ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
স্যার...
স্যার!
স্যার? স্যার!
কে তুই?
চিন্তা কোরো না, তোমাকে এখনই মারবো না।
তোমাকে জিন্দা লাশের মতো বেঁচে থাকতে দেখতে চাই আমি!
তুই আমাকে কীভাবে চিনিস?
কেমন পুলিশ তুমি?
তোমার জন্যই আমি আবার খুনখারাবি শুরু করেছি।
কে তুই? বল!
আমি তোমার ছায়া।
যে ছায়া তোমাকে আলোয় আসতে দেবে না।
যদি তুমি আলোয় আসো,
আমি আবার খুন করব!
অ
অনু
অনুবা
অনুবাদ
অনুবাদ ও
অনুবাদ ও স
অনুবাদ ও সম্পা
অনুবাদ ও সম্পাদ
অনুবাদ ও সম্পাদনা
অনুবাদ ও সম্পাদনায়
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ~
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ~জা
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ~জাহি
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ~জাহিদ
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ~জাহিদ হা
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ~জাহিদ হাসা
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ~জাহিদ হাসান
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ~জাহিদ হাসান~
স্মাইল ম্যান :)
পাঁচ বছর পর
ডাক্তার!
রিপোর্ট নিতে আসেননি কেন?
আসলে...
আপনার স্ক্যান রিপোর্ট দেখলাম,
শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে,
কিন্তু,
আপনার আলঝেইমার,
আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে!
এটার সাথেই আপনাকে মানিয়ে নিতে হবে।
কিন্তু আপনি বলেছিলেন, এটা প্রাথমিক পর্যায়ে আছে।
সর্বোচ্চ এক বছর,
তারপর আপনার সব স্মৃতি মুছে যাবে।
আর এই সময়টাতেও...
আপনি নিজের কতটুকু যত্ন নেন, সেটার উপর ডিপেন্ড করবে!
তাই, যদি আপনি সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকেন,
তাহলে কিছুটা হলেও স্মৃতি ধরে রাখতে পারবেন।
এক বছর পর,
আমি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকবো।
কিন্তু,
আমার সব স্মৃতি হারিয়ে যাবে!
তাইতো?
এখন থেকে, যতকিছু করবেন বা করার পরিকল্পনা করবেন,
অনুগ্রহ করে সেগুলো রেকর্ড করে রাখুন।
আপনার সমস্ত স্মৃতি ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে,
আপনি আমাকে বাঁচাতে পারেননি, চিদাম্বরম কাকা!
সময়ের সাথে সাথে সব মুছে যাবে।
চিদাম্বরম!
আপনি ভালো একজন পুলিশ হিসেবে, সফল জীবনযাপন করেছেন!
এখনো আপনার কেস ফাইলগুলো ডিপার্টমেন্টে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এত বড় একটা দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া একটা আশীর্বাদ।
অতীত ভুলে যাওয়ার জন্য,
এই অ্যালঝেইমার হলো আশীর্বাদ!
কিন্তু আমার বেঁচে থাকাটা জরুরি।
এটাই আপাতত আমার দায়িত্ব!
এখন কোনো দায়িত্ব নেওয়া লাগবে না, ঠিক আছে, আমি যাচ্ছি।
টেনশন করে নিজেকে কষ্ট দিয়েন না, শুধু রেস্টে থাকুন!
আবার দেখা হবে!
'সর্বোচ্চ এক বছর।'
'তারপর তোমার সব স্মৃতি মুছে যাবে।'
'এখানে উপস্থিত প্রেস, পাঠক এবং লেখকদের ধন্যবাদ জানাই।'
'প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন, CB CID এর সিনিয়র অফিসার জনাব গণপতি বালান...
'এখন তাকে নিজের বই উপহার দিয়ে সম্মান জানাবেন চিদাম্বরম স্যার!'
সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই!
এখানে যেসব সাংবাদিক এবং অতিথি এসেছেন,
আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ!
আপনাদের কোন প্রশ্ন থাকলে, করতে পারেন!
স্যার, এটা আমার পড়া সেরা বইগুলোর একটি।
এতে কোনো সন্দেহ নেই, তবে এটা কিছুটা একতরফা মনে হয়।
সাধারণত, সিরিয়াল কিলাররা একটা খুন করেই ক্ষান্ত হয়না,
প্রথম খুনই তাদের দ্বিতীয় খুনের দিকে ঠেলে দেয়।
সেটা আবার তৃতীয় খুনের দিকে নিয়ে যায়!
তাই যখন তারা সিরিয়াল কিলিং চালিয়ে যায়,
নিজেদের ভেতরকার মানবতা হারিয়ে ফেলে!
তাদের প্রতি দয়াপরবশ হয়ে আমি কিছু লিখিনি!
আসলে আপনার বই সিরিয়াল কিলারদের অপমানিত করে আর উসকে দেয়!
এজন্য 'সিরিয়াল কিলার অ্যাসোসিয়েশনের' কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী!
স্যার, আপনার স্বাস্থ্য এখন তেমন ভালো নেই।
আপনার ডাক্তারও এখানে আছেন।
এই অবস্থায় এতো তড়িঘড়ি করে বই প্রকাশের কারণ কী?
কে বললো, আমার শরীর ভালো নেই? আমি একদম সুস্থ!
আমি এখানে চিদাম্বরম নেডুমারন হিসেবে এসেছি।
আমি অন্ধকার থেকে আলোতে পা রেখেছি।
এখনো আমি সম্পূর্ণ ফিট এবং অ্যাকটিভ!
শেষ চ্যাপ্টার 'দ্য স্মাইল ম্যান' খালি কেন?
অফিসার ভেঙ্কটেশ কি কুখ্যাত 'স্মাইল ম্যান'-কে মারেননি?
-তাহলে শেষ অধ্যায়টা কেন... -স্যার...
অফিসার ভেঙ্কটেশের উপর কি আপনার সন্দেহ আছে?
আপনি কি নিজের ডিপার্টমেন্টকেই বিশ্বাস করেন না?
-বলুন, স্যার। -প্লিজ, স্যার।
-স্যার, দয়া করে বলুন। -উত্তর দিন!
চিদাম্বরম কাকা...
আমাকে বাঁচান, কাকা।
স্যার, তিনি আমাদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন না কেন?
-উত্তর দিন, স্যার। -প্লিজ স্যার!
-একে একে বলুন। -উত্তর দিন।
চিদাম্বরম, আমার সঙ্গে আসুন!
-স্যার, দয়া করে বলুন। -দয়া করে চুপ করুন।
-স্যার, উত্তর দিয়ে যান! -স্যার, চলুন।
আপনি ঠিক আছেন?
হ্যাঁ?
আমি অফিসার ভেঙ্কটেশের ছেলে।
ভেঙ্কটেশ স্যারের ছেলে?
জি, স্যার। আমার নাম অরবিন্দ।
সম্প্রতিই চেন্নাই থেকে কোয়েম্বাটোর CB CID শাখায় বদলি হয়েছি।
-ওয়েলকাম, অরবিন্দ। -ধন্যবাদ, স্যার।
আমি আপনাকে পৌঁছে দেই?
ঠিক আছে। গিয়ে রেস্ট নিন!
প্লিজ, স্যার!
আপনি কি আবার ডিউটিতে ফেরার কথা ভাবছেন, স্যার?
আমাকে দেখে কি তাই মনে হচ্ছে?
না, আপনি বললেন যে, আপনি ফিট আছেন!
না, অরবিন্দ, যেই মুহূর্তে আমার দুর্ঘটনা হলো,
আমি বুঝে গিয়েছিলাম...
সবকিছু শেষ!
কিন্তু অনুষ্ঠানে তো আপনি বললেন...
আমি আমার স্মৃতিগুলো বইয়ে লিপিবদ্ধ করতে চেয়েছিলাম।
ব্যস!
আমি আপনার অবস্থাটা বুঝি, আসলে পুরো ডিপার্টমেন্টই বোঝে।
আমি কয়েকবার আপনার বাড়িতে গিয়েছি।
কিন্তু তখনো আপনি সুস্থ হননি।
- তুমি আমার বাড়িতে এসেছিলে? - জি, স্যার।
আপনার কাছে কিছু জানার ছিলো!
কী জানতে চাও?
বাবা নিখোঁজ হওয়ার দিন, কেবল আপনিই তার সাথে ছিলেন...
সেই মুহূর্ত থেকে আজ পর্যন্ত,
কেউ জানে না তিনি কোথায়।
তার কী হয়েছিলো, এটা না জানার কষ্ট, তাকে হারানোর কষ্টের চেয়েও বেশি।
সেদিনের কথা আমি কখনো ভুলতে পারবো না!
সেই স্মৃতি এতই কষ্টদায়ক যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো ন!
স্যার...
আপনার যখন মনে পড়বে, প্লিজ, আমাকে জানাবেন!
শিগগিরই তোমার সব প্রশ্নের উত্তর পাবে।
আমি এখানেই নামব।
স্যার, আপনাকে বাসায় নামিয়ে দেই?
থাক, আমার এখানে কিছু কাজ আছে।
- ধন্যবাদ। - ওকে, ধন্যবাদ স্যার।
কোথায় রাখলাম?
আজ,
আমার বই প্রকাশিত হলো,
স্যার আছেন না?
স্যার এখনো আসেননি, ওখানে অপেক্ষা করুন।
স্যার... স্যার...
তদন্তের জন্য মাথা খেয়ে ফেলছে!
এক্সকিউজ মি!
স্যার, আপনি কিসের জন্য অপেক্ষা করছেন?
আমার বদলি হয়েছে, স্যারের সাথে দেখা করবো।
স্যার কেবিনে আছেন, গিয়ে দেখা করুন।
- ভেতরে আছেন? - কীর্তনা,
আমরা তো বললাম, স্যার নেই, অপেক্ষা করুন!
উনি বললো, ব্যস্ত আছে!
এই লোক কে?
দেখি তো।
- কী ব্যাপার পিচুমণি? - স্যার, উনি আপনার খোঁজ করছিলেন...
আমি পথ দেখিয়ে নিয়ে এলাম!
তুমি যেতে পারো।
স্যার!
ওয়েল কাম, অরবিন্দ! বসো!
ধন্যবাদ, স্যার।
তোমার বাবা যেই কাজ দেখিয়েছে, তার অর্ধেক দেখাতে পারলেই....
আমাদের ব্রাঞ্চ রাজ্যে সেরা হয়ে যাবে!
- অবশ্যই, স্যার। - এখানে তুমি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারো!
তোমার যেই ব্যাকগ্রাউন্ড, তুমি চাইলে এই বদলি বাদ দিতে পারতে...
তেমন কিছু না স্যার, আমি নিজ শহরে কাজ করতে চেয়েছি!
ঠিক আছে।
- আজই জয়েন হয়ে যাও! - ঠিক আছে, স্যার।
তোমার জন্য শুভকামনা রইলো।
- ধন্যবাদ, স্যার। - ঠিক আছে।
স্যার! আপনি....
- কেমন আছো, বীরাইয়া? - ভালো আছি, স্যার, ভিতরে আসুন।
দিনকাল কেমন চলছে?
কাজ ছাড়া বড্ড একঘেয়ে লাগছে, স্যার। এটাই একমাত্র সমস্যা।
বসুন, স্যার, আপনার জন্য কি আনবো?
- কফি নিয়ে আসি? - না, বসো।
- তোমার জন্য একটা কাজ আছে। - আমার জন্য কাজ?
কিসের কথা বলছেন, স্যার?
- বসো। - মনমতো কাজ পাওয়া তো বড্ড কঠিন, স্যার।
বীরাইয়া...
কাজের রেজাল্ট দেখলেই বোঝা যায়, সেটা আমাদের পছন্দ কি না!
দাঁড়াও, বীরাইয়া।
- কী ব্যাপার, স্যার? - বসো।
বীরাইয়া, আদালতে চাকরি করার সময়,
নিশ্চয়ই এমন অনেক ভয়ংকর অপরাধী দেখেছো, যাদের মরাই উচিত ছিল,
কিন্তু টাকা আর ক্ষমতার জোরে আইনকে ফাঁকি দিয়ে বেরিয়ে গেছে।
এমন চারজনের তথ্য এনে দাও আমাকে।
চারজন? এমন চল্লিশজনের তথ্য দিতে পারি!
এটা রাখো।
No comments yet. Be the first to leave one.