ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
সুধী দর্শকবৃন্দ...
দম বন্ধ করা এক অভিযানের জন্য প্রস্তুত হোন!
যাত্রা শুরু হয়ে গেল!
বাতাসের বেগে যাবো আমরা!
কিছু পথ নিয়ে যাবে আগুনের পানে!
কিছু পথ নিয়ে যাবে সমুদ্রের পানে!
কিছু পথ নিয়ে যাবে আলোর পানে!
কিছু পথ নিয়ে যাবে যুদ্ধের ময়দানে!
কিছু পথ নিয়ে যাবে আপনার হৃদয়ের পানে!
কিছু পথ আপনাকে করবে শিহরিত!
কিছু পথ আপনাকে নিয়ে যাবে...
শুরুতে!
প্রত্যেকেরই নিজস্ব পরিচয় রয়েছে!
সময় এবং স্থানের পরিপ্রেক্ষিতে...
আমরা সবাই ভিন্ন ভিন্ন চরিত্র ধারণ করি!
তোর মাথায় ছিট আছে?
একজন শিক্ষার্থী, শ্রমিক...
বাবা, কন্যা এবং হিরো।
শুভকামনা রইলো!
আমার নাম লি ইয়ুঁশাং!
বর্তমানে, আমি একজন মোটরসাইকেল রেসার।
যে একটা রেস জিততে চলেছে।
এখনো রেস শেষ হয়নি, যদিও।
- অসাধারণ! - অসাধারণ!
কম্পিটিশনটা দুর্দান্তভাবে শেষ হয়েছে!
অভিনন্দন লি ইয়ুঁশাং, আন্ডারগ্রাউন্ড স্ট্রিট রেসে আবারও জয়লাভ করার জন্য!
থ্যাংক ইউ!
আর একটু হলেই গিয়েছিলি, ভাগ্য ছিল বলে রক্ষা পেয়েছিস!
লি ইয়ুঁশাং, আজকের রেসটা অতোটা ভালো হয়নি!
ফাজলামি করিস না!
জানিস না আমি কে?
আজকে আসলেই ভয় পেয়েছিলাম! কীভাবে যে বাইক চালিয়ে আসলাম কে জানে!
তুই জানতি না!
কিন্তু, উপর থেকে তোর রেস দেখে ভয় লাগছিল!
জানি, মেয়েটাকে পটাতে চাস!
কিন্তু, সেটার জন্য এভাবে জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার মানে হয় না!
মেয়েটা কঠিন একটা প্রতিপক্ষ ছিল! বেপরোয়া ভাবে না চালিয়ে উপায় ছিল না!
তুই না মেয়েটাকে পছন্দ করিস?
- যা, মেয়েটার সাথে কথা বল? - বাদ দে।
কিসের এত ভয় পাচ্ছিস?
গ্যাসোলিন।
এটা সত্য যে সে বয়সে আমার চেয়ে একটু বড়।
খুব শীঘ্রই...
ওকে আন্টি বলে ডাকা লাগবে তোর!
সর সর!
ওসব তুই বুঝবি না, পিচ্চি মেয়ে!
তুই বন্ধুত্বকে পাত্তা না দিয়ে ভালোবাসাকে পাত্তা দিচ্ছিস!
আমি এখনো এখানে দাঁড়িয়ে আছি!
আমাদের আবারো দেখা হলো!
তুমি খুব ভালো রেস করো!
বাইকে বেশ ভালো দখল আছে তোমার!
হেই, আমি এখনো তোমার নামটা জানি না!
তুমি তোমার গার্লফ্রেন্ডের মন খারাপ করে দিচ্ছ।
- ও ওরকম কিছু... - আবার পরে দেখা হবে।
পরে আবার একসাথে রেস করব আমরা, ঠিক আছে?
সামান্য একটা মেয়েকে পটাতে পারিস না!
হেই, বাবু! তোমার মোটর সাইকেলটা খাসা দেখতে! আমার বাইকটাও তোমারটার মতো করে দাও না?
মাথার তার ছিঁড়ছে আমার?
কোথায় যাচ্ছো? এই জায়গাটা আমার!
আমি এখানেই থাকি!
ফ্রি হলে এসো আবার!
আমার মোটরসাইকেলটাও আপগ্রেড করে দিও!
বিশৃংখলাময় দুনিয়ায় দেবতাদের নতুন হুকুম আসে।
৩০০০ বছর আগে, দেবতা এবং মানুষদের মধ্যে ব্যাপক যুদ্ধ হয়।
দেবতারা লড়েছিল শ্রেষ্ঠত্বের জন্য।
দুনিয়ায় নতুন শাসনের সূত্রপাত হয়।
বিশৃঙ্খলা এবং দ্বন্দের নতুন যুগ আসে।
দোংহাই সিটিতে, একটা সাময়িক যুদ্ধবিরতি অনুষ্ঠিত হয়।
দা, লি, সাং এবং শুন- এই চারটা গোত্র তখন শাসনক্ষমতায় ছিল।
এদের মধ্যে "দা" গোত্র সবচেয়ে শক্তিশালী ছিল।
সাম্প্রতিক বছরে, দোংহাইতে পানির সংকট সৃষ্টি হয়!
পানির মূল্য স্বর্ণের সমান হয়ে যায়!
দোংহাই সহানুভূতিশীল।
দোংহাইয়ের "দা" গোত্রের লোকেরা আপনাদের জন্য পানি নিয়ে আসছে!
- আমরা বিশ্বাস করি যে "দা" গোত্র... - আরেকটু!
- সবাই পানি জমিয়ে রাখো! - এক স্বপ্নীল ভবিষ্যৎ নির্মাণ করবে।
- "দা" গোত্র দোংহাইতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করছে! - আমাকেও একটু দে!
এই হকার ছেলে, একটা কপি দাও!
আপনার পত্রিকা!
গরম খবর! পানির সংকট তীব্র হতে চলেছে!
- এই ছেলে, আমাকে একটা পত্রিকা দাও! - নিন!
ধন্যবাদ, বস! পানির সংকট তীব্র হতে চলেছে!
- মানুষ এখন... - টাইগার!
শোন, পানি যদি মজুদ করে বিক্রি করি, লাভ পাবো?
অতকিছু জানলে পত্রিকা বেঁচতাম না!
যা, ফোট!
পানির সংকট বেশ তীব্র হতে চলেছে!
আস্তে দৌঁড়ো! ড্রেসটা নতুন!
মিস সান, আপনাকে দেখতে বেশ সুন্দর লাগছে!
ছেলেরা আপনাকে দেখলে তো মুখ হাঁ হয়ে যাবে!
তারপর কাকের মতো কা কা করবে!
তুই আমাকে কাক বললি?
ধুরো, আপনি তো ময়ূরী!
ধন্যবাদ আপনাকে, মিস সান!
- গরম খবর! পানির সংকট বেশ তীব্র হতে চলেছে! - টাইগার, আমাকে এক কপি দে!
এই যে, ক্যাচ!
নে!
গরম খবর! দোংহাই!
- সাবধান! - মিসেস লিউ!
- মি. চ্যাং! - সিক্স!
আজকে সকাল সকাল চলে আসলা!
সিক্স!
- ধন্যবাদ, সিক্স! - কীভাবে কিক দিতে হয় জানিস?
সিক্স, টাইমিং'টা জোশ!
এটাও নিয়ে যা!
ব্যাপার না!
চারটা গোত্র এই জায়গাটাকে শাসন করে!
সবাই জানে, তাদের মুখের কথাই আইন।
ওদের হয়ে কাজ করতে পারলে...
পয়সা আর সম্মান দুটোই মিলে!
- ইয়ুঁশাং, ঠিক করছিস বাইকটা? - হ্যাঁ!
- একটু মেরামত করছি আরকি! - সিক্স, একটু সাহায্য কর।
- আসছি! - লিংক, আমি আর ওদের কাজ করব না!
- গুদামঘরে নিয়ে যা! - যখন ডাকাতরা আসে...
কয়েকজন মরে, কয়েকজন পালায়। কিন্তু, শেষটা সবসময়ই বেদনাদায়ক হয়।
তোমাকে অবশ্যই একটা সুযোগ দিতে হবে প্রথমে।
শাসক দলের লোকদের দেখেছ?
একটা ড্রাগনের মাথা দেখবে...
কিন্তু, কোনো লেজ দেখতে পাবে না কখনো।
সত্য কথা সবসময় তিতাই হয়।
বৈধ পথ থাকলে কে চোরাকারবারি করবে?
কিসের কথা বলছিস?
শাসক গোত্রদের সাথে আমাদের কোনো লেনাদেনা নেই।
- বস। - আমরা চোরাকারবারি করি...
- পানিশূন্য দুনিয়ায় বেঁচে থাকার জন্য। - হ্যাঁ।
দিনশেষে খাবারের টেবিলে একটু খাবার থাকলেই আমাদের জন্য যথেষ্ট।
- ঠিক? - অবশ্যই।
- যদি সেটুকু খেয়ে পেট ভরে তো! - আয়, মালামাল নিয়ে যা!
- মালামাল নিয়ে যা! - সাঙ্গ উপত্যকায় নিয়ে যা।
ঠিক আছে।
এই যে, নে।
ইয়ুঁশাং , এটা তোর জন্য।
কাজটা ঝুকিপূর্ণ, মাথা ঠান্ডা রাখিস।
আমি গেলাম।
আমি কখনোই অন্য শহরগুলোতে যাইনি।
তবে, জানি অন্য শহরগুলো সব একই রকম।
শুধু ভিন্ন ভিন্ন লোক ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় বাস করে।
কিছু জায়গায় পানির কোনো অভাব নেই!
কিন্তু, কিছু জায়গায়...
পানি!
পানি! !
এই, যা আছে দিয়ে দে!
আমাকে কিছু পয়সা দিন!
আজকের জন্য এতটুকুই।
- বাসায় যা। - স্যার।
আমার কাছে পয়সা আছে! একটু পানি দিন না?
কী বললাম তোকে?
কালকে আয়।
এরকমটা হওয়ার কথা ছিল না।
কিন্তু, সবসময় এসবই হচ্ছে।
এরকম এক খরাময় দুনিয়াতেই আমরা বাস করি।
একই হাওয়া!
নিয়তি আলাদা!
এই পাথুরে দুনিয়ায়...
দম নিতে কষ্ট হয়!
"দা" ওয়াটার ইন্ড্রাস্ট্রি
তারপরও লাল দিগন্তে...
সূর্যটা অস্ত যায়!
প্রবেশ নিষেধ।
ওখানে!
থাম!
- পানি! - পানি!
ইয়ুঁশাং , গতকাল কেমন বাইক চালালে?
- ওরা পেট্রোলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। - আমরা এটা আর করতে পারবো না।
দিনদিন সব কিছু কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
তুমি সুস্থ সুন্দরভাবে বাঁচতে চাও...
কিন্তু, পেট চালাবার মতো কাজের অভাব।
- তোর উপায়ও নেই আর! - কোথায় রাখব এটা?
একটা বিড়ালের বাচ্চা!
- বিড়ালের বাচ্চা? - সিক্স, এটা আবার কোত্থেকে আসলো?
জানি না, তবে এখানে একটা ডেলিভারি এড্রেস দেওয়া আছে!
নকল কুরিয়ার বয় হিসেবে কাজ শুরু করি, চল!
এটা করা যাবে না। ধরা পড়লে কপালে খারাবি আছে।
- এটাকে ফেলে দেব? - এরকম করো না।
আমি এটাকে পৌঁছে দিয়ে আসবো।
কেউ নিশ্চয়ই এটাকে চায়নি।
সেজন্যই নকল এড্রেস লাগিয়ে এটাকে ছুড়ে ফেলেছে।
কী করবি কর এখন।
নকল এড্রেস।
আচ্ছা, তুই এখন যেতে পারিস।
দেখলি, তোর কোনো মালিক নেই।
তোর উপর বসগিরী করার নেই কেউ, কত ভাগ্যবান তুই!
দুনিয়াটা অনেক বড়!
নিজের মতো করে ভালো থাকবি।
যা দ্রুত চলে যা!
তোর মতো পুঁচকে একটা বিড়ালকে এই নিষ্ঠুর দুনিয়ায় পাঠানোটা ঠিক হয়নি।
মিস সান!
ইয়ুঁশাং, এখানে কী করছিস?
কেন? আমার আসা নিষেধ নাকি?
আমার চুল টানিস না!
আজকে মানুষ এত কম কেন?
কেউ স্লুইস গেটে নাশকতা করেছে।
ওরা বলেছে, মূল অপরাধীকে খুঁজে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত পানির সরবরাহ বন্ধ, তাই...
বিড়ালটা কি আমার জন্য?
- হ্যাঁ! - কী সুন্দর একটা বিড়ালের বাচ্চা!
তুই এতদিন কোথায় ছিলি রে?
তুই কি আবার ডেলিভারির কাজ শুরু করেছিস?
যদি বুড়ো লি জানতে পারে, খুব রাগ করবে!
উনাকে "বুড়ো লি" ডাকলেই শুধু রাগ করে।
বুড়ো লি'র কথা যখন বললি...
No comments yet. Be the first to leave one.