ആദ്യത്തെ 181 വരികൾ.
Episode -3 Rahi Chal Raha(পথিক চলছে)…
খুব ভালো। এটা রেকর্ড করা যাক।
পরে আমার আওয়াজের সাথে প্রতিধ্বনি যোগ করিস।
যাতে তা নরম শোনায়।
ঠিক আছে।
তাহলে, আমি কি বলছিলাম?
সম্প্রদায়।
সম্প্রদায় মানে পরিবার।
বড় পরিবার।
আমি একজায়গা থেকে পরিত্যক্ত হয়ে অন্যের সন্ধানে ছিলাম।
আজ আমি সম্পূর্ণ একা।
অপেক্ষা করছি, হয়তো আমার পরিবার থেকেও কেউ আসবে।
মানুষ আমাকে ভালোবাসে।
আমি জানি, তারা আমাকে পছন্দ করে।
তবে শুধুমাত্র ফেসবুকে।
ব্যক্তিগতভাবে নয়।
কিন্তু এত একাকীত্ব সত্ত্বেও
তুমি একজন আশাবাদী মানুষ, গৌরী।
কিভাবে তুমি এই আশা বাঁচিয়ে রাখো?
একজন মানুষ যখন সম্পূর্ণ একা হয়ে যায়,
তখন সমর্থনের জন্য তার কাছে মাত্র দুটো জিনিস থাকে
হাসি এবং আশা।
আমি এদের সাহায্যেই এগিয়ে যাচ্ছি।
'আমার বোনের সাহায্যে, আমি মুম্বাইকে আমার বাড়ি হিসেবে মেনে নিয়েছি।'
দেখুন, এটা এমনকি 'মুম'..'বা'.. এবং 'আই' বানান করে।
'এই শহরে সাত বছর কিভাবে কেটে গেল, বুঝতেই পারলাম না।'
'উচ্চতা বাড়লো, চুল লম্বা হলো'
'কিন্তু সবচেয়ে বেশি বাড়লো আমার 'জুনুন'।'
'জুনুন' কি জানিস?
আবেগ?
'সুকুন'-এর সাথে ছন্দে মিল আছে।
তাই, যখন আমি 'আবেগ' এবং 'সম্প্রীতির' মধ্যে পড়ে,
গ্রিলড স্যান্ডউইচ হচ্ছিলাম...
তখন সে আমার জীবনে প্রবেশ করে।
টেডি বিয়ার?
আসলে, মাঝে মাঝে আমার মনে হয়, যদি আমরা বিশ্বের মানুষদের একটি তালিকা তৈরি করি
যাদের হৃদয় সোনা দিয়ে তৈরি,
সে তালিকার শীর্ষে থাকবে।
নবীন - এক নম্বর।
কি কাকতালীয় বিষয়!
শয়তানের কথা বলতে না বলতেই হাজির।
কি ব্যাপার?
আরে...
আমার সুন্দরীর উপর এই কালো গোলাপের সুগন্ধি কে ছিটিয়েছে?
এই গুরুতর পরিস্থিতিতেও তুই মজা করছিস।
একমাত্র মারা যাবার সময় পুরুষের সিরিয়াস হওয়া উচিৎ,
জীবিত থাকার সময় নয়।
তোর তো সাক্ষাৎকারের পর আদালতে আসার কথা ছিল,
এখানে কেন এলি?
আরে, আমি আদালতেই যাচ্ছিলাম।
কিন্তু আমান্ডা একটা মেসেজ পাঠালো।
তুই পুঁচকি চালু ছুঁড়ি।
তুই তো বেশ নীরব সম্প্রচারক রে!
বেশি কিছু হয় নি।
আমি পাঁচ মিনিট ইনস্ট্যান্ট নুডলসের মতো ফুটছিলাম।
তারপর শান্ত হয়ে গেছি।
কারণ তুমি কয়েক ডজন শত্রু তৈরি করেছো।
আমার দিকে তাকাও। সবাই বন্ধু। কোনো শত্রু নেই।
তোর বন্ধুরা?
আমি তোর বন্ধুদের থেকে আমার শত্রুদের পছন্দ করি।
আজ সকালেই সে ফোন করেছিল। আমাকে তার কথা মনে করিয়ে দিও না।
- কে? জে.কে? - হ্যাঁ।
আরে, বাপরে!
জে.কে কে?
তুই আমাকে জিজ্ঞাসা করছিলিস না,
আশার দুর্গ গড়ে তুলতে আমি কি করেছি?
সম্প্রদায় কোথা থেকে শুরু হয়েছিল?
জে.কে।
নবীন বলল, তুমি ছয় মাস ধরে
এন.জি.ওতে আছো।
তোমার থাকার জায়গা নেই।
আমি একজন সাহায্যকারী খুঁজছি।
না, আমার থাকার জায়গা আছে,
কিন্তু সেখানে এয়ার কন্ডিশনার নেই।
আর জায়গাটা নোংরা।
আমার একটি পরিষ্কার ঘর দরকার, এবং আপনার ঘর পরিষ্কার...
পারফেক্ট।
তবে একটা কথা সবসময় মনে রেখো।
হুম...
আমার অনুমতি ছাড়া আমার কোনো ভাস্কর্য স্পর্শ করবে না।
পরিষ্কার করার সময়ও নয়।
হুমম...।
- যাও, কাপড় বদলে নাওও। - কোথায় যাবো?
শোবার ঘরে।
ধন্যবাদ।
সাবটাইটেল পরিবেশনায়: :.:.: THE GHOST SQUAD :.:.:
নবীন, অনন্ত যৌবন দিয়ে ঈশ্বর তোকে আশীর্বাদ করুন।
আরে...
ফিরে এসো।
কোথায় যাচ্ছো?
কোথায় যাচ্ছো?
দরজা খোল।
সব ঠিক হয়ে যাবে।
আরে, খোল।
বাথরুমে তুই দীর্ঘ সময় লুকিয়ে থাকতে পারবি না।
আর ঘর থেকে বের হতেও পারবি না।
বাইরে আয়।
আমরা এই বিষয়ে নম্র এবং শান্তভাবে কথা বলবো।
সব ঠিক হয়ে যাবে।
আরে...
অনুমতি না নিয়ে আমার ঘোড়ায় তুই কিভাবে হাত লাগালি?
- না। - আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলিস?
- জিজ্ঞাসা করেছিলিস? - না!
আমি সেদিন ভয় পেয়েছিলাম।
কিন্তু তার পর আর কখনো নয়।
আমি বুঝেছিলাম।
এত বড় শহরে,
আমি যে কোনো কিছু হতে পারি,
কিন্তু দুর্বল কখনোই নয়।
আর সেই দিন থেকে,
আমি বেপরোয়া এবং বদমাশ হয়ে উঠলাম।
আপনি তাই।
আমিও এর সাথেও লড়েছি।
আমি কোনো দালাল ছিলাম না।
কিন্তু আমাকে সেখানে কে পাঠিয়েছিল?
আর তোমাকে শিখিয়েছিল কে।
আমান্ডা, তুই তখন আমার উপর এই নিবন্ধ লিখবি,
এর নাম মোটা এবং তির্যক অক্ষরে উল্লেখ করবি।
ঠিক আছে।
এর জন্যেই, আমার খবর সংবাদপত্রের ডানদিকের কলামে আসে ।
অন্যথায়, বাম দিকে আসতো।
মৃত্যুসংবাদ। পরিবার নেই।
আরে, এখন তো তোমার একটা আছে।
কোথায় আছে?
যদি তারা তা বিশ্বাস করতো, এতক্ষণে চলে আসতো।
- বাজি ধরতে চাও? - হ্যাঁ।
হেরে গেলে,
তুমি কি তোমার গোঁফ কামাবে?
শালা হারামি।
তুই এটা কোথায় খুঁজে পেলি?
তোমার সিন্দুক থেকে। পরিষ্কার করার সময়।
আমাকে বলো না, এটা তোমার।
অনুবাদ ও সম্পাদনায় সুদীপ চক্রবর্তী
"কেমন ইচ্ছা এটা"
"যা তোমার মুখে হাসি নিয়ে আসে"
"এটা কেমন যাত্রা"
"যা তোমাকে সান্ত্বনা দেয়"
লাইন করে আসুন।
পুরুষরা ডান পাশে, মহিলারা বাম পাশে।
"ভালোবাসাসহ আলিঙ্গন করো"
"ধৈর্য্য সহকারে অধ্যবসায় করো"
"অগণিত ভয়ের মাঝে"
"অগণিত ভয়ের মাঝে"
"যেভাবেই হোক লাফ দাও"
"নিজের আসল পরিচয় আবিষ্কার করো"
"নিজেকে চিনতে একটু সময় নাও"
"বিভিন্ন মুখ, একই সারাংশ"
"এটা ধীরে ধীরে ধরো"
"নিজের আসল পরিচয় আবিষ্কার করো"
"নিজেকে চিনতে একটু সময় নাও"
"নিজেই জানো"
কেমন আছেন, বাবা?
- কেমন আছো? - রানি, কেমন আছো?
- সব ভালো আছে। - এটা পড়বি, হ্যাঁ।
এটা প্রয়োজনীয় জিনিস।
আমি আগে তোকে যেটা দিয়েছিলাম,পড়েছিস?
আমি ব্যস্ত আছি।
এই, চল না।
পড় তুই।
কাঁদিস না।
আমার কথা শুনছিস না কেন?
তুই এটা পড়িস নি, তাই না?
এটা পড়।
তুইও রাখ।
এবং...
শোন না।
কি হয়েছে?
কাঁদছিস কেন?
একটি রূঢ়স্বভাবের বুড়ো তার খদ্দের ছিল।
লাগানোর সময় তার হার্ট বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশ জানতে পারলে,
বিরাট গন্ডগোল হবে।
আমি কি...কোনো সাহায্য করতে পারি? তিনি কি এখনও এখানে?
ওখানে। আয়।
এই, বান্টি। দাঁড়া।
তোর মত ভদ্র পোশাক পরা এন.জি.ওর ছেলেদের আমি একদম বিশ্বাস করি না।
এই লোকটাও এসেছিল নল লাগাতে ...
নল তো লাগালো, কিন্তু জল আর আসে নি।
ওকে আমাদের মত মেকআপ করা।
আর তোদের মধ্যে যেকোনো একজনের কাপড় তাকে পরিয়ে দে।
কিন্তু আমরা কি করতে যাচ্ছি?
No comments yet. Be the first to leave one.