When Life Gives You Tangerines

When Life Gives You Tangerines (폭싹 속았수다)

Bengali സബ്ടൈറ്റിൽ ഡൗൺലോഡ് ചെയ്യുക

സീസൺ 1

റിലീസ് വിവരങ്ങൾ

When Life Gives You Tangerines (2025) S01 E01 Bangla Subtitle By Ayaan
കമന്ററി എഴുതിയത് ayaan_sohan
𝐍𝐄𝐓𝐅𝐋𝐈𝐗

ടാഗുകൾ

other
when_life_gives_you_tangerines_(2025)_s01_e02_bangla_subtitle_by_ayaan
𝐍𝐄𝐓𝐅𝐋𝐈𝐗
പ്രസിദ്ധീകരിച്ചത്: 2025-03-12
ഡൗൺലോഡുകൾ: 900
ശ്രവണ വൈകല്യമുള്ളവർക്ക്: No

Bengali സബ്ടൈറ്റിൽ പ്രിവ്യൂ

ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.

EPISODE- 1 Bangla Subtitle By Ayaan Sohan

ওহ, আমার আল্লাহ !

ঠিক আছে, কবিতা সহজও হতে পারে।

শুধু মনের কথা লিখে ফেলো।

ব্যস, এতটুকুই!

ওক-সিম, আমাদের খাবার বানাও

আমার দিকে তাকাও, আমাকে খাওয়াও

হেই, মা

খাবার, খাবার, খাবার

"ওক-সিম, আমার জন্য খাবার বানাও" বলা বন্ধ করো

আমি তো সারাজীবন রান্না করেই কাটিয়ে দিলাম

তুমি আসলে কোন কথাগুলো সবসময় বলতে চাও?

"বড়দের সম্মান করো" - লি বিয়ং-সন

দৃষ্টিও ঝাপসা, কানও বধির হয়ে আসছে

সন্তানরা...

আমাকে ধীরে ধীরে শেষ করে দিচ্ছে

দয়া করে মাঝে মাঝে দেখতে এসো

এখনও কেউ একটাও শব্দ লেখেনি।

শুধু যা মন থেকে আসে তাই লিখে ফেলো।

এভাবেই জীবনের কবিতা লেখা হয়।

যদি তখন জানতাম...

যে একদিন ৭০-এ পৌঁছাবো

তখন জানতাম না...

...যে ৭০ বছর বয়সে সবচেয়ে বেশি যে শব্দটি বলতে চাই

সেটাই যা প্রতিদিন হাজারবার বলেছি

মা।

মা।

হেই, মা।

মা!

মা!

মা!

হেই, মা! হেই!

বেরিয়ে এসো, মা! তাড়াতাড়ি!

তুমি সবসময় এত দেরি করো কেন?

ওহ, চল না!

আমার চেয়ে অ্যাবালোনগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ?

তুমি আবার নিচে গেলে কেন?

শুধু আমাকে বিরক্ত করতে?

মা! চলো!

বসন্তে সমুদ্রের নিচে শৈবাল ছড়িয়ে থাকে।

ওই মহিলা কিছুতেই আসবে না।

হেই, এ-সান, তোমার মাকে একটু ছাড় দাও।

বরং মিস্টার ইয়াং-এর মুখের দিকে তাকাও!

এটা শুধু রোদে পোড়া!

ওহ, কিছু একটা ঠিকই জ্বলছে!

শুধু এ-সান সেটা দেখছে না!

তুমি কি এটা কল্পনা করতে পারো?

একজন হাইনিও -এর মেয়ে, মাছের ব্যবসায়ীর সাথে বিয়ে করবে?

জেজুর পুরো ব্যবসাই ধ্বংস হয়ে যাবে!

তোমরা খুবই বিরক্তিকর!

তোমার গাল সবসময় লাল কেন?

সে আবার তাকে ফিরিয়ে দিল।

আমার মা যদি আমার বদলে একটা অ্যাবালোন জন্ম দিত, বোধহয় ভালো হতো।

মিস্টার ইয়াং।

এখানে দুটো শঙ্খ আছে, এটা নিন।

আমাদের জন্য ভালো একটা দাম রাখবেন, ঠিক আছে?

হ্যাঁ, ম্যাডাম।

তুমি কি ড্রাগন কিং-এর হলের নিচে সাঁতার কেটে ঐ শৈবাল আনতে গিয়েছিলে?

সমুদ্র নয়, হাইনিও -দের লোভই ডুবিয়ে মারে।

লোভ সমুদ্রের চেয়েও ভয়ংকর, আর এটাই সত্যি।

যাই হোক, হালিমের দিদিমা কেমন আছেন?

তার ফুসফুস আর ভালো হবে না।

সে শুধু এই ব্যাগের ভেতর যা আছে, সেটার ওপর নির্ভরশীল।

তাই তাকে বাঁচিয়ে রাখা আমাদের দায়িত্ব, তাই না?

এতে কি শুধু শৈবাল আছে?

মা অন্তত কয়েকটা অ্যাবালোন চাইবে।

ওখানে কিছু আছে, দেখো।

বসন্তকালে অ্যাবালোনগুলো ছোট থাকে।

ওদের জন্য খাবারেরও অভাব থাকে।

তুমি যা চাও, সব নিয়ে নাও!

আবার মেজাজ দেখাচ্ছে!

হালিমের দিদিমার তিন ছেলে আছে।

আমরা কেন তাদের খাওয়ানোর দায়িত্ব নেব?

আমি প্রতিদিন জীবন বাজি রেখে ঐ সমুদ্রে ডুব দিই,

শুধু নিজের সন্তানদের জন্য।

অন্য কারো পরিবার চালানোর জন্য আমি অ্যাবালোন খুঁজে বেড়াই না!

তুমি কি নিজেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভাবো?

কে তোমাকে এসব শিখিয়েছে?

তোমার সন্তানদের খাওয়ানোর জন্য তুমি কার কাছে ঋণী?

আমার সন্তানরাও আমার পরিশ্রমের ওপর নির্ভরশীল, ঠিক তোমার মতো।

আমরা একজন অসুস্থ বৃদ্ধাকেও সাহায্য করতে পারছি না!

আমি আমার অ্যাবালোন ছাড়ব না।

ভাবতেই রাগ লাগে! নিশ্চিত করে গুনে দাও!

তুমি কি জানো, তাকে প্রথমে কী অসুস্থ করেছিল?

একদিন যদি তুমি বিছানায় পড়ো, আমরা তখনও একই করব।

আমি কখনো বিছানায় পড়ব না!

হাইনিও -রা একসাথে বাঁচে, একসাথেই মরে।

যদি তোমরা এতই মহৎ হও, তবে ড্রাগন কিং-এর দরকার কী?

আমি ভেবেছিলাম নতুন স্বামী তোমাকে তৃপ্ত করবে,

কিন্তু তুমি আগের চেয়েও লোভী হয়ে গেছ!

তুমি কীভাবে ঐ অলস লোকটাকে আদর করো

আর ভাবো তোমার অ্যাবালোনগুলো সাংগুন -এর জন্য যথেষ্ট ভালো?

আমরা দুজনেই গরিব অবস্থায় এখানে এসেছিলাম।

অন্তত আমি জানি, কে আমাদের ডুব দেওয়া শিখিয়েছে।

যদি তুমি হালিমের দিদিমার অবদান সম্মান না করতে পারো,

তবে তুমি একটা শামুকের চেয়েও মূল্যহীন।

যদি তুমি এতই ভালো হও, তাহলে তোমার স্বামীর মুখ পক্ষাঘাতগ্রস্ত কেন?

এটা ঠান্ডায় ঘুমানোর জন্য হয়নি!

সে না খেতে পেয়ে এমন হয়েছে!

তুমি কি বলবে আমি ভুল?

তুমি আমার সাথে এমনভাবে কথা বলতে পারো না!

তুমি আমার চেয়ে ভালো নও!

অন্তত আমার দুই পুরুষের থেকে সন্তান নেই!

- শান্ত হও! - গিয়ং-জা!

- যথেষ্ট! - আবার শুরু হলো!

সে সবসময় যাওয়ার আগে ঝগড়া বাঁধিয়ে দেয়!

কী-- হেই, কী হলো?

তুমি কী...

উফ! তুমি একটা দুষ্টু! এটা কেন করলে? ধুর!

আহ! আমার শঙ্খগুলো সব ছড়িয়ে ফেলেছ! ভীষণ বিরক্তিকর তুমি!

উফ!

আমি কেন ওকে সাথে করে আনলাম?

- কী অপচয়! সব নষ্ট হয়ে গেল! - পাফার ফিশকে বিরক্ত করলে এমনটাই হয়।

যখন কেউ বাঁচার জন্য লড়াই করছে, তখন তার পথে বাধা দিও না।

বাহ, কী অপচয়!

তোমার অলস স্বামীটাকে লাথি দিয়ে বের করো না কেন?

আমার ধরা জিনিসের ওপর বিরক্তি ঝাড়ার বদলে!

এক সেকেন্ডের জন্যও মেয়ের কথা ভাবো না তুমি।

আমি পুরস্কার জিতেছি, আর তুমি শুধু শামুক নিয়ে ভাবছ!

একটা কবিতা দিয়ে কী হবে?

কবিতা লিখে কি সংসার চলে?

মা, তুমি এটা পড়ছ না?

স্কুলে এটা দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে।

দিদিমার কাছে নিয়ে যাও।

ওরা তো পড়াশোনা পছন্দ করে, তাই না?

তার কাছে দেখাও আর বলো, "দয়া করে আমাকে স্কুলে থাকতে দাও।"

দিদিমা আমাকে পছন্দ করে না।

সে বলে আমি দিনে দিনে তোমার মতো হয়ে যাচ্ছি।

তাই সে আমাকে সহ্য করতে পারে না।

তোমার নিজের বাড়িতে রাতের খাবার খাও।

ওদের বলেছি তোমার সাথে খাব।

যাও, তোমার সৎবাবা আসছে।

কে ভাবছে ওকে নিয়ে, মা?

আমি কি এখানে খেতে পারি না?

তোমার তুলে আনা লাল শৈবালের সাথে একটা শঙ্খ চাই আমি।

ওদের মতে মেয়েদের ওদের বাড়িতেই খেতে হয়।

মামা তো আমাকে একটা হলুদ ক্রোকারও দেয় না।

সে দেয় না মানে?

সে বলে আমি ভালো গ্রেড আর পুরস্কার পেয়ে

তার ছেলের ভাগ্য নষ্ট করছি!

সে বলে ওহ জং-গু ক্লাসে খারাপ করছে আমার জন্য।

কিন্তু হলুদ ক্রোকারটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা না...

সে আমাকে কীভাবে ব্যবহার করে সেটাই...

এটা ঠিক না।

এতো খারাপ লাগে যে খেতেও পারি না।

প্রতিবার ওখানে গেলে,

ভীষণ কষ্ট পাই।

দয়া করে, মা, আমি কি তোমার কাছে থাকতে পারি?

পারবো?

কখনো হয়তো?

- কখনোই না? - তুমি এতো কষ্ট পাচ্ছ কেন?

কিছু ভুল করেছ নাকি?

এভাবে চললে কেউ তোমাকে ভালোবাসবে কীভাবে?

যাও।

যাও বলছি!

নিজেকে রক্ষা করতে শেখো। ওদের ভালোবাসার উপায় বের করো!

দেখো, সান-এ আবার এসেছে।

এ-সান, সান-এ না!

তুমি কি বোকার মতো কথা বলছ?

এ-সান, ঠিক আছে।

রাতের খাবারের জন্য থাকছো?

না, আমি বাড়ি যাচ্ছি।

ঐ দুষ্টু মেয়েটা!

বাবা, একটু পানি খাও।

ধন্যবাদ।

সে সবসময় ভীষণ বিরক্তিকর।

সিগারেট তোমাকে শেষ করে দেবে, মা।

হাইনিও তো তাদের ফুসফুসের ওপর নির্ভর করে। তুমি কি মরতে চাও নাকি?

তাকে আমাদের সাথে থাকতে দিতে চাও না কেন?

শোনো, এখানে ও অনেক ভালো থাকবে।

তুমি নিশ্চয়ই এটা বুঝতে পারছো?

তুমি তো নিজের পরিবারের জন্য কিছুই করো না, নিজের কাজটা করাই ভালো।

ওকে বড় করার মতো আমাদের টাকা বা জায়গা কিছুই নেই।

আমাদের যে ছোট্ট কুঁড়েঘর ভাড়া, সেটাই খুব টাইট হয়ে গেছে।

একটা শিশুর জন্য মায়ের আলিঙ্গন চাওয়াটা দোষের কিছু?

তুমি এত ভাবছো কেন? ওকে তো গরুর চেয়েও কম ভালোবাসো।

তুমি কি চাও সে তার সৎভাই-বোনদের দেখাশোনা করুক?

ও তোমার জন্য সবসময়ই পরিবার থাকবে।

শোনো, আমরা এখানে শুধু এটাই নিশ্চিত করতে এসেছি যেন তুমি ওর কাছাকাছি থাকতে পারো।

ও যখনই সুযোগ পায়, এখানে চলে আসে।

ও তোমার সাথে থাকতে মুখিয়ে থাকে, আর তুমি ওকে জোর করে দূরে রাখছো!

তুমি শুধু ওর হৃদয় ভাঙার প্রস্তুতি নিচ্ছো।

ওখানে টাকা আছে, অন্তত ও ভালো একটা শিক্ষা পাবে।

কিন্তু একটা মেয়ে পড়ে কী করবে? শুধু হতাশাই পাবে।

ওহ!

হাইনিও -রা কি কিশোর বয়সেই ডুব শিখতে শুরু করে না?

তুমি কি নিজের মেয়ের ক্ষেত্রেও এটাই বলবে?

ওর জন্য এটাই কি তুমি চাও?

তোমরা দ্বীপের মেয়েরা সবকিছু নিয়েই তর্ক করো!

আমি কখনো ওকে ডুবতে দেব না।

হাইনিও হওয়ার চেয়ে গরু হয়ে জন্মানো ভালো।

আমার প্রতিদিন কঠিন পরিশ্রম করতে হয়, তবুও কিছু পাই না!

আমরা যা সহ্য করি, তা অকল্পনীয়।

এখানে থাকলে ওর কী লাভ হবে?

ও তো খুবই নরম, শেষে তোমার দাসী হয়ে যাবে।

তাহলে আমি এটা ফেলে দিচ্ছি।

এটা পড়লে তোমার হৃদয় ভেঙে যাবে।

থামো! তুমি এটা ভাঁজ করে ফেলছো!

একজন বিজয়ীর সাথে এমন ব্যবহার করা ঠিক না। এটা দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে!

ওখানে, ওখানে!

അഭിപ്രായങ്ങൾ (1)

  • nadiamasha
    Thank you so much ❤️
Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left