Pa Paandi

Pa Paandi (ப பாண்டி)

Bengali Altyazısını İndir

Sürüm bilgisi

www tamilmv la Pa Paandi HDRip/Web-HD
Şunun yorumuyla Fihad
এক মুভিতে ধানুশান্নার ছয় অবতার! পরিচালক, প্রযোজক, কাহিনী লেখক, গান লেখক, গায়ক এবং অভিনেতা! তাই তাঁর ৩৪তম জন্মদিনে একজন ডাই-হার্ড ফ‍্যান হিসেবে এই সাব রিলিজ দিলাম। শুভ জন্মদিন ধানুশান্না। সাবটাইটেল একটু তাড়া-হুরোয় করতে হয়েছে, রিভিশন দেওয়ার সময় না হও

Etiketler

hdrip
web
HDRip
HD
Yayınlandı: 2017-07-28
İndirmeler: 56
İşitme Engelliler: No

Bengali altyazı önizlemesi

İlk 200 satır.

সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান

সকল প্রকার মাদকদ্রব্য থেকে দূরে থাকুন, দীর্ঘজীবী হন।

সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারদের সাদর আমন্ত্রণ আমাদের ফেসবুক পরিবারে:

"ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস বাংলাদেশ গ্রুপ"

ধানুশ-আন্নার ফ‍্যানদেরকে সাদর আমন্ত্রণ আমাদের ফেসবুক গ্রুপে: "Dhanush Fans Arena Bangladesh"

হ্যাঁ গো পান্ডি, কয়েকদিন ধরে দেখিনাই যে?

সমুদ্রে জগিং করতে গিয়েছিলাম।

ও পান্ডি, কয়েকটা ইডলি খাইয়া যাও...

জগিং শেষে ব্যায়াম করে গোসল করে তারপর খাওয়া!

হায়রে বাপ!

মাস্টার, নমস্কার!

গাঞ্জার ব্যাপারীটাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ, মাস্টার। আপনার জন্য আমাদেরও সুনাম!

আমি শুধু আমার কর্তব্য করেছি!

কে এই লোক? বয়স বুঝাই যায় না!

ওনার নাম পাওয়ার পান্ডিয়ান!

সিনেমার বিখ্যাত ফাইট মাস্টার ছিল।

এই এলাকার সবাই তাঁকে মানে!

এনারেও মাংস দে।

মাস্টার আইয়া পড়ছে। ওনারে আগে দে।

মাস্টার, আগের মতো কইরাই প্যাক করছি।

- কলিজা, নাড়িভুঁড়ি সব দিছি। - থ‍্যাংক ইউ, ব্রো!

- কতক্ষণ থেইকা খাড়াইয়া আছি আমি! - সবুর করেন।

সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান

যেভাবে বলেছিলি সেভাবেই ছেড়েছি। হঠাৎ করে জোরে হয়ে গেছে!

নাইট ডিউটি করে কেবলই ঘুমোতে এসেছিলাম।

কিছুক্ষণ পর আবার অফিসে যেতে হবে।

শান্তিমতো ঘুমোতেও দিলেনা!

তুমি এমন কেন, বাবা?

ছুটির দিনগুলোতেই একটু ঘুমানোর সুযোগ পাই। বাচ্চাদের স্কুল থাকেনা।

এই! তোর বাবা কেবলই নাইট ডিউটি থেকে এলো।

তুই ঘুম ভাঙিয়ে দিলি!

ঘুমনোর সুযোগই পায়না মানুষটা। সাউন্ড কম কর।

দেখতে দাও ওকে!

দাদা!

সোনামণিরা! এসো এসো!

- বরুণ, পড়তে না বসলে খেতে দিবো না। - খাবো না তাহলে!

ছাড়ো না বাবা। পরে পড়তে বসবো।

সবসময় আই-ফোন নিয়ে পড়ে থাকিস না! নিচে আয়!

ধূর বাবা! বকবকানি থামাও।

কী বরুণ? বকুনি খেয়ে পেট ভরলো?

পড়াশোনা করিস না কেন রে?

তুমি কতদূর পড়াশোনা করছো? দিব‍্যিই তো আছো!

সারাদিন আই-প‍্যাডে কী করিস?

বাহিরে গিয়ে খেলতে পারিস না? ফিট থাকবি তাহলে।

ভিটামিন নেই আমি। যথেষ্ট ফিট আছি!

আমাদের সময়ে আমরা দশ-পনেরোজন বন্ধু-বান্ধব মিলে কাবাডি, ভলিবল কত কী খেলতাম!

একদম ফিট ছিলাম।

তোকে তো ক্রিকেটও খেলতে দেখিনি কখনও!

বয়স হলে গেলে সবাই 'আমাদের সময়' 'আমাদের সময়' লেকচার দেওয়া শুরু করে!

যাও, গিয়ে ডিসুম-ডিসুম করো!

কিন্তু হাওয়াতে ডিসুম-ডিসুম করো কার সাথে?

যা তো, গিয়ে পড়তে বস! যা!

বাবা (/শ্বশুর), তোমার জুস।

বাচ্চা-দুটোকে কোথাও থেকে ঘুরিয়ে আনুন না...

ছুটির দিনে সামলানোই যায়না ওদেরকে।

মাত্র দুইটা বাচ্চা, তাতেই এতো?

আমার মা ছয় ছেলে-পুলেকে মানুষ করেছে! আমি ছিলাম সবার ছোট।

তাহলে তুমি একটা ছেলে নিয়ে আর নাওনি কেন?

নিজের বেলায় তো ঠিকই বুঝেছো!

রেডি হয়ে নাও। ব্রেকফাস্ট করতে হবে।

আর আমাদের সন্তান হওয়া সম্ভব না।

তাতে কী? একটা ছেলেই আমাদেরকে সুখে রাখবে।

তা না...

অনেকগুলো সন্তান থাকলে বুড়ো বয়সে একজন না দেখলে আরেকজন দেখবে‌। তাই বলছিলাম...

আমার ছেলে মোটেও ওমন না। আমাদেরকে মাথায় তুলে রাখবে!

নিয়ে যান!

- চলো যাই... - ওকে! চলো!

গানঃ "Vaanam (The Life of Power Paandi)" লিরিক্সঃ Selvaraghavan সিংগারঃ Ananthu & Chorus কম্পোজারঃ Sean Roldan

বাবা, কফি...

কত বছর ধরে দেখছি...

চালাও না তো আর, তবুও আশি সালের বাইকটার পেছনে এতো সময় নষ্ট করার কী আছে?

তোমাকে চড়িয়ে ঘুরতে নিয়ে যাবো কোনো একদিন!

ছোটভাই, কী সমস্যা?

- গাড়ি চালু হচ্ছে না। - তাই নাকি?

করলেন কী?

গাড়ি চালু হচ্ছিল না, তাই ধাক্কা দিলাম!

ওটা আমার গাড়ি!

এটা ফাইট মাস্টার পাওয়ার পান্ডির বাড়ি?

হ্যাঁ, স‍্যার। কী হয়েছে?

কে কোথায় কী বিক্রি করছে, তাতে ওনার কী, স‍্যার?

আপনার ছেলে-মেয়ে?

সুখের সংসার!

সুখ বজায় রাখতে চান না?

এই বয়সে ওনাকে হরিনাম জপতে বলেন, স‍্যার।

এই বয়সে এসবে জড়ানোর কী দরকার?

যা বলার ছিল বললাম। ভালো চাইলে ওনাকে স্টেশনে গিয়ে কেস উঠিয়ে নিতে বলুন।

নয়তো আপনারই সমস্যা!

চলো...

এই ধ্রুব, উপর থেকে দাদাকে ডেকে নিয়ে আয়।

কী গো?

আবার কী করলে তুমি?

আচ্ছা, এখন এখানে দাঁড়িয়ে থেকো না, যাও!

আমাকে ডেকেছিলি, বাবা?

স্টেশনে কীসের কমপ্লেন করে এসেছো?

হ্যাঁ, বাবা...

মাদক বিক্রি করছে, তাও আবার আমাদের এলাকায়!

চুপ করে থাকি কীভাবে?

তাতে আমাদের কী, বাবা? এসব থেকে দূরে থাকতে পারো না?

কীভাবে দূরে থাকবো!

বাড়ন্ত বয়সেই কিশোরেরা ধ্বংসের পথে যাচ্ছে!

পুলিশগুলোও ওদেরই পক্ষে, জানো?

কেস ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ধমকি দিচ্ছে।

তো? তাই বলে আমরাও হাত গুটিয়ে বসে থাকবো?

আমাদের বাড়িতেও দুটো বাচ্চা আছে।

ওরাও যদি ওদের কবলে পড়ে, তাহলে কেমন লাগবে?

বাবা, সমাজসেবায় আমার কোনো আগ্রহ নেই।

কালকে গিয়ে কেস ফিরিয়ে আনবে।

তুমি দাদাকে কেন বকছো?

- এই! রুমে যা তুই! - আমাকে কেন বকছো?

সোনামণি, তুমি যাও, আমি আসছি।

সাবধানে!

এখন কী চাস তুই?

কাল সকালে আগে কমপ্লেন ফিরিয়ে নিয়ে এসো।

প্লিজ! পায়ে পড়ছি তোমার...

স্কুলে যাস পড়াশোনা করতে, অথচ প্রত‍্যেকদিনই মারামারি বাঁধিয়ে ফেলিস!

না, বাবা। ও প্রথমে হাত তুলেছিল।

তোর টিচার তোকে আমার সিনেমার ফাইট শেখাতে বারণ করে কত কথা শোনালো আমাকে!

সরি দিয়ে আর কী হবে?

ছাড়ো না! তোমার থেকেই তো শিখছে!

আমার মধ্যে কি শেখার মতো ভালো কিছু নেই?

আচ্ছা...

কেস তুলে নিবো।

এখানে সাইন করেন।

যান, দাদাজি।

সাবধানে চলবেন। খামোখা যেখানে-সেখানে নাক গলাবেন না।

স্টেশনে যেন আপনাকে আর না দেখি!

কী দাদা?

ভয় পেয়ে গেলেন?

বীরপুরুষের মতো কমপ্লেন দিতে এসেছিলেন! কাপুরুষের মতো পালাচ্ছেন যে?

কী?

যা তো! বুইড়া আবার চোখ পাকায়!

ফাইট করতে চাস?

শুধু তুই আর আমি...

কী? ফাইট করতে চাস?

কাল সকালে আগে কমপ্লেন ফিরিয়ে নিয়ে এসো।

যা ভাগ!

বুইড়া ভাম!

আমাদের এলাকায় আমাদের সাথে পাঙ্গা!

কেমন দেখালাম?

কেস ফিরিয়ে নিয়েছো?

নিয়েছি।

আচ্ছা।

ঘুমোবে না তুমি? সারাদিন ধরে কাজ করছো!

খুবই গুরুত্বপূর্ণ ফাইল। সকালের মধ্যে শেষ করতে হবে।

- কী মাস্টার? বকুনি খেয়ে পেট ভরলো? - যা তো তুই!

এই বয়সে এসব কেন করতে যাও?

বয়স নিয়ে আর একটা কথা বললে তোর দাঁত ভেঙে দিবো!

বয়স তো হয়েইছে!

বিয়ার?

হ্যাঁ। লোভ হচ্ছে? খাবে একটু?

সঙ্গে স্বাস্থ্যটাকেও খাবো?

তোমার জীবনে তো কোনো আনন্দই নেই। এতোদিন বেঁচে থেকে করবে টা কী তুমি?

বাড়িতেও শান্তি নেই তোমার। জীবনে আছেটা কী?

জীবনে আছেটা কী মানে? আলাদা ঘর দিয়েছে আমাকে, একদম স্বাধীন!

সঙ্গে দুটো মিষ্টি নাতি-নাতনি। আর কী দরকার?

মাস্টার, তুমি তোমার ছেলে আর নাতি-পুতির জন‍্য বাঁচতেছো... আসলে নিজের কোনো জীবন তোমার নেই।

যাইহোক মাস্টার, তোমার যাতে খুশি!

এইতো আসলো হিটলার!

দাদা, ওর সাথে কথা বোলো না।

এই! তোর জন‍্যই আমার দাদা বারবার বিপদে পড়ে।

দাদা, চলো আমার সাথে চলো।

- যাও যাও... তোমার নাতি খেপে গেছে! - সর তো তুই!

আমি যাই, নয়তো গালি দিতেই থাকবে!

দাদা, শয়তানটা তোমাকে কুবুদ্ধি দিচ্ছে।

বুইড়া ভাম!

কী মা?

ফাইলটা নাকি আজই জমা দেওয়া লাগবে, অথচ বাড়িতেই ভুলে ফেলে রেখে গেছে!

ফোন করে দেখো।

গাড়ি চালানোর সময় ও ফোন ধরেনা, বাবা।

আমাকে দাও, আমি দিয়ে আসছি।

- কীভাবে যাবে তুমি? - অটোতে করে যাবো।

- কোনো সমস্যা হবে নাতো? - একদমই না!

থ‍্যাংক ইউ, বাবা।

স‍্যার, থামুন থামুন।

- কাকে চান? - ম‍্যানেজার রাঘবকে এই ফাইলটা দিতে হবে।

আইডি কার্ড দেখান, নয়তো ভেতরে যেতে পারবেন না।

গুরুত্বপূর্ণ ফাইল। দিতেই হবে।

এভাবে তো দেখা করা সম্ভব না, স‍্যার।

আমি স্টান্ট-মাস্টার পাওয়ার পান্ডি।

- আপনি পান্ডিয়ান স‍্যার? - হ‍্যাঁ।

সেটা আগে বলবেন না? যান, স‍্যার।

কী বাবা? অফিসে?

তুই ফাইলটা ভুলে ফেলে এসেছিস...

তোমাকে আনতে হবে সেটা?

গুরুত্বপূর্ণ ফাইল বলেছিলি না?

আজ না হলে কাল জমা দিতাম।

আচ্ছা, থ‍্যাংকস।

- এখন ফিরবে কীভাবে? - একটা অটো ধরে চলে যাবো।

- আচ্ছা, সাবধানে যেয়ো। - আচ্ছা।

স‍্যার, আমি নিচতলার সিকিউরিটি বলছি।

আপনার বাবা এক ঘন্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছে। মনে হয় কোনো অটো পাচ্ছে না।

আপনি একটু এসে দেখলে ভালো হয়।

বাবা, এখনও এখানেই আছো?

তুই এলি যে?

অটো পাচ্ছো না?

ব‍্যাপার না। আমি খুঁজে নেবো। তুই যা।

এসো, আমি রেখে আসছি...

আমার সমস‍্যা নেই, বাবা। তোকে ঝামেলা করতে হবে না।

তোর অফিসে লেট হবে না?

হ্যাঁ, কিন্তু কীইবা করবো!

Pa Paandi subtitles in other languages

Yorumlar

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left