ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
Bangla Subtitle By
Bangla Subtitle By Marib Siraj
বঙ্গানুবাদে - মারিব সিরাজ
পূর্ব সূত্র
আমরা নোলানকে গ্রহ থেকে দূরে সরিয়ে নিতে চেয়েছিলাম...
যাতে ওর মনে সন্দেহের উদ্রেক না করে...
খুনগুলোর ব্যাপারে ওর উপর তদন্ত চালাতে পারি।
আমরা মার্ককে সেখানে কেন পাঠাচ্ছি?
এই ছেলের সক্ষমতার পরিধি জানার জন্য।
আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো,
ও কোন মতাদর্শের তা জানার জন্য।
তুমি আবার কে?
তুমি কোথায় যাচ্ছো?
জায়গাটা অনেকটা মরুভূমির মতো।
তুমি জানোই না তুমি কোথায় যাচ্ছো।
যাও, যাও, যাও, যাও, যাও!
আমি চলে গেলে আমাকে আবার ভুলে যেও না।
আচ্ছা, সিসিল। আপনি কি এই দাগটা দেখেননি?
এটাকে স্মৃতিচিহ্ন হিসাবে রেখে দিয়েছি,
আর যেদিন তোমরা তোমাদের...
পূর্বসূরি হিরোদের চেয়ে নিজেদের অধিক সক্ষম প্রমাণ করতে পারবে,
সেদিন এ দাগ মুছে ফেলবে।
তুমি সাত জনকে হত্যা করেছো।
তোমার স্ত্রী সন্দেহ করতে শুরু করেছে।
ডোমিনারি...
তুমি আমার কথায় কর্ণপাত করোনি...
যখন তোমাকে আমি মামলাটা ছেড়ে দিতে বলেছিলাম।
চিন্তার কিছু নেই।
সবকিছু ঠিক আছে।
হাহ?
মার ব্যাটাকে!
এবার আমার পালা।
হোয়াট দ্যা ফাক!
ভাগ এখান থেকে! আরে, ভাগ বলছি!
ওহ।
মিঃ লিউকে বলে দিবি,
এরপর কোনো দিন যদি ওকে আমার এলাকায় দেখি,
আমি কোনো দয়া দেখাবো না।
কথাটা তোমাকে উদ্দেশ্য করে বললাম।
বোকামি করবে না।
আমি তোমাকে সুযোগ দিচ্ছি...
ভাগো।
আরে, বাল...
এইবার, আমি তৈরি হয়ে এসেছি!
আত্মসমর্পণ করছি...
আমি আত্মসমর্পণ করছি...
দারুণ, পিছনে টান তো।
আমি আত্মসমর্পণ করছি--
ওহ, এই নতুন লোকটা পুরাই জোস।
এই।
হ্যাঁ, আমার আসতে ২০ মিনিট দেরী হয়েছে,
কিন্তু তুমি আমার উপর রাগ করে থাকতেই পারবে না।
সেটা কীভাবে জানলে?
কারণ আমি তোমার জন্য জাপানি চিজ কেক নিয়ে এসেছি।
তুমি শহরের অন্য প্রান্তে গিয়েছিলে...
এই চিজ কেক আনার জন্য!
হ্যাঁ।
দেরী করার জন্য আমার রাগ ভাঙ্গাতে,
কারণ তুমি শহরের অন্য প্রান্তে চিজ কেক আনতে গিয়েছিলে?
পাগলামি মনে হচ্ছে?
হ্যাঁ, সেরকমই তো লাগছে।
তুমি চাইলে, আমি এটা ফেরত দিয়ে আসতে পারি,
কিন্তু সেটা করতে গেলে হয়তো আরও দেরী হয়ে যাবে।
এই যে!
আমরা আপনার কী ক্ষতি করেছি?
কেভিন, চুপ থাকো।
ঝামেলার দরকার নেই।
৩ নাম্বার পার্কল্যান্ড স্ট্রিটে একটা থাকার জায়গা আছে।
ওরা আপনাদের দুই সপ্তাহ থাকতে দেবে।
সবাইকে স্বাগতম!
শুধুমাত্র শহরটাকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করছি।
পিছে দেখো!
কী? কাম সারছে!
হাই।
ভয় পাবেন না। আমি ধরেছি,
আহ, আমার মনে হয়, আপনাদের বের হয়ে আসা উচিত?
আপনার অ্যাপার্টমেন্টের ক্ষয়ক্ষতির জন্য দুঃখিত।
৪৫ মিনিট দেরী করেছো!
আর এমনটা হবে না, মিঃ সায়ার।
কিন্তু এটাই তো হচ্ছে, গ্রেসন।
তুমি গত তিন মাসে ১২ বার দেরী করেছো।
আমি দুঃখিত,
আমি তোমাকে ছাটাই করতে বাধ্য হচ্ছি।
বুঝলেন তো?
চাপ নিয়েন না।
আমি নিজেই ছেড়ে দিচ্ছি।
কী!
সায়ার সাহেব? আবারও মেয়োনিজে ইঁদুর পড়েছে।
তোমার কি মনে হয় আমি এসব নিয়ে মাথা ঘামাই?
গ্রেসন?
গ্রেসন?
আমি কালকে টাকা দিয়ে দেবো, কসম!
তোমার বসকে বলো আমাকে আরেকটু সময় দিতে!
আর কোনো সময় দেওয়া হবে না, গ্যারি।
সব নিয়ে নাও।
আমার যা কিছু আছে সব নিয়ে নাও।
ওফ!
দুই দিন।
এরপর, ফুটপাতে ভিক্ষা করে বেড়াবে।
ওহ, ঈশ্বর!
গ্র্যাভিটি বোমাটা কোথায়?
কখনই বলবো না!
এখন কী?
মার্ক, তোমাকে ভয় দেখাতে হবে।
ওকে ভাবতে বাধ্য করো যে তুমি আসলেই ওকে ফেলে দিচ্ছো।
আমি তোমাদের কথা শুনতে পাচ্ছি!
কীভাবে করবো, বুঝতে পারলাম না।
আচ্ছা, তাহলে আমিই দেখাচ্ছি।
- আরে! - কী, দেখলে তো?
এখন সে আমাকে সব বলবে।
আচ্ছা, কিন্তু তোমাকে তো আগে ওকে ধরতে হবে, তাই না?
হ্যাঁ।
এক সেকেন্ডের কাজ।
বাল।
উহ, প্রিন্সিপাল উইনস্লো।
আহ... হাই।
মিঃ গ্রেসন।
তুমি যদি কলেজে পড়াশুনা চালিয়ে যেতে চাও,
তাহলে আমাদের তোমার সাম্প্রতিক...
অনুপস্থিতির ব্যাপারে...
কথা বলতে হবে।
ওহ, আর আমি যদি কলেজ ছেড়ে দিতে চাই?
ওখানেই দাঁড়িয়ে থাকো!
প্রাণের মায়া আছে?
যদি থাকে, তবে ফাঁকা গুলি চালাও,
আর বলবে, তোমরা তোমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছো।
এবং আমরা সবাই,
জীবিত ফিরতে পেরে খুশি।
"আরে, আজ রাতে পারবো না।
মাত্রই কিছু একটার দ্বারা আঘাত পেলাম।
"আমাকে আজকেও অপেক্ষা করাবে?
"তুমি আগুন নিয়ে খেলছো, বন্ধু।"
"অপেক্ষার ফল মিষ্টি হয়ে যাবে...
যখন আমার অমায়িক ব্যবহার দেখতে পাবে।"
"কোনো ভাবেই আমার মায়ের সাথে...
বৃহস্পতিবারের ডিনার মিস করবে না...
সে যেকোনো কিছুর বিনিময়েই হোক, বুঝতে পারলে? মার্ক গ্রেসন।"
"অবশ্যই পৃথিবীর বিনিময়ে নয়।"
সিরিয়াসলি?
একটুও আঁচড় লাগেনি দেখছি?
খারাপ না,
একদমই হাতের ময়লা ছিল।
আহ...এইতো। চমৎকার।
হ্যাঁ, এটা... দারুণ।
এটাই ভালোই কাজ করছে।
এবারই শেষ।
পাওনাও মিটে গেছে। আমার কাজ শেষ।
উহু...নাহ।
না?
দেখো, টাইটান,
সমস্যাটা হলো, তুমি লোকটা খুব কাজের।
সব রকম কাজই তুমি পারো।
তুমি বন্দুকের গুলির মুখে পড়লেও...
বিচলিত হও না।
যেমনটা এই রুমের বাকিরা হয়।
শুধু একবারই তো...
- আমি বলেছিলাম... - চুপ কর!
তবে, হ্যাঁ, কখনও কখনও তুমি না মেরে...
মানুষগুলোকে ছেড়ে দাও,
কিন্তু, ভাই, তোমার একটা প্রভাব তো তৈরি হয়েছেই।
তোমার ঋণ শোধ না হয়ে থাকলে,
আমরা পার্ট টাইম কাজের চুক্তি করতে পারি।
আমার আর আপনার টাকার দরকার হবে না।
নিশ্চয়ই হবে।
তো, তুমি কি তাহলে সৎ ভাবে চলবে বলে ঠিক করেছো?
বার্গার-কিং এ চিকেন ফ্রাই করার কাজ করতে চাও?
সে আশায় গুড়ে বালি, ভায়া।
এটাই এখন তোমার জীবন।
তোমাকে এসবই করতে হবে।
না, মোটেও তা নয়।
তুমি একটা চলমান পাথর খন্ড।
তুমি মানুষ মেরে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম।
যা বলার বললাম।
আমার কথা শেষ।
এটা এখন পেয়ে গেছি।
দেখো, আমি জানি তুমি এখনও আমার হয়েই কাজ করবে।
প্রশ্ন হলো,
কতটা কষ্ট সহ্য করার পর?
কী করছো?
তুমি কি ভাবছো, আমাকে ঘুসি দিয়ে বেরিয়ে যাবে?
আমি জানি তোমার পরিবার কোথায় থাকে,
এবং এর অর্থ এই যে, তুমি আমার হয়েই কাজ করবে,
যতক্ষণ না আমি তোমাকে থামতে বলছি!
দেখলে তো?
দেখলে!
কী অসাধারণ কাজ!
ঠিক এই জন্যই,
আমি কখনই তোমাকে যেতে দেবো না!
এখন আবার তোমাকে এই টেবিল ভাঙ্গার জন্য জরিমানা গুনতে হবে।
এটা আমদানি করা ইতালিয়ান ম্যাপল কাঠের তৈরি।
এখন এটাকে মহাকাশে ছুঁড়ে ফেলে দাও।
পৃথিবীকে বাঁচাতে কেমন লাগলো?
অন্তত একটা দেশকে?
যদিও, এটা যথেষ্ট ছোটই ছিল।
এটাকে ছোট বলছো?
হ্যাঁ, তোমার তাহলে কয়েক বছর আগের...
আমার সরানো গ্রহাণুটা দেখা উচিত ছিল।
সেটা টেক্সাসের আয়তনের সমান ছিল।
আরে, ধুর।
আমাকে যেতে হবে, বাবা।
No comments yet. Be the first to leave one.