De første 200 linjer.
মুলা চমৎকার সবজি।
আর আলু?
আলু নির্ভর করে রান্নার উপর।
মুলা অল্প আঁচে রান্না কিংবা গ্রিল করা যায়।
কাঁচা খেতেও মজা।
মুলা গ্রিল করা যায় না।
অবশ্যই যায়।
অল্প আঁচে সিদ্ধ করে গ্রিল করলে, কটু স্বাদ চলে যায়।
তারপর গাজরের সাথে মিশিয়ে তিলের তেল দিয়ে কষাতে হয়।
হ্যাঁ, তিলের তেল।
টুকে রাখ বরং। ভুলে যাবি আবার।
দরকার নেই। ওটা কখনও রাঁধবোই না।
আমার হাজবেন্ড ফাস্ট ফুড খেয়ে বড়ো হয়েছে। ও সব খেতে পারবে।
তাহলে জিজ্ঞেস করছিস কেন?
ভাবলাম হয়তো কথা বলতে চাও, মা।
তাহলে, মুখ না চালিয়ে হাত চালা।
লাঞ্চটাইম হয়ে এলো।
দোকান থেকে একটু লো-ফ্যাট দুধ কিনে আনতে পারবে?
বাবা?
আহ। দুধ তো অন্তত কিনে আনতে পারে।
ও চায় না প্রতিবেশীরা ওকে বাজারের ব্যাগ হাতে দেখুক।
কী?
এই বয়সে এসেও, "ডাক্তার সাহেব" ডাক শুনতে চায়।
কী একটা অবস্থা।
তুমি ওকে একেবারে নষ্ট করে ফেলেছো, মা।
শুভ সকাল।
চান না আবহাওয়া একটু শীতল হোক, ডাক্তার সাহেব?
আজকেও প্রচণ্ড গরম পড়বে।
এত গরম পড়লে, খুব কমই পানি খেতে পারি।
শুধু কোল্ড নুডলস খেতে পারি।
তাহলে তো বিপদ।
আপনার স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পাঁকালমাছ খাওয়া উচিত।
মনে হচ্ছে যেকোনো দিন আমার সময় ফুরিয়ে যাবে।
সেরকমটা হলে, চাইবো আপনি যেন মৃত্যুর সময় আমার পাশে থাকেন।
তাহলে তো আমাকে আপনার চেয়ে বেশি বাঁচতে হবে।
আসি।
হাঁটা উপভোগ করুন।
HIROSHI ABE
YUI NATSUKAWA
YOU
KAZUYA TAKAHASHI
SHOHEl TANAKA
KIRIN KIKI
YOSHIO HARADA
Written and Directed by HIROKAZU KORE-EDA
STILL WALKING আজও চলেছি হেঁটে
শেষ ট্রেনে ফেরা যাক।
রাত ৮টায় বের হলে, ট্রেন ধরতে পারবো।
ওনাদের বলেছি রাতটা থাকবো। জামাকাপড়ও এনেছি।
জরুরি পিটিএ মিটিংয়ের বাহানা দিতে পারবে না?
পারবে না?
তুমি সবসময় শুধু অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপাও।
ওদের সাথে বলার মতো কোনো কথা নেই।
বাবা এখনও ভাবে আমি বেসবলের বিরাট ভক্ত।
তুমি বেসবল পছন্দ করো, রিও?
করতাম, অনেক অনেক আগে।
জেনে রাখো,
আমিই বেশি নার্ভাস, যদিও খেয়াল করেছো কিনা সন্দেহ।
করেছি, করেছি।
সবাই বলাবলি করে সে নাকি রেসট্র্যাকের কাছাকাছি বাসাও নিয়েছে।
তাহলে তো সমস্যা।
বয়স বাড়লে,
মহিলা আর মদের সাথে তাদের শরীর কুলিয়ে উঠে না,
তবে জুয়ার সাথে ঠিকই ওঠে।
এটাই সবচেয়ে বড়ো কুস্বভাব।
কী একটা অবস্থা।
এখনও দেখি এখানে চড়ুই পাখি আছে।
তোর বাবা ভাত দেয় বলে আসে।
আমাদের ওখানে শুধু কাক।
ময়লা নিয়ে যাওয়ার দিন, এভাবে বসে থাকে।
খোসা সবটা ছাড়া।
ওহ, কিছুটা রয়ে গেছে।
কত সুন্দর মেয়ে তুই। কপালটা তো খালি রাখ।
রিও কখন আসবে?
ফোনে বললো দুপুরের মধ্যে।
"গোমড়ামুখো রাজপুত্র"-ও আসছে?
- হ্যাঁ, ওরা রাতে থাকবে। - অপ্রত্যাশিত একেবারে।
তবে কি জানিস...
ব্যবহৃত জিনিস বেছে না নিলেও ওর চলতো।
নির্মম।
তাছাড়া...
বিধবার চেয়ে ডিভোর্সিকে বিয়ে করা ঢের ভালো।
ডিভোর্সি অন্তত স্বামীকে ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
মাঝে মাঝে তোমার কথায় ভয় লাগে, মা।
আমি কেবল সত্যিটা বলছি।
তুমি ওকে বিয়ে করতে জোরাজুরি করেছো বলেই না।
হয়তোবা, তবে ওর পছন্দ থাকলেও পারতো।
রিও ওর বড়ো ভাইয়ের মতো পপুলার ছিল না।
ভুল কথা।
ওর গ্রাজুয়েশনে, ওর সবগুলো বোতাম ছিঁড়ে ফেলেছিল।
ও হয়তো মার খেয়েছিল।
আরে না।
ওর নিচের ক্লাসমেটরা ওগুলো চেয়েছিল।
ও বলেছিল মেয়েদের একটা লম্বা লাইন লেগে গিয়েছিল।
মা-বাবার গর্ব অন্ধ হতে পারে। সাবধান থাকি বাপু।
ওর প্রথম স্বামী মারা যাওয়ার...
মাত্র তিন বছর হয়েছে।
চার বছর না?
- যেটাই হোক, দ্বিতীয় বিয়ে অনেক দ্রুত করেছে। - তাই?
ও হৃদয়হীনা।
আমি নিশ্চিত না।
আমি নিশ্চিত।
তুমি বাড়ির বাইরে কখনও কাজ করোনি, মা।
সিঙ্গেল মা হওয়াটা কতটা কঠিন তুমি জানো না।
এইযে শুরু করলি, "কাজ না করা" নিয়ে আমার মজা উড়ানো।
মজা উড়াচ্ছি না।
তাছাড়া, তোকে কলেজে দেওয়ার পর,
সবে তিন বছর কাজ করেছিলি।
চার বছর। চার।
তোমার বোনের সাথে কথাটা তুলবে।
বাড়িতে ফিরে আসার কথা।
তার সাথে তোমার আলোচনা করা উচিত না? এই ধরো তোমার বাবাকে নিয়ে।
ও নিশ্চয় ব্যবস্থা করে নিয়েছে।
ফিরে আসার প্ল্যান নেই আমার।
যদিও ওরা তাদের দেখাশোনা করলে ভালোই হবে।
তা হয় না। তুমি বড়ো ছেলে।
মেজো ছেলে।
এটা কী?
কোলা আর জিঞ্জার এল।
আলাদাভাবে খাও।
তারা ফ্রি রিফিল দেয়। গরিবের মতো আচরণ করো না।
আচ্ছা...
স্কুলের কী খবর?
স্বাভাবিক।
স্বাভাবিক?
হ্যাঁ।
শোনো...
গতকাল তোমার মা আমাকে খরগোশটার কথা বলেছে।
ওটা মারা যাওয়ার সময় হেসেছিলে কেন?
- সেটা হাসির ছিল। - কী ছিল?
রিনা বলতে শুরু করে খরগোশটাকে আমাদের চিঠি লেখা উচিত।
চিঠি লেখায় সমস্যা কী?
যে চিঠি কেউ পড়বে না?
তোমার বানানো আইস টি খুব মজা, নানুমণি।
ওগুলো স্রেফ সুপারমার্কেটের টি-ব্যাগ।
আগে নিজের বানানো টি-ব্যাগ দিতাম, কিন্তু--
বুঝতে পেরেছি। তাহলে নিশ্চয় পানির কেরামতি।
ওটা সাধারণ ট্যাপের পানি।
তুমি সব খাবে।
তোমার ভালো লেগেছে যেহেতু, সমস্যা নেই।
তাই না?
গতরাতে কী খেয়েছো?
- সুশি! - এই!
তোমাদের বলেছিলাম লাঞ্চে সুশি খাবো।
শুধুমাত্র সুশিই সবার জন্য ছিল।
ছত্রিশ প্লেট!
নতুন রেকর্ড!
নতুন রেকর্ড।
পুডিংও যথেষ্ট ছিল।
পুডিং সবার জন্য ছিল?
তরমুজও!
যদি লাগে তাই সুশি অর্ডার করেছি, কিন্তু তোমরা গতকালই সেটা খেয়ে থাকলে--
সমস্যা নেই। আমি খাইনি।
- সুশি প্রতিদিন খাওয়া যায়। - প্রতিদিন।
তাদের ছেলে "মাতসু সুশি" চালানোর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে, মাছ ভালো পাওয়া যায় না।
- তাই নাকি? - হয়ে গেছে।
তবে ওরা সি আর্চিন শসায় মুড়িয়ে দেয়, সমুদ্র-শৈবাল দেয় না।
ওটা আমার পছন্দ।
আর্চিন কি সুশি ডিলাক্সের সাথে যায়? ওটাই অর্ডার করেছি।
কল দিয়ে দেখি।
আরে, লাগবে না।
একটা খাও। ক্ষুধা নষ্ট করো না।
আহা, খেতে দে। ওদের জন্যই কিনেছি।
তোমাদের ভাগ্য ভালো...
নানুবাড়িতে বকা খাও না।
- নানুবাড়ি ভালোবাসি! - দুঃখজনক।
"বাড়ি" বাদ দিলে আরেকটা পেতে।
- লাল শিমও। - ওটা নানুমণির।
ওহ, সরি।
তুমি তো লাল শিম পছন্দ করো না, তাই না?
ওকে রিও ডাকা বন্ধ করতে পারো না?
অন্তত আজকের জন্য। মাকে একটু সাহায্য করতে।
কিন্তু রিও তো রিও-ই।
আর ভুল হয় না যেন।
ইচ্ছে করেই ডাকো।
তোনামি ধরছে না।
শনিবারে হয়তো পাবলিশার্স বন্ধ।
সোমবারে আবার কল দিয়ো।
আমার কাজের ব্যাপারে ওদের কিছু বোলো না।
প্লিজ।
আজকের দিনটা ভালোয় ভালোয় গেলে, বেশ কিছুদিন ওদের সাথে আর দেখা হবে না।
ওনারা তোমার মা-বাবা। এত আত্মরক্ষামূলক না হও।
ঠিক সেকারণেই হচ্ছি।
বলতে চাই না কাজ করছি। বাবাকে তো না-ই।
আহা।
তোমার বাবার ব্যাপারে তুমি খুব আত্মরক্ষামূলক হও।
ধরো, একটা নাও।
হ্যালো।
"এসে গেছি" বল, কেমন?
দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
স্বাগত। গরম না?
হ্যালো।
কী ভালো ভদ্রতা তোমার।
এটা ফেলে এসেছিলে।
খুবই দুঃখিত। ও সবসময় কিছু না কিছু ফেলে আসে। ধন্যবাদ।
স্টেশন এরিয়া বদলে গেছে। হারিয়ে গিয়েছিলাম, ঘামে ভিজে গেছি।
তুই রিপ ভ্যান উইংকল, কখনও আসিস না বলেই।
গিঞ্জি বইয়ের দোকানটা নেই।
দোকানের মালিক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়।
দোকান দেখার জন্য কেউ ছিল না।
No comments yet. Be the first to leave one.