İlk 200 satır.
রাওয়া সেঙ্গোল নাইট মার্কেট
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ওয়াসিফ মামুন শুভ
আসসালামু আলাইকুম, ভাই।
কাজ করতে থাকো।
করতে থাকো।
আরো!
আরো!
জংকি !
তোমার শো'তে দেখি মেলা ভিড়।
একদম। আলহামদুলিল্লাহ।
এটাই কি সেই নতুন লোক?
হ্যাঁ। আজ ওর দ্বিতীয় দিন।
আলহামদুলিল্লাহ, আমি খুশি।
অনেকেই বল নিক্ষেপ খেলতে চায়।
হয়তো এটাই পরিবেশ?
ওর দিকে বল ছুঁড়ে মারা আর উকুন ছুঁড়ে মারা একই।
আসলে, সে মূলত দানব, তাই না?
আরো!
পানি খাও!
আরো চাও নাকি?
চাই! আমরা ভেজা কাঁপতে থাকা বার্বি দেখার সুযোগ মিস করব না!
মহিষ চামড়ার বার্বির ঠান্ডা লেগেছে!
আরো!
ও তো ভিজে যাচ্ছে!
ওকে চিবানো টেন্ডন মিটবলের মতো লাগছে।
- কারো মিটবল লাগবে? - আমার লাগবে!
- তোমার লাগবে? - প্লিজ ওদের আলাদা করো।
- স্যুপ? - মিটবল এবং টেন্ডন!
- তোমাদের আরো চাই? অবশ্যই চাও! - আরো চাই!
ভাই।
প্লিজ, থামো।
ইতিমধ্যে পাঁচবার করেছে।
আমার টাকা দিয়ে আমি যা খুশি করতে পারি।
But they're all bullseye.
আজ আমার মন ভালো নেই।
ওকে, বুঝেছি।
ধন্যবাদ।
আরো বল মারো…
আরো পানিতে ফেলো!
টাকলা বাবু!
আউচ! ব্যথা পাচ্ছি!
- এই! - ব্যথা পাচ্ছি! প্লিজ থামো।
- হেই! - সাহায্য করো!
কী হচ্ছে?
নিজের লোককে সামলাতে পারো না?
পারি…
ওকে যদি ভালো আচরণ শেখাতে না পারো,
শো বন্ধ করবে!
- এমন করো না! বুঝতে পারছি। - মানুষ এখানে জায়গার জন্য লাইন ধরে রয়েছে!
- আমি তাকে বুঝিয়ে দিব। - তুমি ঠিক আছো?
টাকলা!
এটা কী করলে?
তুমি বলেছো তোমার কাজের দরকার এবং আমি তোমাকে দিয়েছি।
দেখো কি করেছো তুমি!
ঘরে যাও আর কখনো ফিরে আসবে না!
কি মনে করো আমি ছাড়া কে আছে
কে তোমার মতো প্রাক্তন আসামীকে দ্বিতীয় সুযোগ দিবে?
চাকরি থেকে বের করে দাও।
আমার অতীতকে তুলে আনার দরকার নেই।
তুমি কি মনে করো তুমি একমাত্র শোয়ের মালিক?
তোমাকে একটা কথা বলি।
আমি অন্য কাজ খুঁজে পাব।
- না, পারবি না। - না, পারবি না।
দয়াকরে সাহায্য কর।
আমরা বন্ধু, তাই না।
হ্যাঁ, আমরা।
কিন্তু আমরা দলে আর লোক নিতে পারব না।
আমাদের কাস্টমারও আসে না প্রতিদিন।
দুই মাস ধরে ভাড়াও দিতে পারি না।
সত্যি বলছি,
আমরা খুব কঠিন সময় পার করছি।
আমাদের সবার টাকা দরকার।
টাকা কিসের জন্য?
অনেক কিছুই।
সামরিক বাহিনিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে,
আমার সুপারিনটেনডেন্টের সাথে লাভ শেয়ার করতে হবে।
বিষয়টা সহজ করতে, বুঝছ না?
সহজ কথায়,
দশ মিলিয়ন রুপিয়া দাও তাহলে তুমি টিকবে।
তোমাকে শুধু শারীরিক নির্বাচনে পাশ করতে হবে।
তাহলে এখনও আমাকে বাচাই পর্বে পাশ করতে হবে?
এটা শুধু আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।
এটা এতো কঠিন না।
কিছু ক্যানে গুলি করা,
বিভক্ত করা,
এবং কখনও কখনও…
থুথু লড়াই করে দেখে কে জিতে।
চেষ্টা করে দেখো।
থুতু মারো।
এটা তোমাকে কর্পোরাল পদে নিয়ে যাবে।
তুমি জন্মগত প্রতিভাবন।
আরেকবার।
এটা তোমাকে লেফটেন্যান্ট বানাবে।
ওহ!
আর দুই মিটার নিতে পারলে জেনেরাল হতে পারবে।
বিশ্বাস করো।
এটা লোককথা নয় যে সেনাবাহিনির লোকদের ব্যতিক্রম ঠোঁট থাকে।
দেখি।
তাকে সামরিক প্রতারকদের থেকে সর্তক থাকতে বলেছিলাম।
যা করতে পারিস না তা নিয়ে বাড়াবাড়ি করিস কেন?
এই কথা তোর মুখ দিয়ে আসছে, বেনি।
নিজের জন্য এই কথা বাঁচিয়ে রাখ।
তোর ভবিষ্যৎ শ্বশুরের কি খবর?
সে কি তোকে তোর সাম্যর্থের
বাইরে কিছু করতে বলেনি
এবং তবুও তুই হ্যাঁ বলেছিস?
কি জিজ্ঞেস করেছিল সে?
নাওমিকে বিয়ে করার বিষয়ে যদি সিরিয়াস হও,
আমি তোমাকে আমার অনুমতি দেব।
কিন্তু তুমি কি হলে বিয়ের আয়োজন করতে পারবে?
কমপক্ষে ১০০০ অতিথির?
খুব বেশি হয়ে যায় না?
কি করতে হবে আমাকে বলো না।
আমি যদি বলি ১০০০ অথিতি, তাহলে এটাই।
এটা তোমার জন্য খুব কঠিন, বুঝতে পারি।
আরেকজন ভদ্রওকে আছে যে আমার মেয়েকে প্রস্তাব দিয়েছে।
তুমি কি পারবে?
- হ্যাঁ, পারব। - এটাই সত্যিকারের পুরুষ।
এটা পাগলামি।
এটাই ভালোবাসা যা তোমাকে এমন করে।
যেটা বরিস বুঝতে পারবে না।
- জেগেল! - অকি!
দেখো তার দিকে!
জানতাম না তুই বের হয়েছিস।
তাই তো আমি এখানে।
কোথায় ছিলি?
ক্লান্ত দেখাচ্ছে।
- মসজিদে ছিলাম। - আলহামদুলিল্লাহ।
এটা আশা করি নি। তুই তো জুয়াতে আসক্ত ছিলি।
তাওবা করেছিস।
এটা সত্য যে সে মসজিদে ছিল।
নামাজের জন্য নয়।
গেল, কি করেছিস?
এই জন্য তুই ভাড়া বাসায় ছিলি না।
এখানে লুকিয়ে ছিলি।
নামাজ পড়ছিলাম, লুকাচ্ছিলাম না।
নামাজ পড়ছিলি? অনেক রাকাত পড়েছিস।
প্রায় ১৭ রাকাত পর্যন্ত গণনা করেছি।
- আসলে ১৮ রাকাত। - ১৮ রাকাত।
যোহরের নামাজ পড়ছিলাম।
যোহরের নামাজ?
জানি আমি একজন ঠগ, সাধু নই,
কিন্তু সবাই জানে যোহরের নামাজ
তিন রাকাত।
- চার রাকাত। - চার রাকাত!
আমার সাথে মিথ্যা বলবি না।
দুঃখিত, বেশি করে ফেলেছি।
আজ, তোকে নামাজের কার্পেট দিয়ে শ্বাসরোধ করেছি।
পরের সপ্তাহে যদি টাকা না দিস,
তোকে কার্পেট দিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে খুন করব।
লালটা দিয়ে।
বুঝেছিস?
- কি বলদ। - আমার কষ্টকে নিয়ে উপহাস কর।
কিন্তু…
আমাকে একটা সুযোগ দে।
তোরা যদি না দিস,
কে আমাকে চাকরি দিবে?
আমার মায়ের ওষুধের জন্য টাকা দরকার।
- হেই, আমাদের কাস্টমার এসেছে। - ঠিক আছে।
মার্লিনা?
মার্লিনা।
- এখনো এখানে কাজ করছো? - অকি।
শুনেছি তোমাকে শিরচ্ছেদ করা হয়েছে।
পাগল হয়ে গেছো?
শিরশ্ছেদ করার জন্য আমি কি করেছি?
তোমাকে কে বলেছে?
চলো বন্ধুরা। চল বাইরে যাই।
আমার কাফনের পোশাক কোথায়?
- আমার কাফনের পোশাক? - মাফ করবে।
চলো ভিতরে যাই।
দরজা বন্ধ কর যাতে মশা ঢুকতে না পারে।
- কে তুমি? - কুন্তি…
কি?
কুন্তি…
সঠিকভাবে বলতে পারো না?
আমি কুন্তি।
ওহ, তুমি কুন্তিলনক।
তোমার ছমছমে হাঁসি দেওয়া উচিত।
এরকম পোজ দিলে, মানুষ ভাববে তুমি বাটিস-টুটা।
- বাটিস-টুটাকে চেনো? - অব্যশই চিনি।
সে পারসিজার হয়ে খেলে।
তোমার গোসল করা দরকার, যাতে তাজা দেখায়।
তুমি পোকং, তাই না?
হ্যাঁ।
তোমাকে রোগা বৃদ্ধ লোকের মতো দেখাচ্ছে।
পোকং কেন স্যান্ডেল পরবে?
কোথায় যাচ্ছো?
বেড়াতে যেতে চাও?
দেরী করে ফেলেছো।
পা টেনে আনছ কেন?
পা ভেঙ্গে গেছে?
তোমার হাড় বিশেষজ্ঞকে দেখানো উচিত।
এই ভূত যদি আমাদের তাড়া করে, ভাঙ্গা কাঁচ ছড়িয়ে দিব।
তাহলে তারা তাদের নিজেদের আঘাত করবে।
দেখ তাদের। কাঁদতে চলছে।
এই ভূতের বাড়িতো পুরো খালি।
এটা কোনো ভূতের বাড়ি নয়।
এটা মিসকিনদের বাড়ি।
এখন দেখতে পাচ্ছি কেন এই জায়গাটিতে কাস্টমার আসে না।
এখানের পরিবেশটা এমনকি ভীতকর না।
No comments yet. Be the first to leave one.