처음 200줄입니다.
ছেড়ে দাও আমাকে!
- উঠ! - কী করছ তোমরা?
- উঠতে বলেছি, উঠ! - তোমাদের সমস্যাটা কী?
আচ্ছা, ঠিক আছে!
ট্রাকে উঠ!
ট্রাকে উঠে পড়!
আমি এই বছর সাঁতারের দলে যোগ দেব না।
কেন? তুমি তো সাঁতার পছন্দ করো?
এখানে না।
কিন্তু, অন্তত একবার তো চেষ্টা করে দেখতেই পারো।
চেষ্টাই তো করোনি।
- মা! - শার্লট?
মা! ওটা বাবার সাইকেল না?
বাবা কোথায়?
গাড়িতেই থাকো!
বের হয়ো না!
মার্টি?
মার্টি!
আমাদের এখানে স্বাগতম, মার্টিন বার্ড।
১৯২৯ সালে...
বিদ্যুৎ কোম্পানি আমাদের জমি কব্জা করে আমাদেরকে উৎখাত করে।
তারপর থেকে স্নেলেরা পাহাড়ের উপর বসবাস শুরু করে, নতুন করে সব শুরু করে।
সমস্যা একটাই, এখানে ফসল জন্মায় কম।
যতই মাটি খনন করুন না কেন...
শুধু পানি বের হবে।
তাই, ফসল বদলানো লাগলো।
জানেন, কোন ফসলটা শুধুমাত্র সূর্যের আলো থাকলেই জন্মায়?
বলি আপনাকে।
পপি।
যে ধরনেরই মাটি হোক, কোন সমস্যা নেই।
কিন্তু, আপনি আসলেন এখানে...
- আমার মনে হয়... - আপনার মনে হয়...
- হুম... - আপনার মনে হয়?
জানো, এখানে চলমান সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ক্ষমতা।
আপনি ক্ষমতার স্বাদটা একটু বেশি বেশি পেতে চাইছেন।
ক্ষমতা আসে সময়ের পরিবর্তনের মাধ্যমে।
আমাদের পারিবারিক ইতিহাস অনেক পুরনো।
যদি আপনার মনে হয়...
মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে...
আমাদের মনোবাঞ্ছা বদলাবেন...
তাহলে হয়ত বোঝেননি এখানে কেন আপনাকে আনা হয়েছে।
তুই আমার সাম্রাজ্যের জন্য একটা বড় হুমকি, মার্টিন বার্ড।
তোর কারণে এখানকার স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।
ক্লাবের মালিকানা নিয়ে নেওয়ার কারণে আমাদের কার্যক্রমে বাধা দিয়েছিস তুই!
এখন তুই আমাদের পেটে লাথি মারার এন্তেজাম করছিস!
- দেখুন, আপনাদের কোথাও ভুল... - অই চার্চ, মার্টিন...
অই পুরোহিত...
পুরোহিতকে আমরা পানির উপরে দেখতে চাই!
যে কয়েকজন আসে সেখানে তাদের কিছু অংশ আমাদের হয়ে কাজ করে।
পানির উপরে কার্যক্রম হওয়ার কারণে পুলিশ আসে না তেমন।
এখন পানি যদি হঠাত করে জনমানবশূন্য হয়ে যায়...
মাটির উপরে যদি আমাদের মাল বেচা লাগে...
সবকিছু পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে তখন।
আমি সেটা হতে দেবো না।
চার্চের সমস্ত নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখুন।
পরের মাসে করতে পারবো সেটা।
কিন্তু এখন...
আমার কর্মচারীরা বেশ হতাশ হয়ে পড়বে।
আপনার বেডরুমের টেবিলের উপর একটা ছবি আছে।
স্যান ফ্রান্সিসকোতে, গাড়িতে আপনিসহ আপনার পরিবার।
আরেকটা আছে মার্টল বিচে।
সোফার সামনে একটা জানালা আছে যেটা রাতে প্রায় সময়েই খুলে রাখেন।
১৫ ফুট দূরেই আপনার ছেলের বেডরুমের, হলের উপরে ডানে।
আপনার মেয়ের রুমটা ঠিক এরপরেই।
আপনার শোবার ঘরটা একদম শেষের দিকে।
আপনার টুথব্রাশের রঙ নীল।
আমরা আপনার ব্যাপারে সবকিছুই জানি, মার্টিন।
জানি, যার হয়ে কাজ করছেন সে ভয়ংকর লোক...
সেজন্যই আপনি এখনও বেঁচে আছেন...
তবে, ঝুঁকি দেখলে মেরেও ফেলতে পারি।
আমরা আরো জানি..
শিকাগো থেকে বিদ্যুতের চেয়েও দ্রুত গতিতে এখানে এসেছেন।
তাই ব্যক্তিগতভাবে আমার যা মনে হয়...
আপনার মালিক আপনাকে পছন্দ করেন না।
আপনাকে মারলেও তার কিছু যাবে আসবে না।
এতকিছুর পরও যদি আপনি না বোঝেন..
তাহলে, এমন কিছু করবো যা আপনি স্বপ্নেও...
ভাবতে পারবেন না।
পুরোহিত ম্যাসন ইয়ং...
এবং, তার গর্ভবতী স্ত্রী...
গ্রেসি জুন।
ঠিক আছে।
ঠিক আছে।
চার্চের নির্মাণ কাজ কখনোই শেষ হবে না।
গেম প্ল্যান এটাই।
ওকে? আপনাদের পুরোহিত পানির উপরেই বহমান থাকবে।
আর তো কোন সমস্যা নেই?
আমরা সেই জায়গার আশেপাশের দুই একরের মাঝেও আপনার ছায়া দেখতে চাই না।
যদি কোন উল্টোপাল্টা দেখি...
অই বাচ্চা কখনোই দুনিয়ার আলো দেখবে না।
- মার্টি! - বাবা?
মার্টি?
ব্লু ক্যাট লজে ফোন দাও!
র্যাচেল সারাদিন বাবাকে দেখেনি!
আচ্ছা, তোমরা সবাই তোমাদের রুমে যাও।
- ৯১১ এ কল দিচ্ছি আমি। - না, না, শার্লট?
শার্লট, প্লিজ, সোনা! তুমি তোমার রুমে যাও, ঠিক আছে?
মা! বাবা এসেছে, বাবা এসেছে, মা!
আমার তো সাইকেলের চেহারাছবিও মনে নেই!
আচানক কোত্থেকে এসে উদয় হয়ে আমাকে নিয়ে গেল!
আমাকে মেরে ফেলাটা উনার উদ্দেশ্য ছিল না!
হেই, সোনা! আমি ঠিক আছি!
ঠিক আছি আমি! কিচ্ছু হয়নি আমার!
ঈশ্বর, তোমার পা!
হ্যাঁ, চোট লেগেছে!
ভাগ্য ভালো, সু অ্যালেন, টডের স্ত্রী রাস্তায় আমাকে পেয়ে বাসায় পৌঁছে দিল!
- বাহ, ভাল! - বেশ ভালো আচরণ করেছে সে!
আমরা তোমার আগেই পৌঁছেছি।
মানে?
তোমার আগেই পৌঁছেছি আমরা এখানে।
ওখানে তুমি ছিলে না।
এর মানে আগেই বের হয়ে গিয়েছিলে!
তারপরও আমরা বাড়িতে তোমার আগে এসেছি।
- ধন্যবাদ! - ম্ম-হুম্মম!
উনি পথ হারিয়ে ফেলেছিলেন!
আমারও মনোযোগ ছিল না রাস্তায়!
- শুকরিয়া যে তোমার কিছু হয়নি! - হুম!
ঈশ্বর ছাড়া কেউ তোমাকে বাঁচাতে পারবে না...
যদি আমার সব চিপস খেয়ে হাপিশ করে ফেলো তুমি।
কোথাও ডেটে যাচ্ছ নাকি?
মুখ বন্ধ রাখো, ওয়াইট!
হেই!
তোমাকে দেখতে দারুন লাগছে!
ধন্যবাদ!
হাই, বাবা!
বাল, এ কোন জায়গায় আসলাম?
জানো? অই লোকগুলো অন্যের জীবনের বিন্দুমাত্র পরোয়া করে না!
ওরা আমাদের থামাতে চাচ্ছে।
ওরা এই বাড়িতেও লুকিয়ে এসেছিল।
- কোন জানালা খুলে রাখি সেটা পর্যন্ত জানে? - কী?
আমাদের ছবিগুলো দেখেছে, এমনকি আমার টুথব্রাশের রঙ কী সেটাও জানে!
ওরা আমাদের বাসায় কী করছিল?
ভয় পাওয়াতে চাইছে হয়ত।
গুড নিউজ হচ্ছে ওরা উপলদ্ধি করেছে আমাকে খুন করাটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়।
তবে, ব্যাড নিউজ হচ্ছে আমি মরলে কিচ্ছু হবে না।
ওরা তোমার সম্পর্কে এমনটা ভাবছে?
- হ্যাঁ। - ঠিক আছে।
জানো, ওয়েন্ডি? ওরা একটা বন্দুক আমার পিঠে, আরেকটা বন্দুক আমার মাথায় তাক করে রেখেছিল!
ওদের ঘরে প্রচুর অস্ত্র দেখেছি!
- রক্তের কালশিটে দাগও দেখেছি এখানে সেখানে! - বাচ্চারা নিরাপদ আছে।
তুমি আর আমি নিরাপদ আছি।
- কিন্তু, এই ব্যাপারে আমাদের কিছু করতে হবে। - জানি।
যতবার টাকার পরিমাণ চেক করি, কম কম পাই।
এক মাস আগে যে পরিমাণ ছিল, এখন তার অর্ধেক আছে।
তাহলে, সেটা বিনিয়োগ করো।
অই টাকা কিছু কাগজ ছাড়া কিছু নয় যতক্ষণ না সেটা সাদা করা হয়।
তুমি মিসিসিপির সবচেয়ে চতুর মেয়ে।
কোন না কোন উপায় তুমি বের করে ফেলবে।
- হ্যাঁ, তবে... - তবে, কী?
আগে এরকম কাজ করোনি?
প্রথমবার যে কোন কিছু করার মজাটা অন্যরকম।
করার আগে তোমার ভেতরে সামান্য অস্বস্তি হবে।
এনিম্যাল প্ল্যানেট চ্যানেলটা দেখো? সেখানে চিতা বাঘ কীভাবে তার শিকারকে বধ করে...
ওটা ওদের জন্য ঠিক আছে, রুথ!
অপরাধীদের সাথে আমাদের বিস্তর পার্থক্য রয়েছে।
ওদেরকে ওদের প্রাপ্য পাওনা বুঝিয়ে দিতে হবে।
অই লোকটা...
একটা আস্ত গাধা...
যে টাকা নিজের বিছানার নিচে রেখে যায়।
মানো তো এটা?
- মানো? - হ্যাঁ, মানি। ঠিকই বলেছ তুমি।
লেকে আগামী কিছুদিন অনেক দূর্ঘটনা ঘটবে।
শুধু সুযোগের অপেক্ষায় থাকো।
পরিস্থিতিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনার তরিকা বের করো।
তুমি প্রকৃতির নীতি অনুযায়ী কাজ করছ।
হেই, তোমার কিচ্ছু হবে না, রুথ।
তোমার সাথে তোমার বাবা আছে।
দেখো এটা।
ওরে শালা!
ভালো না?
এটা তো বিক্রিও করতে পারো চাইলে।
- সিরিয়াসলি? - ম্মম-হুম্ম!
এর চোখটা একদম ঠিক জায়গাতেই আছে।
ধারের জায়গাটা পরিষ্কার।
৫/৬ ডলার তো তুড়ি মেরে পেয়ে যাবে।
বলদ পেলে, আরো বেশি পাবে।
তারা তো ৩০ ডলার দিয়ে একটা ফ্যাক্টরি চালাতে পারে।
এতেও কাজ হয়।
কেন কিনবে ওরা?
কারণ, বড়লোকেরা সবসময় টাকা খরচা করার রাস্তা খোঁজে।
- আচ্ছা। - হেই...
শোনো...
গত ক'দিন ধরেই ভাবছি এখানে ছোটখাট একটা দোকান খুলবো।
মাছ ধরার জিনিসপাতি বেচব...
...সব ধরনের গিয়ার থাকবে।
হাতে যেগুলো সহজেই এঁটে যায়।
আমার সাথে থেকে ব্যবসাটা করবে?
তোমার সাথে ব্যবসা করব?
কেন নয়?
লাভ নেই।
কেন?
মানে, অনেক টাকা পুঁজি দরকার।
যেটা আমার কাছে তো নেই।
না, বড় কোন জায়গায় দোকানটা খুলবো না।
ক্যাশ দিয়ে কাজ করবো। ক্রেডিট কার্ডের বিল দিতে হবে না।
তারপরও মালসামানা, ভাড়ার ঝক্কি তো আছেই!
তোমার ভাতিঝি কোন লোকের সাথে কাজ করে? বার্ড না?
- উনাকে বলো ইনভেস্ট করতে। - না, উনি না।
কেন? উনি তো বেশ কয়েক জায়গায় ইনভেস্ট করেছেন!
না, মানে...বলতে চাচ্ছি যে...
No comments yet. Be the first to leave one.