ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
ব
বঙ্গা
বঙ্গানু
বঙ্গানুবা
বঙ্গানুবাদে
বঙ্গানুবাদে -
বঙ্গানুবাদে - মা
বঙ্গানুবাদে - মারি
বঙ্গানুবাদে - মারিব
বঙ্গানুবাদে - মারিব সি
বঙ্গানুবাদে - মারিব সিরা
বঙ্গানুবাদে - মারিব সিরাজ
Bangla Subtitle By Marib Siraj
সত্য ঘটনা অবলম্বনে
"De slag om de Schelde" The Forgotten Battle (2020)
৬ জুন, ১৯৪৪।
নরম্যান্ডি শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হয়।
দুই মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর,
জার্মানরা তড়িঘড়ি করে পিছু হটে।
মিত্রদের জরুরীভাবে একটি বন্দর দখলের প্রয়োজন ছিল।
তাদের সৈন্য সরবরাহ করার জন্য।
এন্টওয়ার্প স্বাধীন হয়,
এবং বন্দরটিও অক্ষত থাকে।
কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত না জার্মানরা শেল্ট নদীর নিয়ন্ত্রণে ছিল,
নদীপথে এন্টওয়ার্প পৌঁছানো সম্ভব ছিল না।
জার্মান সেনাবাহিনীর একাংশ
শেল্ট নদী থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করে।
নেদারল্যান্ড আশা করছিল, এটা যেকোনো মুহূর্তে স্বাধীন হবে।
ভ্লিসিঙ্গেন, জিল্যান্ড ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৪।
এখানে কী হচ্ছে?
তারাতারি করো। হ্যাঁ, সবকিছু সরাতে হবে।
এটা মেয়রের জন্য।
সবকিছু পুড়ে না যাওয়া পর্যন্ত এগুলো আগলে রাখবে। বুঝলে?
শেষ নথিগুলোর দায়িত্ব আমি নিচ্ছি।
- স্যার? - হ্যাঁ।
যাও।
তেউন, তুমি আমার স্ত্রীকে গোছগাছে সাহায্য করবে?
তারপর বাড়িতে গিয়ে তোমার জিনিসপত্রও গুছিয়ে রাখা উচিত।
- এ কথা কেন বললেন? - তোমার বাবা জার্মানদের পক্ষে কাজ করেন, তাই না?
তিনি অসুস্থ জার্মান এবং জিল্যান্ডারদের জন্য কাজ করেন।
হারামীটা এনএসবি'র লোক।
তোমরা কী করছো?
তোর কী মনে হয়, হ্যাঁ?
বিশ্বাসঘাতক।
ঝামেলা শেষ হয়ে গেছে, তেউন। আমরা তাদের হাত থেকে ছাড়া পেয়েছি।
এসো। কানাডিয়ানরা সীমান্ত অতিক্রম করেছে।
লোকটা কে?
কেউ না। নিতান্তই একজন সুখী মানুষ।
ক্যামেরাটা আমাদের হাতে দাও।
ক্যামেরাটা দাও!
তোমাদের মুক্তিদাতারা কোথায়? কোথায় তারা?
আহাম্মক। আমরা এখনও দায়িত্বে আছি!
সাবধানে!
রাস্তা থেকে সরো।
আহাম্মক! পথ ছাড়ো! সরো!
সরো, সরো।
সরো!
এটা ওর কাজ!
পালাবি না!
তেউন।
তেউন।
তেউন।
কিছু হয়েছে নাকি? আমি গুলির শব্দ শুললাম।
হ্যাঁ, একটা জার্মান দম্পতি দূর্ঘটনায় পড়েছিল।
সত্যিই?
- দির্ক কি বাসায় এসেছে? - আমি এখনও ওকে দেখিনি।
ও বাসায় চলে আসলে আর বাইরে যেও না। রাস্তায় বিশৃঙ্খলা লেগেই আছে।
- আমি হাসপাতালে যাচ্ছি। - এখন?
তাদের আমাকে প্রয়োজন।
কিন্তু আমরা তো স্বাধীন।
আমি জানি, তেউন। আমরা আগামীকাল উদযাপন করবো।
ঠিক আছে?
দির্ক?
নারভা, রাশিয়ান ফ্রন্ট ১১ আগস্ট, ১৯৪৪।
এই যে তুমি! উঠে পড়!
খন্দক বরাবর, এক্ষুনি!
পজিশন নাও!
পজিশন নাও!
সতর্ক থেকো! দ্রুত করো!
গুলি ভরো!
ওদেরকে দেখিয়ে দাও আমরা কতটা কঠোর।
আমরা কখনও হার মানি না।
- লুকাস! - না।
আমার দিকে তাকাও।
আমি আর এসব করতে পারবো না।
নিচু হয়ে থাকো, ঠিক আছে?
আমার আদেশ অনুসরণ করো। ওরা কাছে না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করো।
ফায়ার!
লুকাস!
পিছু হটো!
লুকাস, পালাও!
লুকাস!
লুক...
লুক!
লুক।
লুকাস!
লুক!
দির্ক।
কোথায় ছিলে?
আহাম্মক।
মারা পড়তে!
বাবা বলছেন আজ রাতে আমাদের ঘরে থাকতে হবে।
তুমি আর বাবা দুজনেই অদক্ষ।
তাকে আবার এটা বলতে যেও না, ঠিক আছে?
টানা বিমান থেকে যথাযথ দূরত্ব বজায় রাখো।
একদম সোজা পিছনে আমার সাথে লাইন বরাবর থাকবে।
আমার বিমানের লেজের দিকে দৃষ্টি রাখো।
সবকিছু ঠিক আছে তো, বন্ধু? ওভার।
আপনি বাজি রাখতে পারেন, স্যার।
তোমরা কি এভাবে টেনে নেওয়া বিমানের অবতরণের ব্যাপারে জানা শোনা করেছো?
সে করেনি।
একবার শত্রুর এলাকায় অবতরণ করলে, ফেরার আর পথ থাকবে না।
এটার একটা সুন্দর নাম দেওয়া যেতে পারে, "একটি উড়ন্ত কফিন।"
আমরা ১০০০ ফুট পর্যন্ত পৌঁছে গেছি। আলাদা হবার জন্য প্রস্তুত হও, ওভার।
রজার, ওভার।
এদিকে।
আহাম্মক।
কী?
ওটা কী ছিল, হ্যাঁ?
রোল, স্যার।
[রোল = বিমানের পাখার হালকে উপরে এবং নিচে ঘুরিয়ে বিশেষ উপায়ে বিমানের পথ পরিবর্তন করার কৌশল।]
নাবালকের মতো চালিয়েছো তুমি।
যুদ্ধের ময়দানে হিরোগিরি ফলাতে আসা ছেলেদের কোনো স্থান নেই।
সাবালকের মতো আচরণ করো।
যুদ্ধের ময়দানে তো যেকোনো পরিস্থিতির জন্যই তৈরী থাকতে হবে, স্যার।
আপনিই তো বলেছিলেন।
আমি তোমার বাবাকে এটাও বলেছিলাম যে,
আমি ক্রিসমাস ডিনারের জন্য আপনার ছেলেকে জীবিত ফিরিয়ে নিয়ে আসার প্রতিজ্ঞা করছি।
হ্যাঁ, আপনাকে তো আর প্রতিজ্ঞা ভাঙতে হচ্ছে না, স্যার।
আমি এখনও যেতে পারবো, স্যার।
যদি তুমি তোমার বাবার অনুমতি পাও।
ডরসেট, ইংল্যান্ড ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৪।
+ জার্মান রেড ক্রস
তুইও কি ওদের দলে ভিড়তে চাস?
ফ্যাসিস্ট খা*কির পোলারা!
হারামজাদা!
মারা খা!
ভ্যান স্টাভারেন।
তোমার কপাল ভালো, আমরা তোমার শরীর থেকে স্প্লিন্টার সরিয়েছি।
বেশি নড়াচড়া করবে না। ঘুমানোর চেষ্টা করো।
এই "সৌভাগ্যবান" লোকটাকে দেখো, ডাক্তার আসলে বুঝিয়েছে সে একটা ভোদাই।
তুমি কি ডাচ?
কেমন লাগছে?
তোমারও কিছু খুইয়েছে নাকি?
ছুটিতে আছো।
বুঝতে পেরেছি।
রাশিয়ার সুন্দর...
ছবির মতো মাঠ আর বন্ধুত্বপূর্ণ কৃষকদের সান্ন্যিধ্যে।
কোনো পোস্টকার্ড লিখেছো?
প্রিয় মা,
থার্ড রাইকের তরফ থেকে একটা ছোট্ট পোস্টকার্ড। এখানকার সবকিছুই সুন্দর।
আমি জাতীয় সমাজতন্ত্র ভালোবাসি। এটা অর্জনের জন্য আমি আনন্দের সাথে মরতেও রাজি।
আপনি কি অফিসার?
ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট ফ্রেডরিখ ফিশার।
এখনও পর্যন্ত।
তোমার আসলে আমাকে স্যালুট করা উচিত,
বরং এটা চেখে দেখো।
তুমি এটা অর্জন করেছো।
স্বাধীনতা! এটা একটা ভুল বোঝাবুঝি ছিল।
জার্মানরা ফিরে এসেছে।
মিত্ররা কখনও আমাদের সীমান্ত অতিক্রম করেনি।
তারা ওয়ালচেরেন ছাড়ছে না।
বিমান বাহিনীর তিনটি দল…
৩৫০০০ সৈন্য নিয়ে মিলিটারি বিমান এবং গ্লাইডারগুলো...
২৪ টি ঘাঁটি থেকে রওনা দেবে।
হল্যান্ডের মাটিতে, শত্রুর ঘাঁটি থেকে ৬৪ মেইল পেছনে…
শুধুমাত্র একটি উদ্দেশ্য সাধনে।
আর্নহাম পুনর্দখল।
অপারেশন মার্কেট গার্ডেন।
তারপর, আমরা পুনরায় দলবদ্ধ হবো,
এবং সোজা বার্লিনের পথে যাত্রা করবো।
এই কলুষিত স্বৈরশাসনের পতন ঘটানোর উদ্দেশ্যে।
যা প্রায় ৪ বছর ধরে ইউরোপকে গ্রাস করছে।
পাইলট এবং সেনারা, এই অপারেশনের সফলতার ভার...
এখন আপনাদের হাতে।
এবং এরই সাথে জড়িয়ে আছে, ইউরোপের ভবিষ্যত।
শুভকামনা।
- ক্রিসমাসে দেখা হচ্ছে। - অবশ্যই।
আর্নহেম।
এটা সত্যিই এখন ঘটতে যাচ্ছে।
উদ্দেশ্য তো এটাই ছিল।
আমি কঠোর অনুশীলন করেছি।
আমার জন্য নির্ধারিত নূন্যতম ফ্লাইটের সময়ও অতিক্রম করে ফেলেছি।
দায়িত্ববোধ কাকে বলে তা কি তুমি জানো?
ছেলেবেলা থেকেই তো এটা আমার মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তোমার সর্বশেষ অভিযানে তো তা দেখতে পেলাম না।
নাকি তুমি ভাবছো, তোমার জন্য নিয়ম কানুন আলাদা?
তুমি প্রস্তুত নও।
আর তুমি মাটিতে আছো জানলে তোমার মা শান্তিতে রাতে ঘুমাতে পারবে।
হয়ে গেছে, আমি যেতে পারবো।
- সত্যি? - হ্যাঁ।
- বিদেশ যাত্রায় স্বাগতম। - ধন্যবাদ, স্যার।
জানি না তুমি কীভাবে রাজি করালে, কিন্তু কোনো ছেলেমানুষি চলবে না।
আমার বাবা সারাজীবন শুধু কাজই করে গেছেন।
তিনি ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত পরিশ্রম করতেন।
সামান্য কিছু অর্থ উপার্জনের জন্য।
তিনি কিছুই বদলাতে পারেননি।
আমি ও আমার ছোট ভাইবোনদের ক্ষেত্রেও ঠিক এমনই ঘটবে।
এটা কি ন্যায্য?
আমি তোমাকে একজন আদর্শবাদী হিসেবে নিচু করিনি।
No comments yet. Be the first to leave one.