Kiadási információk

𝗞𝗮 𝗣𝗮𝗲 𝗥𝗮𝗻𝗮𝘀𝗶𝗻𝗴𝗮𝗺 (2020) 𝗧𝗮𝗺𝗶𝗹 𝗣𝗿𝗼𝗽𝗲𝗿 𝗪𝗘𝗕-𝗗𝗟 - 𝗕𝗦𝘂𝗯 720𝗽 𝗪𝗶𝘁𝗵 𝗕𝗮𝗻𝗴𝗹𝗮 𝗦𝘂𝗯𝘁𝗶𝘁𝗹𝗲
Kommentár Team_Thambi
🔵🟡🟢 বিসাবে উপভোগ করুন এই ড্রামা মুভিটি।

Címkék

1080
480
720
Közzétéve: 2020-10-09
Letöltések: 68
Hallássérülteknek: No

Bengali felirat előnézete

Az első 200 sor.

কা. পে. রানাসিঙ্গাম।

অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ

অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ আকতার হোসেন। ۞ এফ আর সজীব। হাবিবুল্লাহ কায়সার। ۞ প্রকাশ চন্দ্র।

অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ রবিউল আওয়াল জীবন। ۞ যুবায়ের রহমান। মুজাহিদ আহনাফ অনিক। ۞ আহমেদ শুভ।

অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ সুমন হোসেন। ۞ রায়হান উদ্দিন সুজন। জিতু বিশ্বাস। ۞ ইমতিয়াজ উদ্দিন।। ফারদিন আলিফ।

সম্পাদনায়ঃ নাঈম সরকার।

ফোন করেছিলো অনেক দিন হয়ে গেলো।

দাদী, পানি আসছে এখনো?

অনেক কমে গেছে। তাড়াতাড়ি যাও।

আসার সময় দেখলাম তুমি ঘুমোচ্ছ, তাই আর ডাক দেই নি।

ঠেলাগাড়িটা রেখে যাও, পানি ভর্তি হলে নিয়ে আসবো আমি।

এখনও মায়ি'র কাপড় ধোঁয়া বাকি আছে।

কাল থেকে তো আবার কলেজে যাবে?

বাড়ি ফেরার পথে ডিটারজেন্ট কিনতে হবে।

আপনি এটা ভরিয়ে নিয়ে বাকিগুলো রেখে যান...

ঠেলাগাড়িটা আমি পরে নিয়ে আসছি।

তোমাকেই সব দায়িত্ব নিতে হবে কেন?

তুমি কিন্তু ওকে একটু বেশিই মাথায় তুলছো।

ওর যথেষ্ট বয়স হয়েছে।

নিজের কাপড় নিজে না ধুঁয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে!

মা, আমিই মানা করেছি।

শুধু শুধু ওর পিছে লেগো না তো।

বিয়ের পর কিন্তু তাকে কেউ বাঁচাতে পারবে না।

নাকি বিয়ের পরে স্বামী সহ তার কাজ কারবার করে দেয়ার পরিকল্পনা করেছো?

দেখুনই না কী হয়! শুধু আমাদের বাড়িতেই নয়...

শ্বশুরবাড়ীতেও তাকে মহারাণীর মতো রাখা হবে।

- সেল্ভি, আপা! - হ্যাঁ।

পানি ভর্তি হলে আমাকে একটু ফোন দিয়ে জানিও।

তুই খুবই ভাগ্যবান রে, বইন। তোর বৌমা আসলেই একটা ফেরেশতা।

কিন্তু আমার বৌমাটা হচ্ছে একটা ডাইনী।

এদিকে আমাদের খাবার পানি নেই,

অথচ তার সাজুগুজু করতে কোন কমতি নেই!

কী যেন বলে ওটাকে, টাক-টাক নাকি টক-টক?

সারাদিন ওইটা নিয়েই পইড়া থাকে, আর পাছা দুলাইয়া দুলাইয়া নাচে।

জঘন্য, আমাগো পরিবারের জন্য হে একটা অভিশাপ।

এই, থামতো তোরা!

সমস্যা তো সবার বাড়িতেই আছে, কই কেউ তো মাইকিং করতেছি না।

তোর সমস্যা শুনার জন্য এখানে আসি নাই।

বকবক না করে পানি নিয়ে বাড়ি যা তো এখন।

আরিয়ানাচি।

আরিয়ানাচি!

তুমি এখানে ঘুমাচ্ছো কেন? যাও ভিতরে গিয়ে ঘুমাও।

বৃষ্টি পড়ছিল, খেয়াল ছিল না কখন যে চোখটা বন্ধ হয়ে আসলো।

ধুরু, এমনকি কাপড় ধুতেও ভুলে গেছি।

রামানাথাপুরমে...

- কখনো ঠিকভাবে বৃষ্টি হয় না, - আসো, বাবা।

সবসময় শুধু গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিই পড়ে।

এখানকার কেউ কখনও বৃষ্টিতে পুরোপুরি ভিজে নি।

কিন্তু হ্যাঁ, কঠোর পরিশ্রমের ঘাম আর পরাজয়ের গ্লানিতে তারা অবশ্যই ভিজেছে।

আব্বা, দুপুরের খাবারটা খেয়ে যান।

আমি পরে খাবো।

বিদ্যুৎ কোম্পানি আমাগো গ্রামের ৫ জনরে বহিষ্কার করছে।

তারা কোম্পানি গঠনে এদেরকে ব্যবহার করলো।

কিন্তু এখন যখন কাজ শেষ, তাদেরকে আবার বের করে দিলো।

তাই নাকি?

আশপাশের সব গ্রাম একসাথে হয়ে একটা কাউন্সিল গঠন করেছে।

তাদের মিটিং এ গিয়ে দেখি কী করা যায়।

ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, বাবা আমার স্বামী বিদেশে কাজ করে।

যদি সে এখানে থাকতো...

হয়তো তাকেও এই কোম্পানির এসব সমস্যায় পড়তে হতো,

তবে আমি এটা নিশ্চিত, সে-ই কোম্পানিকে উচিত শিক্ষা দিতো।

- বাবা! - হ্যাঁ।

বাবাকে কান ফোঁড়ানো অনুষ্ঠানের ব্যাপারে সাধু বাবার সাথে কথা বলতে বলবেন।

আচ্ছা বলবো, মা।

তোমার বাবা এখানে আসবে, তখন এই ব্যাপারেও কথা বলে নিবো।

যদি আমার বাপজান ফোন করে...

তাকে বইলো বাকি লোকেদেরকে মামার ধর্মানুষ্ঠান সম্পর্কে জানাতে।

অবশ্যই বাবা, আমি তারে মনে করাইয়া দিবোনি।

আগেও বলেছি এই ব্যাপারে, উনি নিজে থেকে করলে ভালোই হবে।

- ঠিক আছে। - অবশ্যই, আমি তাকে ওদের সাথে কথা বলতে বলবো নি।

আচ্ছা, মা।

হেই, আজহাগি। এমন করতাছো কেন! অন্তত বাই তো বলো।

বাড়ির সামনে আমার ভাবী দাঁড়িয়ে আছে।

- যাও! - এসবের ধার ধারিনা আমি।

বললাম তো যাও!

সে আমারও বোনের মতোই। আমি তাকে সামলে নিব।

- যাও তো! - হইছে আর ভাব দেখাতে হবে না।

ঠিক আছে, এখন যাচ্ছি। কাল কিন্তু আবার আসবো।

ওয়াও, ভাইয়া ওগুলো পাঠিয়েছে?

মা, মায়ি। তোর জিনিসপত্রগুলো ঐ ছোট ব্যাগে আছে।

ভাবি, ভালোই সাজুগুজু হচ্ছে...

ভাইয়ার সাথে ভিডিও কলের জন্য, তাই না?

সোনা, চলো দেখা যাক বাবা আমাদের জন্য কী কী উপহার পাঠিয়েছে।

ভাবি, যে জিনিসটা চেয়েছিলাম সেটা কোথায়?

- কী চেয়েছিলে তুমি? - আমি মোবাইল ফোন চেয়েছিলাম।

ভাইয়া আমাকে মোবাইল কিনে দেয়ার প্রমিস করেছিল।

ওখানে কোনো মোবাইল ফোন নেই, মায়ি।

বর্তমান পরিস্থিতিতে মোবাইল ফোন আমাদের জন্য বাড়তি খরচ ছাড়া কিছুই না।

এই টিভিটা কি বাড়তি খরচ না?

শাড়ি কেনার কী দরকার ছিল?

মায়ি, গুরুজনরা জানে কার জন্য কোনটা মঙ্গলজনক।

তোমার কাজ শুধু ভালোভাবে পড়ালেখা করা।

কারো সাহায্য ছাড়াই আমি প্রতিবার ভালো রেজাল্ট করি।

আমার দায়িত্ব সম্পর্কে আমি ভালোভাবেই জানি।

লেকচার দেয়া ছাড়া আর কোনো কাজ নেই মনে হয়।

মুখ সামলে কথা বল!

এই রাগ ওর উপরে দেখাবি না।

সে তোর বোনের মতো। আর তুই ওর সাথে এমন জঘন্য ব্যবহার করছিস!

আমার কারও সহমর্মিতার প্রয়োজন নেই।

আমার ভাইয়ের কাছে উপহার চাওয়ার অধিকার আমার আছে।

সে আমাদের মাঝে আসার কে?

তুই যদি মুখ সামলে কথা না বলিস, এখনই উঠে ঝাঁটা-পেটা করবো তোকে...

তোর ঐ মুখটাই কেঁটে ফেলবো!

মেয়েরা সাধারণত তাদের স্বামীর মন জয় করার চেষ্টা করে...

সংসারে খুব একটা নজর দেয় না।

পরীর মতো মেয়েটা সংসারের জন্য নিজের সব কিছু উজাড় করে দিচ্ছে।

আর তুই তাকে কথা শুনাচ্ছিস।

তোর ভাইকে আসতে দে। তাকেই এসবের বিচার করতে বলবো।

মা, প্লিজ তার সাথে ঝগড়া বন্ধ করুন।

এর মানে, আমি এই পরিবারের জন্য কিছুই না?

সে'ই কি এই বাড়ির নিয়ম-কানুন বানায়?

তোমাদের কাছে যদি আমার কোনো মূল্যই না থাকে, তাহলে আমাকে মেরে ফেলো। সেটাই ভালো হবে।

- নাহলে আমি নিজেই আত্মহত্যা করবো। - করে ফেল!

মর, বয়েই গেল আমার!

তুই কোন কাজেরই না।

মা, দয়া করে শান্ত হন।

সে এমনিতেই নাচুনি বুড়ি, আপনি আবার তার উপর ঢোলের বাড়ি দিচ্ছেন।

মায়ি, ওঠো। চলো বাবুর কান ফোঁড়ানো অনুষ্ঠানের জন্য দুল কিনে আনি।

চলো, সোনা।

আমি কোথাও যাবো না। যাই হোক, কেউ তো আমাকে পছন্দ করে না।

রাগ করিস না, সোনা।

তুমি পরিবারের সবারই অনেক প্রিয়।

আসো।

মা, মায়ি আর আজহাগী'কে কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না।

আশপাশেই আছে হয়তো। ভালোভাবে দেখুন।

- তুমিও দেখো। - আমি তো সব জায়গায় দেখলাম। তাকে পেলাম না।

আপনি খুঁজতে থাকুন, আমি এক্ষুনি আসছি।

কই যাস? হক্কলে আইসা পড়ছে।

আজহাগী, মায়ি অনুষ্ঠানের লাইগা দেরি কইরা ফেলতাছে।

হেই, কই যাস তুই?

আম্মারে নিয়া আসি।

- আসার সময় মায়ি'রেও নিয়া আসিস। - আচ্ছা, ঠিকাছে।

দেখ...

- এইডা ঢুকাইয়া দিমু - হেতের মুখে...

হেই, বুইড়ার তো দাঁতই নাই, আবার গোশত গিলবার আইছে!

অনুষ্ঠান শুরু হইলো বলে...

তুই যে বাচ্চার ফুফু্ ভাবসাব দেখে তো তা মনেই হইতাছে না।

একটু একা থাকার জন্য এখানে আসছে। ভাগ তো।

- এতে কিচ্ছু যায় আসে না। - বিষয়টা পুরোপুরি বুঝবার পারছি।

একা বইসা আছস, তাই সঙ্গ দিতে আইলাম আর কি।

তোর সঙ্গ নেয়ার মতো মুড নাই এখন।

যা তো এখান থেইকা।

ঠিকাছে, যাইতাছি। মনে হয়, হেতি শুধু "যা" কথাটাই শিখছে।

উপহারটা তো তোমার প্রত্যাশার চেয়েও দামি মনে হইতাছে।

তোমরা একটু জিরাইয়া নেও!

- মা, আরিয়ানাচি। - হ্যাঁ, বাবা।

শুভক্ষণ পার হয়ে যাচ্ছে। কান ফোঁড়ানো অনুষ্ঠান শেষ করা যাক।

জায়গা ঠিক আছে তো?

- দেখ, ব্যানারে তার নাম লেখা আছে। - ঠিক বলেছেন।

চলো তাকে জিজ্ঞাসা করি।

এই যে শুনছেন!

আমি রানাসিঙ্গামের পরিবারের সাথে দেখা করতে এসেছি।

আমি তার বোন। বলুন কী ব্যাপারে?

এই তো, লক্ষ্মীটি। প্রায় ছিদ্র হয়েই গেছে।

কাঁদেনা মামণি, লক্ষ্মী সোনাটা আমার।

মা!

ভাবী!

ভাবী!

মায়ি!

- কাসি, কী হইলো তার? - মায়ি!

তোরে কইলাম না ওরে সাথে করে লইয়া আইতে?

- যা ধর তাড়াতাড়ি। - মায়ি!

মায়ি!

মায়ি, কী হইলো?

- কী হইলো, মায়ি? - কী হইছে তোর, মা?

কী হইছে? আরে, বল আমাদের।

আরে, দয়া করে বল কী হইছে?

- মায়ি, কী হয়েছে তোমার? - কী হইছে, মা?

কেউ কী কিছু বলেছে?

কী হয়েছে, মায়ি?

আরিয়ানাচি, তাকে বোধহয় দুষ্ট আত্মা ভর করছে।

এই, তুই দেবীর অঞ্জলি পন্ড করছিস কেনো?

আরে, বল আমাকে।

এটা ভাইয়ার ব্যাপারে...

ভাইয়ার ব্যাপারে কী?

আরে, বল, ধুর।

ভাইয়া...

ভাইয়া আর বেঁচে নেই, মা।

- পাগল হয়ে গেলি নাকি? - এসব কী বলছিস তুই?

কী কইতাছস তুই?

আমাদের পরিবারের রক্ষাকবচ আর বেঁচে নাই। রক্ষাকবচঃ যে পরিবারের সৌভাগ্য বয়ে আনে/পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী

- হায় ভগবান! - ও কী কইতাছে?

বুঝতাছি না ও কী কইতাছে। কেউ আমারে বুঝাইয়া কও।

স্যার, দয়া করা তাদেরকে বুঝাইয়া কন।

আপনারা দয়া করে শান্ত হন,

আর আমি যা বলছি তা শুনুন।

ব্যাপারটা দুবাইতে রানাসিঙ্গামের চাকরির ব্যাপারে...

সে দুবাই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল।

পুলিশ আর বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

সেই দাঙ্গায় রানাসিঙ্গাম সহ আরো ১৪ জন মারা গিয়েছিল।

হায় ভগবান!

আমার রানাসিঙ্গাম!

তাদের সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে একটা ফ্যাক্স এসেছে।

কনস্টেবল, ওদের চিঠিটা দিয়ে দাও।

কাউন্সিলর, এটা ওদের পাঠানো এফ.আই.আর কপি।

কেসের অন্যান্য তথ্যাদি শীঘ্রই আমাদের পুলিশ স্টেশনে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

সেটা পাওয়া মাত্রই, আমি আপনাদের কাছে নিয়ে আসব।

রানাসিঙ্গামের ট্রাভেল এজেন্সির সাথে কথা বলে ওর মৃতদেহ নিয়ে আসার প্রস্তুতি নিন।

তাহলে কি সব শেষ?

আমি জানি না।

Ka/Pae. Ranasingam subtitles in other languages

Hozzászólások

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left