ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
ব
বঙ্গা
বঙ্গানু
বঙ্গানুবা
বঙ্গানুবাদে
বঙ্গানুবাদে -
বঙ্গানুবাদে - মা
বঙ্গানুবাদে - মারি
বঙ্গানুবাদে - মারিব
বঙ্গানুবাদে - মারিব সি
বঙ্গানুবাদে - মারিব সিরা
বঙ্গানুবাদে - মারিব সিরাজ
বোর্গম্যান (২০১৩)
Bangla Subtitle By Marib Siraj
- আর তারা পৃথিবীতে নেমে এসেছিল তাদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করার জন্য -
লুডভিগ...
- ঈশ্বর, কী হয়েছে ভাই? - তুমি ফোন ধরোনি কেন?
- আমি তো ঘুমাচ্ছিলাম, তাই না? - আমরা ধরা পড়ে গেছি। পালাও এখান থেকে।
- সত্যি বলছো? - হ্যাঁ, ফোন চালু রেখো।
- আরে, কামিল সব ঠিক আছে তো? - না।
তুমি ফোন ধরোনি কেন?
যত দ্রুত সম্ভব, এ জায়গা ছেড়ে পালাও।
গুড অপরাহ্ন, ম্যাডাম।
আর কিছু?
যদি আপনার বাসায় গোসল করতে দিতেন, শরীরটা নোংরা হয়ে আছে।
শুভ অপরাহ্ন।
- আপনি জনাব ভ্যান স্ক্যান্ডেল? - হ্যাঁ?
আমাকে আপনার বাড়িতে গোসল করতে দেওয়া যাবে?
- কী বললেন? - একটু গোসল করতে চাই।
- না, সম্ভব না। - যদি দিতেন, খুব উপকার হতো।
দেখতেই তো পাচ্ছেন, অনেকদিন গোসল করা হয়নি।
গোসল করা তো উচিত, কিন্তু আমি কোনো সাহায্য করতে পারছি না।
একটু শুনুন।
আপনি খামোখাই ভয় পাচ্ছেন।
আমি একজন সাধারণ মুসাফির, শুধু চাইছি একটু গোসল করতে।
আমি তো আপনাকে চিনি না আর অপরিচিত কাউকে আমি বাসায় ঢুকতে দেই না।
আমি আন্তন ব্রেসকেনস।
ফ্ল্যাণ্ডারের এক ডাচ পরিবারে আমার জন্ম।
তাতে কী আসে যায়, আপনি চলে যান।
আমি আপনার স্ত্রীর পরিচিত।
আপনি আমার স্ত্রীকে চেনেন?
- আপনি কী চান বলুন তো? - উত্তেজিত হবেন না।
আমি কোনো দাবি দাওয়া নিয়ে আসিনি। আমার কাছে আপনার স্ত্রীর ব্যাপারে অনেক তথ্য আছে।
কে এসেছে?
- তুমি একে চেনো? - না তো।
- আন্তন? - ব্রেসকেনস।
- চিনলাম না তো। - সে বলছে, তোমাকে চেনে।
আমি তাকে চিনি না।
আরে, মারিয়া। হাসপাতালের কথা মনে নেই? তুমি আমার নার্স ছিলে।
- আমি কোনো নার্স নই আর আমার নামও মারিয়া নয়। - তখন ছিল হয়তো।
- স্বীকার করো, মারিয়া। - আমার স্ত্রীর নাম মারিনা।
মারিনা, মারিয়া... তফাৎ কোথায়?
সে তোমাকে চেনে না। শুনতে পাওনি? এখান থেকে চলে যাও!
তুমি তিন মাস ধরে আমার সেবা করেছো।
তুমি রাতে আমাকে গল্প পড়ে শুনিয়েছো। মাঝে মাঝে আমার সাথে শুয়েছো।
আপনার বউকে যখন চিনি, তখন তো আমি ভিতরে আসতেই পারি?
তুমি এই মুহূর্তে চলে না গেলে আমি তোমার থোতা মুখ ভোতা করে দেবো।
মারিনা, তার কি আমার সাথে এমন আচরণ করা উচিত হচ্ছে?
না, রিচার্ড।
ফকিন্নির পোলা।
হারামি।
রিচার্ড...
রিচার্ড!
এই হারামিটা কে?
তুমি কি আমার কাছ থেকে কিছু লুকাচ্ছো? তুমি কি আগে নার্স ছিলে?
- কখনই না। - সে কে? তুমি তাকে চেনো?
- তোমার কী মনে হয়? - বাজে কথা ছাড়ো। হ্যাঁ নাকি না?
না, আমি তাকে চিনি না।
আমরা কিন্তু একে অপরকে কথা দিয়েছিলাম।
হ্যাঁ, আমি সত্যি বলছি। আমি তাকে চিনি না।
শোনো রিচার্ড, তুমি তাকে মেরেছো। তার চিকিৎসা দরকার।
জাহাজটা বন্দর থেকে রওনা দিলো।
ডেকে দাঁড়িয়ে থাকা বাবাকে বাচ্চারা হাত নেড়ে বিদায় জানাচ্ছিল।
সে একটা রুমাল হাতে নিয়ে বিদায় জানাচ্ছিল।
জাহাজটা বন্দর পেরিয়ে সমুদ্রের দিকে যাত্রা করলো।
দূরে চলে যাওয়ায় বাবাকে অনেক ছোট দেখাচ্ছিল, তবুও সে হাত নেড়ে যাচ্ছিল, আর বাচ্চারাও তাই করছিল।
যতক্ষণ না তারা একে অপরের দৃষ্টিসীমায় মিলিয়ে না যায়।
আর এখন বিছানায় যাও।
প্রিয়তম...
আমার ছোট্ট ফুল...
আমার রাজা...
ভালো করে ঘুমাও।
স্টোর্নব্রিংক ফোন করেছিল। নিশ্চয়ই কোনো ঝামেলা হয়েছে।
- আমাকে সেখানে যেতে হবে। - ঠিক আছে।
আমি এখানে।
জুতা খুলে ফেলুন।
চুপচাপ আমার সাথে আসুন।
সে একজন ক্লান্ত মুসাফির।
আমি তার গোসলের ব্যবস্থা করছি। তুমি তার খাবারের ব্যবস্থা করো।
তুমি এটা আমার স্বামীকে বলতে যেও না। সে রাগ করতে পারে।
আচ্ছা, ম্যাডাম।
আমি কি তোমাকে বিশ্বাস করতে পারি?
জি, ম্যাডাম।
নিশ্চিন্তে ঘুমান।
বলো?
ইসলদের শরীরটা খারাপ।
জ্বর?
আমি জানি না।
প্রিয়তম...
- তুমি কি অসুস্থ? - আমাদের দেরী হবে।
তুমি বরং যাও। ওদের গিয়ে বলো সে অসুস্থ।
- মা, আমরা যাচ্ছি। - বাই।
আমি একজন যাদুকরকে দেখেছি।
ও হ্যালুসিনেট করছে।
শরীরে তো তাপ নেই।
সকালের নাস্তা কি একসাথে হচ্ছে?
আপনি চলে গেলে আমি খুশি হবো।
আমি আপনাকে লিফট দিতে পারি।
আপনি কোথায় যাবেন?
- আমাকে চলে যেতে হবে? - জি।
একটু স্যুপ, এক রাত থাকতে দেওয়া, আর ব্যান্ডেজ বেঁধে দেওয়া পর্যন্তই?
সারা শরীরে এখনও ব্যথা।
আমার স্বামীর দুর্ব্যবহারের জন্য আমি দুঃখিত।
সব নার্সের কি একটাই ডায়লগ: "আমি দুঃখিত"?
তাহলে সহানুভূতি দেখিয়ে লাভ কী? আমার সেবা দরকার, আমাকে সেবা করো।
- নাস্তা দিবে না? - আমি নার্স নই। কখনো ছিলামও না।
আমি আপনাকে একটা প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যেতে পারি।
খরচ আমি বহন করবো।
আমি অসুস্থ নই, আমার শরীর ব্যথা।
দয়া করো, মারিনা। আমি এখানে ভালো আছি। রাতে আমার জানালায় একটা হরিণ এসেছিল।
আমি বেশি কিছু চাই না। মাঝে মাঝে ব্যান্ডেজ বদলানো, আর কিছু আয়োডিন।
মাত্র কয়েকটা দিন।
কথা দিন কারও সামনে যাবেন না?
মারিনা...
তোমার স্বামীকে নিয়ে সুখে থাকো।
তোমাকে বাঁচানোর জন্য মার খেয়েছি। এজন্য কিন্তু আমার প্রশংসা প্রাপ্য।
নতুন মেসেজ এসেছে।
সময় কি হয়েছে?
না।
মেসেজ পাঠানো হয়েছে।
গতকাল তোমার কী হয়েছিল?
এটা হঠাৎ করে ঘটে গেছে।
একটা ঘটনা আরেকটার জন্ম দেয়।
- আমি ভেবেছিলাম বড় কিছু ঘটেছে। - কেন, তুমি ভয় পেয়েছো?
তোমার রক্ষণশীলতা আমাকে ভয় পাইয়ে দেয়।
লোকটা একটা হারামি।
আমার অতটাও খারাপ মনে হয়নি।
আমার তা মনে হয় না।
তুমি তো তাকে প্রায় মেরেই ফেলেছিলে।
আমি এখানে।
- আপনার তো বাইরে আসার কথা ছিল না। - শুধু একটা প্রশ্ন করতে চাই।
এই বাড়িতে যা ইচ্ছা তাই করা যাবে না।
আমি গোসল করতে চাই।
ইসলদে ঘুমিয়ে আছে। বাড়িতে আর কেউ নেই।
- আপনি তো গোসল করেছেন। - সে তো দুই দিন আগের কথা।
আমি নোংরা, দুর্গন্ধ বের হচ্ছে।
কোনো ঝামেলা তৈরি করবেন না।
আমি কখনও কারো ঝামেলার কারণ হইনি।
মা কোথায়?
মা নিচতলায়।
তুমি কি মেঘের উপর ভেসে বেড়ানো ফর্সা শিশুর গল্প শুনেছো?
শুনতে চাও?
তাহলে বিছানায় ফিরে যাও।
চিন্তা করো না, সে ভিতরে আসার আগেই আমি চলে যাব।
- আমাকে অনুসরণ করুন। - না, বরং তুমি আমাকে অনুসরণ করো।
কেন?
এটা অসম্ভব, রিচার্ড।
তোমার জন্য।
হ্যাঁ, তা তো দেখতেই পাচ্ছি।
- এটা দিয়ে আমি কী করবো? - পরে দেখো।
তুমি এটা কিনে আনায় আমার সত্যিই অস্বস্তি হচ্ছে।
ফর্সা শিশুটা বনের লেকের ধারে দাঁড়িয়ে ছিল।
সে ধীর পায়ে এগুচ্ছিল।
লেকটা খুব একটা বড় ছিল না তবে সবাই বলতো এটা অনেক গভীর।
এই বাসার ছাদের সমান গভীর।
আর সবাই বিশ্বাস করতো সেই লেকে কিছু একটা বাস করে।
একটা জানোয়ার।
আঁশযুক্ত একটা বড় জানোয়ার...
আর এর ঠোটে ছিল ৫০০ ছোট ছোট ধারালো দাঁত।
আর সেই জানোয়ারটা সুখী হওয়ার সোনার কাঠি পাহারা দিত।
সাদা শিশুটা কেঁদে উঠল।
সে কি সেই গভীর লেকে ডুব দিতে পারবে?
তোমরা আগেই চলে এসেছো, আমি আসছি।
ইসলদে কাঁদছিল। সে একটা বাজে স্বপ্ন দেখেছে।
সে অস্থির ছিল। এখন সব ঠিক আছে।
আপনি এখানে আসতে পারেন না।
কথাটা মাথায় গেঁথে নিন!
সে কাঁদছিল।
কোনো বাচ্চাকে কাঁদতে দেখলে আমি কি তার কাছে আসবো না!
স্টিনা দেরী করে এসেছে, তাই এখন গোসলে ছিল।
এদিকে রিচার্ড ঘুমিয়ে আছে। বাচ্চাদের দেখার মতো কেউ নেই!
দয়া করে স্টুডিও দিয়ে চলে যান। রিচার্ড বেডরুমে ঘুমাচ্ছে।
এমনটা তো কথা ছিল না।
আমি দুঃখিত।
দেরী করে আসলেও তোমার উচিত বাচ্চাদের সাথে থাকা। এটাই তোমার কাজ।
এটা খুবই বিরক্তিকর।
তোমার ওদেরকে আরও সকালে উঠানো উচিত ছিল।
আমি দুঃখিত।
আমি দুঃখিত, আমি দুঃখিত? এখন বলে কী হবে?
এলার্ম সেট করো।
আমরা তো আর ডেনমার্কে থাকি না!
আমি তোমাকে সতর্ক করছি স্টিনা,
তোমার জায়গায় কাজ করতে আরও দশ জন অপেক্ষা করছে।
আমি যাচ্ছি।
আন্তন!
কী ব্যাপার?
তুমি চলে যাচ্ছো কেন?
আমি বিরক্ত। আমি খেলতে চাই।
তুমি কি থাকতে চাও না?
আমাকে যদি লুকিয়ে বেড়াতে না হতো, আমি তোমার সাথে ডাইনিং টেবিলে বসে খেতে চাইতাম।
No comments yet. Be the first to leave one.