ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
সারাহকে আমার ভালোবাসা দিও।
একাধিক ক্ষতচিহ্ন।
আমার মেয়ে, বয়স পাঁচ বছর।
হেই। সব ঠিক হয়ে যাবে।
তুমি হাসপাতালে আছ।
কষ্ট হচ্ছে?
কিছু একটা দিতে পারি তোমাকে।
এলি!
এলি! এলি!
এইযে।
সব ঠিক আছে।
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
কত ব্যথা হচ্ছে? এক থেকে দশের মধ্যে?
- একটুও না। শূণ্য। - শূণ্য।
এর চেয়ে বেশি কিছু চাওয়ার নেই।
ঠিক আছে। শেষ ফিজিকাল টেস্ট।
দেখো অবস্থা।
হ্যাঁ।
ঠিক আছে।
আজকেই সেই দিন।
- আমি কি তাহলে... - প্রায়।
আরেকজনের সাথে দেখা করে চলে যেতে পারবে।
ওহ অসহ্য।
- কী অবস্থা? - ভালো।
দ্রুত বলার মানে অবস্থা ভালো নয়।
বেশ, আবার জিজ্ঞেস করো।
কী অবস্থা তোমার, এলি?
একটু সময় দাও।
খুব জটিল অবস্থা, বিবিধ অনুভূতির জন্য।
ঠিক আছে।
ওহ, এমন করো কেন, সেই তখন থেকে...
হ্যাঁ, ওর কথা মনে পড়ছে। ও আমার কাছের মানুষ ছিল।
তাই হ্যাঁ। মন খুব খারাপ।
সেটাই।
কিন্তু আমি আসলে নববর্ষের দিনের কথা ভাবছিলাম।
নাচার সময়ে তোমাদের উত্তপ্ত বাক্যালাপ হলো।
ওটাই কি ওর সাথে তোমার শেষ কথা?
হ্যাঁ।
বাড়ি ফিরে দেখি ও বারান্দায় বসে আছে।
আমার ওর সাথে কথা বলা উচিত ছিল, কিন্তু বলিনি।
- সেজন্য আফসোস হয়। - হ্যাঁ, তা তো হয়ই।
কিন্তু কারো সাথে কাটানো শেষ মুহূর্ত তো আর তার সাথে কাটানো সবটুকু সময়কে তুলে ধরে না।
তা ধরা উচিত না, কিন্তু মাঝে মাঝে তেমনটাই হয়।
জোয়েল মৃত্যুর আগে বলেছিল, ও
তোমার সাথে অবিচার করেছে।
খারাপ কিছু মনে হয়।
ও আসলে কী করার কথা বলেছিল?
সেটাই কথা, এর কোনো মানে বোঝা যাচ্ছে না।
ও বলত, "আমি ওকে বাঁচিয়েছিলাম।"।
ও আমাকে অনেকবার বাঁচিয়েছে।
হ্যাঁ, আমারও তাই মনে হয়। সেটা তো অবিচার নয়।
অদ্ভুত কথা।
ওর কথার মানে বুঝছি না আসলে।
আমার তো নিজেকে অবিচারিত মনে হচ্ছে না।
আহহা, ও কী নিয়ে টানাপোড়েনে ছিল,
তা থেকে যদি ওকে মুক্তি দিতে পারতাম।
এখন অন্তত নিজেকে এই দায়ভার থেকে মুক্তি দিতে হবে।
তুমি বেশ ভালোই আছ।
সবাই যদি তোমার মতো শক্ত হতে পারে, তাহলে মদ আর গাঁজা কার কাছে পাবো?
গেইল, চিন্তা নেই, এখনো বহুত ভগ্ন মানুষজন আছে।
- এই শহরে। - হ্যাঁ।
তুমি না অবশ্য।
এলি?
বাল।
হ্যাঁ, আসছি।
হাসপাতালে গিয়েছিলাম।
কখন ছাড়ল তোমাকে?
- ত্রিশ মিনিট আগে। - বাহ।
ওরা আমাকে গেইলের সাথে কথা বলিয়েছে।
আমার বলা হয়নি...
তুমি অনেকবার দেখা করতে এসেছ,
তোমাকে ধন্যবাদ দেয়া উচিত ছিল।
তা ঠিক আছে। তুমি হলেও আমার জন্য এটা করতে।
- হ্যাঁ, এত ঘন ঘন হয়তো না। - হ্যাঁ, তা অবশ্য ঠিক।
তোমার জন্য কুকি বানিয়েছি।
- এমনি? - না।
এটা একটা শান্তিচুক্তি।
কারণ আমি এখন যা বলব, তাতে তুমি রেগে যাবে।
হাসপাতালে,
ঐদিনের কথা যখন জানতে চেয়েছিলে,
বলেছিলাম, আমি তেমন কিছু জানি না।
কথাটা সত্যি নয়।
আমি ওদের বেশিরভাগেরই নাম-ধাম জানি।
প্লিজ একটু শোনো। ডাক্তারেরা তোমাকে রাগাতে নিষেধ করেছে।
- তাতেই কী! - আমি জানতাম, ওরা কোথায়,
সেটা তোমাকে বললে তুমি নিজের টিউব খুলে ফেলতে,
দরকারে হামাগুড়ি দিয়ে সেখানে পৌঁছাতে।
তাতে কী!
তুমি আমাদের সময় নষ্ট করেছ, ওদের পালাতে দিয়েছ।
প্রথমত,
ধ্বংসস্তূপ আর শবদাহ সামলে উঠতেই শহরের কয়েক সপ্তাহ লেগেছে।
কেউ কাউকে ধাওয়া করতে পারত না।
তারপর আমার মনে হলো, কাউকে খুঁজে বের করতে চাইলে
যদি তাদের গন্তব্যস্থল জানা থাকে,
তবে তাদের সেখানে যেতে দেয়া উচিত।
আমিও কিন্তু ওকে ভালোবাসতাম।
বেশ, শুরুতে নামগুলো বলো।
কালোচুলোর নাম ম্যানি। অপরজন ওয়েন।
মেয়েদের একজনের কালো চুল, অপরজন ন্যাড়া,
ওদের একজনের নাম নোরা, কার জানি না।
মাথায় বেনি করা মেয়েটার নাম?
অ্যাবি।
অ্যাবি।
ওরা কোথা থেকে এসেছে?
ব্যাকপ্যাকে একটা প্যাচ দেখেছি।
হলুদ ত্রিভুজ, নেকড়ের মাথা।
W-L-F অক্ষরগুলো লেখা ছিল।
এরপর ইউজিনের বলা একটা গল্পের কথা মনে পড়ল, ও যখন ফায়ারফ্লাই ছিল তখনকার ঘটনা।
পশ্চিমের বিভিন্ন ছোট ছোট অঞ্চলভিত্তিক দলের কথা বলেছিল ও,
সবাই একসাথে ফেডরার বিরুদ্ধে লড়তে চায়।
ও বলেছিল, ওরা কত বোকা। সবাই এক হলেই পারে।
একটা গ্রুপের নাম ছিল ওয়াশিংটন লিবারেশন ফ্রন্ট।
সিয়াটলের বাইরের।
W-L-F মানে উলফ।
হারামির দল।
- কত ছোট সেটা বলেছিল? - না।
কিন্তু ওদের কথা তো পরে আর কেউ বলেইনি।
তারমানে বেশি না, আমরা সামলাতে পারব।
আর কে জানে?
শুধু আমরা দুইজন।
তোমার আগে আর কাউকে বলিনি।
তাহলে এখন কী?
বলো?
একটু ভেবে দেখি।
কী ভেবে দেখবে? চলো ওদেরকে মারি।
এলি, ব্যাপারটা অত সোজা না।
শহরের এখনো বাজে অবস্থা।
- তোমারও। - তুমি কী অবস্থায় আছ তা বুঝছি...
না, আমি কী অবস্থায় আছি তুমি বুঝছ না। তুমি কী অবস্থায় আছ তাও আমি বুঝছি না।
তোমার সাথে এমনটা হলে সূর্য ওঠার আগে
- সিয়াটলে যাবার রাস্তা অর্ধেক পাড়ি দিয়ে ফেলত জোয়েল। - আমার জীবন বাঁচানোর জন্য
সিয়াটলে যাবার রাস্তা অর্ধেক পাড়ি দিত জোয়েল।
কিন্তু আমরা কাউকে হারালে তা পারত না।
তখন ও ভেঙে পড়ত, নিজেকে দোষ দিত।
এ জিনিস বহুবার দেখেছি আমি।
এমনভাবে কথা বলবে না যে, আমি ওকে চিনতাম না।
ও ছিল আমার ভাইয়ের মতো।
তোমার একাজ করা উচিত না, তা তো বলছি না।
কিন্তু দল বানাতে গেলে
ঠিকমতো বানাতে হবে। মারিয়াকে বলা লাগবে।
হ্যাঁ, তা তো খুবই জরুরি।
ও একটা কাউন্সিল মিটিং ডাকবে। শহরের সবাইকে বলবে।
সবার কথা শোনা হবে।
তুমি আমাদের পক্ষ নেবে তো?
অবশ্যই।
এদিকে এসো।
আর কখনো আমার কাছে তথ্য গোপন করলে
এক মাস ধরে পশুবর্জ্য পরিষ্কার করাবো।
ঠিক আছে।
এলি।
আমরা শহরের দশ মাইল দক্ষিণে লাশ দাফন করেছি।
চাইলে কবর দেখে আসতে পারো।
যখন সিয়াটলে যাব তখন।
কী?
"কেউ পিছু নেয়নি। সব ঠিক আছে। যেতে থাকো।"
ভালো।
আমরা থিতু হবার পরে তোমাকে শিস দেয়া শেখাবো।
আমরা কোথায় যাচ্ছি বলছ না কেন?
কারণ তা আমরা এখনো জানি না।
কেন যাচ্ছি তা তো বলেছি।
জানি, কিন্তু ও আমাদের নিরাপদ রাখতে পারবে না কেন?
ভবিষ্যদবক্তা?
কনস্ট্যান্স, ও দশ বছর ধরে মৃত। আমি তার ওপর ভরসা করি না।
কিন্তু এজরা বলেছে ভবিষ্যদবক্তা চিরায়ত।
এক দিক দিয়ে তাই।
কিন্তু জাদুকর না।
তারা যে সত্য দেখে, তা সবাই দেখে না।
আর তারা যেকোনো মূল্যে সেই সত্য প্রচার করে।
আমাদের জনকেও মূল্য দিতে হয়েছে।
হ্যাঁ।
সেজন্যই আমরা তার বাণীকে বাঁচিয়ে রাখছি।
তার কথা মানছি, নিজেদেরকেও নিরাপদ রাখছি।
একটা হাতুড়ি দেয়া যাবে?
ঠিক আছে।
তোমার কি নিজেকে নিরাপদ লাগছে?
হ্যাঁ।
ভালো।
শোনো, আমরা তোমাকে এখন যা দিচ্ছি,
তা তোমাকে হাতুড়ির চেয়ে অনেক বেশি নিরাপত্তা দেবে।
দূরত্ব দেবে।
বাড়ি থেকে।
যুদ্ধ থেকে।
আড়ালে যাও!
পিশাচ?
নেকড়ে।
ঠিক আছে।
ভালো। এখন দিক বদলাও।
ডান পাশে কেবল।
কিন্তু এই দিকে ব্যথা তো।
খেয়াল করেছি।
- করো। - ঠিক আছে।
জোরে।
জোরে!
শেষ পাঁচ।
এইতো, ঠিক আছে। আজকের মতো এটুকুই।
ঠিক আছে।
তো, কী মনে হয়?
গত তিন মাস বসে ছিলে,
সেই হিসেবে অবাক করেছ।
No comments yet. Be the first to leave one.