The Silence (Tystnaden)

The Silence (Tystnaden) (Tystnaden)

Scarica il sottotitolo Bengali

Informazioni sulla release

The Silence (Tystnaden) DVD
Un commento di Sarahiqbal
আশা করি, সাবটাইটেলটি সবার ভালো লাগবে।

Tag

DVD
Pubblicato il: 2018-06-03
Download: 45
Sottotitoli per non udenti: No

Anteprima dei sottotitoli in Bengali

Le prime 133 righe.

THE SlLENCE অনুবাদক: সারাহ্ ইকবাল

এটার মানে কী?

জানি না।

- তাকিয়ে কী দেখছো শুনি? - তোমার পা।

কেন?

তুমি কী সুন্দর ওগুলোতে ভর করে... সারা ঘর হেঁটে বেড়াচ্ছ।

আমরা একজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে ভালো হতো না?

- ঠাণ্ডা লাগছে? - অল্প একটু।

গরমটা অস্বস্তিকর লাগছে।

আজ বিশ্রাম নিয়ে সেরে উঠলে, কাল আমরা বাড়ি ফিরে যাবো।

- যাক বাঁচলাম! - জানি, তুমি যাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে উঠেছ।

- ঘরটা গুমোট বেঁধে আছে। - বেশ...

জানালাটা খুলে দাও।

- দরজাটা বন্ধ করে দেবো? - অবশ্যই।

- ইয়োহান, এদিকে এসে, আমার পিঠটা ঘষে দাও তো। - আসছি।

আর লাগবে না।

পাশের ঘরে গিয়ে বসো।

একটু পর আমরা ছোট একটা ঘুম দেবো।

তোমার শার্ট আর প্যান্ট খুলে নাও।

এদিকে এসো।

হ্যাঁ...

হাত।

মা!

ওহ, ইয়োহান! চুপ করো তো! ঘুমাতে দাও!

হ্যালো, স্যার!

-তোমার তো দেখছি শরীর রোদে পুড়ে গেছে। -হুম।

- আমি বাইরে যাচ্ছি। - দাঁড়াও।

- কিছু বলবে? - না, কিছু না।

ঠিক আছে, তাহলে...

ব্যাপারটা অপমানজনক। আমি এটা মেনে নিতে পারবো না।

আমাকে নিজেকে সামলে নিতেই হবে।

আমি একজন বুদ্ধিমতী নারী হিসেবে সমাজে পরিচিত।

হে ঈশ্বর, আমাকে অন্তত নিজ বাড়িতে মরতে দিও!

এখন একটু ভালো লাগছে।

আমার কিছু খাওয়া দরকার। আমার বড্ড খিদে পেয়েছে।

পাগলের মতো খালি পেটে মদ খেতে গেলাম কেন!

থ্যাঙ্ক ইউ।

তোমার খিদে পেয়েছে?

আমার খাবার থেকে চাইলে খেতে পারো।

বাড়ির কথা মনে পড়ছে?

আমরা সোমবারেই বাড়ি পৌঁছে যাবো।

- আমি কি তখন নানুর বাসায় যেতে পারবো? - একদম সোজা সেখানেই যাবে।

- আমি ওখানে কতদিন থাকবো? - পুরো গরমকাল আর আগামী শীতকালটাও।

তোমাকে ওখানকার স্কুলেই ভর্তি করানো হবে।

- মা কি আমাকে দেখতে যাবে? - তা তো যাবেই।

- আর বাবা? - যদি আর কি, সে সময় বের করতে পারে।

- সে তো ভীষণ ব্যস্ত লোক। - তা ঠিক...

তবে সেখানে দারুণ সব জিনিস আছে। ঘোড়া...

আমি ঘোড়া ভয় পাই।

তাই বুঝি?

বেশ, সেখানে খরগোশও থাকবে। তুমি আঙ্কেল পারসনের সাথে নদীতে ঘুরতেও যেতে পারবে।

নদীর পানি সবুজ বর্ণের। এতটাই স্বচ্ছ যে, নদীর তলানি পর্যন্ত দেখা যায়।

মুখ গোমড়া করে থেকো না।

তুমিও কি আসবে, আন্টি?

তুমি মাছ ধরতেও পারবে।

- কী মাছ ধরতে চাও? - ছোট মাছ। মাঝেমধ্যে বড় মাছ।

আমার পেট ভরে গেছে। থ্যাঙ্ক ইউ।

দরজাটা খুলেই যাও, প্লিজ।

তুমি চাইলে, তোমাকে একটা সুন্দর ছবি এঁকে দেবো।

চিন্তা করো না। মা শীঘ্রই চলে আসবে।

আর আমি তো আছিই এখানে।

বেশ সুস্থ দেখাচ্ছে তোমাকে। যাক, ভালো।

- কী করছো তুমি? - দেখতেই তো পাচ্ছো, কাজ করছি।

তাহলে, নিজের চরকায় তেল দাও। আমার উপর নজরদারি করো না।

তোমার কি মনে হয়, আমি তোমাকে ভয় পাই?

আমরা বাড়ি যাবো কখন?

হয়তো আজ বিকালেই।

- আন্টিও কি আমাদের সাথে যাবে? - তা বলতে পারছি না।

- এই শহরের নাম কী, মা? - যতদূর জানি, টিমোকা।

এটা কী বাজছে? মিউজিকটা?

- আমার সিগারেট শেষ। - টেবিলের উপর আমার প্যাকেট রাখা আছে।

- আমি দুই-তিনটা নিতে পারি? - নিশ্চয়ই।

থ্যাঙ্ক ইউ সো মাচ।

তোমরা দু'জন আজ রাতের ট্রেনে বাড়ি ফিরে যাও।

আমরা তোমাকে এমন অবস্থায় একা রেখে যেতে পারি না।

আমি এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠিনি। আরও কয়েকদিন হয়তো লাগবে।

- মিউজিকটা কার? - বাখ।

সুন্দর।

আমি কিছুক্ষণের জন্য বাইরে যাচ্ছি। এই গরম আর সহ্য হচ্ছে না।

- কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরে আসবো। - ইস্টারকে কিছু পড়ে শোনালেই তো পারো।

যাও, হুঁশে থাকা অবস্থায় ফিরে এলেই হলো।

একটু বাইরে যাও তো, সোনা। আমি অ্যানার সাথে একটু একা কথা বলতে চাই।

- তোমাকে পড়ে শোনাবো না? - পরে, লক্ষ্মীটা।

- আমি হলওয়েতে গেলাম। - বেশি দূরে যেও না কিন্তু।

- কোথায় ছিলে তুমি? - হাঁটতে বের হয়েছিলাম।

- কোথায় গিয়েছিলে? - ওহ, বেশি দূরে কোথাও না।

- বাহ, দারুণ ঘুরেছো দেখছি। - আমার এখানে ফিরতে মন চায়নি তাই।

- কেন চায়নি শুনি? - এতকিছু বলতে পারবো না।

তুমি মিথ্যে বলছো।

তুমি আগাগোড়া সবকিছু এত শুনতে চাইছো কেন?

অযথা কথা না বাড়িয়ে, আমার কথার জবাব দাও।

আজ থেকে দশ বছর আগের সেই শীতকালের কথা মনে পড়ে? আমরা যে বাবার সাথে লিওনে ছিলাম?

সেই বার আমি ক্লদের সাথে রাত কাটিয়েছিলাম।

তুমি তখনো আমাকে এভাবে জেরা করেছিলে।

তুমি ভয় দেখিয়েছিলে, তোমাকে সব খুলে না বললে, তুমি বাবাকে সব বলে দেবে।

আমি একটা সিনেমাহলে গিয়ে, পেছনের দিকের একটা সিটে বসে ছিলাম।

আমার ঠিক সামনে বসে একটা দম্পতি একে অপরকে চুমু খাচ্ছিল, অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটাচ্ছিল।

ওদের কাজ শেষ হতেই, ওরা সেখান থেকে চলে যায়।

এরপর সেখানে একটা লোক আসে, যার সাথে বারে আমার আগে দেখা হয়েছিল।

সে এসে আমার পাশের সিটে বসলো আর আমার হাঁটুতে হাত বোলাতে লাগলো।

তারপর আমরা হলের মেঝেতেই দৈহিক মিলনে লিপ্ত হই।

আর তাই, আমার জামা নষ্ট হয়ে গেছে।

- তুমি কি সত্যি বলছো? - মিথ্যা বলতেই বা যাবো কেন?

তাই তো, মিথ্যাই বা বলবে কেন?

- আসলে আমি কিছুটা মিথ্যে বলেছি। - ব্যাপার না।

আমি একটা দম্পতিকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখেছিলাম।

তারপর আমি বারে গেলে, সেই লোকটার সাথে আমার দেখা হয়।

আমরা কোথায় যাবো, বুঝে উঠতে পারছিলাম না।

পরে আমরা একটা চার্চে গিয়ে, সেখানের একটা পিলারের পেছনে দৈহিক মিলনে লিপ্ত হয়েছিলাম।

ওখানে বেশ ঠাণ্ডা ছিল।

বুঝলাম।

পরের বার থেকে, আগে জামা খুলে নেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকবো।

তোমার কি শুয়ে পড়া উচিত না?

আমার পাশে এসে বসো।

অল্প কিচ্ছুক্ষণের জন্য।

তুমি কি আবার সেই লোকের সাথে দেখা করবে?

প্লিজ, করো না...

আজ রাতে নয়...

- ব্যাপারটা অসহনীয়... - তা কেন শুনি?

কারণ...

আমার নিজেকে ছোট, তুচ্ছ মনে হয়।

তোমার মনে হতে পারে, আমি ঈর্ষান্বিত।

আমাকে যেতে হবে।

তোমার আমাকে পড়ে শোনানোর কথা ছিল।

তোমাকে কেমন যেন দেখাচ্ছে!

এখন পড়ে শোনালে কেমন হয়?

তারচেয়ে বরং তোমাকে আমার জুডি ও পাঞ্চকে দেখাই।

বাঁচাও! মরে গেলাম গো!

- ও কী বলছে? - তা জানি না।

ও ভয় পেয়েছে, তাই অদ্ভুত ভাষায় কথা বলছে।

পাঞ্চ কি গান শোনাতে পারবে?

এখন রেগে আছে তো, তাই পারবে না।

অদ্ভুত...

Commenti

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left