Kiadási információk

K G F: Chapter 2 - Runtime 02 45 58
Kommentár Team_Thambi
🔵🔴🔵🛑 জনরাঃ ড্রামা, একশন ❤ 🕰 রানটাইমঃ ০২.৪৫.৫৮ভালো লাগলে গুড রেটিং ও ফিডব্যাক জানাবেন। সাবের ভিতরে ফাইলের নামে রানটাইমে রানটাইম ভুলে ০২.৫৫.৫৮ লিখা আছে তাই কেউ রানটাইম নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়বেন না। সেটা ০২.৪৫.৫৮ রানটাইমেরই সাবটাইটেল ফাইল। মুভি লিংক ফাস্ট কমেন

Címkék

other
Közzétéve: 2022-05-16
Letöltések: 423
Hallássérülteknek: No

Bengali felirat előnézete

Az első 200 sor.

সাবটাইটেলটি হিন্দি ডাব শুনে ও ইংরেজি সাবটাইটেল মিলিয়ে অনুবাদ করা। যাতে যে কেউ যে কোনো ভাষার মুভির প্রিন্টের সাথে বাংলা সাবটাইটেলটি উপভোগ করতে পারেন।

তবে আমাদের সাজেশন থাকবে মুভিটি অরিজিনাল কন্নড় ভাষায় বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে উপভোগ করবেন। কন্নড় ভাষার প্রিন্টের রানটাইম ০২.৪৫.৫৮

কেউ ডুয়াল অডিও মুভি নামালে ভিডিয়ো প্লেয়ারে কন্নড় ভাষা সিলেক্ট করে নিলেই ভালোভাবে উপভোগ করতে পারবেন।

এক নির্ভীক রাজকুমার.....

ঘন অন্ধকারময় রাতে... শুরু করলো নিজের নিয়তির সন্ধান।

সেদিন, ঝড়ের তর্জন-গর্জনের মাঝেই...

একলা...

জাহাজে করে...

ঝলমলে সমুদ্রে পাড়ি দিল।

- মা? - হুম

সমুদ্র এত ঝলমলে হয় কেন, মা?

কারণ সমুদ্রের নিচে কাড়ি-কাড়ি সোনা মজুত রয়েছে।

সেজন্যই ঝলমল করে।

মা? তোমার কি সোনা পছন্দ?

কোন নারীর-ই সোনা পছন্দ না রে!

মা...একদিন দুনিয়ার সমস্ত সোনা তোমাকে এনে দেব, মা।

আচ্ছা, বেশ! এখন একটু ঘুমিয়ে নে।

কাল সকালে গিয়ে নিয়ে আসিস। হুম?

চোখ বোজ।

ওর সম্বন্ধে কোনোকিছু পড়া কিংবা লেখালেখি একেবারে বন্ধ করতে হবে।

ইতিহাসের পাতা থেকে ওর নাম-নিশানা চিরতরে মুছে ফেলতে হবে।

আমি সেনা বলবৎ করছি...

আর মৃত্যুদণ্ডের আদেশে স্বাক্ষর করছি...

ভারতের সবচেয়ে বড় ক্রিমিনালের!

ভোর ৪টায় আনন্দ ইনগালজি'র স্ট্রোক হয়েছে, স্যার।

ওনাকে সেন্ট মেরি হাসপাতালের ICU-তে ভর্তি করা হয়েছে।

উচ্চ রক্তচাপের ফলে, তার মস্তিষ্কে প্রচুর পরিমাণে রক্তক্ষরণ আর রক্ত জমাট বেঁধে গেছে।

তার বয়সের দিক'টা বিবেচনা করলে, সার্জারী করা সম্ভব নয়।

সত্যি বলতে, ওনার হাতে আর বেশি সময় নেই।

এখন সবকিছু ঈশ্বরের হাতে রয়েছে।

ডাক্তার...

ওনার কোনো আত্মীয় আছে?

হ্যাঁ..

ওনার ছেলে রয়েছে। বিজেন্দ্র ইনগালজি।

হাই,

আমি দীপা হেগড়ে।

আপনার বাবা'র জন্য খারাপ লাগছে।

আশা করছি উনি শীঘ্রই সেরে উঠবেন।

উনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন।

আমার বাবা'কে কীভাবে চেনেন?

উনি একটা বই লিখেছিলেন।

গতকাল ওনার সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম।

শুধু গল্পের অর্ধেক'টাই বলেছিলেন।

আজ পুরোটা শোনানোর কথা ছিল।

তবে, মনে হচ্ছে...

গল্প'টা অসমাপ্ত'ই রয়ে যাবে।

মানুষ হিসাবে তিনি কেমন ছিলেন নিশ্চিত বলতে পারবো না।

তবে এটা নিশ্চিত, একজন পিতা হিসেবে তিনি ব্যর্থ ছিলেন। একজন স্বামী হিসেবেও।

ছোটবেলায় তার সাথে কখনো খেলেছি বলে মনে নেই।

কখনো আমার পরীক্ষার রেজাল্টটুকুও দেখেনি।

সে বলতে পারবে না কবে থেকে আমি সিগারেটের নেশা শুরু করি। যদিও আমি সেসবের ধার ধারি না!

মায়ের মৃত্যুর সময় তার চোখে একফোঁটা অশ্রুও দেখিনি।

আমার বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া সম্পর্কেও তার কোনো খেয়াল'ই ছিল না।

২৫ বছর পর তাকে দেখছি।

তবে তার সমস্ত মাথাব্যথা ছিল...

সেই গল্প'টা নিয়ে।

কেজিএফের গল্প নিয়ে।

রকি'র গল্প নিয়ে।

গল্প'টা সত্য না বানোয়াট সেসম্পর্কে আমার জানা নেই।

তবে সে এই গল্পের জন্যই জীবন পার করেছে, তাই...

সেটাকে অসমাপ্ত থাকতে দেয়া যাবে না!

তার মানে... গল্পের বাকি অংশ'টা....

আপনি বলবেন?

সে-ই বলবে।

সোজা গেলেই হনুমান মন্দির দেখতে পাবেন।

সেখান থেকে চার কিলোমিটার গেলেই সঠিক জায়গা'টা পেয়ে যাবেন।

চার বছর আগে অব্ধি সেখানে সেনাঘাঁটি ছিল।

কারো সেখানে যাওয়ার অনুমতি ছিল না।

আপনি সেখানে কী কাজে যাচ্ছেন, স্যার?

চারিদিকে তো শুধু ধুলোবালি'ই চোখে পড়ছে। এখানে কীভাবে সাম্রাজ্য মিলবে?

- এই মিস্ত্রী? - হ্যাঁ?

ঐ খেঁজুর গাছ'টা দেখছো? ওটার চারপাশ জুড়ে ৩৫ ফুট খোদাই করো।

কী খুঁজছেন, স্যার?

আমিও জানি না।

আনন্দ স্যারের লাইব্রেরিতে আমাদের ঝাড় দিতে আসারও অনুমতি ছিল না।

ওনাদের ছাড়া, কেবল আপনি'ই ভেতরে প্রবেশ করছেন।

- একটু সতর্ক থাকবেন, স্যার। - বুঝেছি! খোলো।

অনুবাদ আয়োজনেঃ Team Thambi - টিম থাম্বি

হ্যালো! আরে, কাজ চলছে। এখন আসা সম্ভব নয়।

অনেক কাজ পড়ে আছে! সকালে চলে আসবো।

এই, এখানে জলদি জেসিবি নিয়ে এসো।

ভাই, মনে হচ্ছে পাথর'টা অনেক বড়ো।

এই, জলদি দড়ি আর শিকল নিয়ে এসো।

আচ্ছা, পরে ফোন করছি।

নিশ্চয় কোথাও আরেকটা কপি রাখা থাকবে।

খোঁজো!

আরো নিচে নামাও।

দড়ি বাঁধো!

আচ্ছা, পেছাও। সরে যাও! সরো।

আপনার এখনো মনে হয় না পুরো গল্প'টাই সত্যি হতে পারে?

হতে পারে এটা কোনো উন্মাদ লোকের সৃষ্টি!

এখানে প্রচুর সাংবাদিকতা সংক্রান্ত জিনিসপাতি আর ছবি রাখা আছে।

তবে নিঃসন্দেহে'ই বলতে পারি, চিরুণী তল্লাসি চালালেও আমার মায়ের একটা ছবিও এখানে পাবেন না।

যদিও তাতে আমার কোনো যায় আসে না।

একটা কথা বলব?

আপনারও এতে কোনো যায় আসে বলে মনে হয় না।

গল্প'টা কৌতূহলপূর্ণ লেগেছে সেজন্যই এখানে এসেছেন।

- তাই না? - হুম।

এটাই খুঁজছিলেন, স্যার? কী এটা, স্যার?

দড়িগুলো খোলো।

দেখা যাক।

এক প্রজাতান্ত্রিক দেশে ৭০ কোটি মানুষের মাঝে এত বিশাল এক সাম্রাজ্য, এত বলিষ্ঠ সিস্টেম।

কীভাবে? তা নিয়ে মাথাব্যথাও আছে...

আর সেখানে কে জিতেছিল তা জানার কৌতূহলও।

বিজয়ের উদ্দেশ্য নিয়ে যুদ্ধ লড়া হয়।

বিজয় হাসিল করা হয় ইতিহাস গড়তে।

জয় সর্বদা হয় ইতিহাসের।

আর ইতিহাসের সেই লুকায়িত পাতার কোথাও...

স্যার! স্যার!

ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বড়ো রহস্য লুকিয়ে রয়েছে।

এল..

ডোরাডো....

K.G.F - Chapter 2

স্যার...স্যার, এক্সকিউজ মি।

স্যার, কাল আমি একটা আর্টিকেল দিয়েছিলাম,

সার্ভে নম্বরের অধীনস্থ গ্রাম সম্পর্কে,

ওটার কোন হদিস নেই এটা পাবলিশ-ই করা হয়নি।

এই সংবাদপত্র ছাপাখানায় আমি অনেক বছর ধরে কাজ করছি।

কিন্তু... আমি নিজেই সংবাদে পরিণত হতে চাইনা।

এই ব্যাপারটা গোপনীয় ছিল না,

এ ব্যাপারে আমার বাবার যতটা আগ্রহ ছিল...

সিবিআই স্পেশাল উইংয়েরও ঠিক ততটাই আগ্রহ ছিল।

পশ্চিমা বন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে,

বোম্বাই শোধনাগারে অনিয়ম,

কালোবাজারে স্বর্ণের চালান বৃদ্ধি...

মাল পাচারের রাস্তা, শতাধিক প্রত্যক্ষদর্শী।

এসব কিছু একটা দিকে ইশারা করছে,

কেজিএফ।

কিন্তু এখনো পর্যন্ত একটাও চার্জশীট গঠন করা হয়নি, স্যার।

তোমার ব্যাচ নাম্বার কত, রামেশ?

স্যার..৭৪ স্যার...

আমি ৫৪ ব্যাচের...

কেজিএফ এর খনি থেকে স্বর্ণ উত্তোলন যতটা না কঠিন...

কেজিএফ সম্পর্কে সত্যটা সামনে নিয়ে আসা সিবিআই এর জন্য তার চেয়েও বেশি কঠিন।

কিন্তু ঐ নথিগুলো লকারেই থাকবে। আর কেউ এ ব্যাপারে কিছু প্রকাশ করবে না।

ঐ ঘড়িটা দেখছো?

বহুদিন ধরে বন্ধ হয়ে আছে।

এটা ঠিক করা নিয়ে কারো কোন মাথাব্যথা নেই।

আর এটা নিয়ে...

কে ভাববে?

কেজিএফ ছিল বেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ,

বিড়াল দুধ চুরি করছে এটা সবাই জানতো।

কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধার সাহস কারো ছিলো না।

গারুড়া মারা যাবার পর কেজিএফে কী হয়েছিল?

আপনি পড়ে শুনাবেন?

কেজিএফে গারুড়ার মৃত্যুর খবর ছাড়া বাইরের কেউ আর কিচ্ছু জানতো না।

কিন্তু পরেরদিন, 'পালিতে' যেখানে গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়..

রাজেন্দ্র দেশাই, গুরুপান্ডিয়ান, এন্ড্রুস ও কামাল...

গারুড়ার ছোট ভাই ভিরাটের রাজ্যাভিষেকের জন্য একত্রিত হয়েছিল।

থালাইভা.. থালাইভা..

গারুড়া বেঁচে নেই?

গারুড়ার চিতা নিভার আগেই,

ভিরাটের আসল রূপ বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে।

নিজের জন্য বিলাসী অভিষেকের আয়োজন করছে।

ভিরাট তো আগে এমন ছিল না,

ভিরাট যতো ফুর্তিতে মশগুল হবে,

আমাদের কাজ করতে ততই সুবিধা হবে...

আর গুরুপান্ডিয়া?

হাতিকেই শিকার করে ফেললাম, তো এই খাসি আর কী করবে?

তুই চিন্তা করিস না।

নারাচির লোভে আর কেউ এখানে পা ফেলবে,

হতেই পারে না।

অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ জায়েদ খান ۞ আকাশ বসাক শান্ত কুমার দাস ۞ ইমরুল হাসান নাসিম

অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ মারিব সিরাজ ۞ ইমতিয়াজ উদ্দিন হাবিবুল্লাহ কায়সার ۞ মাহফুজ আহমেদ তুহিন

অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ সাকিব সরোয়ার ۞ সোহাগ দাস আবু সালেহ খান ۞ জিতু বিশ্বাস

অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ তানভীর আহাম্মেদ লিওন জায়েদ আল আরাফ শিহাব রবিউল আওয়াল জীবন

এই ভিরাট...

এতো সাহস পেল কোত্থেকে?

দেখিস... ওকে আমিই কতল করবো।

আর..

আহ্...

ঐ বোম্বাইওয়ালা ছিল না,

কী যেনো নাম?

রকি।

হ্যাঁ..

ওকে মেরে ফেলেছিস তাই না?

বেঁচে গেলো শালা আমার থেকে।

রকিকে কেজিএফে পাঠানো হয়েছিলো গারুড়াকে মারার জন্য,

কিন্তু ও সেখানে গিয়েছিল কেজিএফ দখল করার জন্য।

এজন্য প্রথমে গারুড়াকে মারতে হতো... প্রহরীদের থেকে বাঁচতে হতো।

আর ওখানকার সব লোকদের নিজের পক্ষে আনতে হতো।

এজন্যই শর্ক-সার্কিট করে, সাদা লাইন পার হয়।

কিন্তু প্রথমে ও গিয়েছিল ভিরাটকে মারতে।

তারপর ৩ বন্দির একজন সেজে সবার সামনে গারোড়াকে মেরে ফেলে।

যখন ভানারামের প্রহরীরা বন্দুক তাক করলো,

যে লোকগুলো প্রহরীদের দিকে তাকাতে পর্যন্ত ভয় পেতো,

রকির সাহস দেখে তারাই প্রহরীদের উপর ঝাঁপিয়ে পরলো।

সবাই রকিকে... নিজেদের সুলতান মেনে নিয়েছিল।

ছোঁবে না আমায়।

রীনা, তুমি এখানে কী করছো?

বন্ধুদের সাথে রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম.. জোর করে তুলে এনেছে।

কে?

"রকিং স্টার ইয়াশ"

হে ইশ্বর! এই সিংহাসনের জন্য যেন আর কারো গর্দান না যায়।

এই সেই রকি...

যে গারুড়াকে মেরেছে।

আরে ... বসুন ... বসুন

আপনার মধ্যে ভয় আর শ্রদ্ধা থাকলেই যথেষ্ট।

আমরা সবাই এক।

ভিরাট...

More Bengali subtitles for K.G.F: Chapter 2

Hozzászólások

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left