার ঠিকানা জানে।
আমরা এখন সার্জেন্ট কিমের সাথে সেখানে যাচ্ছি।
-আপনি প্রসিকিউটর হোয়াংয়ের কথা বলছেন? -হ্যাঁ।
উনি মেয়েটার ঠিকানা কীভাবে জানলেন?
পতিতাবৃত্তির অভিযানের জন্য মেয়েটিকে তাড়া করেছিলেন।
মি. পার্ক, এখানে থাকবে আমি না আসা পর্যন্ত, ওকে?
-মেয়েটার উপর নজর রাখবে। -আচ্ছা...
এই, মিস. হান। ইয়ো জিন।
এটা তো অনেক ভয়ানক।
সোনা।
কিছু কি হয়েছে?
কেন জিজ্ঞেস করছো?
না, কিছু ঘটেনি।
কিছুই না।
ধুর।
ঈশ্বর।
আপনি ওখান দিয়ে আসলেন কেন? আমিই দরজা খুলে দিতাম।
ঠিক বলছেন।
ধস্তাধস্তির কোনো চিহ্ন আছে ?
অপরাধী কি
তার জিনিস-পত্র হাতাহাতি করেছে?
কোনকিছু ধরবেন না!
হতে পারে তাকে এখান থেকে কিডন্যাপ করা হয়েছে।
এই, আমি বলছি।
এখানে ফরেনসিক টিম পাঠান।
পারফিউম।
জলের বোতল।
মেকআপ ব্রাশ।
হ্যাঁ, যখন সেখানে শেষ হবে তখনই।
কী?
মি. হোয়াং, এখানকার ঠিকানা আবার বলুন?
আপনি বলেছেন সে বারে কাজ করে।
ঈশ্বর, মেয়েটার সাথে কী হয়েছিলো?
আমি জানি না। কিছু ভয়ানক নিশ্চয়ই হয়েছে।
হ্যালো, সবাইকে ধন্যবাদ।
ওহ, এসেছেন। মেয়েটার কী অবস্থা?
সে এখন অপারেশন রুমে আছে। পার্ককে ওখানে রেখে এসেছি।
ফরেনসিক টিম কোথায়?
তারা এখানে আসতে পারবে না কারণ হোয়াম-দং এ অবস্থা বেগতিক হয়ে আছে।
ধুর, কতগুলো এখানে।
প্রসিকিউটর হোয়াংয়ের কোনো ধারণাই ছিল না যে তাকে এখান থেকে কিডন্যাপ করা হয়েছিল
এবং সবকিছু মাড়িয়ে গেছে।
উনি কোথায়?
-সে একটু আগে চলে গেছেন। -কী? এই।
তুই তার আঙ্গুলের ছাপ নিয়েছিলি?
আমরা জানলা দিয়ে ঢুকেছিলাম,তাই সারা ঘর জুড়েই নিশ্চয়ই আমাদের আঙুলের ছাপ আছে।
আপনারা জানলা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেছেন কেন?
কি মনে হয়? আমরা সামনে দিয়ে দরজা নক করে আসতাম?
আপনি বলেছেন এখানে থেকে তাকে কিডন্যাপ করা হয়েছিল। দরজা কি লক করা ছিলো?
কিডন্যাপ করে নিয়ে যাওয়ার সময় কিডন্যাপার ভিতর থেকে দরজা আটকে দিয়েছিলো?
এখানে ইলেকট্রনিক লকও নেই। এটা তো নিজে থেকে লক হয়ে যেতো না।
আসলে, সে যদি দরজা দিয়ে ঢুকতো, লোকেরা দেখে ফেলতো।
যাইহোক,
এখানে এই অবস্থা। তোমার কি মনে হয় না
মেয়েটাকে ভয় দেখানো হয়েছিল?
ধুর।
আমি এগুলো কেন করলাম?
ওখানে লোশনও ছিল না।
আমি তার ড্রেসিং টেবিলে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কিছুই খুঁজে পাই নি।
আমি ভেবেছি মনে হয় কোনো বড় ব্যাপার না
এবং সে হয়তো তার সব জিনিসপত্র গুছিয়ে লুকিয়ে থাকার জন্য বাড়ি ছেড়েছিল।
কিন্তু এটা এখানেই ঘটেছে। ঘর থেকে বেরিয়ে একটু সামনেই।
আমি আবার দেরী করে ফেলেছি।
এটা আপনার দোষ নয়।
কে জানতো তাকে এভাবে কিডন্যাপ করা হবে?
এটা আগেই পরিকল্পনা করা ছিল।
No comments yet. Be the first to leave one.