Az első 200 sor.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ❝ শান্ত কুমার দাস ❞
⭐ ⭐ এটি আমার ❝২১৭তম❞ পূর্ণাঙ্গ বাংলা সাবটাইটেল ⭐ ⭐
অতুলনীয় আশীর্বাদধন্য, পবিত্র এবং নির্মল, বোধিসিদ্ধকে জানাই প্রণাম।
অতুলনীয় আশীর্বাদধন্য, পবিত্র এবং নির্মল, বোধিসিদ্ধকে জানাই প্রণাম।
অতুলনীয় আশীর্বাদধন্য, পবিত্র এবং নির্মল, বোধিসিদ্ধকে জানাই প্রণাম।
মা, কার কাছে প্রার্থনা করছো?
এটা কার সমাধি জানো?
আমি দেবতাদের কাছে প্রার্থনা করছি।
আমি এমনই একটা সমাধিস্থলে চিরনিদ্রায় শায়িত থাকতে চাই।
মনে হয় না দেবতারা তোমার এই ইচ্ছাপূরণ করবে।
এমন একটা সমাধিস্থলের খরচ এক মিলিয়ন বাথ।
মা!
যাবে?
তাদের নিজেদের পরিবারের লোকেরা এসেছে।
হ্যাঁ, এক সেকেন্ড।
চলো, মা।
আমরা তোমাকে এভাবে একটা যৌথ সমাধিতে দাফন করতে পারি।
তোমার মা-বাবার পাশে।
এটা স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ এবং সাশ্রয়ী।
মা, ওর কথা শুনো না তো।
আমি তোমার জন্য জায়গা কিনে দিবো।
এখন এক মিলিয়ন বাথ আয় করা সহজ।
সর আমার থেকে।
তোর নিঃশ্বাসে সিগারেটের গন্ধ।
তোকে যে টাকা ধার দিয়েছিলাম তা প্রথমে ফেরত দেয়ার চেষ্টা কর।
আমি তোর কাছে কত লাখ টাকা পাই, সোয়েই?
কে জানে, মনে নেই আমার। আমার শুধু ভালো জিনিস মনে থাকে।
নিজেরটা ঠিকই মনে থাকে।
হেই! খাবার ডিঙিয়ে যাওয়ার সাহস কই পাস? আর তুই!
কত দশক ধরে তুই এখানে আসছিস?
হাঁস মুরগীর পাছা আমার বাবা-মার দিকে মুখ করা।
এবার ঠিক আছে, মা?
এম।
এম।
এম।
এসে সাহায্য কর।
আমি তো মাদুরটা বিছিয়ে দিয়েছি, মা।
আয় তো।
কী করিস!
অনুষ্ঠান এখনো শুরু হয়নি।
আমরা এখানে এসেছে চিংমিং উৎসবে,
কিন্তু তোকে শুধু দেখলাম গেমই খেলতে।
ওহ, দিম্মা।
অন্তত এসেছি আমি।
কিয়াং মামার পরিবারকে দেখো।
আচ্ছা। হ্যাঁ।
- বললাম না, সবাই এসেছি। - আচ্ছা।
গরম পড়ছে?
না, গরম পড়ছে না।
এখনো রেডি হওনি?
তাহলে তোমার হয়ে একটা ধূপকাঠি জ্বালিয়ে দিবো, কেমন?
মা। এই যে সে।
- হয়েছে-- - বছরে এই একটা দিনে,
আমরা শ্রদ্ধা জানাতে আসি।
তোর বউ আর মেয়ে কখনো আসে না।
একটু দাঁড়াও তো।
যা উপরে বিছিয়ে দে।
মুখটা কেমন করে দেখো।
● দাদু-দিম্মা ● ঝেং ইয়াফাং, ঝৌ চিনশিং
ইশ! কী কাজের ছিরি!
ভালোভাবে করতে পারিস না?
- এতে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে না। - দেখ?
আমার বড় দাদু-দিম্মা এমনিতেই স্বর্গে বসে হাওয়া খাচ্ছে।
তুই আসলেই একটা মাকাল ফল।
কী?
- "অপদার্থ।" - হ্যাঁ।
মা, নিচে নামুন। পড়ে যাবেন।
বাতাসে ওগুলো ছড়িয়ে যাবে।
তুমি বড্ড জেদি, জানো?
নিচে নামুন।
অঘটন একটা ঘটিয়েই ছাড়বে।
মা!
মা, নিচে আসুন না।
- হেই, মা! - মা!
রোগীর পরিবারের কারা আছেন? ফর্মটা পূরণ করে দিন।
জি।
বাই, মা।
সিয়ু, ভেতরে গিয়ে ফর্মটা পূরণ করে আসো।
এই শোনো।
আমাকে রেইনবোকে আনতে যেতে হবে।
কে থাকবে? আমি কিছু টাকা দিয়ে যাবো।
আমার বাইক তোর বাড়িতে, কিয়াং।
প্রথমে গাড়িটা নিয়ে আসতে হবে,
এরপর মায়ের সাথে থাকার জন্য ফিরে আসবো।
মাথা ঠিক আছে তো? কিয়াংয়ের বাড়ি অনেক দূরে।
এত দৌড়ঝাঁপ করার দরকার নেই। আমি তার দেখাশোনা করতে পারবো।
- পারবি তো? - হ্যাঁ।
এটা নে।
এম।
কিয়াং মামা, তুমি কি পাতাল রেল স্টেশনের পাশ দিয়ে যাবে?
হ্যাঁ?
আমাকে সাথে নিয়ে যাবে?
আচ্ছা, নে।
- চল। - আসি।
তাহলে এটা তোর উপর ছেড়ে দিলাম।
পুরো জায়গাটা কবজ দিয়ে ভরা, বন্ধুরা।
ও মা, একটা ভুত!
একটা ভুত দেখেছি, বন্ধুরা।
মর শালা!
- আরে, গেলো কোথায় ভূতটা? - মাত্র ৪জন ভিউয়ার?
মা, তোমার গলা মাইক্রোফোন রেকর্ড করছে।
মা, বসে বিশ্রাম নাও একটু। সারাদিন তো দাঁড়িয়েই ছিলে।
আমার মেসেজ পড়েছো?
গেম খেলার জন্য একটা নতুন কম্পিউটার...
আর আমার কার্ডের তথ্য চাই তোর।
তোর কার্ড কেন ব্যবহার করছিস না?
তারা আমার কার্ড ব্লক করে দেবে।
যাক ব্লক হয়ে।
তোর ইন্টারনেট যদি আবার বন্ধ হয়ে যায়, আমি টাকা দেবো না।
বুঝতে পারছি না। যখন তুই গেম ক্যাস্টার হওয়ার জন্য স্কুল ছেড়েছিলি,
ঠিক কী যেন বলেছিলি আমাকে?
বস্তায় বস্তায় টাকা কামাবি।
নিজের জন্য আলাদা বাসা ভাড়া নিবি।
আমাকে টাকাও দিবি মাসে মাসে।
৬০ বছর বয়সে অবসর নিতে চাই।
জানি।
কাটা ঘায়ে আর নুনের ছিটা দিয়ো না।
ওহ ঈশ্বর।
চিংমিং উৎসবের দিন যে তোর দিম্মা পড়ে গেলো,
সে ডাক্তারকে বললো যে তার পেটে ব্যথা করে এবং মলের সাথে রক্ত যায়।
তারা তার পেটের ভেতর পরীক্ষা করেছে।
টেস্টের রেজাল্ট আজ সকালে এসেছে।
ক্যান্সার হয়েছে তোর দিম্মার।
ফাইনাল স্টেজে আছে।
- ডাক্তার বলেছে আর এক বছর বাঁচবে সে। - মরে গেছে!
ধুর, তাদের প্রার্থনা করতে বলেছিলাম।
ধ্যাৎ!
যাই হোক, সময় করে তাকে দেখতে যাস।
কিন্তু ক্যান্সারের কথা কিছু বলিস না।
আমি চাই না সে এটা নিয়ে টেনশন করুক।
তাহলে আমাকে যাওয়ার জন্য টাকা দেবে তাহলে?
আমার সময় অনেক মূল্যবান।
ওহ!
মুয়ি: টেলিভিশনটা আবার গোলমাল করছে।
সময় পেলে দাদুকে একনজর দেখে যাবে?
অ্যাপ্লিকেশনটা আপডেট করে রাখতে হবে, না হলে বারবার হ্যাং করবে।
কী?
সে বলেছে একদম শুকিয়ে গেছো তুমি।
আরো খাওয়া দাওয়া করা প্রয়োজন তোমার।
সে একটু বিড়বিড় করলো, আর তুমি বুঝে নিলে কী বলেছে সে?
আসলে, এটা নিজ থেকে বানিয়ে বলেছি।
সে হয়তো বলছে টিভির সামনে না বসতে।
হেই।
দাদু!
তোমার রস দেখি কমেনি।
তোমার ডায়পার ভারী হয়ে আছে। আমি পাল্টে দিচ্ছি।
বিছানাটা নামাচ্ছি।
তুমি প্রতিটি দাদু-ঠাম্মার স্বপ্ন,
তোমার মতো নার্সিং নিয়ে পড়াশোনা করা একজন নাতি-নাতনী।
এটা কি সত্য, দাদু?
কাকে তুমি বেশি ভালোবাসো?
ওহ, দাদু!
আমাকে কষ্ট দিলে তো!
আজ রাতে একা ঘুমাবে, যাও।
কখনো অন্য কিছু করার কথা ভাবো না?
নিজের জন্য সময় বের করতে পারো কখন?
দাদু একবার আমাকে বলেছিলো,
সহজ, ভালো বেতনের কাজ খুঁজে নিতে।
তাহলে নাও না কেন?
সেটাই তো এখন করছি।
এটা একটা খাঁটি রূপার বেল্ট।
- এটা বিক্রি করলে ১০,০০০ বাথ পাবে। - ধন্যবাদ।
- তোমার বাবা তো নেই, তাই তোমাকে দিয়ে গেছে। - অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমি দেখে রাখবো এটা। তুই হয়তো বিক্রি করে দিবি।
মা।
তোমার দাদু একজন চতুর মানুষ ছিলেন। সে তার উত্তরাধিকার আগেই ভাগ করে রেখেছিলো।
কিন্তু সে তার মৃত্যুর অপেক্ষায় ছিলো সবকিছু প্রকাশ করার জন্য।
আমার মতো যারা বেঁচে আছে তাদের জন্য তিনি সমস্যা রেখে গেছে।
দাদু আমার জন্য কিছু রেখে গেছে?
আর কিছু নেই।
বাড়িটা মুয়িকে দিয়ে গেছেন।
তোমার বাবার ভাইবোনরা অল্প কিছু টাকা পেয়েছে।
সম্মানিত যাত্রীবৃন্দ। 'তালাত ফ্লু' স্টেশনগামী ট্রেনটি...
'মাহাছাই স্টেশন' থেকে যাত্রা শুরু করেছে…
দিম্মা।
⚉ দিম্মার মৃত্যুর আগে লাখপতি হওয়ার উপায় ⚉
একেবারে সেকেলে।
তালাত ফ্লু এলাকায় পুরনো ধাঁচের দোকানবাড়ি বিক্রয় করা হবে
নিকটে ভালো রেস্তোরাঁ, যাতায়াত সুবিধাজনক,
এবং পাতাল রেল স্টেশনের কাছাকাছি।
যোগাযোগ: মিস্টার থানাপাত
কে সামনে?
দিম্মা।
আমি, এম।
কোনো কাজবাজ নেই, তাই তোমার সাথে দেখা করতে এলাম।
মনে পড়ছিলো তোমাকে।
কিয়াং আর সোয়েইও সেদিন দেখা করতে এসেছিলো।
তাই নাকি?
তোদের সবার এত দেখা করতে আসার কারণ কী?
আমি তোমার পায়ের অবস্থা দেখতে এসেছি।
তোমার নাতি দেখা করতে এসেছে, খুশি হওনি?
তা হয়েছি।
- কী করছো? - খাওয়া দাওয়া হয়েছে?
নাও। তোমার জন্য নুডলস কিনে এনেছি। একসাথে খাই চলো।
আমার খাওয়ার সময় এখনো হয়নি।
কী নুডলস নিয়ে এসেছিস?
ওই বিখ্যাত গরুর মাংসের নুডলসের রেস্তোরাঁ থেকে এনেছি।
তুমি ভুঁড়ি-কলিজা খেতে ভালোবাসো, তাই না?
এখানে টেন্ডন আছে,
কলিজা, স্টেক আর ভুঁড়ি আছে।
No comments yet. Be the first to leave one.