أول 182 سطر.
চমৎকার করেছো.
ধন্যবাদ.
আমার চোখ!
আমার চোখ...
ঠিক আছো?
আবারও দুঃস্বপ্ন?
সব ঠিক হয়ে যাবে.
মা তোমার সাথে আছে.
দুর্দান্ত উপন্যাস চোই ইক-তায়ে...
"চিরন্তন ভালবাসা"...
এটি গত বছর প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে
২ লক্ষ কপি বিক্রি হয়েছে...
সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বইটির লেখক কে নিয়ে...
বিতর্ক সৃষ্টি করেছে...
এবং আলোচনা প্রকোপিত হচ্ছে...
তাঁর কাজের প্রতিটি প্রকাশনা নিয়ে.
তার জীবনের সমস্যা থাকা সত্ত্বেও...
এসে নাস্তা করে যাও.
তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে.
দং-জু.
চিরন্তন ভালবাসা হলো...
একটি ছেলের প্রেমের গল্প...
যা মৃত্যুর বাইরে চলে যায়...
মনে আছে লাল কালি দিয়ে নাম লেখা নিয়ে কি বলেছিলাম?
এর মানে তুমি তাদের মৃত্যু কামনা করো.
চই ইক-তায়ে...
সে এখনও তোমার বাবা.
চই ইক-তায়ে...
মাছের কাটা!
সরি.
এরপর সাবধানে দিবো.
বসো, দং জু.
আমি স্কুলে যাচ্ছি.
তোমার মুখ ভার কেন?
ওহ, তোমার চুল এলোমেলো তাই.
আসো, আমি আঁচড়িয়ে দিচ্ছি.
তোমায় একাকী দেখাচ্ছে.
তোমাকে একাকী দেখাচ্ছে কেন?
এটা করো না, আমি আছি তোমার সাথে.
আমি জানি.
একাকী অনুভব করার থেকে...
খারাপ কিছু হতে পারে না.
তোমাকে সুন্দর লাগছে.
সিও-উ.
প্রিন্সিপাল চোই আসছেন!
-কি করছো তোমরা? - চুপ কর.
ঘন ঘন প্রশ্ন করবে না.
স্কুলে তুমি নতুন.
আমরা যা করি শুধু তাই করবে.
হেই, বল নিয়ে এসো.
যাও.
দং জু, তুমি কি বলটা ছুড়ে পারতে পারবে?
ধন্যবাদ!
সিও-উ.
কেমন হয়েছে?
দং-জু.
খাওয়ার সময় খাও.
দং-জু!
তোমাকে বলছি না, যতই রাগ হোক...
জিনিসপত্র ছুড়ে মারবে না!
চিরন্তন ভালবাসা
রিসিভ করবে না?
তুমি এখনও এখানে কেন? বাড়ি যাবে না?
এতো সুন্দর!
তোমার জন্য কিনেছি.
সত্যি?
কিন্তু তোমাকে দেওয়ার মতো আমার কাছে কিছু নেই.
তোমার কিছু দেওয়া লাগবে না.
আমি শুধু চাই...
কেমন লাগছে?
সুন্দর দেখাচ্ছে.
আজ রাতে কি করছো?
আমার সাথে ডিনার করবে?
সিও-উ, তাই-সেওক তোমার জন্য অপেক্ষা করছে.
ঐ ছেলের সাথে কথা বলা বন্ধ করো.
আমি কি ডং-জুয়ের সাথে কথা বলতে পারি না?
কেউই ওর সাথে কথা বলে না.
এমন বলো না...
তার তো একটা নাম আছে.
পরবর্তীতে ওর সাথে কথা বলবে না.
তার নাম ডং-জু, ওকে?
সে একটা পাগল.
প্রমিজ করো যে, তার সাথে আর কথা বলবে না.
সুন্দর না? ডং-জু দিয়েছে.
কি সমস্যা তোমার?
তুমি জানো না সে কেমন.
মানে?
দং-জু পাগল.তার থেকে দূরে থাকো.
কেনো?
সেখানে এমন একটি মেয়ে থাকত যাকে সে সত্যই অনেক পছন্দ করত.
মেয়েটি একটুও তাকে পছন্দ করে নি...
এবং তাকে বিরক্ত করতে নিষেধ করেছিল.
দং-জু তাকে ধাওয়া করেছিল.
সে তাকে জোর করে বিয়ে করতে চেয়েছিল.
এমনকি সে তার পরিবারকে হত্যা করার হুমকিও দেই.
যদি সে প্রত্যাখ্যান করে.
এটা কি সত্য যে ডং-জু এটা করেছে?
তাহলে সেই মেয়েটি কোথায়?
সে মারা গেছে.
জলাশয়ে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়.
দং-জু তাকে মেরে ফেলেনি, তাই না?
এটাই সেটা.
এখানেই ডং-জু তাকে হত্যা করেছিল.
কেউ তাকে ধাক্কা দিতে দেখেনি.
তবে সবাই এটা জানেন যে, সেই ই এটা করেছিলো.
বাড়ি এসেছি.
ঠিক আছে, সোনা.
তুমি এখানে কি করছো ডং-জু?
আমি তাকে বারণ করেছিলাম...
তারপরেও সে তোমার বাবাকে সাহায্য করছে.
আমি খুবই চিন্তিত ছিলাম কীভাবে তুমি......
নতুন স্কুলে মানিয়ে নিবে.
খুশি হলাম যে তুমি কিছু ভালো বন্ধু খুঁজে পেয়েছো.
অনেক দেরি হয়ে গেছে, ডং-জু.
তোমাকে বাড়ি যেতে হবে.
তোমার মা বাড়িতে তোমার জন্য অপেক্ষা করছে.
আমি তাকে কল করে বলে দিছি...
যে আজকে আমার দেরি হবে.
তবুও তোমাকে যেতে হবে.
দেরি হয়ে যাচ্ছে.
সে তো বললো সে তার বাড়িতে ফোন করে বলে দিয়েছে.
বাদ দেও.
রাত হয়ে গেছে. তাই তাড়াতাড়ি বাড়ি যেতে বলেছি.
তোমার কি ভালো লাগছে, বাবা?
কাতুকুতু লাগছে?
দং-জু, আমাদের সাথে রাতের খাবার খেতে আসো.
যদিও আমরা এখনও ছোট...
তারপরেও আমরা বিয়ে করতে পারি.
একে অপরকে জানার জন্য...
এটাই ভালো একটা উপায়.
সিও-উ. তুমি খুব সুন্দর.
এতো দেরি করলে কেন?
দেরি করে ফেলেছি?
আমার কল রিসিভ করো নি কেন?
কল করেছিলে?
দং-জু, এখন থেকে...
আমার প্রত্যেকটি কল রিসিভ করবে...
সে তুমি যেখানেই থাকো না কেনো...
যা-ই করো না কেনো, বুঝছো?
আর এখন থেকে সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে বাড়ি ফিরবে.
ঠিক আছে?
কথা দেও.
হ্যাঁ.
বলো, "কথা দিলাম."
ওকে.
বলো, "কথা দিলাম"
কথা দিলাম!
আমি তোমাকে ভালবাসি ডং-জু.
তুমিই সে যাকে আমি আমার অন্তরের চোখ দিয়ে দেখি...
এমনকি তুমি আমার চঞ্চল মনকে...
উপেক্ষা করলেও.
আমি অন্ধ হলেও...
আমি চাই তুমি আমাকে পথ দেখিয়ে দিবে.
তুমি জানো কেন আমি তোমাকে এতো ভালবাসি?
কারণ তুমি সর্বদা আমার সাথে থাকো.
চিন্তা করো না.
যদি আমি মারাও যায়...
তাহলেও আমরা একসাথেই থাকবো.
আমি তোমাকে বলেছি, ক্লাস মিস দিবে না, তাই না?
কোথায় যাচ্ছো?
জামা দাগ পরিষ্কার করানোর জন্য যাচ্ছি.
তুমি কথা দিয়েছিলে...
স্কুলের পরে বাসায় থাকবে.
মা.
এখন কেবল ৪টা বাজে.
তাড়াতাড়ি চলে আসবো.
লাভ ইউ, মা.
দেখো, সিও-উ সুন্দর লাগছে, তাই না?
এটি ওর প্রথম জন্মদিন ছিলো.
এটা দেখো.
এটা অনেক ছোটবেলায়.
তার চুলের পিন আর মোজা দেখো.
দেখো. ওর হাসিটা দেখো.
বাড়ি এসেছি.
এতো দেরি করলে কেনো?
আবারও আর্ট রুমে যেয়ে ছবি আঁকছিলে?
দং-জু তোমার জন্য অপেক্ষা করছে.
আমি তোমাকে বলেছিলাম...
কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেবেন না.
দং-জু অপরিচিত নয়.
সে তোমার বন্ধু হয়.
আমরা এতো ক্লোজ ফ্রেন্ডও না যে...
No comments yet. Be the first to leave one.