Stranger Things

Stranger Things

Bengali সাবটাইটেল ডাউনলোড করুন

সিজন 2

রিলিজ তথ্য

Stranger Things Season 2 Webrip Complete
ভাষ্য লিখেছেন SerialKiller
মাতৃভাষায় উপভোগ করুন বিশ্বখ্যাত সাই-ফাই মিস্ট্রি থ্রিলার টিভি সিরিজ স্ট্রেঞ্জার থিংস। গুগোল ট্রান্সলেটেড সাব হতে সাবধান! প্রয়োজনে ফেসবুকে পাবেন: "Fuad Anas Ahmed" 😊

ট্যাগ

webrip
web
BRip
প্রকাশিত: 2017-11-27
ডাউনলোড: 311
শ্রবণপ্রতিবন্ধীদের জন্য: No

Bengali সাবটাইটেল প্রিভিউ

প্রথম 200টি লাইন।

চলো! চলো! চলো! চলো! চলো!

-গাড়ি ছাড়ো। -তাড়াতাড়ি ভাগো এখান থেকে!

মেইন রোড ধরে এগিয়ে যাচ্ছে।

- ওদেরকে খসাতে হবে, মিক! - চেষ্টা তো করছি!

- গলিতে ঢোকো। ডানদিকে। - আচ্ছা।

ধ্যাত!

ওকে। ওকে।

- শালার! আরও আসছে! - ওহ, শিট!

৭ নাম্বার রোডের দিকে যাচ্ছে।

কিছু করো, কালি। কিছু একটা করো!

সামনে ডানদিকে একটা টানেল আছে। ওটা ধরেই এগিয়ে যাবে।

হারামজাদাগুলোকে পেয়েছি এবার!

বুম।

ওহ খোদা!

তোমার সমস্যাটা কী, অ্যাডামস? কী করছো এসব?

অ্যাডামস! কী হলো। সমস্যাটা কী? থামলে কেন?

অ্যাডামস! অ্যাডামস!

অ্যাডামস, কী বলছি তোমাকে?!

অ্যাডামস! অ্যাডামস!

Translated By HASIBUJJAMAN HASIB ; MOHAMMAD YOUSUF SARAH IQBAL ; KAMRUL HASAN SHIMUL ; RUBAYED HASAN FUAD ANAS AHMED

Edited By F U A D A N A S A H M E D

CHAPTER ONE MADMAX

শালা! শালা!

- আরও একটা খুচরা পয়সা! - ডাস্টি, সাবধানে! মিউস ব্যথা পাবে তো।

- তোমার কুশনের নিচে একবার দেখতে দিবে প্লিজ? - ডাস্টি।

মম, প্লিজ? খুব জরুরি!

আমার আদরের মিউটা কী বলে রে!?

ভালো থেকো, মম।

লুকাস, শুনতে পাচ্ছো? ২৫ সেন্ট পেয়েছি চারটা। তোমার কী খবর?

তোমার খুচরার পাঁচ গুণ পেয়েছি আমি।

- কীভাবে? - তুমি যখন এতিমের মতো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছো

আমি তখন বুড়ো হামফ্রির লন সাফ করে দিয়েছি।

বুড়ো হামফ্রির এত টাকা হলো কবে?

- কথা বন্ধ করে, মাইককে কল দাও। - তুমি দাও।

সারাদিনের পরিশ্রম সেরে এখন আমি সুপুরুষের মতো গোসল করতে যাচ্ছি।

ওভার অ্যান্ড আউট।

মাইক, শুনছো? মাইক, শুনতে পাচ্ছো?

হ্যাঁ। হ্যাঁ, শুনছি।

- তুমি এই চ্যানেলে কী করছো? - কিছু না।

আমার আর লুকাসের মোট ছয় ডলার হয়েছে।

- তোমার কী খবর? - ইশ্! এখনও জানি না।

- জানো না মানে? - আসছি আমি। উইলকে কল দাও।

কী করছো তুমি?

ফেরত দিয়ে দিবো!

- বাই! - মাইক!

- মাইক! দাড়াও বলছি! - এই। বাসার ভেতর দৌড়াদৌড়ি করবে না।

কী শুরু করলে তোমরা?

মাইক! মাইক!

বজ্জাত!

- হেই! - আচ্ছা। দু'ঘণ্টা পর নিতে আসবো আমি।

- ঠিক ৯:০০ টায়, ওকে? - ওকে।

যে কোনো প্রয়োজনে, যদি বাসায় ফিরতে চাও,

ওদের ফোন থেকে বাসায় একটা কল দিতে বলবে। ওকে?

- হেঁটে... - হেঁটে কিংবা বাইকে ফেরা যাবে না। জানি আমি।

- আচ্ছা। বাবা... - মম, এখন যাই।

যাও মজা করো।

ড্রাগনকে খতম করতে ব্যবহার করো জাদুর তরবারি!

ওহ, খোদা! অচেনা এক জায়গায় চলে এলাম তো আমি।

- নিচু হও! নিচু হও! নিচু হও! - হচ্ছি! হচ্ছি!

যাচ্ছি! যাচ্ছি! যাচ্ছি!

আচ্ছা। চুপ করো। চুপ করো। চুপ করো!

না। না। না!

না! না! না! এই গেমটা একদমই সহ্য হয়না আমার।

ছাতামাথার ফালতু গেম!

এখনও তোমার খেলা শেখার অনেক বাকি। কিন্তু শিখতে বেশিদিন লাগবে না।

কিন্তু তার আগ পর্যন্ত, প্রিন্সেস ড্যাফনি শুধুই আমার।

যাইহোক। সেন্টাপিড আর ডিগ ডাগ-এ আমি এখনো সবার ওপরে আছি!

ঠিক জানো তো?

কী জেনে বলবো?

ফাজলামো হচ্ছে আমার সাথে?!

সরো! সরো! না, না, না, না, না। এই! না! না! না!

- ৭৫১,৩০০ পয়েন্ট! - অসম্ভব।

- ম্যাডম্যাক্স কে? - তোমার চেয়ে ভালো কেউ।

- তুমি নাকি? - জানোই তো ডিগ ডাগ আমার একদম সহ্য হয় না।

- তাহলে কে? - হ্যাঁ, বলে ফেলো, কিথ।

বলতে পারি। সেজন্য আমাকেও কিন্তু কিছু দিতে হবে।

না, না না। অসম্ভব। আমার বোনের সাথে কোনোভাবেই তোমাকে দেয়া সম্ভব না।

মাইক, রাজি হয়ে যাও। যা চায় দিয়ে দাও।

আমার বোন কোনো রাস্তার মেয়ে না!

- কিন্তু, এটা তো ভালোর জন্যই। - না, থাক বাদ দাও ওসব। কী বলছি শোনো,

ও তোমার পরিবারে ওর জঘন্য ফুস্কুড়ি ছড়িয়ে দেবে।

ব্রণ আর ফুস্কুড়ি এক না। আর এটা মোটেও ছোঁয়াচে না, ইঁচড়ে পাকা বদমাশ কোথাকার।

ওহ, আমি বদমাশ? তোমার সঙ্গে ডেটে যেতে ওর বয়েই গেছে।

কত কামাও তুমি, হ্যাঁ? ঘণ্টায় আড়াই ডলার?

- বেশ। - আমার চুল নিয়েও তাহলে একটু মজা করো?

হেই। হেই, তোমরা কি...

উইল! তুমি ঠিক আছো?

হ্যাঁ। একটু...

- দম নিতে এলাম। - এসো। ডিগডাগ খেলতে হবে।

শীর্ষস্থান আবার জিতে নেই চলো, হাহ্?

গুড মর্নিং, জিম।

- জিম। একটু দাড়াও। কথা আছে। - দূর হও আমার সামনে থেকে।

আচ্ছা, না... কথাটা আসলেই তোমার শোনা দরকার।

- চলে যাও, চলে যাও তুমি। - বিশ্বাস করো। মাত্র পাঁচটা মিনিট লাগবে!

হ্যাঁ, আমি বো ডেরেকের সাথে ডেটে যেতে চাই। প্রত্যেকেরই তো কিছু চাওয়া থাকে।

এটা ছোটখাটো কোনো ব্যাপার না, জিম।

খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বুঝলে?

আমি বেশ খোঁজখবর নিয়েই এসেছি। বলছি তো!

- হেই। মর্নিং, চিফ। - মর্নিং।

মর্নিং, মারে।

তোমার পেছনে খোঁচাতে থাকা এলিয়েনগুলোর কোনো হদিশ পেলে, মারে?

আমার বিশ্বাস, হকিন্সে রাশিয়ান স্পাই ছিল। কে জানে, হয়তো এখনও আছে।

রাশিয়ান স্পাই!

এলিয়েনদের সাথে এবার স্পাইও যোগ হয়েছে নাকি? নয়তো এখানে এলো কীভাবে? ঠিক বুঝতে পারলাম না।

একাধিক রিপোর্টের ভিত্তিতে বলছি আমি। একাধিক রিপোর্ট, বুঝলে?

হকিন্সে একটি রাশিয়ান বাচ্চা অবস্থান করছে।

- বাচ্চা? কী বলছো এসব? - অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মেয়ে।

- "অলৌকিক"? - "অতিমানবিক"।

যে মেয়েটা একটা বাচ্চার প্যান্ট ভিজিয়ে দিয়েছিল ওর কথা বলছে নাকি?

- ওটা প্র্যাংক ছিল। - কোন মেয়ে?

প্র্যাংক তো মনে হয় না।

আচ্ছা, পাঁচ মিনিট দিলাম তোমাকে। এক সেকেন্ডও বেশি পাবে না।

সুপারশপের এক কর্মচারীর সাথে কথা বলে জানতে পারলাম যে,

এক বাচ্চা মেয়ে স্পর্শ না করেই দরজা ভেঙে ফেলেছিল।

ওটা শুনেছি।

চিমনি থেকে বের হওয়া দাড়িওয়ালা মোটুর গল্পটা শুনেছো?

তারপর গতমাসে, টেড হুইলারের এক সহকর্মী দাবি করে

মাথা কামানো এক রাশিয়ান মেয়ে টেডের বেজমেন্টে লুকিয়ে ছিল।

এখন অবশ্য টেড তা অস্বীকার করছে।

- ওহ, ওয়াও, দারুণ তো! - কিন্তু এদের মধ্যে যোগসূত্র আছে।

- বুঝিয়ে বলো। - এই মেয়েটা, আসলে...

কোনো এক ধরনের রাশিয়ান অস্ত্র, ঠিক আছে?

বারবারা ঐ মেয়েটাকে দেখে হয়তো সাহায্য করতে চেয়েছিল।

কিন্তু তার আগেই রাশিয়ানরা ওদের ধরে নিয়ে গেছে...

দাঁড়াও, মানে তুমি বলতে চাচ্ছো, বারবারা হল্যান্ডকে রাশিয়ান স্পাই-রা কিডন্যাপ করেছে?

- কিডন্যাপ করেছে, খুনও করেছে। - খুনও করেছে?

- বুঝতে পারছো না, জিম? - না।

এর সঙ্গে হয়তো আন্তর্জাতিক কোনো ষড়যন্ত্রও যুক্ত থাকতে পারে।

হকিন্সে রাশিয়ানদের অনুপ্রবেশের কথা বলছি আমি

তোমার কাছে ঐ মেয়ের কোনো খোঁজ আছে? মানে, দিনকয়েকের মধ্যে কেউ তাকে দেখেছে?

এগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার...

এক্সকিউজ মি, সরি...

- ওকে। - হ্যালো?

মেরিল কল করেছিল। ওর কুমড়ো ক্ষেত দেখে আসতে বলেছে।

- বললো, ওর বজ্জাত প্রতিবেশী... - অলরাইট।

...ইউজিন নাকি, ওর সব নষ্ট করেছে। ধন্যবাদ।

সরি, এভাবে কথার মাঝখানে চলে যাওয়াটা আমার মোটেও পছন্দ না।

- কিন্তু, কী আর করার, ইমার্জেন্সি। - পাঁচ মিনিট সময় দিয়েছিলে।

হ্যাঁ, শোনো, তোমার এলিয়েন থিওরিটাই বরং বেশি ভালো ছিল।

আর একটা পরামর্শ দেবো?

অহেতুক বনের মোষ না তাড়িয়ে বাড়ি যাও? বুঝলে?

- দেখো, আমি কোনো মোষ-টোষ তাড়াচ্ছি না। - যা বলছি শোনো, বাড়ি যাও।

জানি, জঘন্য হয়েছে।

না, মোটেও না।

- একদম ভালো হয়নি। - আরে, হয়ে যাবে।

শুধু একটু সাজাতে হবে।

- দাগ দেয়া যাবে? - হ্যাঁ, অবশ্যই।

প্রথম প্যারাগ্রাফে, তুমি

নর্দার্নের বিপক্ষে বাস্কেটবল খেলার কথাটা ব্যবহার করেছো

তোমার জীবনের রূপক হিসেবে, এটা ভালো ছিল।

কিন্তু, তারপর এখানে,

হঠাৎ, যুদ্ধে তোমার দাদুর অভিজ্ঞতার কথা বলতে শুরু করলে।

বাস্কেটবল? যুদ্ধ? কানেকশন কী? 🤔🤔🤔

কানেকশন আছে, কারণ...

কারণ, আমরা দু'জনই জয়ী হয়েছিলাম।

- আবার প্রথম থেকে শুরু করবো? - না, মানে...

ডেডলাইনটা কবে?

কালকেই অগ্রিম আবেদনের শেষ দিন।

আজ রাতে আমায় সাহায্য করতে আসবে?

আজ রাতে আমাদের ডিনার করার কথা, মনে আছে?

- ওহ,মাই গড! - গত সপ্তাহেও বাদ দেয়া হয়েছিল।

- থাক, তোমার যাওয়া লাগবে না, এসব নিয়েই থাকো - না, না, না। লাভটাই বা কী?

- এই, শান্ত হও। - শান্তই আছি। আমি শান্তই আছি।

সত্যিটাই ভেবে দেখলাম, আসলে...

- শেষমেশ ড্যাডের সাথেই আমার কাজ করতে হবে। - মোটেও না।

জানি না, ন্যান্স। কেমন হবে বলো তো?

ইনস্যুরেন্স আছে, সুযোগ সুবিধাও আছে। সাথে আরও কত কিছু।

আর সুযোগটা নিলে, সামনের বছরটাও তোমার সাথে কাটাতে পারতাম।

- স্টিভ... - শুধু তোমায় একটু দেখে রাখতাম আরকি।

এই অধমকে যেন ভুলে না যাও।

ন্যান্স, সত্যি বলছি।

- আই লাভ ইউ। - আই লাভ ইউ, টু।

হ্যান্ডসামটা কে রে?

উপরওয়ালাই ভালো জানেন।

ফিগার দেখলি?

কেমন হেলে-দুলে যাচ্ছে।

এই হলো মানব-মস্তিষ্ক।

জানি, জানি, পুরোপুরি মিলছে না।

দেখতে আরেকটু থিকথিকে, তাই না? আপাতত এটা দিয়েই কাজ চালানো যাক।

এতে রয়েছে বিবর্তনের ফলে সৃষ্ট লক্ষকোটি কোষ।

যারা কাজ করে সমষ্টিগতভাবে।

না, আমি মোটেও ভুল বলিনি। মাথাও ঠিক আছে আমার...

একশত বিলিয়ন।

আহ, তুমিই তাহলে আমাদের নতুন শিক্ষার্থী।

হ্যাঁ, আপনার জন্যই নিয়ে এলাম।

আচ্ছা, দাঁড়াও, দাঁড়াও। এত সহজে যেতে পারবে না।

এদিকে দাঁড়াও, লজ্জার কিছু নেই।

ডাস্টিন, ড্রাম বাজাও।

ক্লাস, স্বাগত জানাও, সুদূর ক্যালিফোর্নিয়া থেকে আগত...

আমাদের কৌতূহলী যাত্রায় যুক্ত হওয়া নতুন এক সঙ্গী, ম্যাক্সিন।

- নামটা ম্যাক্স। - সরি?

কেউ আমায় ম্যাক্সিন ডাকে না, ম্যাক্স বললেই হবে।

- ম্যাডম্যাক্স। - বসে পরো, ম্যাক্স।

- হ্যালো। - হাই।

এটা ছাড়া আর কোনো রঙের হবে? কমলা রঙ টা আমার পছন্দ হয়।

হুম...

পেছনটায় একবার দেখতে হবে।

ওহ, শিট!

- তুমি আমার তো চাকরি খাবে দেখছি। - সেটাই তো আমার মাস্টার-প্ল্যান।

চাকরি গেলেই তো তোমাকে আমার ওখানে চাকরি দিতে দেবো, তখন আর লুকোচুরি খেলতে হবে না।

More Bengali subtitles for Stranger Things

মন্তব্যসমূহ

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left