200 dòng đầu tiên.
অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ
মূল গল্প: SWEET HOME লেখক: CARNBY KIM এবং YOUNGCHAN HWANG
SWEET HOME
# ছা হিউন-সু, ১৯ বছর বয়সী হাই স্কুল ছাত্র বর্তমানে স্কুলে যেতে অনিচ্ছুক #
# অসামাজিক এবং অভ্যাসগতভাবে নিজের ক্ষতি করার ইতিহাস আছে #
# মা: হিউন-সু, যাবি না নিশ্চিত? #
সিনারির বদল হবে ভালো।
অনেকদিন তোর রুম থেকে বের হোসনি।
# মা: আমরা যাচ্ছি। ভাত ফ্রিজে আছে। মনে করে খাস, কেমন? #
গুলি লোড করুন।
হিউন-সু আর কতদিন এরকম করবে?
এরকম যাতে না হয়
সেজন্য কিছু করোনি কেন?
বাবা।
এটা মা'র দোষ না।
মাকে কেন ঝাড়ি দিচ্ছো?
পাকনামি করিস না।
পরিবারটা ভেঙে যাচ্ছে।
তুমি পারোও। কবে থেকে মাথা ঘামাতে শুরু করলে?
জানি না কেন ছেলেমেয়ে জন্ম দিয়েছিলাম।
ওরা কখনোই কিছুর জন্য কৃতজ্ঞ থাকে না।
দু'জনই থামো।
ফ্যামিলি ট্রিপ এটা।
ওরকম করিস না।
হ্যাঁ।
সব আমার দোষ। আমার।
বাবা।
বাবা!
ও হিউন-সু? কোথায় ছিলি তুই?
এরকম করো না। বেচারা ছেলেটা নিশ্চয়ই বিধ্বস্ত।
ওকে বাজে দেখাচ্ছে।
হিউন-সু।
আসলেই বাইরে আসতে চাইনি।
কিন্তু বিশ্বাস করতে পারিনি।
মাত্র ৩০ মিলিয়ন উন।
আমাকে মরতেই বলছো তোমরা।
এটা দিয়ে কীভাবে চলবো?
বাকি জীবন কীভাবে এটা দিয়ে বাঁচবো?
আমাকে কী করতে বলো?
- ওকে বের করো। - নিয়ে যাও।
কীভাবে বাঁচবো?
- আমাকে কী করতে বলো? - ওকে বের করো।
জলদি।
এভাবে ওকে এখানে কীভাবে রেখে যেতে পারলো?
এত ঠান্ডা কেন?
# ট্রেন্ডিং: মনস্টার, সতর্ক অবস্থা, নাক দিয়ে রক্ত পড়া #
# শ্রবণ মতিভ্রম, আতঙ্ক ক্রয়, আশ্রয়কেন্দ্র, বিশৃঙ্খলা #
# ট্রেন্ডিং: মনস্টার, সতর্ক অবস্থা, নাক দিয়ে রক্ত পড়া #
এই, আমি আসছি।
লিফট চলছে না, তাই দেরি হবে।
না, লিফট নষ্ট।
মিথ্যা বলছি না।
কিছু শুনতে পাচ্ছি না।
হ্যালো?
মাগো!
যান আপনি।
রেস্ট নিচ্ছি।
ক্ষুধা লেগেছে…
তুই তাহলে।
সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ।
সু-উং।
কাউকে তো করতেই হতো।
সার্ভিস নেই, তাই না?
ওনার পরিবারের ফোন নাম্বার খুঁজছি।
পরিবারকে জানানো উচিত।
কী করছেন?
তারা ওনাকে সামনাসামনি দেখতে পারবে না। অন্তত এটা তো করতে পারি।
পরিবার ওনাকে এভাবে না দেখলেই বরং ভালো হবে।
না।
হবে না।
ধুর, মোশন সেন্সরও কাজ করছে না।
ওটা আমার দোষ কেন? ওটা তো আমার সমস্যাও না…
দুনিয়াটা কেবল রসাতলে গেছে...
এইযে।
দুনিয়া এমনই। আমি কী জানি?
- এইযে। - ওটা আমার দোষ কেন…
ওটা আমার দোষ না, আর ওরা এখন আমাকে সরিয়ে দিতে চায়?
ওদের সবাইকে মারতে চাই।
ম্যানেজার হান।
ম্যানেজার হান, ওই কুত্তার বাচ্চাটা।
ম্যানেজার হান!
এইযে।
জি-সু।
কাছে যাবেন না।
আপনাকে মেরে ফেলতে পারে।
দেখে!
আমার মেয়ে এখনো ফেরেনি।
ঘেরাও দিতে পারেন না।
মিন-জুর কিছু হলে, সব আপনাদের দোষ!
- প্লিজ শান্ত হোন। - ঘেরাও দিন।
একটু দাঁড়ান।
দাঁড়াতে বললাম।
ও এখানে।
জলদি গিয়ে ওকে নিয়ে আসবো।
খোলো। প্লিজ?
না।
না বলার তুমি কে? আমি কে জানো?
জায়গাটাকে বিপদে ফেলতে পারি না।
থামো, প্লিজ।
প্লিজ খোলো।
কাজ করছে।
হচ্ছে কী?
মহামারী নাকি?
লোকটা সকালে হাসপাতালে যাচ্ছে বলেছিল।
হাসপাতাল কোনো টেস্ট করেছে?
রেডিয়েশন নিশ্চয়ই।
# নিম্নোক্ত উপসর্গে আক্রান্তদের অবিলম্বে কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে #
# নাক দিয়ে রক্ত পড়া, অজ্ঞান হওয়া, কিংবা আকস্মিক আক্রমণাত্মক আচরণ #
# ৭,৮০০ উন # # নতুন মেসেজ #
আপনি এত শান্ত আছেন কীভাবে?
এই মুহূর্তে আমি মারাত্মক শকড আর নার্ভাস।
লোকটা…
না, জিনিসটা…
মরে গেছে?
সম্ভবত।
সবাই বাসায় চলুন।
এখানে বসে থেকে কী করছি?
উদ্ধারকারী দল আসবে না?
দেখতে পাচ্ছেন না?
আমরা সবাই শেষ।
আমাদের দেশ এভাবে ধ্বংস হবে না।
তাই না, মিলিটারি সাহেব?
হ্যাঁ। ঠিক বলেছেন।
শান্ত থেকে অপেক্ষা করলে—
বাসায়ও অপেক্ষা করতে পারবো!
কাছেপিঠে নিশ্চয়ই কোনো জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র আছে।
ঠিক কোথায় আছে?
আমরা ড্রাইভ করে—
আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং লটও ব্লক করা।
আমাদের উপরে যেতে হবে!
কেউ সাত তলায় থাকে?
আমি।
ভাই, আমরা একসাথে উপরে যেতে পারি।
দাঁড়ান, দাঁড়ান।
উপরে গেলে, সবার যাওয়া উচিত, না-কি?
সবাই চলুন।
- আচ্ছা। - না।
দাঁড়ান। আগে ফটক ব্লক করতে হবে।
অপেক্ষা করে দেখি—
আপনারা ব্লক কিংবা অপেক্ষা যা ইচ্ছা করুন।
আমি উপরে যাচ্ছি।
- দাঁড়ান। - পারবেন না।
বজ্জাতের দল! কোথায় পালাচ্ছো বলে মনে হয়?
স্বার্থপর কাপুরুষের দল নিজেদের বাঁচাতে চাচ্ছো।
আপনার তো কেবল দোকানের চিন্তা।
দেখো কী বলে।
বিয়ং-ইল। এদিকে আয়।
সবাই মারা পড়তে চাস?
এদিকে আয়। এক্ষুণি!
ঠিক, ঠিক।
ফটক খুললে, আমরা সবাই মরবো।
সরে যান। এক্ষুণি।
বাইরে কী আছে জানো না।
সরবো না!
- আরে। - এরকম করছেন কেন?
- থামো। - এরকম করবেন না।
- আরে। - থামো।
কী রে?
- কীসের শব্দ? - কী?
- কী? - পেছনে যান।
শালার।
কী দেখছো?
ওটা কামড়ের দাগ?
ওখানেই দাঁড়াও!
বিয়ং-ইল।
দেখ তো। গিয়ে দেখ।
কামড়। ও কামড় খেয়েছে!
ওহ, খোদা।
ধরেছি আমি!
দেখেছো না?
ওর কাঁধের কামড়ের দাগটা দেখো।
ধরেছি আমি।
শালা।
জম্বি শালা।
সব ঠিক আছে। ঠিক আছে।
এটা কোনো রোগ না।
এটা অভিশাপ।
# CRUCRU #
# এটা কোনো রোগ না। এটা অভিশাপ। #
তাদের বারবার নাক দিয়ে রক্ত পড়া...
…আর শ্রবণ মতিভ্রম হয়েছিল।
কারণ নিশ্চিত করা যায়নি।
তারা মূলত এখানকার ছিল না।
তাদের উপসর্গ দেখা দেওয়ায় এখানে এসেছিল।
পরিণত হয়েছিল শোচনীয় ও মরিয়া প্রাণীতে।
সকল ধারণা ভুল ছিল।
হঠাৎ একদিন শুরু হয়েছিল
আর থামেনি কখনো।
আমাকেও সেটা গ্রাস করেছিল।
মানুষরা কখনো এটা কাটিয়ে উঠতে পারবে না।
উপসর্গ দেখা দিলে, দেরি হবার আগেই নিজেকে মেরে ফেলুন
কারণ জীবিত থাকলে অন্যদের ক্ষতি হবে।
তবে শেষপর্যন্ত বাঁচার সিদ্ধান্ত নিলে,
একটা কথা অবশ্যই জানতে হবে।
- সেটা হলো… - সেটা হলো…
# ইন্টারনেট সংযোগ নেই #
# রিফ্রেশ #
কিছুই কাজ করছে না।
এখনো থাকবে ওখানে?
কেউ হয়তো নেই, তাই না?
No comments yet. Be the first to leave one.