Az első 200 sor.
প্রমিসিং ইয়াং উয়োমেন
মারা খাক সেই মেয়ে।
- মারা খাক। - হ্যাঁ। মারা খাক।
- মারা খাক। - বিজনেসের ব্যাপারটাই তো এমন।
সামান্য গলফ নিয়ে এত তামাশা করার তো কিছু নেই।
এমন তো না যে, আমরা ক্লায়েন্টদের স্ট্রিপ ক্লাবে নিয়ে যাচ্ছিলাম।
সেটা তো এখন আর করাও যায় না।
সেইটাই। সেটাও এখন আর করা যায় না...
- গত বছরের ক্রিসমাস পার্টির পর থেকে। - আচ্ছা।
কিন্তু গলফ ক্লাব তো মেয়েদের সেখানে খেলতেই দেয় না।
তো?
তো, সেকারণে আমাদের ক্লায়েন্টদের মিটিংগুলো তাকে বাদ দিয়েই করতে হবে।
দ্যাখ, তার উচিৎ নিজের সমস্যাগুলো আগে দূর করা,
আমরা কেন তার চেয়ে এগিয়ে, সেটা নিয়ে কাউমাউ করার বদলে।
বাপরে।
চোখে ভুল দেখছি না তো আবার?
- কেউ আমারে মাইরালা। - ইয়াক।
এই মেয়ে, তোমার কি কোনো আত্মমর্যাদাবোধ নেই?
আসলে এই ধরনের মেয়েরাই নিজেদের বিপদ ডেকে আনে।
সতর্ক না থাকলে, যে কেউ ফায়দা নিতে পারে।
বিশেষ করে, এই ক্লাবে যেই টাইপের ছেলেপেলে, তারা।
মালটা কিন্তু হট।
একদম যাচ্ছেতাই অবস্থা।
ব্রায়ানের সাথে কথা বলে দেখি।
আমার মনে হয়, সে বিষয়টা বিবেচনা করে দেখবে...
যদি আমরা সবাই তাকে খুব ভালোভাবে...
এমন করলে তো ছেলেরা ফায়দা নিতে চাইবেই।
উফ, এই হচ্ছে মেয়েগুলোর অবস্থা।
এতদিনে তো এদের শিক্ষা হয়ে যাওয়ার কথা, ঠিক না?
তার ফ্রেন্ডরাই বা কোথায়?
কোথাও ভেগে-টেগে গেল নাকি?
বেচারিকে এভাবে রেখে চলে গেল, এখন তো সে যেকারো হাতে পড়তে পারে।
কিছু একটা করা দরকার, পল।
আচ্ছা? হয়ত।
- আমি যেয়ে দেখছি। - ওহ !
- ওরে ! - জেরি !
বাপরে, আমি তো জানতামই না...
- তুই এত চালু। - খালি দেখবো সে ঠিক আছে কিনা।
- হ্যাঁ, তাতো অবশ্যই। - হ্যাঁ, নিশ্চয়ই।
- তোর সেরাটা দিস, ভাই। - হ্যাঁ। যেয়ে দ্যাখ...
- সে ঠিক আছে কিনা। - আমরা তোর জন্য দোয়া করবো।
- ইয়াল্লাহ্... - হেই।
তুমি ঠিক আছ?
কী খুঁজছ তুমি?
ফোন।
এখানে নেই।
এখানেই তো থাকার কথা। একটু আগেও ছিল।
বাথরুম-টাথরুমে রেখে এসেছ নাকি আবার?
না।
ঠিক থাকবে তো তুমি?
ওহ, হ্যাঁ।
বাড়ি যাবে কীভাবে?
''রাইড''... ''রাইড'' অ্যাপ আছে তো।
হ্যাঁ, আছে।
কিন্তু সেজন্য মনে হয় তোমার ফোন লাগবে।
- আরে, ধুর। - হ্যাঁ।
জানি।
ধুর।
আচ্ছা, দেখো, আমি এমনিতেও বের হচ্ছি,
তাই যাওয়ার পথে তোমাকে নামিয়ে দিতে পারবো।
- না। - চিন্তার কিছু নেই।
কোনো সমস্যা হবে না।
- সত্যিই। - না।
তাহলে কীভাবে বাড়ি যাবে তুমি?
কিচ্ছু হবে না। আসো। কোনো সমস্যা হবে না।
চলো।
এইতো।
পারবে তো?
রেলিং ধরে নামতে থাকো।
- ঠিক আছ তুমি? - ইয়াল্লাহ্।
এসব কী? আমি তো সেদিনই গাড়িটা পরিষ্কার করালাম।
সে ঠিক আছে।
না, আমি ঠিক নেই।
আমি বমি করবো না।
মনে হয় করবো না।
না?
শুনলেন তো, স্যার?
সে... সে বমি করবে না।
ইয়ে !
এখান থেকে কয়েক ব্লক পরেই আমার অ্যাপার্টমেন্ট।
শুতে যাওয়ার আগে আমার সাথে কি একটু ড্রিংক করবে?
এখানেই আমার বাসা।
হয়ে যাবে নাকি একটা বিয়ার?
আচ্ছা।
আমাদের কি ২৪২ র্যালে ড্রাইভে নামিয়ে দিতে পারবেন?
কয়েক ব্লক পরেই।
অ্যাড্রেসটা ম্যাপে দিয়ে দেন।
জো হুকুম, জাহাঁপনা।
একদম টাটকা ড্রিংক।
এই নিন, ম্যাডাম।
সেসময় আমরা ফ্রেন্ডরা যা বলল, তার জন্য সরি।
ওরা... ওরা শুধু ফালতু বকে।
ব্যাপার না।
এই নাও।
এইতো পেরেছ।
তুমি কি একা থাকো এখানে?
না, আসলে আমার রুমমেট শহরের বাইরে আছে, তাই চিন্তার কিছু নেই।
- আচ্ছা। - চিয়ার্স।
এটা খেতে জঘন্য।
তুমি এত্ত সুন্দর।
একটা কথা বলি? আমি কি তোমার...
তোমার ওখানে একটু ময়লা লেগে আছে।
এইতো, ঠিক এখানে।
ওয়াও।
- আমি একটু শোবো। - ওহ।
হ্যাঁ, নিশ্চয়ই।
আমার সাথে আসো।
- ঘুমিয়ে পোড়ো না। - কী?
একটা মানুষ এত সুন্দর কীভাবে হয় !
দাঁড়াও।
- তুমি এসব... - ঘাবড়িয়ো না।
তোমার কোনো ক্ষতি হবে না।
তুমি এসব... ?
ঘাবড়িয়ো না।
- তোমার কোনো ক্ষতি হবে না। - তুমি এসব কী করছ?
উফ, তোমার যা বডি।
তুমি এসব কী করছ?
হুম?
তুমি এসব কী করছ?
দাঁড়াও।
তুমি এসব...?
হেই।
হেই।
বললাম, তুমি এসব কী করছ?
কার বিছানা গরম করে আসলে !
রাতে কি খুব মজা হয়েছে, সোনাপাখি?
ইশ, ধরা খেয়ে গেল বেচারি !
কী আর করা !
দেখো আবার প্রেগন্যান্ট যেন না হয়ে যাও !
- রেট কত, জান? রেট কত? - ধুর বাল !
- কী সমস্যা, জান? - রাগলে নাকি?
একটু মজাও কি করা যাবে না? এইযে ম্যাডাম, সমস্যা কী?
একটু হাসলে কি মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে?
- এত সিরিয়াস কেন ! - এভাবে তাকিয়ে দেখছটা কী?
অনেক হয়েছে। কোনো রসবোধ নেই নাকি?
আচ্ছা, মারা খাও তাহলে।
রাতে তো তোর আসার শব্দ পেলাম না।
সব ঠিক আছে তো?
কাজে ব্যস্ত ছিলাম।
হুম।
কিন্তু কফিশপ তো মনে হয় ৯ টায় বন্ধ হয়ে যায়।
আমাদের প্রোডাক্টের লিস্ট বানাতে হচ্ছিল।
তোদের ওখানে দেখি কাজের অনেক প্রেশার।
ম্যানেজারের সাথে কথা বলিস তো।
বলবো।
জানিস, গ্র্যাহামের সাথে কথা হয়েছে আমার। আর সে বলল, হেড অফিসে নাকি...
একজন কর্মচারী নিয়োগ দেবে।
তোর মেজাজ খারাপ হতে পারে,
কিন্তু আমি তাকে বলেছি, সে যেন তোকে বিবেচনায় রাখে।
- হাই। আমাকে কি... - সেটা কেন করতে গেলি?
কারণ তুই এখানে মনমরা হয়ে থাকিস আর তোর কাজের মান দিনদিন খারাপ হচ্ছে।
কিন্তু আমার এখানেই ভালো লাগে।
না, লাগে না।
লাগে না, তবে তোকে ভালো লাগে।
এছাড়া ভালো লাগে...
হ্যালো?
...কাস্টোমারদের সাথে মিষ্টি ভাষায় কথা বলতে।
- আচ্ছা। আমাকে কি একটু... - না।
- ক্যাসি। - ক্যাসি ক্যাসি করিস নাতো।
আমি ঠিক আছি। গেইল, বিশ্বাস কর।
জনি বলল, সে নাকি তোকে গত সপ্তাহ ফলআউট ক্লাবে দেখেছে।
বলল, তুই নাকি পুরাই টাল ছিলি, কেউ ছিল না তোর সাথে।
তোকে নিয়ে একটু টেনশন করছিল। যদিও আমার মাথাব্যথার বিষয় না...
সে নিশ্চিত অন্য কেউকে দেখেছে। আমি কখনও সেখানে যাইনি।
আচ্ছা।
তোমার বেণিগুলো সুন্দর।
ধন্যবাদ।
আচ্ছা, আরেকটা ড্রিংক হয়ে যাক?
মনে হয় না আমার আর...
দাঁড়াও, আরেকটা ড্রিংক দিতে বলি। ম্যাডামকে একটা ভডকা ক্র্যানবেরি দিও।
হেই। তোমার বয়স কত?
- আম্... - ফুর্তির বয়স তো হয়ে গেছে, না?
এক কাপ কফি হবে?
দুধ দেবো?
কী?
ক্যাসান্ড্রা?
- হ্যাঁ। - রায়ান।
কুপার। আমরা ফরেস্ট মেডিকেল স্কুলে একই ক্লাসে ছিলাম।
সেকেন্ড ইয়ার নিউরোলজি, ডক্টর হাদিদের ক্লাস।
ওহ। হ্যাঁ।
রায়ান। হাই।
হায়রে, তুমি এখানে কেন কাজ করছ?
মানে...
আমি ওটা বোঝাতে চাইনি...
ওভাবে বলা উচিৎ হয়নি। আমি আসলে...
তুমি এটা বোঝাতে চাওনি যে, আমি কেন একটা ফালতু কফিশপে কাজ করছি?
হ্যাঁ। না, আমি বলতে চাচ্ছিলাম যে, মানে, তোমার মত...
- অস্বস্তিটা কাটানোর কোনো উপায় নেই, আছে? - নাহ।
আমি তাহলে যাই। আমি যেয়ে আবার ফেরত আসি?
আমি পারবো ; আরেকবার করতে পারবো...
- এবং আরও ভালো করবো পরেরবার। - দুধ দেবো?
কী?
তোমার কফিতে।
না।
তবে চাইলে তুমি থুতু দিতে পারো।
সেটা... সেটা আমার প্রাপ্য।
ধন্যবাদ।
তুমি কি যাবে আমার সাথে বাইরে?
কী?
মানে... ডেটে।
No comments yet. Be the first to leave one.