Az első 200 sor.
কেনিয়া ২০০৮
স্পেশাল সন্ত্রাসবাদ বিরোধী স্কোয়াডের প্রধান
রাজীব মেনন বিশ্বাসঘাতক প্রমানিত হয়েছেন।
তার শাখার একজন অফিসার ২৬/১১ সহ...
বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী ঘটনায়...
তার যোগাযোগের প্রমাণ খুঁজে পেয়েছেন।
এই খবর ইন্টেলিজেন্স কমিউনিটিতে অত্যন্ত উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
ভারত সরকার তাকে গ্রেপ্তারের জন্য সারা দেশব্যাপী চেষ্টা চালাচ্ছে।
ট্রেনের গতি, প্রতি ঘন্টায় ৮০ কিলোমিটার।
হেলিকপ্টারটি ৮০ সেকেন্ডের মধ্যে অবতরণ করবে।
বলছি।
প্রস্তুত হও।
বিজ্ঞানী এসে গেছেন, স্যার।
আরি, ওনাকে ল্যাবে নিয়ে যাও।
কি?
মনে হয় না, এই ইউরেনিয়াম আসল।
এটা নকল।
এটাকে আবার পরীক্ষা করার জন্য,
এটাকে আমার ল্যাবে নিয়ে যাওয়া দরকার।
একমাত্র তখনই...
দুঃখিত, ভাই।
তবেই আমি...
আমি ২০০% নিশ্চিত হতে পারবো, এটা আসল নাকি...
আবার।
আসল নাকি নকল?
কল্যাণ স্যার?
চিন্তা করিস না, ভাই। লক্ষ্যের দিকে যাচ্ছি।
আমার কিছু...
সময় দরকার।
ইউরেনিয়াম আসল।
কিন্তু যে বৈজ্ঞানিক এখানে এসেছে, সেই নকল।
বোর্ডে স্বাগতম, মিস্টার গান্ধী।
গান্ধীজীর ছদ্মবেশ নিতে অনেককে দেখেছি।
কিন্তু এই প্রথমবার,
গান্ধীকে ছদ্মবেশ নিতে দেখলাম!
সিনেমা : THE GREATEST OF ALL TIME ভাষা : তামিল রানটাইম : ০৩:০১:১২ সাবমেকার : সুদীপ চক্রবর্তী
আমার ছদ্মবেশ উন্মোচিত হলেও...
আমি চিরকাল গান্ধীই থাকবো!
রেডি, বাবু?
আরে! জন্মের দিন থেকেই আমি প্রস্তুত, ভাই।
মিঃ গান্ধী!
ইউরেনিয়াম পাচারের জন্য মাত্র চার মিনিট বাকি আছে।
আরে! চিৎকার করছিস কেন ভাই?
আর কয়েক মিনিট অতিরিক্ত সময় দে।
মেননকেও নিয়ে আসবো।
কি!
মেনন!
হ্যাঁ, ভাই। আমি ওমরকে হত্যা করে ইউরেনিয়াম নিতে এসেছিলাম।
কিন্তু উৎসবের অফার হিসাবে মেননকেও আনছি।
কারণ তাকে পিছনে ফেলে যেতে পারি না।
গান্ধী।
চল!
আরে! আমরা তার ব্যবস্থা পরে করবো, তাড়াতাড়ি কর।
কি করছিস? তাড়াতাড়ি কর।
আসছি!
দ্রুত !
আসছি।
গান্ধী কোথায়, ভাই?
গান্ধী, তাড়াতাড়ি কর!
দিল্লি
এই! এক মিনিট। কি বললি তুই?
বললাম, "শ্যাম্পেন খুলবো কি?"
শ্যাম্পেন? আমি শুনলাম ক্যাম্পেন।
এই! বোঝাই যাচ্ছে, তুই পাঁড় মাতাল হয়ে গেছিস।
সবাই শোনো।
সঙ্গীত চালু করো।
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, সে ঘুমিয়ে পড়েছে!
আলো জ্বালাই।
আলোটা জ্বালাও।
এসব কি?
ডাক্তার তোমাকে বলেছেন, এই অবস্থায় তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়তে।
শুয়ে পড়ো।
আমি খেয়াল রাখবো।
প্রস্রাব করতে যাবো।
- টয়লেট এইদিকে। - সঠিক।
- এই দিকে। - জায়গা পাল্টে গেছে?
ডিনার হয়েছে?
হ্যাঁ।
জিজ্ঞাসা করলাম, খেয়েছো কি?
শপথ করে বলছি, পরবর্তীকালে, আমি অবশ্যই মদ্যপান বন্ধ করবো।
সে আমার প্রতিটি গতিবিধি লক্ষ্য করছে।
এসব কি?
- তোর বাবার কাজ? - হ্যাঁ, মা।
অকর্মন্য কোথাকার!
আমার এখনো চান করা হয় নি।
কোনো ব্যাপার নয়। ভগবান তোমার উপর রাগ করবেন না।
ডাইনিং টেবিলের উপর তোমার কফি অপেক্ষা করছে।
গতদিনের কাজের প্রায়শ্চিত্ত করছো নাকি?
শোনো। হ্যালো?
তাকে সাড়ে আটটার মধ্যে স্কুলে যেতে হয়।
সাড়ে ছয়টার মধ্যে তাকে উঠিয়ে ছোট্টো সাধু সাজিয়ে রেখেছো কেন?
যাতে তার স্কুলে যেতে দেরী না হয়।
তোমার নেশার আনন্দের জন্য তাকে বলির পাঁঠা পেয়েছো নাকি?
তুমি বাচ্চাটার সামনে বারবার "পান", "মাতাল" - এইসব শব্দ বলছো কেন?
প্রতিজ্ঞা করছি, আর কোনো দিন মদ খাবো না, খুশি এবার?
জিভান যখন আমার পেটে ছিল, তখনো তুমি একই প্রতিজ্ঞা করেছিলে।
আমাদের দ্বিতীয় ছেলের ক্ষেত্রেও একই প্রতিজ্ঞা করছো কিভাবে?
ছেলে নয়, মেয়ে।
- আমি মেয়ের নামে প্রতিজ্ঞা করি নি। - মেয়ে নয়, নিশ্চিতভাবেই ছেলে।
এইসব পরে দেখা যাবে। খেয়ে রেডি হও, বেরোতে হবে।
আরে!
বাবা, এরপর দেরীতে বাড়ি ফিরো না।
এরকম বলছিস কেন, সোনা?
এর আগে আমার মাথায় পবিত্র ছাই দিয়ে কোনোদিন তাড়াতাড়ি স্কুলে ছেড়েছো?
স্কুলে আমার ঘুম পায়, বাবা।
ঠিক আছে।
তোর শান্তি টিচার কেমন আছে?
বাবা, আমি তোমাকে সিরিয়াসলি বললাম।
বলো, রাধিকা।
গান্ধী, কোথায় তুমি?
জিভানকে স্কুলে নিয়ে যাচ্ছি।
তুমি কি বাড়িতে এসে শ্রীনিধিকে নিয়ে যাবে?
সুনীল বাড়িতে নেই নাকি?
সে এখানেই আছে...
কিন্তু নিয়ে যাবার মত অবস্থায় নেই।
আইয়াইয়ো! কি হয়েছে?
এই! কি হয়েছে? এরকম স্ট্যাচুর মত বসে আছিস কেন?
মনে হচ্ছে, কাজের চাপে।
সারা রাত মদ খাবার খোঁয়াড় এটা।
হাই।
- দুষ্টু ছেলে। - মা!
- এভাবে ভ্যাবলার মত তাকিয়ে আছো কেন? সেও তো তোমার অফিসেই কাজ করে।
তার কি সমান কাজের চাপ নেই?
দেখো, সে কতটা দায়িত্বশীল।
এভাবে তাকাচ্ছিস কেন!
ঠিক আছে, স্কুলে যেতে দেরি হয়ে যাচ্ছে।
যাওয়া যাক। আয়, সোনা।
অফিসে দেখা হবে, ভাই।
গান্ধী।
আজ ৪-৩০টের সময় অনুর অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে, মনে আছে তো?
অবশ্যই, মনে আছে।
যদি অতিরিক্ত পেগ অফার করেও থাকি, তোকে কি তা খেতেই হবে?
নিজের বুদ্ধি ব্যবহার করতে পারিস না ?
- সুপ্রভাত, স্যার। - সুপ্রভাত।
চুপ করতে পারছিস না...
- সুপ্রভাত, স্যার। - সুপ্রভাত, স্যার।
সুপ্রভাত।
স্যার…
যাবো কি?
কব্জাগুলোতে তেল লাগাও না নাকি?
এটা কি আদৌ হাই টেক ইন্টেলিজেন্স অফিস?
মনে হচ্ছে, ছাঁট মালের গোডাউন।
যে টাকা দেন, তা অপারেশন করতেই শেষ হয়ে যায়।
অফিস রক্ষণাবেক্ষণের জন্য টাকা দিলে, প্রতি সপ্তাহে সবকিছুতেই তেল দিতাম।
তোমাদের কাছে কি তেল কেনার পয়সাও নেই?
স্যার,
কোনো ব্যাপার নয়। আমরা মানিয়ে নিয়ে ঢুকতে পারি।
এটাকে মজা হিসাবেই নিন। আমাকে দেখুন।
এই, এগিয়ে চলো, 'মাদাগাস্কার'।
সহজ !
স্যার,
কেমন হয়েছে?
দেখো! কি মারাত্মক ভুল করেছো...
আমাদের ছিনতাই অপারেশনে, তোমাদের ইউরেনিয়াম নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল...
তুমি একটা গোটা ট্রেন ধ্বংস করেছো।
যদি কেনিয়ার সরকার জানতে পারে, আমরা এটা করেছি...
তোমরা জানো, কি সমস্যা হতে পারে।
স্যার, এই ছিনতাই অপারেশনে,
আমরা লস্কর-ই-তৈবার নেতা ইকবালকে হত্যা করেছি।
এবং তার কাছ থেকে ইউরেনিয়াম ছিনিয়ে এনেছি।
কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে আমাদের সাথে মেননের সাক্ষাৎ হয়...
স্যার, আসলে আমরা মেননকেও মারতে চেয়েছিলাম।
এই প্রক্রিয়া চলাকালীন, এই তিনজন ট্রেনটার ক্ষতি করে।
তাদের ক্ষমা করে দিন।
স্যার, আসলে কি হয়েছে...
আসলে তোমার চুপ করা উচিৎ।
আমার ঘাড় ব্যথা করছে। সামনে এসো।
স্যার, শট অনুযায়ী, আপনি আমাদের সামনে থাকলে কিছুই দেখতে পারি না।
আমাকেই বিচার করতে দাও।
ওখানে গিয়ে দাঁড়াও। আমি এইসব নিতে পারছি না।
চলো।
ইউরেনিয়াম।
স্যার, আমরা ইতিমধ্যেই সেটা বাবা নিউক্লিয়ার সেন্টারে দিয়ে দিয়েছি।
সন্ত্রাসবাদীদের কি হল?
স্যার, ওমর, মেনন...
পুরো টীমটাই ট্রেন বিস্ফোরণে মারা গেছে, স্যার।
কেউ বেঁচে নেই।
কেনিয়ার সরকারের সরকারী রিপোর্ট।
স্যার, এই ইউরেনিয়াম চুক্তিতে মেনন নিশ্চয়ই ওমরকে সাহায্য করছিল।
এই ব্যাপারে তদন্ত করলে আমরা আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবো।
লাশের কাছ থেকে খবর পাবে কি করে?
- আচ্ছা, তুমি সামলাও। - স্যার।
- ঠিক আছে, গান্ধী? - স্যার।
পরবর্তী অ্যাসাইনমেন্ট থাইল্যান্ডে।
তার জন্য, চেন্নাই থেকে তোমার ফ্লাইট আজ ঠিক সাড়ে তিনটায়।
- তৈরি হও। - স্যার।
সাড়ে চারটের সময় আমার বৌকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতেই হবে।
দুঃখের বিষয়! তাই নাকি...
ডাক্তার সেটা বুঝে নেবেন। তুমি অ্যাসাইনমেন্টের দিকে নজর দাও।
ধন্যবাদ, স্যার।
অনু, গান্ধী এখানে তোমার সাথে আসে নি কেন?
ফোন যথারীতি বন্ধ।
তোমার শিশু সুস্থ আছে।
সময়ে ভিটামিন ট্যাবলেট খাবে।
নিয়মিত হাঁটবে।
আর ঘরের কাজ করবে।
কি খবর?
তোমার বাচ্চা ভালো আছে। টেনশন করার দরকার নেই।
আমি আমার বাচ্চা নিয়ে চিন্তিত নই।
No comments yet. Be the first to leave one.