Az első 200 sor.
রাঘব, চল কোথাও যাই।
জীবনে কিছু রোমাঞ্চকর কিছু করা দরকার।
আমি একটা জায়গা চিনি। যাবি?
কোথায়?
ডেমন্টি কলোনির কথা শুনেছিস?
নগরীর প্রাণকেন্দ্রে এত বড় সম্পত্তি এখনও বেদখল কিভাবে?
এর পেছনে রয়েছে অনেক রহস্য!
ডেমন্টির বাড়িতে একটা চেইন আছে সেটা নিয়ে যতই বেরিয়ে যেখানেই যাও না কেন...
ঘুরে ফিরে সেই চেইনটা যেকোন প্রকারে এই বাড়িতেই চলে আসবে।
- হ্যালো! - হ্যালো।
শোন, আমি, নাদি জ্যোতিষী।
আমার তোমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলা দরকার। এক্ষুনি এখানে আসো।
আমি অনেক দূরে। আমি অন্য কোন দিন আসব।
প্লিজ, খুবই জরুরি। তোমার সাথে কথা বলা দরকার। এক্ষুনি আসো।
আমি সভা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর, সেই বিকেলে নদী জ্যোতিষী...
গলায় ফাঁস লাগিয়ে মৃত্যুবরণ করেছিলেন।
- কল রেকর্ডিং অ্যাপ আছে? - হ্যাঁ।
তোমার বন্ধু সাজিথ গতকাল মারা গেছে।
তোমার সাথে যে আছে সে সাজিথ নয়। একবার আমার সাথে দেখা করে যেও!
এটা আমার করা ৩২ তম একক বাংলা সাবটাইটেল। সাবটাইটেলটি পছন্দ হলে গুড রেটিং এবং ফেসবুকে ফিডব্যাক জানাতে ভুলবেন না! ধন্যবাদ!
শ্রীনি...
আমি মৃত্যুকে ভয় পাই, শ্রীনি।
আমাকে এখান থেকে বের কর, শ্রীনি।
এদিকে আয়। আমি তোকে এখান থেকে বের করবো, সাজিথ।
শ্রীনি, আমাকে এখান থেকে নিয়ে যা!
বিশ্বাস করুন, ভাই। হাতজোড় করছি!
এই! কথা কানে যাচ্ছে না?
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ হাবিবুল্লাহ কায়সার
দোস্ত, দেখ ভিডিওটা জোশ হচ্ছে না?
দোস্ত! কিভাবে এটা মিস করলি? এদিকে দে।
আরে, সাবধান!
কি করছিস এটা? আমার ক্যামেরা ফিরিয়ে দে।
- আমি পারবো। - ফিরিয়ে দে।
কিচ্ছু হবে না। আমি যত্নে রাখবো।
- অসাধারণ পাস! চালিয়ে যা। - চমৎকার একটা ফুটেজ পেয়েছি।
গোল!
ধুর!
দেখ! ওইখানে দেখ!
কেউ আছে সেখানে!
এটা স্যামের অ্যাপার্টমেন্ট না?
সে কি করছে?
আরে!
বন্ধুরা, আয় তো!
- সিকিউরিটিকে ডাক! - সিকিউরিটি!
- সিকিউরিটি, দ্রুত! সেখানে দেখুন তো! - দোস্ত, কি হয়েছে?
সিকিউরিটি, জরুরি! এক্ষুনি এখানে আসুন।
তাড়াতাড়ি, চল, বন্ধুরা!
না, লাফ দিবেন না!
সে দশ তলায় আছে। কেউ দ্রুত সেখানে যান!
- সে ঝাঁপিয়ে মরবে। - তাড়াতাড়ি যান! দ্রুত !
তার কি হয়েছে দেখেন তো!
- কেউ লাশের কাছে যাবেন না। - সে মারা গেছে!
কেউ উপরে যান। তাড়াতাড়ি কর!
বললাম না, পিছিয়ে যাও!
লাশের কাছে যাবেন না। পিছিয়ে যান!
উপরে তাকান। আরেকটা লোক আছে।
দেখ, আরেকটা লোক লাফ দিতে চলেছে।
দ্রুত, তাকে থামান!
আরেকটা লোক লাফ দিতে চলেছে!
আরে!
আরে সে লাফ দিল!
আরেকটা লোকও লাফ দিল।
এরা কারা?
দেখ! সেখানে আবার দেখ!
সেখানে আবার দেখ!
দেখো, ওটা স্যাম! এটা স্যাম!
আরে স্যাম! এটা স্যাম!
স্যাম! স্যাম!
স্যাম!
স্যাম! স্যাম!
আরে, ওদিকে তাকাও!
স্যাম, তুমি কি করছো?
স্যাম! স্যাম!
দরজা খুলুন দয়া করে!
দরজা খুলবে নাকি?
ডেবি?
ডেবি !
তুই কি আমার কথা শুনতে পাচ্ছিস না?
বধির হয়ে গেছিস নাকি?
দরজা খোল!
তোমার কি হয়েছে? দরজা খোলো।
ডেবি ! ডেবি !
দরজা খুলবে নাকি?
ডেবি !
দরজা খোল!
ডেবি !
দরজা খোল! আমার কথাটা শোন।
আরে--
আরে, থাম!
- থাম বলছি! - কফি, ম্যাডাম।
এত সকাল সকাল আমার মাথা খাচ্ছো কেন?
- তোমাকে এখানে কে আসতে বলেছে? - মানে কি?
- ধন্যবাদ, চাচা! - কি সব ফালতু কথা বলছো!
স্যাম মারা গেছে ছয় বছর হয়ে গেছে।
তবুও তুই কৃত্রিম গর্ভধারণের মাধ্যমে দু'বার স্যামের সন্তানকে গর্ভধারণের চেষ্টা করেছিস।
আর ২ বারই গর্ভপাত হয়েছে।
ডাক্তার তোকে আর সন্তান না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, তবুও...
আবার কেন নিতে গেছিস?
ডেবি, কি হচ্ছে এসব?
তুমি কি সত্যিই কৃত্রিম প্রজননের চেষ্টা করেছো?
নাটক কম কর, পিও!
সব জেনেও না জানার ভান করছো কেন?
আমি...
তুমি জানতে তোমার ছেলে ক্যান্সারে মারা যাবে, তাই তুমি উত্তরাধিকারী পাওয়ার জন্য...
- সবই পরিকল্পিত মনে হচ্ছে! - মা!
নইলে স্যামের সন্তানকে সে কিভাবে আনতে চায়?
চুপ কর, প্লিজ?
আর একটাও ফালতু কথা বলবে না।
ক্যান্সার রোগীরা কেমোথেরাপির পরে সন্তানের পিতা হতে পারে না।
তাই কেমোথেরাপির আগে...
রোগীদের তাদের শুক্রাণু কোষ হাসপাতাল দ্বারা সংরক্ষণ করা হয়।
আর তাই তার চিকিৎসার আগে স্যামের শুক্রাণু কোষ সংরক্ষণ করা হয়েছিল।
আমিই হাসপাতালকে অনুরোধ করেছিলাম,
আর সেগুলো সংগ্রহ করে ফার্টিলিটি ক্লিনিকে গিয়েছিলাম।
আবার লাগলে আবার যাবো।
তবু স্যামকে ফিরে পেতে চাই।
আমি তাকে আমার সন্তানের রূপে ফিরে পেতে চাই।
সে এখনো পর্যন্ত এই সম্পর্কে জানে ন।
তুই কি পাগল হয়ে গেছিস?
সেই সন্তানকে তুই একা কিভাবে বড় করবি?
আমরা তোকে তার অবস্থা সম্পর্কে সতর্ক করার পরেও তুই তাকে বিয়ে করেছিলি।
তুই তার যত্ন নিলি...
এবং তাকে ক্যান্সারকে পরাজিত করতে সাহায্য করেছিস!
সে যদি তোকে একটুও ভালোবাসতো,
তবে সে কখনোই আত্মহত্যা করতো না।
বল, করতো?
দয়া করে, এই বিবাহটা বন্ধ করুন।
আঙ্কেল..
আমিও এটা বলতেই চাচ্ছিলাম।
বাদ দেই।
এই বিবাহটা না হওয়াই ভালো।
- স্যাম? - তুমি...
ডেবির জন্য একটি ভাল বর খুঁজে নিয়েন।
স্যাম!
স্যাম, তুমি আমার সাথে এটা করতে পারো না!
স্যাম!
ঈশ্বর চাইলেও আমি এত সহজে...
তোমাকে ছেড়ে দেব না।
শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়বো।
আমি তোমাকে এত সহজে ছেড়ে দেবো না, স্যাম।
তোমাকে ছাড়া আমার জীবন রেখে কি লাভ?
আমি কি করব?
আমরা একসাথে সবকিছু মোকাবেলা করব।
- চাচা? - ডেবি...
ডেবি, স্যাম বেঁচে গেছে!
অপারেশনটা সফল হয়েছে।
ডেবি...
"ডেবি, আমরা একটি সুখী জীবনযাপন করতে যাচ্ছি।"
"ডেবি, আমাদের স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে",সে বলেছিল।
তারপরও ও আত্মহত্যা করলো কেন চাচা?
কি হয়েছে?
কি হয়েছে, স্যার? আমি পুলিশ আর এম্বুলেন্স দেখতে পাচ্ছি।
সমস্যা কি বলে মনে হচ্ছে?
কবে যে এই ট্রাফিক পরিষ্কার হবে।
এখানে কি ঘটেছে?
- সরুন। - দয়া করে জায়গা দিন।
একপাশে সরে যান। পথ দিন।
এটি এখন একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ধীরে ধীরে...
তাকে সাবধানে নামাও।
সাবধানে.
ডেবি !
আসো।
দুঃখিত।
আমি আশা করি আপনি আঘাত করবেন না.
- না, ভালো আছি। - আরও একবার, দুঃখিত।
ঠিক আছে।
কি খবর, শ্রীধর?
- স্বাগতম, স্যার। - ধন্যবাদ।
ঐ মাছগুলো দেখো!
-হ্যালো, চাচা। হাই ডেবি! - হাই।
- কেমন আছো? - ভালো আছি।
- হাই! এতদিন পর দেখা হলো।
- অনেক দিন হয়ে গেছে। - হ্যাঁ।
- সব ঠিক আছে? - হ্যাঁ।
- এক মিনিট! আমি আসছি। - অবশ্যই।
- চাচা... মাফ করবেন। আমি ফিরে আসব। - আচ্ছা।
চাচা, এটা জোশ!
চেন্নাইতে এমনই এক গ্র্যান্ড চাইনিজ রেস্তোরাঁ!
এটা স্যামের স্বপ্ন ছিল।
আপনি তার নকশাকে সবচেয়ে নিখুঁত উপায়ে জীবন্ত করে তুলেছেন।
ধন্যবাদ, মামণি!
সমস্ত কৃতিত্ব ডেবির!
সে স্যামের জন্য এটা করতে চেয়েছিল।
- আরে দিব্যা! - ওহ, হাই!
ডেবি !
আরে, এখানে আসো।
শুভেচ্ছা। স্বাগতম।
দাওশি আমাদেরকে এই মূর্তিটি তোমাকে উপহার হিসেবে দিতে বলেছে।
সে তোমাকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছে।
বন্ধুরা, এখানে কিছুক্ষণের জন্য আসুন।
আমার ছেলে আমাদের ছেড়ে চলে যাওয়ার ছয় বছর পার হয়ে গেছে।
তবুও এত বছর পরেও,
তার সব প্রিয় মানুষ এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা,
সবাই এখানে উপস্থিত।
যার মানে, সেও আমাদের মাঝে আছে।
আপনারা সবাই কিছু মনে না করলে,
স্যামের জন্য দুই মিনিট নীরবতা পালন করা যাক।
এবং আপনাদের হৃদয়ে যা রয়েছে সবই তাকে জানান।
আমি নিশ্চিত সে সত্যিই খুশি হবে।
No comments yet. Be the first to leave one.