İlk 200 satır.
অ
অনু
অনুবা
অনুবাদ
অনুবাদকঃ
অনুবাদকঃ আ
অনুবাদকঃ আতি
অনুবাদকঃ আতিকু
অনুবাদকঃ আতিকুল
অনুবাদকঃ আতিকুল গ
অনুবাদকঃ আতিকুল গনি
অনুবাদকঃ আতিকুল গনি রি
অনুবাদকঃ আতিকুল গনি রিপ
অনুবাদকঃ আতিকুল গনি রিপন।
ওই তো শেষ।
আমি সবসময় তোমার সাথে কথা বলব.......
আর এতে আমি কিছু মনে করব না যদি তুমি কিছুই না বলো।
শুধুমাত্র আজ তুমি পাশে নেই বলে একেবারেই যে নেই সে তো আর না।
হয়ত আমি এমন একটা উপহারের জন্যই কাঙাল ছিলাম।
যা তুমি শেষ মুহুর্তে দিয়েছো।
ক্লোন। অনুবাদকঃ আতিকুল গনি রিপন।
- আমি কি পড়ে শুনাব? - না, থ্যাঙ্কস।
শুভরাত্রি, দাদুভাই।
হাই! আমি টমি। আর তুমি?
রেবেকা।
এখানে থাকতে এসেছ?
না, আমার দাদা থাকেন, আমি উনার সাথে থাকি।
রেবেকা, তোমার দাদা ফোনে অপেক্ষা করছেন।
ঘুমিয়ে পড়েছে। ডেকে তুলব?
না, দরকার নেই। ঠিক আছে।
রাতে থাকতে দিতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।
শুভরাত্রি!
আমরা কোথায় যাচ্ছি।
এখন পর্যন্ত, আগে শুধু সবুজ পাতা দেখেছে।
নিশ্চয় ওর কাছে এটা অন্য জগত মনে হচ্ছে।
আগামীকাল সৈকতে নিয়ে যাব সাগর দেখাতে।
আগামীকাল থাকতে পারব না। চলে যাচ্ছি।
বাড়ি যাচ্ছ?
- না। - তাহলে কোথায়?
- টোকিও। - জাপান?
কী জন্য?
মা সেখানে চাকরি পেয়েছেন।
- আমরা ৭২ তলায় থাকব। - ৭২ তলা?
অনেক উঁচু।
আমি গেলাম।
- হাই! - রেবেকা?
কোথায় তুমি?
সৈকতে, তুফান দেখতে এসেছি।
- আগামীকাল কখন যাবে? - ৬'টায়, ফেরিতে।
বিদায় জানাতে আসব, একটা ভালো আইডিয়া পেয়েছি।
- রেবেকা? - হ্যাঁ, আমিই বলছি।
টমি, হ্যালো? টমি?
সময় হয়েছে, রেবেকা।
- মাফ করবেন। - কী করতে পারি?
- টমি'র সাথে দেখা করতে এসেছি। - ওহ, অনেকদিন হলো এখানে আর থাকে না।
তোমাকে পরিচিত লাগছে। আগে কোথাও দেখা হয়েছে?
আমি রেবেকা।
রেবেকা...... ঐ ছোট্ট মেয়েটা, যে জাপান গিয়েছিল?
কিছুদিন টোকিও নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের বেশ জ্বালিয়ে মেরেছে।
তবে তারপর একেবারেই ভুলে যায়, সৌভাগ্যবশত।
এখন কোথায় থাকে?
ছোট পোতাশ্রয়ের পাশে বেড়িবাঁধটা চিনো?
সেখানে পাবে।
হ্যালো?
তুমি কে? এখানে কী করছো?
- থমাসের খোঁজ করছিলাম। - আমি থমাস।
তুমি কে?
হাই, টমি।
হাই।
কে ও?
জাপান কেমন লাগল?
- ভালো। - ৭২ তলা।
বেশ, তো, আমরা সাধারণ মানুষের মতো আচরণ করি। আমি রোজ, ও টমি। তোমার নাম কী?
- ফিরে যাবে? - না, স্নাতক শেষ করেছি।
- কীসের উপর? - অংকে।
আর এখন? এখন কী করছো?
সোনারের জন্য সফ্টঅয়্যার বানাই।
সোনার প্রযুক্তি পানির নিচে স্টোরেজ ট্যাঙ্কে ক্ষুদ্র ফাটল শনাক্ত করতে পারে।
অনেকটা পেট্রোল পাম্পগুলোর মতো, মাঝে মাঝে পাম্পের ট্যাঙ্কেও ফাটল ধরে।
ভালো তো।
তো বিঙ্গো তোমাকে ঢুকতে দিলো?
আগে কখনো এমন করতে দেখিনি, অপরিচিতদের সাধারণত অপছন্দ করে।
বিশেষ করে মহিলাদের। একবার এক মেয়েকে উরুতে কামড়ে দেয়, ঠিক এই সময়েই বেচারি এসেছিল।
- হয়ত তোমার গায়ের গন্ধ পছন্দ হয়েছে। - হয়ত।
হয়ত তোমাদের একে অপরকে শুঁকে দেখা উচিত!
কতদিন হবে?
- ১২ বছর। - ১২ বছর।
মনে হয় আমার যাওয়া উচিত।
রোজ জানে তুমি এখানে এসেছ?
জানি না।
ও তোমার প্রেমিকা, তাই না?
প্রেমিকা?
গতকালই ওর সাথে জীবনের প্রথম দেখা।
তোমার দাদা কতদিন হলো মারা গেছেন?
অনেকদিন আগে।
অদ্ভুত।
মনে হচ্ছে...... আমার ধারণা আরো বড় ছিল।
সেদিন রাতের কথা মনে আছে, বলেছিলে একটা পরিকল্পনা আছে যার জন্য বিদায় জানাতে আসনি?
পরে আর দেখাও দাওনি।
কী পরিকল্পনা, মনে আছে?
ভেবেছিলাম কোনোদিন জানতে চাইবে না।
সেদিন সকালে তোমাকে দিতে চেয়েছিলাম।
টোকিও এর জন্য একটা রোমাঞ্চকর অভিযান হতো।
প্রায় এক বছর হবে খাবার দেই, তুমি চলে যাওয়ার পর।
এটা খাওয়া আর মলত্যাগ এক সাথেই করে।
চিন্তা করার মতো।
দেখে খুব সুস্থ মনে হচ্ছিল না।
তারপর একদিন, নড়াচড়া একেবারেই বন্ধ করে দেয়।
মারা যায়।
তুমি আসনি কেন?
ঘুম থেকে উঠতে পারিনি।
তবে এখন সজাগ।
তোমার শরীর ঠান্ডা।
কেমন অদ্ভুত লাগছে।
জানি।
হ্যাঁ।
- এ সপ্তাহের ছুটিতে কী করবে? - তুমি যা করবে।
কেউ কিছু করবে না।
- আমাকে বাইরে যেতে হবে। - আমি যাব তোমার সাথে।
একা যেতে হবে। মাত্র দু'দিনের জন্য।
যেখানেই যাবে, আমিও যাব।
এমন জায়গা যেখানে তুমি যেতে পারবে না।
তাহলে তোমারও যাওয়া ঠিক হবে না।
ওরা জলাশয়ের নালায়......
হাজার হাজার টন শক্ত জমাট কংক্রিট এনে ফেলে।
আর মাত্র ৬ মাসে বানিয়ে ফেলে, যা একটা রেকর্ড।
কাগজে কলমে নাম সুস্থতার কেন্দ্রস্থল, তবে ওরা ডাকে স্পার্কলিং পার্ক।
লভ্যাংশ আসে মূলত সাইবার পতিতাবৃত্তি, মানে......
অনলাইন বেশ্যা, প্লাস্টিক সার্জারি, গৃহপালিত পশুপাখির ক্লোনিং থেকে।
গত সপ্তাহে চালু হয়।
ওদের জন্য ১ম সাপ্তাহিক ছুটি বা বরং আমাদের জন্য প্রথম সাপ্তাহিক ছুটি.....
কারণ আমাদের গ্রুপও সেখানে থাকবে।
গ্রুপ?
পোলনের গ্রুপ। পরিবেশবাদীদের মধ্যে সোচ্চার একটা সংগঠন।
অনুষ্ঠান ২৩টি প্রতিযোগীদের মধ্যে হবে।
আমরা ভিতরে যেতে পারব, আমরা হলাম অনুষ্ঠানের বিরাট গন্ডগোল সৃষ্টিকারী, রেবেকা.....
বলছিলাম যে আমরা হলাম গন্ডগোল সৃষ্টিকারী দল, যাদের কাজ হবে সিকিউরিটি গার্ডদের বিভ্রান্ত করা।
তো, এই সময়ে বাইরে অন্যরা প্রবেশপথে আর গাড়ি বের হওয়ার পথে......
কুইক-সিমেন্ট* দিয়ে বাধা সৃষ্টি করবে।
তুমি জানো কুইক সিমেন্ট কী? জানো না? বেশ, বাদ দাও।
- যাইহোক, ততক্ষণে মিডিয়াও এসে যাবে..... - কীভাবে করবে, বিরাট গন্ডগোল?
প্রস্তুত?
তো, কাঁধে ঝোলানোর বড় ব্যাগগুলো দেখেছো? আমরা তেলাপোকাগুলো ঐসব দোকানে ছেড়ে দেবো।
পুল আর রেস্তারাঁর চারপাশে, এককথায় যেখানে অনেক বেশি ভীড় হবে।
"স্পার্কিং পার্ক"
আমার ঐরকম ৬টা ব্যাগ আছে।
- কোথায় যাচ্ছ? - বাইরে।
সাথে এসব কী নিয়ে যাচ্ছ?
ব্যাগ।
- কফি খেতে ভেতরে আসবে? - না, না, এখন না।
বেশ, একটা চুমোও কি হবে না?
- কী? - তোমার প্লান পছন্দ হয়েছে, তুমি একাই করেছ?
আ-হা, হ্যাঁ, অবশ্যই।
কী?
রেবেকা, আমি একজন তেলাপোকার খামারী ছাড়া কিছুই না।
আশা করি তোমার জন্য এতটুকু যথেষ্ট হবে।
আমি সবসময় একজন তেলাপোকার খামারীর সাথে পরিচিত হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম।
প্রস্রাব করতে হবে।
- খুব বেশি পেয়েছে? - হ্যাঁ।
"যতদিন লাগে ততদিন তোমার জন্য অপেক্ষা করব।"
আ... আমি খেতে পারব না, রেবেকা। দুঃখিত।
অন্তত বসুন।
বসতেও পারব না।
দয়া করে বলবে কেন আমাদের নিমন্ত্রণ করেছ?
অবশ্যই।
ও আবারও আমাদের মাঝে আসতে পারবে।
আবার? কে, থমাস?
ডিপার্টমেন্ট অফ জেনেটিক রেপ্লিক্যাশান। কবর খুঁড়ে কোষের নমুনা সংগ্রহের অনুমতিপত্র।
কে জন্ম দেবে?
রাল্ফ।
আমরা নাস্তিক।
থমাসকেও আমরা নাস্তিক হিসেবে জন্ম দিয়েছি।
কিন্তু তারমানে এই না আমরা মৃত মানুষের কবর খুঁড়ে ক্লোন করব।
আমরা পশুর খামারী না।
জীবন আমাদের যা দিয়েছে তাই মেনে নিয়েছি.....
আর যা নেওয়ার তা নিয়ে গেছে।
কিন্তু........
কিন্তু কী?
কিন্তু জীবন আমাদের এ সুযোগও দিয়েছে।
একটা উপহার।
আপনি এভাবে কেন দেখছেন না?
রেবেকা তোমার জায়গায় আমি হলে, ঘরের রং পরিবর্তন করে সাদা করতাম।
রাল্ফ?
ধন্যবাদ।
আমরা কি এখান থেকে চলে যাব?
না, থাকো।
ও সাগর পছন্দ করত, আবারও পছন্দ করবে।
সে হিসেবে আমাদের জন্য, এখানে থাকার কোনো উপায় নেই।
আমরা সামনের সপ্তাহে চলে যাচ্ছি।
বেশ।
ধন্যবাদ, রাল্ফ।
রেবেকা..........
এটাকে ভালো কাজে লাগিয়ো।
আর সিদ্ধান্ত পাল্টানোর সুযোগ এখনো আছে।
ধন্যবাদ।
- হাই। - হ্যালো।
- বাচ্চার বয়স কত? - ৩ মাস।
কেক নিবে? আমার নিজ হাতে বানানো।
ধন্যবাদ, তবে এখন না। বাড়ি যেতে হবে।
- বেশ। - রইলাম। - রইলাম।
No comments yet. Be the first to leave one.