ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
Marib Siraj presents
My Neighbor Totoro (1988) আমার পড়শি তোতোরো
ভাবানুবাদে - মারিব সিরাজ
বাবা, ক্যারামেল ক্যান্ডি খাবে?
ধন্যবাদ।
তোমরা কি ক্লান্ত?
একদম না।
আমরা প্রায় চলে এসেছি।
মেই, লুকাও!
লোকটা পুলিশ ছিল না।
হ্যালো।
এই যে, তোমার বাবা-মা কি আশেপাশে আছেন?
ধন্যবাদ।
আমি কুসাকাবে! আমরা মাত্র এসে পৌছালাম!
আপনার সাথে পরিচিত হয়ে খুশি হলাম!
স্বাগতম!
ধন্যবাদ।
আমরা চলে এসেছে।
দাঁড়াও!
মেই, দেখ একটা ব্রিজ!
ব্রিজ?
দেখলে, চকচক করে উঠলো? এখানে মাছও আছে!
তাহলে, তোমাদের এই জায়গাটা পছন্দ হয়েছে?
বাবা, জায়গাটা অসাধারণ!
দেখ, গাছের সুড়ঙ্গ!
এটা কি আমাদের বাড়ি?
জলদি এসো!
এটা তো দেখছি ভাঙ্গা বাড়ি!
ভাঙ্গা বাড়ি!
ভূতের বাড়ির মতো দেখতে!
ভূতুড়ে বাড়ি?
এগুলো পচেও গেছে!
বাড়িটা ভেঙ্গে পড়ে যাবে!
পড়ে যাবে!
দেখ, মেই!
দেখলে?
কত্ত বড়।
বাবা, দেখ, কত্ত বড় গাছ!
ওটা কর্পূর গাছ।
কর্পূর গাছ...
উফ!
একটা ওক ফল!
আমাকে দেখাও।
এইতো আরেকটা!
আমিও একটা পেয়েছি!
এখান থেকে একটু সরে দাঁড়াও। আমি পর্দাগুলো সরাতে পারছি না।
ওক ফল!
ঘরে অনেক ওক ফল পড়ে আছে।
এগুলো উপর থেকে পড়েছে!
মনে হয় ওখানে কাঠবিড়ালী আছে।
কাঠবিড়ালী, সত্যি?
নয়তো ইঁদুরও হতে পারে।
কাঠবিড়ালী হলেই ভালো হয়!
এটা কোথায় রাখবো?
এইদিকে, আমি দরজা খুলে দিচ্ছি। সাতসুকি, রান্নাঘরের দরজাটা খুলে দাও।
দরজাটা পেছনের দিকেই পাবে।
মেই, জলদি এসো!
আমার জন্য দাঁড়াও!
জলদি!
তুমি প্রস্তুত?
বাথটাব।
মনেহয় ওরা চলে গেছে।
এটাই বাথরুম।
বাবা, ওখানে কিছু একটা আছে।
কাঠবিড়ালী?
জানিনা। অনেকগুলো কালো জিনিস কিন্তু তেলাপোকা বা ইঁদুর না।
তাই নাকি?
দেখতে পেলে?
মনে হয় ওগুলো...ধুলোর খরগোশ।
'ধুলোর খরগোশ'? আমার বইয়ে আছে সেরকম?
সেটাই হবে। ভূতেরা তো আর দিনের বেলা বের হয় না।
যখন তুমি বাইরের আলো থেকে হঠাৎ অন্ধকার ঘরে ঢুকবে...
তখন তোমার চোখে সয়ে নিতে সময় লাগবে আর তখন তুমি ধুলোর খরগোশদের দেখতে পাবে।
ও, বুঝেছি।
বের হও, ধুলোর খরগোশ। বের হয়ে দেখা দাও, যেখানেই থাক!
চলো কাজ শুরু করি! উপরে যাওয়ার সিঁড়ি খুঁজে পাও কিনা দেখি তো!
খুঁজে পেলে উপরে যেয়ে সবগুলো জানালা খুলে দিও।
অবশ্যই!
আমিও যাবো!
টয়লেট!
এখানেও নেই!
এখানেও না!
এখানেও না!
মেই, সিঁড়িটা খুঁজে পেয়েছি!
অনেক অন্ধকার!
ধুলোর খরগোশ...
আরেকটা ওক ফল।
বেরিয়ে এসো, ধুলোর খরগোশেরা!
জনাব ধুলোর খরগোশ, আপনি কি এখানে আছেন?
বাবা, এখানে এসো, এখানে কিছু একটা আছে!
চমৎকার! আমি সবসময়ই একটা ভূতুরে বাড়িতে থাকতে চেয়েছি।
আমি আসছি!
ধরেছি! আপু!
মেই।
কি চঞ্চল!
উনাকে "দাদু" ডাকবে। উনি বাড়ির কাজে সাহায্য ও দেখাশোনা করবেন।
আমি সাতসুকি আর ও আমার বোন, মেই।
আপনার সাথে পরিচিত হয়ে খুশি হলাম।
আমিও তোমাদের সাথে পরিচিত হয়ে খুশি হলাম।
কি সুন্দর আচরণ।
আপনারা এত আগেই চলে আসবেন জানলে আমি আগেই পরিষ্কার করে রাখতাম।
না, না ঠিক আছে।
আসলে আমি ধান ক্ষেতে অনেক ব্যস্ত ছিলাম, আমি সামান্য ধুলো ঝাড় দিয়েছি মাত্র...
মেই তোমার হাতের এই অবস্থা কেন?
একটা ধুলোর খরগোশ ধরেছিলাম কিন্ত পালিয়ে গেছে...
আরে, তোমার পা!
আমারটাও তো কালো!
তোমাদের বাড়িতে 'ঝুল পরীরা' থাকে।
ঝুল পরী! ওরা কি ছোট, কালো, আর উড়ে উড়ে ছোটে?
ঠিক বলেছো। ওরা পুরনো খালি বাড়িতে থাকে,
আর বাড়িঘর কালিঝুলি দিয়ে নোংরা করে দেয়।
আমি ওদের ছোটবেলায় দেখেছিলাম।
এখন তোমরাও দেখতে পাচ্ছ, তাই না?
তাহলে ওরা কি ভূতের মতো?
চিন্তা করবেন না, ভয়ের কিছুই নেই।
আপনারা যদি সবসময় হাসিখুশি থাকেন, তাহলে ওরা শীঘ্রই বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে।
হয়তো ওরা এখনই কোথাও চলে যাবার কথা ভাবছে।
শুনলে মেই, ওরা চলে যাবে।
আমি চাই না ওরা চলে যাক।
যদি এত্ত বড় একটা তোমার সামনে চলে আসে?
আমি ওদের ভয় পাই না।
ঠিক আছে, আমি তাহলে আর তোমাকে রাতে বাথরুমে নিয়ে যাব না।
চলো, এবার কাজ শুরু করি।
কে কল থেকে পানি আনতে যাবে?
আমি নিয়ে আসবো।
আমিও যাবো!
মেই, ওখানেই দাঁড়াও।
তুমি কি মাছ ধরতে পেরেছ?
দাদু, কল থেকে পানি বের হচ্ছে!
বাহ, চাপতে থাকো। যতক্ষণ না ঠান্ডা পানি বের হচ্ছে।
আচ্ছা!
ওহ, হ্যালো।
তুমি কি কিছু বলবে?
আমার মা এটা দাদুকে দিতে বলেছে।
ও, এটা কী?
এই, দাঁড়াও। এটার মধ্যে কী আছে?
কে, কান্তা এসেছিল নাকি?
এই যে মেয়ে, তোমাদের বাড়িতে ভূত আছে!
কান্তা!
আমি যখন ছোট ছিলাম আমিও এমনটাই করতাম।
আমি ছেলেদের পছন্দ করি না। তবে দাদুর জন্য আনা এই পিঠাগুলো অনেক মজা!
যতখুশি খাও।
ধন্যবাদ!
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
বিদায়!
বাবা, বাড়িটা তো মনে হচ্ছে ভেঙে পড়বে।
আশা করি কিচ্ছু হবে না। আমরা তো মাত্রই এ বাড়িতে উঠলাম।
চলো, আমরা হাসি দিয়ে সব ভয় দূর করে দিই!
কিন্তু বাবা, আমার তো ভয় লাগছে না।
আমার ভয় করছে না!
এক-দুই, এক-দুই, এক-দুই...
এইতো, এভাবেই করতে থাকো...
আজকের সব কাজ শেষ, তোমাদের ছুটি!
চলো যাওয়া যাক!
দাদু...!
হ্যালো!
কাজে অনেক ব্যস্ত?
আপনারা সবাই কোথায় যাচ্ছেন?
মা'কে দেখতে হাসপাতালে যাচ্ছি!
ভালো তো। তাকে আমার শুভেচ্ছা জানিও!
আচ্ছা।
এদিকে।
হ্যালো।
কী খবর?
মা!
মেই, তোমাকে দেখে অনেক ভালো লাগছে।
জানো মা, বাবা এখানে আসার সময় রাস্তা হারিয়ে ফেলেছিল।
তাই নাকি? আজ স্কুল নেই?
না, আজকে স্কুল ছুটি।
ও তাই!
মা, বাবা ডাক্তারের সাথে কথা বলছে।
তোমাদের দেখে আমার অনেক ভালো লাগছে।
গ্রামে তোমাদের কেমন লাগছে? বাসা গুছিয়ে ফেলেছো?
ভূতুরে বাড়ি?
মা, তোমার কি ভূতুরে বাড়ি পছন্দ?
হ্যাঁ! আমি সুস্থ হয়ে ভূতগুলোর সাথে দেখা করতে চাই।
দেখলে মেই?
মেই ভেবেছিল, তুমি ভূতের কথা শুনলে আর বাড়ি ফিরে যাবে না।
তোমাদের কি এটা ভালো লাগে?
আমার ভালো লাগে!
আমি একটুও ভয় পাই না!
এই ঝুঁটিটা কি তুমি বেঁধে দিয়েছ, সাতসুকি?
খুব ভালো হয়েছে। মেই, তুমি খুব ভাগ্যবতী।
কিন্তু, ও সবসময় আমার সাথে চিল্লাচিল্লি করে।
কারণ তুমি এক মুহূর্তও চুপ করে বসে থাকো না।
কাছে এসো, সাতসুকি।
তোমার চুল অনেক ছোট মনে হচ্ছে না?
না, আমার এভাবেই ভালো লাগে।
আমাকেও চুল আঁচড়ে দাও!
একটু ধৈর্য্য ধর মেই!
তোমার চুলগুলো ঢেউ খেলানো।
ছোটবেলায় আমারও এমন চুল ছিল।
আমি বড় হলে কি আমার চুলও তোমার মতো বড় হবে?
হ্যাঁ, হতে পারে। তুমি ঠিক আমার মতই হয়েছ।
মাকে খুব ভালো দেখাচ্ছিল, তাই না বাবা?
হ্যাঁ। আর ডাক্তার বলেছে আমরা তাকে তাড়াতাড়িই বাড়ি নিয়ে আসতে পারবো।
তাড়াতাড়ি? তবে কি আগামীকাল?
তোমার তো সবকিছুতেই আগামীকাল।
এবারের "আগামীকাল" একটু জলদিই আসবে।
মা বলেছে, সে আমার সাথে আমার বিছানায় ঘুমাবে।
No comments yet. Be the first to leave one.