Head-on (Gegen die Wand)

Head-on (Gegen die Wand) (Gegen die Wand)

Bengali സബ്ടൈറ്റിൽ ഡൗൺലോഡ് ചെയ്യുക

റിലീസ് വിവരങ്ങൾ

Gegen die Wand (2004) Bluray Bangla By Serial Killer
Head-On (2004) Bluray Bangla By Serial Killer
গিন দি ভান্ড (২০০৪) ব্লুরে বাংলা অনুবাদে সিরিয়াল কিলার
হেড-অন (২০০৪) ব্লুরে বাংলা অনুবাদে সিরিয়াল কিলার
Head-On 2004 720p BluRay x264-PSYCHD
Head-On 2004 1080p BluRay x264-PSYCHD
Head-On 2004 iNTERNAL BDRip x264-MANiC
കമന്ററി എഴുതിയത് SerialKiller
***BluRayRip*** মাতৃভাষায় উপভোগ করুন, ২০০৪ সালে জার্মান মেলানকোলিক রোমান্টিক সিনেমা "হেড-অন" 👁‍🗨 আজেবাজে সাব দেখে বাংলা সাবটাইটেলের বদনাম করবেন না ◼ রানটাইম 02:01:53 ◼ ডাউনলোড করতে পারেন MLWBD কিংবা SouthFreak থেকে ❤ সিরিয়াল কিলারের সব আপডেট পেতে ফলো করুন

ടാഗുകൾ

BluRay
x264
1080
HD
720p
720
പ്രസിദ്ധീകരിച്ചത്: 2019-02-15
ഡൗൺലോഡുകൾ: 47
ശ്രവണ വൈകല്യമുള്ളവർക്ക്: No

Bengali സബ്ടൈറ്റിൽ പ്രിവ്യൂ

ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.

Head-On বাংলা সাবটাইটেল

ভাষা জার্মান, তুর্কি

নেশায় ডুবে থাকা এক তরুণ আর আত্মহত্যাপ্রবণ এক তরুণীর অদ্ভুত মেলানকোলিক প্রেমের গল্পে নির্মিত জার্মান সিনেমা...

অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফুয়াদ আনাস আহমেদ

যাহিত, ঠিক আছো তো?

কিছু লাগবে নাকি, সারাফ?

হ্যাঁ, কোক দাও!

আমাকে আরেকটা বিয়ার দাও।

পিপাসা আজ একটু বেশিই লাগল নাকি?

বলা যায়।

তাহলে, পানি ট্রাই করছো না কেন?

আমি তো আর জানোয়ার না।

কনসার্ট কেমন লাগলো?

বিদেয় হও, মাওয়েন।

যত্যোসব!

- মরো তুমি! - তুমি মরো!

এই ভাই!

এই মিয়া! ডাকছি আপনাকে!

এত হট একটা মেয়ে কাছে আসলো

আর আপনি ভাগিয়ে দিলেন?

মেশিনে সমস্যা নাকি?

দেখে তো গে মনে হচ্ছে...

কী করছো তুমি এসব?

যাও ভাগো, যাহিত! বাড়ি যাও!

বন্ধ করো এসব! বাড়ি যাও!

এক্ষণ বাড়ি যাও!

মা এখানে নিয়ে এলো।

ও ড. শিলারকে বলেছে, স্বামীকে নাকি খুব ভয় পায়।

তাহলে, আমাকে কেমন ভাবছে বলো?

"আমার স্বামীকে ভয় পাই!" কত্যোবড় মিথ্যুক!

কিন্তু আমি জানি কারা এসব ঠিক করতে পারবে। সেখানেই নিয়ে যাবো ওকে।

- কাদের কথা বলছো? - সিকিউরিটির লোকজন।

ওর খবর করে ছাড়বো আমি। এখনও তো টের পায়নি কী করছে ও?

- শেষবার আমারও আসা লেগেছিল। - তোমারও বয়স ১৩ ছিল...

যাহিত তমরুক, আসুন প্লিজ।

আত্মহত্যা করার হাজারও উপায় থাকা সত্ত্বেও গাড়ি দিয়ে দেয়ালে মারতে গেলেন কেন?

আমি আত্মহত্যা করতে চাই, কে বললো?

চাকা পিছলে যাবার কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

এখানে ধুমপান করা যাবে না, মিস্টার তমরুক।

- তমরুক নামটা এসেছে কোন অঞ্চল থেকে? - তুরস্ক থেকে।

মানে কী শব্দটার?

- জানি না... - সব নামেরই তো সুন্দর অর্থ থাকে।

তাই নাকি?

হ্যাঁ, আমাদের এখানকার নামের চেয়েও বেশি।

অন্তত পদবী বাদে, বাকি অংশটুকু অর্থপূর্ণ হয় বলেই জানি।

নিজের জীবনের সমাপ্তি ঘটাতে তো মৃত্যুকে বেছে নেয়ার প্রয়োজন নেই।

জীবনের সমাপ্তিকে মেনে নিয়ে, এগিয়ে যান।

অন্যের উপকার করুন।

কিছু একটা করুন।

আফ্রিকায় যান। মানুষকে সাহায্য করুন।

"দ্য দ্য" নামে একটা ব্যান্ড আছে, জানেন?

কী?

ওদের একটা গান আছে এমন,

"যদি দুনিয়াটা পাল্টাতে না পারো, পাল্টে ফেলো তোমার দুনিয়া!"

- চাইলে আপনাকে রেকর্ডটা দিতেও পারি? - না, বুঝে গেছি।

একটা কথা বলতে পারি ডক্টর?

আপনার কি মাথায় সমস্যা আছে?

আপনি তুর্কিস্তানী? আমায় বিয়ে করবেন?

- কী? - আমাকে বিয়ে করবেন?

পাগল নাকি!

পরিচিত হয়ে ভালো লাগলো, যাহিত তমরুক।

যাহিত তমরুক... সিবেল তমরুক...

এক্সকিউজ মি, কিছু খুঁজছেন?

বিয়ার লাগবে।

সরি, এখানে তো বিয়ার নেই। কফি খেতে পারেন।

পুরো পরিবারকে কেমন লজ্জার মুখে ফেলেছ, জানো তুমি?

প্রতিটা মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ হলো তার জীবন।

এরচেয়ে বড় আর কিছুই হতে পারে না।

আর সেটা তুমি এত সহজে ছুড়ে ফেলে দিবে, ভাবলে কী করে?

শুকরিয়া করো যে, বেঁচে আছো।

চাবি আছে না, ইয়িলমাজ?

উঠি আমি...

দেখলে, কী হাল করেছো উনার?

মরে যাবে তো।

তাকাও আমার দিকে!

তাকাও আমার দিকে!

বাবার কিছু হলে, খুন করে ফেলবো তোমাকে।

আমাকেও দাও একটা।

আত্মহত্যা করে তো কোনো লাভ নেই।

খুব বেশি হলে, আমাদেরকে আর নিজেকে একটু কষ্টই দিতে পারবে।

কথাটা মনে রেখো।

ভেবেছিলাম, ওরা আমার কথা মেনে নিবে!

তোমার কথা মানবে? এতদিনেও কি তোমাকে কিছুই শিখাতে পারলাম না?

এভাবে বলো না মা।

ওহ, সিবেল...

- কতদিন থাকবে এখানে? - জানি না।

এখানকার পাগলগুলোকে দেখে আবার ঘাবড়ে যেয়ো না!

- এভাবে তো মরতে পারবে না। - কীভাবে মরতে পারবো না।?

- আড়াআড়ি। - কী আড়াআড়ি?

আড়াআড়িভাবে হাত কাটতে হবে।

- কাটলেও অবশ্য খুব বেশি ভালো লাগবে না। - আচ্ছা?

একটা বিয়ার খাওয়াবে নাকি?

যদি আমায় বিয়ে করো?

- আমি ছেলেদের সাথে প্রেম করি। - তাই নাকি?

আচ্ছা, শোনো... তোমায় বিয়ার খাওয়াবো।

আজ মাঝরাতে, হাসপাতালের সামনে। ওকে?

- আমার বিয়ার কোথায়? - এসো আমার সাথে।

- তুরস্কের কোত্থেকে এসেছ? - ম্যাসিন।

- শুনেছি, ম্যাসিন খুব সুন্দর। - হ্যাঁ, জন্ম থেকেই তো দেখেছি।

আমরা এসেছি সংগোলদাক থেকে। চেনো সংগোলদাক?

তুমি মরতে চাও কেন?

কিছু জিজ্ঞেস করেছি আমি।

আমার নাক পছন্দ হয়েছে?

ছুঁয়ে দেখো।

একজনের হাত ধরতে দেখায়, ভাইয়া নাক ভেঙে দিয়েছিল।

এখন আমার বুকে হাত দাও।

কখনও দেখেছো এরচেয়ে সুন্দর কিছু?

আমি বাঁচতে চাই যাহিত। বাঁচতে চাই, নাচতে চাই, ফূর্তি করতে চাই!

শুধু একজনের সাথে না। বুঝেছ?

কানে তো শুনি আমি!

বাজে কথা!

- এখন তো আমায় করবে, যাহিত? - তুমি থামবে!?

শিট!

মাথা খারাপ নাকি তোমার?

এসবকে খেলা মনে হচ্ছে তোমার!?

আমরা শুধু বিয়ে করার অভিনয় করবো। বুঝতে পারছো না তুমি?

না বুঝতে পারছি না!

বাসায় যেন আর থাকতে না হয়, সেজন্যই একটা অজুহাত দরকার আমার!

আমরা শুধু এক ছাদের নিচে থাকবো। বিশ্বাস করো, আমি খুব ভালো রুমমেট!

বাজার করবো, রান্না করবো, ঘরদোর পরিষ্কার করবো।

আলাদা আলাদা রুমে থাকবো আমরা। একসাথে কিচ্ছু করতেও হবে না।

আর তোমার বাবা মা?

ওদের সাথে নামমাত্র সম্পর্কই থাকবে। কোনো খাতিরও তো করতে হবে না।

কীসের সম্পর্ক? আমাদের আবার কীসের সম্পর্ক?

মাঝে মাঝে হয়তো আমাদের দেখতে আসবে, আমরাও যাবো দেখা করতে।

আর আমরা স্বামী-স্ত্রী সেজে ঘুরে বেড়াবো, ভাবলে কী করে তুমি?

আমার পিছেই কেন লাগলে?

চেহারা দেখেছ আমার? আমি তো বুড়ো ভাম!

কারণ, তুর্কিস্তানী বলে, বাবা-মা তোমাকে মেনে নেবে।

- কী হয়েছে? - নেমে যান!

- কেন নামবো? - আমি নামতে বলেছি, তাই।

কেন?

কারণ এটা আমার বাস।

আর এখানে তোমাদের মতো খোদার ভয়হীন কুকুরদের কোনো জায়গা নেই!

আপনিও নেমে যান!

- কেন নামতে হবে? - অহেতুক কথা বাড়াবেন না।

এই বাস তো আপনারও না। এর মালিক সিটি কাউন্সিল।

নামুন তো!

এই, দাঁড়াও!

নাম কী তোমার?

আচ্ছা, তোমার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে?

অভিনয় শুরু করেছ? অস্কার জিততে চাও?

তুমি বুঝতে পারছো না। মেয়েটা বিপদে আছে।

সেটা তোমার ভাবতে হবে না!?

জানি না আমি? এটাই উপায়। নয়তো, মেয়েটা আত্মহত্যা করবে।

বাজে কথা। বললেই হয়ে যাবে নাকি!

মেয়ে মানুষের পাল্লায় পড়েছে!

ছেলে মানুষের মন নরম করতে, মেয়েরা অমন বলেই।

বিয়ে করা মানে জানো তুমি?

না, জানি না।

সমস্যা! এই, হ্যালো, তাকাও আমার দিকে।

- আমি বিয়ে করেছি? - না।

এজন্যই কারও প্রতি আমার কোনো দায়বদ্ধতা নেই। নিজের মতো পারি।

মিথ্যে কথা। তুমি বিয়ে করেছিলে।

ওসব আলাদা কথা। এখানে থাকার জন্য করতে হয়েছিল।

ঘুরেফিরে সব একই কথা।

তাহলে করো বিয়ে, ঈশ্বরের দোহাই, করো বিয়ে!

সুখে শান্তিতে থাকো! বিয়েতে গিয়ে তোমার সাথে নেচেও আসবো আমি।

- আরেকটা কথা... - কী?

- বিরসেন? - কী?

- ছেলেটাকে চেনো? - না, কিন্তু আমাদের মেয়ে তো চেনে।

ও বলতে পারবে তাহলে।

একটা ভিনদেশীর সাথে মেয়েটাকে বিয়ে কীভাবে দেই, বলো তো?

ও তো ভুল কম করেনি। হয়তো, ভুল থেকেই শিক্ষা নিয়েছে।

ভুল করেছে, কারণ তুমি ওকে লাই দিয়ে দিয়ে মাথায় তুলেছ!

সেই ছোট্টবেলা থেকে!

- কবে আসবে ওরা? - তুমি চাও বা না চাও: কাল আসবে।

কালকেই আসবে?

ভালোয় ভালোয় আসলেই হয়!

কী বিপদে যে ফেললে আমাকে!

কোন শহর থেকে?

ম্যাসিন থেকে।

- মালাতিয়া না? - না রে ভাই। ম্যাসিন থেকে।

রাখো তোমার ম্যাসিন।

ভাই, কী হলো আপনাদের?

তোমার অত জানতে হবে না!

- ঝাড়ি দিয়ে বলা লাগে নাকি? - জলদি করো তুমি। এরপর আমার সিরিয়াল।

- আর তো বেশিক্ষণ লাগবে না। - এভাবে কথা বলছো কেন?

সরি। কিছু মনে করবেন না।

ওকে।

চকোলেটে আবার অ্যালকোহল নেই তো?

- না। - শিওর তুমি?

আমি কি মজা করছি নাকি?

- সত্যি? - বললাম তো, এতে কোনো অ্যালকোহল নেই!

আসছে অ্যালকোহল চাইতে! এত সস্তা চকোলেটে অ্যালকোহল কে দেবে?

এভাবে কথা বলবে না! একটা প্রশ্নই তো করলাম শুধু!

এক প্রশ্ন হাজারবার করছো তুমি!

- কত নম্বর বাড়ি? - আট।

- চুলের এ অবস্থা কেন তোমার? - এটাই নতুন ফ্যাশন।

হিজড়া সেজে, বিয়ের প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে!

এভাবে গেলে, কোনো বাপই মেয়ে দেবে না!

- কী যেন নাম বললে? - গুইনে।

আপনি তাহলে যাহিতের চাচা?

হ্যাঁ... আসলে, আমি ওর ছোট চাচা।

ভাই-বোন কয়জন আপনারা?

আহহ... দাঁড়ান... সংখ্যায় অনেক তো আমরা...

- সাতজন। - হ্যাঁ, সাতজন।

মাশাআল্লাহ!

দেখতে তো দুজনের বেশ মিল আছে।

বংশধর বলে কথা।

അഭിപ്രായങ്ങൾ

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left