137 dòng đầu tiên.
: : : অনুবাদ ও সম্পাদনায় : : : . . . ওমর ফারুক . . .
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানি নৌবাহিনী, মিত্রশক্তির যুদ্ধবন্দীদের দাস হিসেবে কাজ করানোর জন্য তাদের জাহাজে করে দেশে নিয়ে যেত। যেগুলো 'নরকের জাহাজ' নামে পরিচিত ছিল।
ওই "নরকের জাহাজ" গুলোর পরিস্থিতি ছিল অমানবিক। এবং ওগুলো প্রায়ই মিত্রশক্তির বোমারু বিমানের লক্ষ্যবস্তু হতো। যার ফলে ওই যাত্রাপথে ৩০,০০০ এরও বেশি জাপানি এবং মিত্রশক্তির সৈন্য মারা যায়।
আরিসান মারু, ১৯৪৪ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম ভয়ঙ্কর 'নরকের জাহাজ'।
পানি।
পানি।
- পানি। - একটু পানি দিন দয়া করে।
চুপ!
পানি।
এটা পরে নাও!
দাঁড়ান, ওকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?
ও ওদেরই একজন। বেইমান জাপানি কুত্তা।
ও অন্যদের সাথে পালায়নি। ও একটা আস্ত খুনি।
- আমি তোমার সাথেই কথা বলছি। - কী হচ্ছেটা কী এখানে?
তুই বাইরে এলি কীভাবে? আমাদের সাহায্য দরকার।
ওহ, পচা দুর্গন্ধে টেকা যাচ্ছে না।
আমার একটু তাজা বাতাস দরকার।
তোরা হলি আমার চোখের বিষ!
ভেতরে চল।
যা!
হাঁটু গেড়ে বস!
লেফটেন্যান্ট, এতদিন ধরে বেঁচে ছিলে কীভাবে?
ঈশ্বরের কাছে বেশি বেশি প্রার্থনা করো নাকি?
এই পোশাক পরার যোগ্যতা তোর নেই!
বিশ্বাসঘাতকতার জন্য তোমার শাস্তি হবে!
মৃত্যুদণ্ড!
কিন্তু আমাদের উপরওয়ালারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে,
যে তোমার মৃত্যুদণ্ড আমাদের মাটিতেই হবে।
তোমাকে...
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে,
হাজার হাজার মানুষের সামনে।
তবে...
আমার জাহাজে,
তোমার সাথে কী করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত আমি নেব।
এই সেই বন্দী,
যে গতকাল রাতে পালানোর চেষ্টা করেছিল।
ওকে খতম করা তো ওয়ান-টুর ব্যাপার।
এই জানোয়ারটাকে... আমরা বাঁচিয়ে রাখব...
অন্যদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে।
তোমরা দুজন...
খুব শীঘ্রই বুঝতে পারবে,
তোমাদের আসল শত্রু কে।
ঈশ্বরও তোমায় ছেড়ে চলে গেছে।
আমাদের উপর আক্রমণ করা হয়েছে!
আমাদের উপর হামলা করা হয়েছে!
বিমান বিধ্বংসী কামানগুলোর দিকে যাও!
এদিকে আরও সৈন্য পাঠাও!
আমার সাথে এসো!
: : : অনুবাদ ও সম্পাদনায় : : : . . . ওমর ফারুক . . .
শালা চুদির ভাই!
কী ছিল ওটা?
তুমি দেখেছো?
কী আক্রমণ করেছিল আমার উপর?
ওটা কোন ধরনের জানোয়ার ছিল?
ক্ষমা কইরো ঈশ্বর।
মাথা কী গেছে নাকি?
শোনো!
ওটা ফিরে আসলে, আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।
এই নাও... এটা তুমি রাখো।
আর এটা আমি রাখছি। একটা ছাড়া অন্যটা অচল।
বুঝতে পেরেছো?
দেখো, রসদপত্র।
এটা কাজে লাগতে পারে।
সিগারেট? খাও তুমি?
না খেলেই ভালো, সব গুলো আমার তাহলে।
দেখো, কফিও আছে।
কফি তো খাও, তাই না?
আমি ছেলেটাকে চিনতাম।
একদম বাচ্চা ছেলে ছিল।
নির্ভেজাল।
ওকে অত্যাচার করার কোনো কারণই ছিল না।
তোরা আস্ত শুয়োরের বাচ্চা!
কেন আমাদের উপর অত্যাচার করলি?
তোরা জানোয়ার।
তোদের আচরণ মানুষের মতো না।
শুভ রাত্রি, ব্রো।
এগুলো পরে দেখো।
- এগুলো এখনও ভালো আছে। - তুমিই রাখো, ভাই।
তুমিই রাখো।
নাও, খেয়ে নাও কিছুটা।
ধ্যাৎ।
- ধ্যাত্তেরি। - এটা নাও।
- না, ঠিক আছে। আমি... - নাও এটা।
আচ্ছা, এখানে রাখলাম।
অনেকদিন পর এত ভালো খাবার খেলাম।
মনে হচ্ছে যেন বাড়িতে আছি।
আমি ব্রনসন।
আমার নাম।
ব্রনসন।
ব্লনসন।
- হ্যাঁ। - ব্রনসন। - হ্যাঁ, ওটাই।
আর তুমি?
সাইতো।
সাইতো।
ওরা তোমাকে আমার সাথে বাঁধল কেন?
আমরা আসলে খুব একটা আলাদা নই, তাই না?
হ্যাঁ! হয়ে গেছে।
এবার শিকলটা।
ধ্যাৎ।
দাঁড়াও!
এখানে মারো।
দেখো।
এখানে আঘাত করো।
তুমি নিশ্চিত? ওটা তোমার পায়ের একদম কাছে, বন্ধু।
সমস্যা নেই। এখানে মারো।
ঠিক আছে।
আবার।
ঠিক এখানে।
ইয়াহ!
দাও এবার আমি তোমাকে সাহায্য করি।
ভয় পেও না।
এক মিনিট, দাঁড়াও, দাঁড়াও...
তুমি নিশ্চিত যে ঠিকমতো করতে পারবে?
ধুর ছাই, মারো তাহলে।
মারছি তাহলে।
এখন তুমি মুক্ত।
আমরা দুজন বেশ ভালো একটা টিম।
এই দ্বীপে আমাদের মিলেমিশে কাজ করতে হবে।
গুলিটা দাও।
পায়ের ছাপগুলো দেখো!
এটা ওই সামুদ্রিক জানোয়ারটা।
সামনে চলো!
এগোতে থাকো।
দ্রুত চলো!
আরও দ্রুত চলো!
আরও দ্রুত!
তুমি গিয়ে লুকিয়ে থাকো।
নাও, এটা রাখো। আমার উপর বিশ্বাস রাখো।
দাঁড়াও!
কিসের যেন গন্ধ পাচ্ছি।
ওদিকটায় চলো।
গুলি করো না!
আরে ও তো আমাদেরই একজন। তুমি ঠিক আছো?
তুমি এখানে কতক্ষণ ধরে আছো?
আজ সকাল থেকে।
সিগারেট!
- তোমরাও কী ওই জাহাজের? - হ্যাঁ।
No comments yet. Be the first to leave one.