İlk 200 satır.
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ জিতু বিশ্বাস
হে মহান ও সর্বশক্তিমান রাপু,
আপনার কাছে পানি এবং খাদ্য প্রার্থনা করছি,
প্রার্থনা করছি আমার মেয়ের জন্য, নিজের জন্য নয়।
খুব ক্লান্ত লাগছে।
অনেক যন্ত্রণা ভোগ করেছো তুমি।
আমার কাছে আসো।
আমার কাছে আসো।
অনেক যন্ত্রণা ভোগ করেছো তুমি।
আমার কাছে আসো।
অনেক যন্ত্রণা ভোগ করেছো তুমি।
আহ! এ কী দেখছি?
দেখো একে।
আমার সব ফল গোগ্রাসে গিলছে।
রাপু।
আলোর দেবতা।
আরে, এ দেখি আমারই উপাসক।
আমি গর, আপনার সর্বশেষ ভক্ত।
আমরা সব হারিয়েছি, প্রভু।
জমিতে খরা দেখা দিয়েছে।
সকল প্রাণ উজাড় হয়ে গেছে।
তবে আপনার প্রতি সর্বদা অটল বিশ্বাস রেখেছি,
আর আমরা এখন আমাদের প্রতিশ্রুত,
শাশ্বত পুরস্কারের প্রতিক্ষায় আছি।
এজন্যই কি আপনি উদযাপন করছেন?
ও...ও মনে করে শাশ্বত পুরস্কার বলে কিছু আছে।
না, না, দুঃখিত।
তোর জন্য কোনো শাশ্বত পুরস্কার নেই, কুত্তা।
আমরা একটি হত্যা উদযাপন করছি।
আমরা এইমাত্র নেক্রোসোর্ডের ধারককে হত্যা করেছি...
- অনেক যন্ত্রণা ভোগ করেছো তুমি। - ...অন্যকোনো দেবতাকে,
এই অভিশপ্ত তরবারি দিয়ে আঘাত করার পূর্বেই।
যদি তুমি প্রতিশোশ নিতে চাও।
ও আমার সমগ্র সাম্রাজ্য ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছিল।
কিন্তু প্রভু,
আপনার সাম্রাজ্য তো শেষ হয়ে গিয়েছে।
আপনার পূজা করার জন্য আর কেউ বেঁচে নেই।
তোর জায়গায় আরও অনেক উপাসক পাবো আমি
সর্বদা কেউ না কেউ থাকেই।
আমরা যন্ত্রণা ভোগ করেছি...
অনাহারে মরেছি।
আপনার জন্য...
- আমার মেয়ে প্রাণ দিয়েছে। - এটুকু তো করতেই হবে।
নিজ দেবতার তরে দুঃখ-কষ্ট ভোগ করাই তোমাদের একমাত্র লক্ষ্য।
মৃত্যুর পর মৃত্যু ব্যাতিত...
আর কিছু নেই।
আপনি কোনো দেবতা হতে পারেন না।
আপনাকে পরিত্যাগ করছি আমি।
এবার তোর নিরর্থক জীবন একটা উদ্দেশ্য পেল।
নিজেকে আমার কাছে বলিদান করা।
যদি প্রতিশোধ নিতে চাও তো...
...সকল দেবতাকে হত্যা করো।
এটারনিটির কাছে যাও।
যদি প্রতিশোধ নিতে চাও তো...
বাইফ্রস্টের অধিকার লাভ করো।
এটারনিটির কাছে যাও।
সকল দেবতাকে হত্যা করো।
বাইফ্রস্টের অধিকার লাভ করো।
এটারনিটির কাছে যাও। সকল দেবতাকে হত্যা করো।
সকল দেবতাকে হত্যা করো। সকল দেবতাকে হত্যা করো।
তলোয়ারটা তোকে বেছে নিয়েছে।
তুই এখন অভিশপ্ত!
হাস্যকর।
মোটেই অভিশাপ মনে হচ্ছে না এটাকে।
মনে হচ্ছে যেন প্রতিজ্ঞা।
প্রতিজ্ঞা করছি আমি,
সকল দেবতা মরবে।
এসো, এসো, একত্র হও।
এবং গল্প শোনো এক মহাকাশ দস্যুর। [সাবে মহাকাশ দস্যু কথাটা ইতিবাচক অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে।]
ওরফে গড অব থান্ডার। ওরফে থর ওডিনসন।
যোদ্ধাদের মত করে বেড়ে ওঠা,
থরকে শেখানো হয়েছিল যুদ্ধ জেতায় সাহায্য করতে,
ভালোর পক্ষে লড়াই করতে,
তাদের জন্য যারা ভালো লড়তে যানে না।
সে বাড়তে থাকলো।
সে ছিল হাসির মতোই অনুভূতিপ্রবণ।
এবং ভালোবাসার ক্ষেত্রে, কোনো বাছ-বিচার করতো না।
একবার সে এক শিকারীর প্রেমে পড়ে,
এবং পরে সে এক নেকড়ে-মানবী'র প্রেমে পড়ে,
যে কিনা এক স্ত্রী নেকড়ে পিঠে সওয়ার ছিল।
কিন্তু থরের প্রকৃত প্রেম ছিল পৃথিবীর এক মেয়ে,
নাম ছিল জেন ফন্ডা।
ওহ, দাঁড়াও, না। জেন ফোস্টার।
তবে দুর্ভাগ্যবশত, প্রেমের লড়াইয়ে, থর হেরে যায়।
সত্যি বলতে, সেই দিনগুলোতে, সে অনেক কাছের মানুষকে হারিয়েছিল।
তার মা।
বাবা।
আর এই লোক,
এই লোক,
এবং এটা যেই হোক না কেন,
এবং হাইমডাল।
আর তার ভাই,
তার ভাইকে আবারও,
এবং আবারও।
বেচারা থর তার গ্রহকে ধ্বংস হতে দেখেছে,
এবং বলেছে, "এ আমি কী করলাম?"
মনে হচ্ছিল যেন, সে যাকে...
বা যা কিছু ভালোবাসে, তা-ই তার থেকে দূরে চলে যায়।
তাই সে নিজের মনকে, একটা মোটা শরীর দিয়ে ঢেকে ফেলে,
যাতে এটা আর না ভাঙে।
তবে প্রেমের উপর থেকে বিশ্বাস উঠে গেলেও,
সে নিজের যুদ্ধ চালিয়ে গেলো।
গার্ডিয়ান্স অব দ্যা গ্যালাক্সির সাথে দল বেঁধে,
সে বিভিন্ন দুঃসাহসিক অভিযানে বেরিয়ে পড়ে।
নিজের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করলো।
অনেক পরিশ্রম করলো।
কষ্টকে শক্তিতে রুপান্তরিত করলো, আর কখনো ব্যায়ামকে হেলা করতো না।
কাকু মার্কা চেহারা থেকে, স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠলো।
তবে এই হাসিমুখের পিছনে, দুঃখী চেহারাও লুকিয়ে ছিল,
বের হবার আশায়।
কারণ এত বছর ধরে,
থর যেসব চেহারার পিছনে লুকিয়ে ছিল,
তা তার এতবছরের দুঃখ-কষ্টকে,
আড়াল করতে পারেনি।
তাই সে প্রেমের খোঁজ বন্ধ করে,
এই সত্যকে মেনে নিল, যে সে কেবল একটা জিনিসেরই উপযুক্ত।
ধ্যানে বসে থাকাকালীন কেউ এসে বলবে,
"থর, এই যুদ্ধ জিততে তোমার সাহায্য প্রয়োজন।"
থর,
এই যুদ্ধ জিততে তোমার সাহায্য প্রয়োজন।
চলো।
আচ্ছা, চল, স্টোর্ম ব্রেকার।
কাজে ফেরার সময় হয়েছে।
আমাদের দ্রুত করা উচিত, ঠিক আছে?
অনেকে মারা যাচ্ছে।
নিচে দেখা হবে।
জলদি!
ওটা আমাকে দে। তুই ভেঙে ফেলবি।
আমি হলাম গ্রুট!
আহ, থুথু লাগিয়ে রেখেছিস।
হ্যালো, সবাই।
আরে, আরে, দেখো কে এসেছে।
কী অবস্থা সবার?
জঘন্য!
মরার দশা হয়েছে আমাদের।
তুমি বলেছিলে এই গ্রহে শান্তির ছুটি কাটাতে পারবো।
বলেছিলাম "ছুটির দিনের মতোই হবে।"
ঝলমলে আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখো।
শনির তিন নক্ষত্র।
এর থেকে আরামদায়ক দৃশ্য আর কী হতে পারে?
একটা সত্যিকার ছুটির দিন!
মর, বুসকান শালারা!
গড অব থান্ডার।
রাজা ইয়াকান।
অবশেষে আমাদের যুদ্ধে যোগ দিলেন।
কথায় আছে না,
"একেবারে না আসার চেয়ে, দেরিতে আসাও ভালো।"
হ্যাঁ, খুব ভালো।
আপনি তো জানেনই, আমরা আগে শান্তিতে বসবাস করতাম।
কিন্তু তারপর আমাদের দেবতাদের হত্যা করা হলো।
হত্যা করা হয়েছে?
এখন আমাদের পবিত্র মন্দির অরক্ষিত হয়ে পড়ে আছে,
আর হাবুস্কার লোকজন এর শক্তির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে।
আমাদের সর্ব পবিত্র মন্দিরকে, ওরা অপবিত্র করেছে।
আর বেশিক্ষণ করতে পারবে না।
আহ!
রাজা ইয়াকান, ওদের বলুন আজ এখানে কী হতে চলেছে।
সেই সময়ের কথা যখন থর,
আর তার ছিন্নমূল, কুৎসিত পোশাক পরিহিত, বেপরোয়া যোদ্ধারা,
যুদ্ধের গতি পালটে দিলো,
আর ইতিহাসের পাতায় তাদের নাম লেখালো।
অবস্থা আমাদের প্রতিকূলে থাকলেও,
তোমাদের এম্নিতেই এটা বলছি...
এইবার বলবে।
এসবের সমাপ্তি এখনই, এখানেই!
ওহ!
সে তো মন্দিরের ভিতরে যাবে না, তাইনা? না।
ওহ।
দারুণ দেখালে সবাই।
এর কৃতিত্ব আমাদের সবার,
কারণ আমরা দলবদ্ধ হয়ে কাজ করেছি।
আমরা মনপ্রাণ দিয়ে কাজ করেছি,
শত্রুপক্ষকে হারাতে,
বিন্দুমাত্র ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই।
কী এক দুঃসাহসিক অভিযান!
হুররে!
বইটা ভালো?
হ্যাঁ।
আমি লিখেছি।
দাঁড়ান, আপনি ডক্টর জেন ফোস্টার?
জ্বী, হ্যাঁ।
- আহ...হাই। - হাই।
আইনস্টাইন-রোজেন ব্রিজ থিওরিটা কেমন?
কঠিন।
- হ্যাঁ। - সত্যিই কঠিন।
বোঝার জন্য একটা থ্রিডি মডেল লাগবে।
"ইভেন্ট হরাইজন" মুভিটা দেখেছো?
না?
- ইন্টারস্টেলার? - না।
এই মুভিতে সবকিছু পরিষ্কার করে বলা আছে।
ঠিক আছে, তাহলে, আইনস্টাইন-রোজেন ব্রিজ...
স্থানকে বক্র করে ফেলে, এবং তাতে পয়েন্ট A এবং পয়েন্ট B...
স্থান-কালে সহাবস্থান করে।
ঠিক এরকম।
আপনি নিজের বইটাকেই নষ্ট করলেন।
হ্যাঁ, কিন্তু এখন তুমি ওয়ার্মহোল বিষয়টা বুঝতে পেরেছো।
মুভিগুলো দেখো।
- আচ্ছা। - বেশ।
চীটোস চিপস দেখলাম, না কিনে থাকতে পারলাম না।
তো, কেমন চলছে?
No comments yet. Be the first to leave one.