İlk 200 satır.
সাবটাইটেল অনুবাদে সাউথ সাবমেকার্স প্যানেল
Eeda
কান্নুর পুরোপুরি স্থবির হয়ে আছে।
চেননয়ামের একজন কেপিএম শ্রমিকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে হরতাল চলছে।
দোকানপাট সব বন্ধ।
সরকারী-বেসরকারী সব ধরণের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
রাস্তায় কেবলমাত্র দুই চাকার যান ছাড়া আর কিছুই চলছে না।
তদন্তকারি অফিসার সুদীপ মুজুমদার বলেছেন, "তল্লাশি চলছে..."
"...অপরাধী শীঘ্রই ধরা পড়বে।"
বিশাল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে...
...জেলার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য।
জেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক আগামীকাল একটি সর্বদলীয় বৈঠকের আহ্বান করেছেন।
কান্নুর
- রাধিকা-চাচী? - আম্মু, তুই কোথায়?
আমি ট্রেন স্টেশনে, কোনো রিক্সা, অটো পাব বলে মনে হয় না।
দিনেশ হাসপাতালে।
আমরা সবাই রাভিদের বাসায়।
- তুই কীভাবে আসবি? - জানি না।
রাধিকা, আম্মুর ফোন?
দিনেশটাও নিখোঁজ।
আম্মু, তুই সুমাথায় তোর খালার বাসায় যা।
যখন সব স্বাভাবিক হবে তখন চলে আসিস।
সেটা তো আরও চার কিলোমিটার আর আমার সাথে ব্যাগও আছে।
তোকে হেঁটেই যেতে হবে।
এছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
কিছুক্ষণ তুই খালার বাসায় থাক।
দিনেশ ছয়টার পর তোকে নিয়ে আসবে।
আচ্ছা।
কমরেড!
- নান্দু! - ডাক্তার সাহেব...
বাবা, আমার একটা উপকার করো।
ওকে একটু কাভূমভাগম পর্যন্ত পৌঁছে দাও।
- ও আমার বন্ধুর মেয়ে। - ঠিক আছে।
- মাইসুর থেকে কবে এলে? - এইতো কদিন আগেই।
পরে দেখা হবে।
বসে পড়ুন।
- ঠিক আছে তাহলে? - হ্যাঁ।
আচ্ছা।
আপনি কি মাইসুর থাকেন?
হ্যা, ওখানে কাজ করি।
আমি মাইসুরেই পড়াশোনা করি।
- আপনার নাম কী? - ঐশ্বরিয়া।
আমি আনন্দ।
আপনি কোথায় পড়েন?
জেএসএস কলেজ।
আমি মাইসুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র।
এখন একটা বীমা কোম্পানির ইউনিট ম্যানেজার হিসাবে কর্মরত আছি।
কাদাছিড়ার রাস্তা দিয়ে যাব।
ওই রাস্তাটা বেশি দূর হয়ে যায় না?
প্রধান সড়কে অবরোধ চলছে।
অবরোধকারীরা যেতে দেবে না।
ওত ভয় করলে বাঁচাই মুশকিল।
তাহলে প্রধান সড়ক দিয়েই যাই।
রাখ ওখানে।
বিপদ সন্নিকটে!
নেমে যান।
কেন?
আপনাকে নিয়ে যাওয়া যাবে না।
তাহলে আপনি কীভাবে যাবেন?
আমি কোনো না কোনো ভাবে পার পেয়ে যাব।
তাহলে আমাকে পৌঁছে দিতে রাজী হলেন কেন?
আগে জানলে আমি স্টেশন থেকেই অন্য কোনো গাড়িতে উঠতাম।
এখন আমাকে বাসায় পৌঁছে দিতেই হবে।
আমি নামব না।
আমাদের মাভিলার রাস্তা দিয়ে আসতে হত, আপনিই তো জেদ করলেন।
- আমি কী বলেছিলাম? - কী রে?
জানোস না এখন ধর্মঘট চলতাছে?
- চলে যা! - হেই!
ওকে ধর!
- ওকে ধর! - পালতে দিস না!
বাইক বের কর...
চল...
- একটু দাঁড়ান! - কেন?
আমার ব্যাগ পড়ে গেছে।
ধরুন।
তাড়াতাড়ি করুন!
তাড়াতাড়ি!
হায়রে!
উঠুন উঠুন!
জলদি!
ধর শালারে!
ওরা পড়ে গেছে।
দেখ!
ওই শালাকে একদিন ঠিকই ধরব।
প্রভুকে ধন্যবাদ।
সব আপনার দোষ।
- এইটা কোন রাস্তা? - শর্টকাট
কতক্ষণ লাগবে?
যদি আপনার এত তাড়া থাকে তাহলে নেমে যান।
দাঁড়ান, আমি হেঁটে যাব।
আপনি অনেক বেশি জেদী।
মাত্র পাঁচ মিনিটের রাস্তা, আমি পৌঁছে দিচ্ছি।
শুধু এই পাহাড়টা পার হতে হবে।
নামুন।
কী হয়েছে?
একটু নামুন তো।
এটা ধরুন।
- আজ আর চলবে এটা? - অবশ্যই।
এখানে কাছেই আমার এক বন্ধু থাকে।
আমি ওকে কল করছি।
দোস্ত, আমার বাইকের তেল শেষ।
আমি তোর বাসার কাছেই আছি।
আচ্ছা, আমি আসছি।
আমি তেল নিয়ে পাঁচ মিনিটের মধ্যেই আসছি।
মাত্র নাকি পাঁচ মিনিটের রাস্তা অথচ এখনও পৌঁছাতে পারলাম না!
এখানেই থামুন।
- কোথায়? - এখানেই।
ঠিক আছে।
পাও দুইটা ধর।
ধর শালারে!
উপেন্দ্র!
সাবধানে...
আস্তে আস্তে...
ধরা পড়িস না।
পা কাজে লাগা।
সাবধানে থাক।
- যা ভাই! - দেখায়ে দে ওগোরে!
- সাবধানে! - কাবাডি কাবাডি...
ধর ওরে!
ধর!
হাতের নাগালের বাইরে থাক।
রাস্তা থেকে সরে দাঁড়া!
মাটিতে ফেল...
কচু পারিস তোরা!
সাবাস উপেন্দ্র!
ধর...
- কাবাডি! - ওরে ধর...
- কাবাডি! - কী করতাছিস?!
উপেন্দ্র?
- শোনো... - আসতেছি চাচা।
এক মিনিট...
তোরা খেল। আমি আসতেছি।
বিষয়টা কী?
উপেন্দ্র, একটা সমস্যা হয়েছে।
তোমাকে জেলে যেতে হবে।
উকিল বলছে দুই সপ্তাহের মধ্যেই জামিন করে ফেলবে।
আপনারা সবাই কালিয়াটাম উৎসবে আমন্ত্রিত...
আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি কিন্তু পুলিশ মানছে না।
এসিপি খুব কড়া।
ত্রিপুরার ছেলেটা আমাদের কম জ্বালায়নি।
আপনি এত ঝামেলা করতেছেন কেন?
ওকে একটা শিক্ষা দিতে বলছিলেন, আমি দিছি।
এখন জেলে যেতে বললেও যাব।
আমি প্রস্তুত, খালি বলেন কখন।
পরে জানিয়ে দিব।
তুলশি, তুমি খেলবা নাকি?
আমি বাড়ি যাচ্ছি।
আমি খেলি তাহলে।
দুই সপ্তাহের জন্য আর খেলতে পারব না।
বাবা, তুমি বরং যাও।
উপেন্দ্র?
- ওই মরা। - চল...
এখন তোর দম না? আমি যাব।
- যা! - আচ্ছা।
- ধর! - কাবাডি...
চারপাশে দেখ।
তোর পিছনে!
পিছনে তাকা...
অবরোধকারীদের বলা উচিত ছিল যে তুই আমার বোন।
আমি কোনো সুযোগই পাইনি, খুব দ্রুত সব হয়ে গেছে।
কাল একটা স্মরণী সভা আছে, এএমইউপি স্কুলে।
সেটা জেলা কমিটির ব্যাপার।
আমি সুপারিশ করব নাহয়।
রাধিকাকে জিজ্ঞাস করে দেখছি।
দশ কোটি টাকার ওভার ড্রাফট? ওই সম্পত্তির দাম এমনিতেই আকাশচুম্বী।
সমবায় ব্যাংক তো কী হয়েছে? বন্ধ করে দিবে নাকি?
আমি রাধিকাকে বলে দেখব।
আচ্ছা, পরে কথা হবে।
সাবধানে দেখে পা ফেল।
টর্চটা রেখে দে।
এইযে, আমি তো টমেটোর কথা বলতে ভুলেই গেছিলাম।
নিয়ে এসেছি আমি।
- তুমি এতটাও গর্দভ নও তাহলে! - যা ভাগ!
গর্দভ তো তুমি, উপেন্দ্রদা।
কেন?
কারণ তুমি গোবিন্দান চাচার কথায় জেলে যেতে রাজি হয়ে গেলে।
এটা একটু ধরবি?
কত বছর বেঁচে থাকলাম সেটার চেয়ে কীভাবে বেঁচে থাকলাম...
...সেটা গুরুত্বপূর্ণ।
ভেবে দ্যাখ...
আমি কি আমার নিজের জন্য কিছু করেছি?
না, আমি সব পার্টির জন্য করছি।
পার্টির জন্য আমি সবকিছুতে রাজি।
তাতেই আমার খুশি।
দে এবার।
আমার বাবা তারা খুন হওয়ার পর আমাকে কে দেখাশোনা করেছে?
আমার বোনের পড়ার খরচ কে দিয়েছে?
তোর চাচা গোবিন্দান।
পরোপকারের মহান উদাহরণ তোর চাচা।
আমি উনার জন্য সব করতে পারি।
- ভাজি নাকি ঝোল? - ভাজি।
এই যে...
নান্দু, নে।
আমরা একটা সমাধান চাচ্ছি...
কিন্তু এই রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সমাধান মিলছে না।
এত দেরি হলো কেন?
পৌঁছে গেছি এটাই সৌভাগ্য।
দিনেশদা তো সবসময় ফোনেই লেগে ছিল।
চেননয়াম সুধাকরণ আমাদের সাথে যুক্ত হয়েছেন।
কী খবর, দিনেশ?
No comments yet. Be the first to leave one.