ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
........বাংলা সাবটাইটেল বাই রাকিব মাহমুদ........
........বাংলা সাবটাইটেল বাই রাকিব মাহমুদ........
আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ★ Bangla Subtitle
তোমরা গল্পটি জানো
বজ্রের কড়কড় ধ্বনি
একজন পাগল বিজ্ঞানী
আর একটি অপবিত্র সৃষ্টি
দুনিয়া দানবটাকেই মনে রেখেছে, মানুষটাকে নয়
কিন্তু মাঝেমাঝে, যখন ঘটনাটি ভিতর থেকে দেখা হয়...
বোঝা যায় গল্পের চেয়ে সেখানে বেশী কিছু ঘটেছিল
মাঝেমাঝে সেই দানবটাকে মানুষই মনে হয়।
আমার যতদুর মনে পরে আমার অধিকাংশ জীবন সার্কাসে কেটেছিল
সার্কাস সবাইকে পরিবারের মত মনে করে
তারপরও, প্রতিটি পরিবারেই একটি জোঁকার থাকে
তখন আমার কোন নাম ছিলনা। আমাকে ডাকা হতো "কুঁজো" বলে
অথবা "অদ্ভুতুড়ে", যদি কেউ দয়া করে এটা বলে তাহলে
সত্যিটা হলো, আমি তাদের ঘৃণা করতাম না এর জন্য
যখন তুমি দয়া কি জিনিস তাই জাননা তখন নিষ্ঠুরতা বিচার করা খুব কঠিন।
তাছাড়া, সার্কাসে এমন একজন ছিল যাকে দেখে আমার সময় কাটত
যখন আমার কাজ থাকতনা তখন আমি ডাক্তারি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতাম
আমি মেডিসিন বিজ্ঞানের উপর বেশি আকৃষ্ট হয়ে পরেছিলাম
বিশেষ করে মানুষের ব্যবচ্ছেদবিদ্যার উপর।
আমি আমাদের ভিতরের এই জগত সম্পর্কে
সবকিছু জানতে চেয়েছিলাম
ব্রেইন, ফুসফুস, হাড়, পেশী
হৃদয়
আমি কখনোই বুঝিনি জীবনের এই বিজ্ঞানটাকে মানুষেরা কেন কাল্পনিক হিসাবে নেই
আমার মনে হয় এটা আমাকে পালাতে সাহায্য করেছিল
ওরে খোদা! তুই নিজেরে খুব স্মার্ট ভাবস, তাইনা, হাহ?
সিরাম মেধাবী। কি লজ্জার কথা!
ওই! তোর কামের সময় হইছে, কামে যা!
লন্ডনের এক জাঁকজমকপুর্ন সন্ধ্যায়
আমার এমন এক লোকের সাথে দেখা হতে চলেছিল যে আমার জীবনটাই পরবির্তন করে দিবে
লেডিস এন্ড জেন্টেলম্যান!
এখন আকাশে আমাদের নিজস্ব
পাখির মরণপণ খেলা দেখুন...
সুন্দরী লরেলী!
লরেলী!
লরেলীi! লরেলী!
ওহ, লরেলী!
ওহ, খোদা! সে নিঃশ্বাস নিতে পারছে না! সে নিঃশ্বাস নিতে পারছে না।
আগে কখনো আহত হয়েছিল?
আহ, একবছর আগে ভেঙ্গেছিল তাছাড়া, এর আগেও ঘাড়ের হাড় ভেঙ্গেছে কয়েকবার।
ওহ, হায় ঈশ্বর!
হাড় আবার ভেঙ্গেছে, কলারবোন সরে গেছে ফুসফুসের আঘাতের কারনে
- সে নিঃশ্বাস নিতে পারছেনা। - আমরা এখন কি করবো?
আমার ভয় হচ্ছে, কিছুই করার নেই। হাড় জোড়া দেয়ার মত কোন যন্ত্রপাতি আমার কাছে নেই।
আপনার কাছে কি পকেট ঘড়ি আছে? আমাকে ওটা দিন।
- আমি তোমাকে এটা দিচ্ছিনা... - দিন নাহলে ও মারা যাবে!
দিন!
দাঁড়াও একটু।
এই হাড় সরার কারনে বুকের মাঝে আঘাত করছে, যেটা অস্বস্তিকর অবস্থায় চলে গেছে, তাইনা?
- হ্যাঁ, তৈরি? - তৈরি? তিন, দুই, এক...
- কাজ হয়েছে! - এইতো তুমি ঠিক হয়ে গেছ।
- তুমি আমাকে বাঁচিয়েছ। - শ্বাস নাও।
ধন্যবাদ।
অসাধারণ ছিল। তুমি এমন উল্টাপাল্টা পোশাক পড়ে আছ কেন?
- আসলে, আমি এখানকার জোঁকার। - তুমি কোন জোঁকার নও, তুমি একজন ডাক্তার...
কোন প্রস্তুতি ছাড়াই তুমি মিনিটের মাঝেই একটি ড্রাই-সার্জারি করে ফেললে।
- আসলে, আমি একজন জোঁকার স্যার। - ভয়ের কিছু নেই, লেডিস এন্ড জেন্টেলম্যান!
সবকিছুই অভিনয়ের অংশ ছিল!
তোমার প্রতিভা এখানে নষ্ট হচ্ছে।
- আমি সার্কাসের লোক, স্যার। - তুমি অবশ্যই এই বালের সার্কাস ছেড়ে চলে যাবে।
- কি? - কি হচ্ছে এখানে?
- আপনি একজন ডাক্তার, তাইনা? - ছিলাম একসময়।
কিসওয়াক ক্রস হাসপাতাল এই রাস্তার মোড়েই আছে। আমি আপনাদের পথ দেখিয়ে সেখানে নিয়ে যেতে পারি।
ওকে এখান থেকে নিয়ে যাও! পিছনের রাস্তা দিয়ে।
আমি চাইনা ওর কারনে দর্শকরা অসন্তুষ্ট হোক।
ওরা এই দুর্ভাগাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে?
স্যার, স্যার, দয়া করে আপনার নাম জানতে পারি?
ভিক্টর ফ্রাঙ্কেস্টাইন ........বাংলা সাবটাইটেল বাই রাকিব মাহমুদ........
লেডিস এন্ড জেন্টেলম্যান!
এখন দেখবেন মানব গোলা!
- এমন করবেন না, দয়া করে! - শালা ইঁদুরের বাচ্চা!
তুই এখান থেকে পালাতে চাস? আমি তোকে কিনে নিয়েছি! আমার কাছে এই বই যথেষ্ট আছে!
- তুই সার্কাসেরই সদস্য! পুড়িয়ে ফেল ওগুলো! - দয়া করুন, মাস্টার বার্বানি, এগুলোই আমার একমাত্র জিনিস।
না! না!
সরে যা এখান থেকে!
এটা তোর জন্য শিক্ষা হয়ে থাকবে!
ভিতরে ঢোক! তুই এখান থেকে কোথাও যেতে পারবিনা!
আপনি কি জানেন লরেলীর কি অবস্থা?
রোমান্টিকতা, তাইনা?
সে অবশ্যই মারা যাবে, তুই জানিস সেটা।
এই শহরের জঘন্য হাসপাতালের ডাক্তাররা ওকে বাঁচাতে পারবেনা।
আপনি কি করছেন?
উচ্চ শক্তিসম্পন্ন চুম্বক, সাধারণত এতে কাজ হয়।
থামুন, স্যার। আপনি জানেন না তারা আমার কি অবস্থা করবে।
- তাই নাকি? - আমি এখান থেকে যেতে পারবনা।
- অবশ্যই তুমি পারবে। - না, স্যার, তারা আমার মালিক!
তুমি এর থেকে অনেক ভালো কিছু, তুমি এরচেয়ে অনেক ভালো হতে পারবে।
আমি তোমাকে এখান থেকে বের করতে পারি, কিন্তু আমাকে তোমার বিশ্বাস করতে হবে, বুঝতে পেরেছ?
ওই!
এখুনি সিদ্ধান্ত নাও নাহলে সারাজীবন এখানেই পস্তাতে হবে।
খাঁচার সামনে থেকে সরে যা! শুনতে পারছিস আমাকে?
- খুলুন তাহলে! - ওই!
কেউ ধরো ওকে! ও সার্কাসের সম্পত্তি!
এখন কথা হচ্ছে...
ডাকাতি!
কুঁজো! ও আমাদের আক্রমন করে সার্কাস থেকে পালাচ্ছে!
ধরো ওদের!
ধরো ওদের!
ওটা স্পর্শ করো না!
ভাগো!
পাইছি তোগো!
এখন কি করবো? এখন আমরা কি করবো?
এখান থেকে বের হবো কিভাবে?
তুমি তো এই জায়গা চেনো, ধুর! কিভাবে...
- ওরা গেল কোথায় ? - হু!
- আমি সার্কাসের বাহিরে। - কি?
হ্যাঁ, খুব ভালো, এসো এখন!
আমি কোন সময়ই সার্কাসের বাহিরে ছিলাম না, স্যার।
চোখ খোলা রাখো, দরজা বন্ধ করে কোট খুলে ফেলো।
কোট খুলে ফেলো।
আমাদের এখন একটু আরাম...প্রয়োজন
এটা কিসের জন্য?
ব্যবসার পরবর্তী ধাপ।
না, না, আপনি আমার সাথে কি করবেন?
কিচ্ছু করবো না।
কোন চিন্তা করোনা।
দেখো
এটা একটু ব্যাথা দিবে।
- আপনি আমার সাথে কি করছেন? - আমার কথা শুনো!
তুমি আসলে...
কুঁজো নও।
সত্যিকারের কুঁজো নও, আসলে...
তোমার পিঠে একটি অতিরিক্ত...
তরলের থলি আছে যেটার জন্য তুমি...
কুঁজো হয়ে থাকো।
আমি ব্যাথা পাচ্ছি! ব্যাথা পাচ্ছি!
তুমি শুনে অবাক হবে যে, আমি প্রায়ই এই কথাটি শুনে থাকি।
দেখো কি সুন্দর করে জিনিসটার আকার তৈরি হচ্ছে, ১৮ বছর ধরে এটা এমন...
অবস্থায় আছে, ভালো কথা হলো আমরা যদি এটা বের করে ফেলতে পারি...
তিন গুনবো...
দুই...
এক। খুলে ফেললাম।
Garde a l'eau!
ঠিক আছে, সহজ কাজটি হয়ে গেল।
কি? সহজ পার্ট?
এইতো ঠিক আছে!
আরেকটু... এইবার...এইতো
এখন, তোমার পেশী...
তোমার হাড়... তোমার পুরো কঙ্কালতন্ত্র...
গত ১৮ বছর ধরে যেভাবে কুঁজো ছিলে
সেই আকৃতি থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য তোমার পেশিগুলো
এখন কাজ শুরু করবে।
তো, তোমাকে এখন এই সুন্দর পিঠের বন্ধনীটি পরে থাকতে হবে
যেটা আমি গর্ডনের জন্য তৈরি করেছিলাম।
কার জন্য?
আমি দাঁড়াতে পারছি!
সেটাই তো স্বাভাবিক! আমি কি তোমার বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কোন সন্দেহ করেছিলাম?
না স্যার, ব্যাপারটি তা নয়, প্রথমত আমি এখন সার্কাসে নেই আর আমি দাঁড়াতে পারছি!
হ্যাঁ, তুমি তো এটা বলেছই।
ঠিক আছে, লাইব্রেরিটা এখানে, রান্নাঘর ঐদিকে।
আমার বেডরুম বামদিকে, তোমারটা ডানে।
ওখানে ওয়াটার হিটার আর সাবান আছে
আমি পরামর্শ দিচ্ছি ওগুলো ব্যবহার করে তুমি তোমার চুলগুলো...
পরিষ্কার করো।
আমি বাকি সন্ধ্যাটা বেজমেন্টে কাটাবো, যেহেতু সকালে আমার স্কুল আছে...
নিজের বাড়ির মত ভাবতে পারো, কিন্তু কিছু ধরবে না।
ওহ, যাইহোক, আমার একজন ফ্ল্যাটমেট আছে।
যার নাম ইগর স্ট্রাসম্যান। শালা একটা গাঁজাখোর।
আবাল, জঘন্য মিথ্যাবাদী, ভালো খবর হচ্ছে সে প্রায় ঘরে আসেই না।
তোমার এখানে থাকা নিয়ে কেউ যদি প্রশ্ন করে তাহলে ওর নাম বলে চালিয়ে দিবে, ঠিক আছে?
- আমি ইগর? - খুব ভালো।
"হ্যালো, আমার নাম ইগর"
চলো দেখা যাক ব্যাপারটা।
এক বিপজ্জনক কুঁজো জনগনের বিপদের কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে...
যার সাথে আছে সমান ভয়ানক এক দুস্কর্মকারি।
তারা সার্কাসের মালিকের ট্রেইলারে আক্রমন করেছে,
তার সিন্দুক ভেঙে ডাকাতি করেছে
তারপর তারা পালিয়েছে এখান থেকে, এবং একজন নিরপরাধ লোককে খুনের প্রচেষ্টা চালিয়েছে
তারপর তারা উধাও হয়ে গেছে...
...একদম বাতাসে মিলিয়ে গেছে
সহজ বিষয়, তাইনা এলিস্টার?
হ্যাঁ, ইন্সপেক্টর, পালানো, ডাকাতি, খুন
মিস্টার বার্নাবি ঠিক যেমনটি বলেছেন।
এখন আমার কি মনে হয় সেটা শুনো এলিস্টার
এমন একজন লোক যার মেরুদণ্ডে কিছুটা সমস্যা আছে
আর যাকে বন্দী করে রাখা হয়েছিল।
হয়তো তার সাথে এমন আচরণই করা হতো।
একজন আগন্তুক এসে তাকে মুক্ত করল, চুম্বক আর টিকলারের সাহায্যে...
যেটা যেকোন লোকই করতে পারে।
তারা তাদের পলায়ন সম্পন্ন করল, যখন...
পুরো সার্কাস তাদের বিপক্ষে ছিল।
তারা পালিয়ে গেল
তাদের পিছু ধাওয়া করা হলো
একজন মানুষ মারা গেল।
আমি এটাকে বলবো যে, আত্মরক্ষার সময় মানুষ খুন।
"খুনের দায়ে খোঁজা হচ্ছে" কপি করে এই ছবিটি ছড়িয়ে দাও সবজায়গা।
- স্যার, আপনি বললেন মাত্র এটা কোন খুন নয়... - আমি বলেছিলাম সেটা
আমার কেন জানি মনে হচ্ছে এই সার্কাসের ভূত...
কোন ঘটনার সূচনা মাত্র!
শুভ সকাল!
ইগর, ছয়টা পর্যন্ত যেহেতু আমার স্কুল, ওয়েড্রবে কাপড় আছে
দরজার পাশে যে টিন আছে ওটাতে টাকা আর চাবি রাখা আছে, ডিনারের সময় আমি ঘরে আসবো, ফ্রাঙ্কেস্টাইন।
চিসউইক হাসপাতাল।
ডক্টর?
এইদিকে আসুন, আমাকে কিছু কাটাছেড়া করতে হবে
এইযে
- কি, আমি? - হ্যাঁ
No comments yet. Be the first to leave one.