ആദ്യത്തെ 137 വരികൾ.
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
বাহ, তুমি জেগে আছ?
আমি কোথায়?
পরীক্ষার চূড়ান্ত ধাপ যেখানে হচ্ছে, তার পাশের এক ওয়েটিং রুমে।
ঠিক আছে তাহলে...
ঠিক, আমি হান্টার পরীক্ষার মধ্যে ছিলাম।
তোমার বাহু দ্রুত সেরে যাবে।
হাড়টা একদম নিখুঁতভাবে ভাঙা হয়েছে।
সত্যি বলতে, সেরে যাবার পরে এটা আগের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে যাবে।
যাই হোক,
এক্সামে পাশ করার জন্য অভিনন্দন।
মিস্টার সাতোতজ, আমি...
তুমি পারবে না।
এক্সামে ফেইল করা কেউ যেমন পাশ করতে পারবে না,
তেমনি পাশ করা কেউও ফেইল করতে পারবে না।
বাকিটা তোমার ওপর।
যদি মনে হয় তুমি এই ক্ষেত্রে পেশাদার হতে পারবে না,
তবে চাইলে নিজের লাইসেন্সটা লুকিয়ে বা নষ্ট করে ফেলতে পারো।
চাইলে বেচেও দিতে পারো,
কারণ কেউই এটা আর ব্যবহার করতে পারবে না।
যা হোক,
এই এক্সামে পাশ করা কেউ আর এই এক্সামে অংশ নিতে পারবে না।
পেশাদার হান্টারদের মর্যাদা অনেক।
এর জন্য অবদান রেখেছেন আমাদের পূর্বসূরীরা।
তাই অনেক প্রতিযোগী লোভে পড়ে অংশ নেয়।
এরকমটা না হলে,
যারা আবেদন করেছে, তাদের সবাইকে সুযোগ দিতাম আমরা।
বেশিরভাগ পেশাদার হান্টারেরা এই কার্ডকে
নিজের জীবনের চেয়ে বেশি মূল্যবান বিবেচনা করে,
একইসাথে আবার এটাকে অর্থহীন একটা কাগজের টুকরোও ভাবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো,
একজন হান্টার হবার পরে তুমি কী অর্জন করলে, সেটা।
আমি যা অর্জন করেছি...
গন,
এই কার্ডটা কবে ব্যবহার করবে, সেটা তোমাকেই ঠিক করা লাগবে।
তোমার বিচারবুদ্ধির ওপর বিশ্বাস আছে আমার।
ঠিক আছে।
অনেক মানুষ আমাকে এই পর্যায়ে আসতে সাহায্য করেছে।
সেই ঋণ শোধ করার পরে আমি এটা ব্যবহার করব।
এখন তোমাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
ধন্যবাদ, মিস্টার সাতোতজ।
অন্য প্রতিযোগীদের কী অবস্থা?
এক্সাম এখনো চলছে, তাই না?
না, এক্সাম এখন শেষ।
সত্যিই?
হ্যাঁ, তুমি পুরো একদিন ঘুমিয়ে কাটিয়েছ।
সত্যিই?
যারা পাশ করেছে তাদেরকে এ মুহূর্তে ছোট একটা পরিচয়পর্ব দেয়া হচ্ছে,
তুমি সেটায় পরে অংশ নেবে।
কে ফেইল করেছে?
ফেইল করেছে...
কিলুয়া।
ও কেন ফেইল করেছে?
তুমি অজ্ঞান হবার পরে কী হয়েছে,
সেটা বলি আগে।
তাহলে বুঝবে আসলে কী ঘটেছে,
তুমি অজ্ঞান হয়ে যাবার পরে...
ও জেগে ওঠার পরে হয়তো নিজের লাইসেন্স ব্যবহার করতে অস্বীকৃতি জানাবে।
গন এরকম কাজ করারই মানুষ।
একমাত্র একজনই এই রাউন্ডে ফেইল করবে, তাই না?
গন ফেইল করলে আমাদের বাকিদের যুদ্ধগুলো অর্থহীন হয়ে যাবে না?
চিন্তা কোরো না, গন পাশ করেছে।
ওর কোনো কথাই তো এটা বদলাতে পারবে না।
গন রেগেমেগে আমাকে মারতে গেলেও
আমরা ওর লাইসেন্স বাতিল করতে পারব না।
খুব ভালো।
তুমি ওকে জিততে দিলে কেন?
ওকে জিততে দিলাম কেন?
আমি নিশ্চিত তুমি জানো কীভাবে গনকে খুন না করে তাকে আত্মসমর্পণ করাতে হয়।
তোমার সেই দক্ষতা আছে।
আমি যখন কাউকে অত্যাচার করি,
তখন ধরেই নেই যে, সে বাকি জীবন আমাকে ঘৃণা করে যাবে।
এতে কাজটা হয়, আমার মনেও চাপ কম পড়ে।
কেউ কখনো কষ্টে থাকলে
যে কষ্ট দিয়েছে তাদের প্রতি সে বিষদৃষ্টিতে তাকায়।
প্রচুর ট্রেনিং এর পরেও
এই ঘৃণা আর রোষময় দৃষ্টিকে চেপে রাখা কঠিন।
কিন্তু গনের চোখে কোনো ঘৃণা ছিল না।
তোমার এটা বিশ্বাস হয়?
আমি একটু আগেই ওর হাত ভেঙে দিয়েছিলাম।
কিন্তু ওর চোখজোড়া সাথে সাথে সেই কথা ভুলে গিয়েছিল।
বলতে পারো, বাচ্চা ছেলেটা আমার মন জয় করে নিয়েছিল।
এই হলো কারণ।
গন, তুমি তোমার প্রতিপক্ষের মন জয় করে নিতে পেরেছ।
স্বয়ং হানজো এই কথা বলেছে।
তারপর দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু হলো।
দ্বিতীয় ম্যাচ হলো কুরাপিকা আর হিসোকার মাঝে।
শুরু করো!
তারা দুইজন কিছুক্ষণ লড়ার পরে...
কী—
আমি হেরে গেছি।
আর কুরাপিকা জিতল।
হিসোকা কী বলল?
আমি জানি না।
কিন্তু হিসোকা হার মেনে নিয়েছিল।
তৃতীয় ম্যাচ হলো হানজো আর পোকলের মধ্যে।
পোকল ঠিক তোমার মতো পরিস্থিতিতেই পড়েছিল।
কিন্তু ও সাথে সাথে হার মেনে নিয়েছিল।
দুঃখিত, আমি তোমাকে ছাড় দেবো না।
তাতে ফলাফল নির্ধারিত হয়ে গেল।
চতুর্থ ম্যাচ হলো হিসোকা আর বোদোরোর মধ্যে।
ম্যাচটা ছিল পুরোপুরি একপেশে।
কিন্তু বোদোরো হাল ছাড়তে রাজি হচ্ছিল না।
যাহোক, বোদোরো যখন মাটিতে ভূপাতিত হয়ে ছিল,
তখন হিসোকা ওর কানে কানে কী যেন বলে।
আর বোদোরো হার মেনে নেয়।
পঞ্চম ম্যাচ হলো কিলুয়া আর পোকলের মাঝে।
কিন্তু লড়াই শুরু হওয়ার সাথে সাথে কিলুয়া নিজেকে সরিয়ে নেয়।
আত্মিবিশ্বাসের সাথে ঘোষণা করে...
দুঃখিত, আমি তোমার সাথে লড়তে আগ্রহী নই।
ও মনে হয় ভেবেছিল যে ও এর পরের ম্যাচটা জিততে পারবে।
যাহোক,
বোদোরো যাতে সেরে উঠতে পারে সেজন্য
ষষ্ঠ ম্যাচটা একটু পিছিয়ে দেবার অনুরোধ করে লিওরিও।
তাই কিলুয়া আর গিতারাকুর প্রথমে লড়াই শুরু করে।
শুরু করো!
সেইসময়ে কিলুয়া একটা ভয়ানক ভুল করে বসে।
অনেকদিন পর দেখা, কিল।
ভাই...
হাহ? গিতারাকুর কিলুয়ার ভাই?
হ্যাঁ, ওর নাম ইলুমি।
হেই।
কিলুয়ার ভাই?
ও ঐ সুঁইগুলো দিয়ে নিজের মুখের আকার বদলিয়ে রাখত?!
শুনলাম তুমি মা আর মিলুকিকে ছুরি মেরেছ।
হ্যাঁ।
মা কান্না থামাতে পারছিল না।
নিজের ছেলে এরকম করলে যে কেউই কাঁদবে।
আনন্দের কান্না।
তোমাকে বেড়ে উঠতে দেখে খুব খুশি হয়েছিল সে।
কিন্তু তুমি ঘর ছেড়েছ বলে চিন্তায় ছিল মা,
তাই সে আমাকে বলল তোমার খোঁজ নেয়ার জন্য।
কী কাকতালীয় ব্যাপার!
তোমার হান্টার হবার ইচ্ছা আছে, জানতাম না।
আমার পরের কাজের জন্য একটা লাইসেন্সের চেষ্টা করছি আমি।
আমি আসলে হান্টার হতে চাই না।
No comments yet. Be the first to leave one.