ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
বঙ্গানুবাদে মারিব সিরাজ
আমরা অঙ্গ চোরাকারবারীদের ব্যাপারে একটা রুটিন ইনভেস্টিগেশনে এসেছি।
এজন্য সব গ্রহীতাদের কাছ থেকে একটু খোঁজ খবর জানতে এসেছি।
স্যার, আপনার জন্য এটা রুটিন হতে পারে কিন্তু আমার জন্য...
এটা চিন্তার বিষয়, কারণ পুলিশ আমার বাড়িতে এসেছে।
তাও আবার অঙ্গ চোরাকারবারীদের ব্যাপারে! এটা কি...
- আমার জন্য চিন্তার কারণ নয়? - দুশ্চিন্তা করবেন না।
অপরাধী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত, আইন মোতাবেক আপনি নির্দোষ।
কিন্তু আমাদের দেশে স্যার...
প্রমাণ হওয়ার আগ পর্যন্ত আমিই দোষী! এটাতো জানা ঘটনা।
এজন্যই পুলিশ আদালতের রায়ের আগে...
সবকিছু তদন্ত করে দেখে।
এজন্যই আপনাকে জিজ্ঞাসা করছি অবৈধভাবে...
অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য আপনার সাথে কেউ যোগাযোগ করেছিল কিনা?
হ্যাঁ, করে তো। রোজই করে...
চাল-ডাল, সবজি ওয়ালার সাথে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ওয়ালাও আসে...
স্যার...
এসব কী বলছেন স্যার? এমন... এমন কিছুই হয়নি।
- আপনি সারাদিন কী কী করেন? - আমি? সারাদিন?
উম্মম, সকালে ঘরেই থাকি, তারপর একাডেমিতে যাই...
তারপরে একাডেমি থেকে ঘর...হাসপাতাল আর মাঝে মাঝে সৈকতে যাই...
মোটামুটি এভাবেই কাটে।
অনেক মুশকিল হয়ে যায় না...
আপনার পরিবার, অসুস্থ ছেলে... মা?
কীভাবে সামলান সবকিছু?
আমার ক্যারিয়ার আমার পরিবারের জন্য। আর আমার ছেলেই আমার পরিবার।
আমার পরিবার আমারই দায়িত্ব।
আমার মনে হয় না এসব আলাদা।
এটা খুবই সাধারণ বিষয়। আর এটা খুবই জরুরী...
সবকিছুকে সমান গুরুত্ব দিয়ে সামলানো।
আর ভালোবাসার সাথে করলে সবকিছু সহজেই হয়ে যায়।
আপনি কবিতা লেখেন নাকি?
স্যার, যে লোক ৬ বছর ধরে...
নিজের ছেলেকে ধীরে ধীরে মরতে দেখছে...
তার জন্য একটু কাব্যিক হওয়া তো দোষের কিছু না, তাই না?
ইন্সপেক্টর?
এটা কষ্টের উপর নির্ভর করে।
দেখুন, ব্যাপারটা গভীর।
সম্ভবত, আপনিও খুব কাছের কাউকে হারিয়েছেন।
হ্যালো। রবিবার রাতে আপনি কোথায় ছিলেন?
এই... এই... মানে এই রবিবার রাতে?
- হুম। - আমি ঘরেই ছিলাম।
ধরুন... কেউ আপনাকে অবৈধ কিন্তু নিরাপদে...
অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য অফার দিলো।
তখন কী করবেন?
শেষমেশ, আমি এটা পুলিশকে জানাবো।
আপনি কি নিশ্চিত?
আপনার ছেলে অসুস্থ।
সে বাঁচার একটা সুযোগ পাচ্ছে। আর আপনি মানা করে দেবেন?
আপনি কি এতো ভালো নাগরিক? নাকি এতোটাই খারাপ বাবা?
এই কারণেই আমি বলেছিলাম, 'শেষমেশ'।
প্রথমে, আমি অঙ্গটি নিয়ে আমার ছেলেকে বাঁচাবো।
আর ভালো বাবার ভূমিকা পালন করবো।
তারপরে, আমি এটি পুলিশকে জানাবো আর একজন সুনাগরিকও হয়ে যাবো।
এক ঢিলে দুই পাখি মারার মতো।
হেঁয়ালিপূর্ণ জবাবের জন্য দুঃখিত।
নামাও!
আরে, কী করছেন স্যার?
এটা একটা খেলনা বন্দুক।
দুঃখিত। আমি দুঃখিত।
যশ, বন্দুক নিয়ে খেলবে না।
যশ, চলো যাই।
বাচ্চার সাথে চেঁচামেচি করছে...
ঈশ্বর!
কেউই সত্যি কথা বলে বিপদে পড়তে চায় না...
সবাই চালাক হয়ে গেছে।
হ্যাঁ, আমরা অঙ্গ নিয়ে নেবো।
আজকাল, টিভিতে ক্রাইম প্যাট্রোল দেখে দেখে...
পাবলিক সেয়ানা হয়ে গেছে।
তাকে কিছুটা সেয়ানা মনে হলেও ভালো লোক বলেই মনে হলো।
যদিও একবারের জন্যও চা খেতে বললো না।
একটাই প্রশ্ন?
শুধু শুধু সময় নষ্ট...
আমরা যেমনটা খুঁজছি সে সেই অনুপাতে ফিট না।
ফিট নয় কেন? সে তা সময়ের একজন চ্যাম্পিয়ন ফুটবলার।
সেদিন, যার পিছু নিয়েছিলাম সে যথেষ্ঠ ফিট ছিল।
এমনকি উচ্চতাও সমান।
মাসকারেনাস। এই লোকটার ব্যাপারে কিছু একটা ঠিক লাগছে না।
লোকবল বাড়াতে হবে।
আমাদের মতো।
স্যার, রাজাওয়াদে, সূর্যবংশী, সিন্ধে।
আর কতজন লাগবে?
রাজাওয়াদেকে বলবে তার দিকে নজর রাখতে।
ঠিক আছে, স্যার।
সিস্টার, কিছুক্ষণ আগে নীল শার্ট পরা একটা লোক মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি, চশমা পরা...
যে তোমাকে এই ফাইলটা দিয়ে পেমেন্ট করে গেলো...
সে এখনে এসেছিল কেন?
তিনি তো মিঃ মেহতা।
মিঃ মাসকারেনাস?
না, না, মিঃ সুনীল মেহতা।
গতকাল তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি সেই বিল দিতে এসেছিলেন।
আমাকে তার ফাইলটা দেখাও তো।
অনুবাদ এবং সম্পাদনা মারিব সিরাজ
Bangla Subtitle By Marib Siraj
- চকলেট কেক। - আমি এক্ষুনি খাবো।
- না... - আমার রাজকন্যা কোথায়?
ঘুমাচ্ছে।
কবির... কবির...
বন্দুক নিয়ে খেলবে না।
বাবা।
বাবা।
বাবা।
অন্ধেরি?
একটা কাজ করো, তুমি তাকে ফলো করো আর আমাকে আপডেট দিতে থাকো।
গুদাম? মীরা রোডে?
স্যার, মীরা রোডে নেমেছে।
স্যার, রাজাওয়াদে তো সেখানে আছেই তাহলে আমরা কেন যাচ্ছি?
ওর সম্পর্কে খোঁজ নিতে, আরও তথ্য দরকার।
স্যার।
জয় হিন্দ, স্যার।
স্যার, এই গুদাম তার নিজস্ব সম্পত্তি।
সে গুদামের ভিতরে গেছে।
তুমি এখানে থাকো। আমরা ভিতরে যাচ্ছি।
ওহ... আরে, আপনি তো আমাকে ভয় পাইয়ে দিয়েছিলেন, ইন্সপেক্টর।
হ্যালো।
- কোথাও যাচ্ছেন নাকি? - হ্যাঁ, বাসায় যাচ্ছি।
আপনি তো এই গুদামের ব্যাপারে বলতে ভুলে গিয়েছিলেন নাকি!
এটা তো আপনার দৈনন্দিন রুটিনের মধ্যে ছিল না।
না, স্যার। আমি প্রতিদিন এতদূর আসি না।
এটা আমার গুদাম। আমি বর্ষাকালে এখানে আসি...
আমার কিছু জিনিসপত্র রাখার জন্য।
আসলে, এটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু না।
- আমি কি? - আসুন, আসুন।
ঠিক আছে, আপনি বন্ধ করে দিন যেমনটা করছিলেন।
এটা আমাদের একটা...
রুটিন ইনভেস্টিগেশন, আমি জানি।
আপনারা আপনাদের কর্তব্য পালন করছেন। অনেক ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।
ইন্সপেক্টর স্যার। পরের বার আসার আগে, ফোন করে আসবেন।
অন্তত একসাথে চা তো খাওয়া যাবে।
তাকে ফলো করতে থাকো।
স্যার, সে নাইয়ারের বিল্ডিং এর সামনে এসে থেমেছে।
স্যার, সে নাইয়ারের বিল্ডিং এর সামনেই থেমেছে।
সে গাড়ি থেকে নেমেছে?
না স্যার। এখনও গাড়িতেই আছে।
এখন কি বের হয়েছে?
না স্যার, সে তো বেরই হচ্ছে না।
না, না, বের হবে, বের হবে।
স্যার, সে এখান থেকে চলে যাচ্ছে।
স্যার, সে তো চলে গেলো।
- তাকে ফলো করো। - ওকে, স্যার। ফলো করছি।
মাসকারেনাস।
আরে। আরে, ইন্সপেক্টর, স্যার।
ইন্সপেক্টার স্যার, আসুন না, বসুন।
আপনি বিয়ার খাবেন?
চার্লি, স্যারের জন্য দুইটা বিয়ার নিয়ে আসো।
বাহ, কি কাকতালীয় ঘটনা!
এখানে আসলেন কী মনে করে?
বিয়ার খেতে এতদূর আসলেন?
আরে, বিয়ারের জন্য না, এখানকার মাছ।
খুব স্পেশাল ভাবে বানায়।
একদমই অন্যরকম। খুব সুস্বাদু।
চার্লি, স্যারের জন্য একটা মাছ দাও না, প্লিজ।
স্যার, এই মাছ কিন্তু সত্যিই প্রশংসার দাবীদার। সত্যি বলছি।
প্রশংসার দাবীদার।
তিনি ঠিকই বলেছেন। এখানকার মাছের অনেক সুনাম শুনেই আমি।
আমি বলেছিলাম না! চিয়ার্স।
এসব যে করছেন, কী ভেবে করছেন?
কী, কী, স্যার?
এইসব...
কিছু না কিছু ভেবেই তো করছেন।
আপনি কী মনে করেন?
এসব কিছুর শেষ কীভাবে হবে?
আপনি কি মনে করছেন পার পেয়ে যাবেন?
আমি কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে যাচ্ছি, স্যার। আপনি ঠিক কী বলতে চাইছেন, বুঝতে পারছি না।
মাসকারেনাস।
আপনি সবই বুঝেছেন।
কিন্তু কোনো জবাব দিতে চাচ্ছেন না।
করেন। যা করছেন, করে যান।
আপনার যা ঠিক লাগে, আর যা আপনি করে যাচ্ছেন, করে যান।
স্যার, আপনি জানেন...
আমার নেশা ধরে গেছে।
বিয়ারটা দুর্দান্ত, তাদের সুস্বাদু মাছ।
আর একটা সঙ্গ, যদিও সেটা সন্দেহভাবাপন্ন।
তবে আপনি ঠিকই বলেছেন স্যার। আমি বাড়ি থেকে অনেক দূরে চলে এসেছি।
আমার এখন বাড়ি ফেরা উচিত।
আরে কই, স্যারকে মাছ ভাজা দাও। আমার পক্ষ থেকে।
শুভ রাত্রি।
মাসকারেনাস।
ধন্যবাদ স্যার।
বিল কত হলো?
সমস্যা নেই। ফেরত দিতে হবে না।
আজব ব্যাপার না?
যে লোক, যে তার পরিবারকে এতো ভালোবাসে...
সে তার অসুস্থ ছেলেকে, মাকে...
একা ফেলে এত দূর...
২ ঘন্টার ট্র্যাফিক জ্যাম সহ্য করে...
এখানে মাছ ভাজা আর বিয়ার খেতে এসেছে?
প্রকাশ, এসব কি তার সাথে যায়?
ঘাপলা তো একটা আছেই।
স্যার, নিয়ে নিন।
খুব সুস্বাদু স্যার, একদম!
হ্যাঁ, বলো।
খেয়েছো?
কী?
দেখো, টিফিন পুরোটা খেয়ে আসবে।
বলো, ডার্লিং।
আবারো ভরা বাটি নিয়ে আসবে না।
কাল তো তোমার জন্মদিন, তাই না?
তো কী হয়েছে?
No comments yet. Be the first to leave one.