Az első 200 sor.
L
Lo
Lov
Love
Love
Love Y
Love Yo
Love You
Love You
Love You m
Love You ma
Love You man
Love You man.
Love You man..
Love You man...
Love You man...
Love You man...
Love You man... M
Love You man... Mo
Love You man... Moh
Love You man... Moha
Love You man... Moham
Love You man... Mohamm
Love You man... Mohamma
Love You man... Mohammad
Love You man... Mohammad
Love You man... Mohammad Y
Love You man... Mohammad Yo
Love You man... Mohammad You
Love You man... Mohammad Yous
Love You man... Mohammad Yousu
Love You man... Mohammad Yousuf
Love You man... Mohammad Yousuf
C
Cr
Cre
Crea
Creat
Create
Created
Created
Created b
Created by
Created by:
Created by:
Created by:
Created by: K
Created by: KU
Created by: KUS
Created by: KUSH
Created by: KUSHA
Created by: KUSHAL
Created by: KUSHAL
এই হচ্ছি আমি, ওয়াদ, দশ বছর আগে...
আমার বয়স ছিল ১৮.
সে বছর আলেপ্পো ইউনিভার্সিটিতে পড়াশুনা করতে আমি আমার বাড়ি ছেড়ে আসি।
বাবা মা বলেছিল, সাবধানে থাকতে।
তারা সবসময়ই বলে, আমি নাকি একগুঁয়ে।
এমনকি বেপরোয়াও!
আমি তাদের দুশ্চিন্তাটা কখনোই আন্দাজ করতে পারতাম না,
যদি না আমার কোল জুড়ে একটা মেয়ে আসতো।
তুমি।
নিচে যাও, নিচে যাও।
আরেকটা হামলা হতে চলেছে।
আমি আসছি।
কেউ কি সামা'কে একটু নিবে?
নিচ তলায় যাও, জলদি!
এটা কি বিমান হামলা ছিল?
ট্যাংকের গোলা।
প্রতিদিন পরিস্থিতি কেবল খারাপই হচ্ছে।
জলদি, আমাদের নিচ তলায় যেতে হবে।
সামা কার কাছে?
সামা!
আমাদের পিছনেই ফেটেছে গোলাটা।
আমার মেয়ে কোথায়?
আমার মেয়ে কার কাছে?
আমাদের কাছে নেই।
বাচ্চাদের বের করে আনো।
ভেন্টিলেটরগুলো হাতে পাম্প করতে হবে।
জলদি করো!
আমার মেয়ে কোথায়?
নার্স, নার্স!
ওহ আল্লাহ! আল্লাহ গো!
তোমার মেয়ে ঐদিকে।
আমি আসছি, আমার সোনা।
কোথাও সে?
এই যে এখানে। দুধ খাচ্ছে।
- তার মুখে মাস্ক পরিয়ে দিয়েছিলাম। - তখন সে ঘুমিয়ে ছিল...
এখন সে খাচ্ছে।
একদিনের জন্য অনেক হয়েছে।
ডক্টর, ভয়ের কিছু নেই। আমরা যথেষ্ট সাহসী।
আমাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে।
আমরা যথেষ্ট সুরক্ষিতও।
খোদার দোহাই লাগে, চুপ করো!
যেদিন তুমি বলেছ, হাসপাতালে বোমা ফেলবে না...
- সেদিন থেকেই নিয়মিত বোমাবাজি শুরু হয়েছে। - একদম ঠিক!
সে বলছে, "মা, তুমি আমায় এই দুনিয়ায় আনলে কেন?"
"জন্মের পর এখানে যুদ্ধ ছাড়া আর কিছুই পাইনি।"
সামা।
তুমি আমার জীবনে সবচেয়ে সুন্দর একটা উপহার।
কিন্তু এ কোন দুঃসহ জীবনে তোমাকে টেনে আনলাম আমি!
তুমি নিশ্চই এমন জীবন চাইতে না।
তুমি কি কখনো ক্ষমা করতে পারবে আমায়?
সিরিয়ান রেজিম আর তাদের সহযোগীরা আমাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে।
আলেপ্পো।
আমার শহর।
কখনো ভাবিনি, পুরো পৃথিবী এসব নীরবে দেখবে।
এখনো ভিডিও করছি।
এ কাজটাই এখানে থাকার প্রয়াস যোগায়।
অন্তত দুঃসহ রাতগুলোও অনেক মূল্যবান এখানে।
আকাশে রাশিয়ান বিমানের শব্দ শুনলেই,
আমি হতবুদ্ধি হয়ে পড়ি।
হ্যা, আমিও মৃত্যুকে ভয় পাই।
কিন্তু সবচেয়ে বেশি ভয় পাই,
তোমাকে হারাতে।
সামা।
আমি এই ভিডিওটা তোমার জন্য বানিয়েছি।
যাতে তুমি বুঝতে পারো,
তোমার বাবা আর আমি কেন একটা সিদ্ধান্তেই অনড় ছিলাম।
কীসের জন্য সংগ্রাম করে গিয়েছি আমরা।
বিপ্লব শুরুর সময়ে আমি ফোর্থ ইয়ারে পড়ছিলাম।
সেদিন ছিল 2012 সালের এপ্রিলের 29, ভোরবেলা।
আলেপ্পো।
বিজ্ঞান বিভাগ।
এই ইউনিভার্সিটির উন্মুক্ত দেয়াল বলে এটাকে।
শুভ সকাল।
কী করছো?
আমরা প্রেসিডেন্ট বাশারের পতন ঘটাচ্ছি, হোক সেটা দেয়ালেই।
আমরা আলেপ্পো ইউনিভার্সিটির মুক্ত ছাত্র সঙ্ঘ।
আসাদ পরিবারের স্বৈরশাসন সিরিয়াকে তোমার দাদার আমল থেকে লুটে করে আসছে।
দুর্নীতি, অবিচার আর অত্যাচারে দেশটা দোজখ হয়ে যাচ্ছে।
আওয়াজ তোল! আওয়াজ তোল!
হয় সম্মানের সাথে বাঁচব, নয় মরবো!
আলেপ্পো ইউনিভার্সিটির মুক্তিকামী ছাত্রসমাজ! বিদ্রোহের ইউনিভার্সিটি!
আমাদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ! আমরা মুসলিম খ্রিষ্টান ভাই ভাই!
রেজিম এই আন্দোলনকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।
আমাদের মুক্তির আন্দোলন বাইরের বিশ্বকে দেখানোর একমাত্র উপায় ছিল মোবাইলে ভিডিও করা।
বিশ্বাসঘাতক, বিশ্বাসঘাতক, বিশ্বাসঘাতক!
বিশ্বাসঘাতক. বিশ্বাসঘাতক, বিশ্বাসঘাতক!
সিরিয়ান আর্মিরা সাধারণ জনগণের বিপক্ষে চলে গেছে।
বিশ্বাসঘাতক. বিশ্বাসঘাতক, বিশ্বাসঘাতক!
আমাকে যেতে দাও। আমাকে যেতে দাও।
যেতে দাও!
পেছনের আর্মিগুলো দেখো! তুমি একজন UN এর প্রত্যক্ষদর্শী!
আমাদের পিছনে দেখো, সেনা দল!
ঐতো তারা!
ভাল করে তাকিয়ে দেখো!
বলো না, যে তুমি তাদের দেখতে পাওনি!
দরজা লাগাও। দরজা লাগাও।
দরজা লাগাও। দরজা লাগাও!
দেখো, দেখো!
তারা সিকিউরিটি ফোর্স না?
জানালাটা খোল!
ভুলেও খুলো না, তারা আমাদের গ্রেফতার করবে।
আমাদের মারবে।
তাড়াতাড়ি যাও, নইলে গ্রেফতার করবে।
বন্ধ রাখো।
ইউনুস।
সামা।
সেই সময়টাতে, বিদ্রোহ ছাড়া মাথায় আর কিছুই ছিল না আমাদের।
হেই হামজা।
অনেক দেরি করে ফেললে।
এত ডাকাডাকি করো না তো।
আমি খানিকটা চিন্তিত।
চলো।
হামজা আমার কাছের বন্ধুদের মধ্যে একজন ছিল।
সে ডাক্তারিতে গ্রেজুয়েশন কমপ্লিট করেছিল।
হ্যালো, ডক্টর হামজা।
সে বিদ্রোহে আহত মানুষদের সাহায্য করতো।
প্রথম চিকিৎসাসেবা দল শুক্রবারের ভেতর আমাদের এখানে চলে আসবে।
আমরা তাড়াহুড়ো করছি, কারণ আমাদের অনেক দেরি হয়ে গেছে।
হামজার মুখে সব সময় একটি হাসি লেগে থাকত।
আমি তার সাথে খুব স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতাম।
পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের মাথা ব্যাথা ছিল না।
কারণ ডাক্তারির পাশাপাশি সে একজন সক্রিয় কর্মীও ছিল।
আমি সব সময় তাকে ভিডিও করতাম।
আমাকে কেমন দেখাচ্ছে?
সে সময়টাতে, সে অন্য কারও বন্ধনে আবদ্ধ ছিল।
রেকর্ড হচ্ছে!
আমাদের কারোর কোন ধারনাই ছিল না এই সাধারন জীবন কত দ্রুত যে পাল্টে যাবে!
29- জানুয়ারি, 2013
পূর্ব আলেপ্পো।
আমরা শুনেছি, নদীতে কিছু লাশ পাওয়া গেছে।
সবাই শুনুন, প্লিজ।
প্লিজ।
লাশ দেখা হয়ে গেলে, আপনারা বাইরে চলে যান।
এখানে ভিড় করার প্রয়োজন নেই। নতুন লাশ আজ দাফন করা হবে না।
তুমি এখানে এটা ভিডিও করতে এসেছ?
অবশ্যই।
আজকে আলেপ্পোর ভোর হয়েছে এক বেপরোয়া হত্যাকাণ্ডে।
ক্রমশ পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে।
প্রাথমিক নিরীক্ষায় স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে অধিকাংশের উপরেই নির্মম নির্যাতন হয়েছে।
এদের প্রত্যেকেই বেসামরিক লোক, সবার হাতেই হ্যান্ডকাফ পরানো।
অধিকাংশদের হত্যা করা হয়েছে মাথায় গুলি করে।
তারা কী করছে?
তারা ঢেউ থেকে লাশগুলোকে আটকানোর চেষ্টা করছে।
সবগুলো মৃতদেহই রেজিম বিরোধী এলাকার বাসিন্দা।
এদের অনেককেই সর্বশেষ দেখা গেছে রেজিমের চেক পয়েন্টে।
আমাদের মনে হচ্ছে, এটা কেবল একটি বার্তা মাত্র।
আমাদের শহীদ ভাইয়েরা সব জান্নাতে গেছে।
No comments yet. Be the first to leave one.