ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
'পুরাক্কায়ম ২৫ মে, ২০২৪, ভোর ৪:১৬টা'
দুটি অ্যাম্বুলেন্স ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে।
আমরা পরিষ্কারভাবে কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।
স্থানীয়রা বলছেন...
আর মাত্র ছয় কিলোমিটার! জোরে চালাও!
এগিয়ে চলো।
জোরে চালাও।
আমরা পাম্পাডিকে জানিয়েছি। তারা শীঘ্রই শুরু করবে, স্যার।
- এনডিআরএফ-কে জানানো হয়েছে? - হ্যাঁ, স্যার।
এনডিআরএফ টিম কি ঘটনাস্থলে আছে?
ভিতর থেকে দড়িগুলো নিয়ে আসো।
ঠিক আছে, স্যার।
যতজনকে পারো অ্যাম্বুলেন্সে তুলে রওনা দাও।
পিছনের লোকজন, সরে যান।
থামো, থামো!
চলে এসো, তোলো।
ঠেলো! ঠেলো!
হাতটা দেখো।
ঠেলো!
সাবধানে, সাবধানে।
আদর্শ, এদিকে এসো!
এখানে এসো।
এখনও যাও নি!
আরও একজন আছে।
স্যার, এদিকে দেখুন...
স্যার, প্লিজ দেখুন। নিশ্চিতভাবে আমার বাচ্চাটা এর নিচে আছে।
চিন্তা কোরো না, বাবু।
অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে এসো।
সে অচেতন। মাথাটা ধরো।
অ্যাম্বুলেন্স এখানে নিয়ে এসো।
সাহায্য করুন, প্লিজ...
ওহ...
- আমি এই কাদার নিচে আটকে... - কেউ আছেন?
- আমরা ফায়ার ফোর্স... - স্যার, সাহায্য করুন, প্লিজ...
ওখানে কেউ আছে।
স্যার... তিনি সাড়া দিচ্ছেন।
- এটা সরাও। - আমার পা আটকে আছে, স্যার।
এটা একপাশে সরাও।
- ভিতরে পড়ে যেও না। - ধীরে ধীরে।
সাবধানে, ধীরে।
- ভাই... - ওহ, না!
ভয় পাবেন না! আমরা ফায়ার ফোর্সের লোক।
আপনি কি একা আছেন?
ওখানে আপনার সাথে আর কেউ আছে কী?
খোলো! টানো!
- স্যার... - ভাই...
- শ্বাস নিন... শ্বাস... - সাবধানে।
- ধীরে ধীরে... - এটা সরাও।
ভয় পাবেন না...
সাবধানে, সাবধানে...
টেনো না...
তোমার হাত...
ধরে থাকো।
হাতটা দেখো, সাবধানে।
তোলো, তোলো।
- ভাই, তোমার হাতটা দেখো। - পা-এর দিকে নজর রাখো।
আমাকে তোলো।
স্যার, স্যার...
ফিরে আসছি, স্যার।
স্যার!
স্যার! জিপের ভিতরে...
স্যার, দেখুন...
ওহ, স্বামীজী!
স্বামী শরণম!
স্বামীজী, ঘুমিয়ে পড়বেন না।
হ্যাঁ...
শুনুন, প্লিজ।
আমাদের এমজিআর,
শিবাজী গনেশন,
রজনীকান্ত...
কমল হাসান, মামুট্টি...
মোহনলাল...
- সুরেশ গোপী... - কোন সুরেশ গোপী?
আমাদের ইউনিয়ন মন্ত্রী, সুরেশ গোপী...
স্বামীজী, জানেন তারা কীভাবে...
স্টার থেকে সুপারস্টার হয়ে উঠলেন?
কারণ আমরা টাকা দিয়েছি আর উৎসাহ জুগিয়েছি!
ওহ স্বামীজী, মারপিট হত বটে!
দুর্দান্ত মারপিট!
পালানি স্বামী।
স্টান্ট করেছেন...
পালানি স্বামী।
- তার নাম শুনেছেন? - না, মানে...
তখন মাদ্রাজে আমাদের দুটো দল ছিল।
একটা ছিল, ত্যাগরাজন মাস্টারের দল।
অন্যটা ছিল, পালানি মাস্টারের দল।
স্বামীজী, জানেন কতজন হিরো, কত মাস্টারের জন্য...
আমি স্টান্টম্যানের কাজ করেছি!
'কাধাল পারাভাই' সিনেমায়...
ওহ, না!
- স্বামী শরণম! - ওহ, না!
গাড়ি চালানোর সময় কোনদিকে তাকিয়ে আছো, বজ্জাত!
আমাদের মারতে বেরিয়েছো নাকি!
তোমাকে গাড়ি চালাতে কে শিখিয়েছে, হুহ?
আমাদের মন্ত্রীদের কাছে অভিযোগ জানাবো নাকি?
সরকারি জিনিস তো এমনই হয়!
তো, সরকারী হলো তো কি হয়েছে?
কিছু নৈতিকতাবোধ থাকা উচিৎ।
আমার হৃদয় একটা স্পন্দন মিস করেছিল।
কিন্তু আমাদের সাবরিমালা যাত্রায় তো তোমার গল্পগুলো অন্য কথা বলছিল!
যথেষ্ট বড়াই করেছো!
গাড়িতে ফিরে চলো।
লিকার চা চাই, স্বামীজী?
ওহ! আমার স্ত্রী তখনই বলেছিল...
ওর খাটারা গাড়িতে না যেতে!
১.৫ ঘন্টার মধ্যে রান্নিতে পৌঁছানো উচিৎ ছিল।
- ইতিমধ্যেই ২.৫ ঘণ্টা কেটে গেছে! স্বামীজী, আমি দ্রুত যেতে পারি,
কিন্তু আপনার জন্যই যাচ্ছি না।
- গাড়িতে উঠুন স্বামীজী, নয়তো জোঁকে ধরবে। - দূর হও।
যতই হোক, শবরীমালার জোঁক।
অল্প কামড়ালেও ক্ষতি নেই।
তোমার ব্যগে কিছু জোঁক ভরে নিলে না কেন?
তো, কোথায় ছিলাম আমরা?
ওহ, হ্যাঁ। 'কাধাল পারাভাই'।
বেঞ্জ!
স্বামী শরণম।
আয়াপ্পা শরণম।
শবরীমালায় কি হাতী আছে?
ওহ, স্বামীজী...
মাঝেমধ্যে, পোনামপারা এলাকায় হাতীর দল ঘুরে বেড়ায়।
শুধু ঘোরে নাকি আমাদের আক্রমণ করতেও পারে, স্বামীজী?
দলবদ্ধ অবস্থায় হাতীরা আক্রমণ করে না।
এদের মধ্যে কিছু দুর্বৃত্ত আছে যারা একলা ঘুরে বেড়ায়।
তাদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
বেঞ্জ, কখনো হাতী দেখেছো?
- দেখেছি... একবার... - হুমম?
আচ্ছা, দেখি নি...
কখনো বাঘ দেখেছো, বেঞ্জ?
হ্যাঁ, দেখেছি।
ক্যালেন্ডারে।
প্রভু আয়াপ্পান বাঘের উপর বসে আছেন।
টিটকিরি মারা বন্ধ করুন, স্বামীজী।
- তুমি! - আউচ!
স্বামী! শরণম আয়াপ্পা!
- আয়াপ্পা! - স্বামীয়ে!
- স্বামী শরণম! - আয়াপ্পা শরণম!
স্বামীয়ে!
আয়াপ্পো!
আয়াপ্পো!
স্বামীয়ে!
হে ভগবান!
হে দেবী!
সিনেমা : থুডারাম ভাষা : মালয়ালম রানটাইম : ০২:৪৪:৫৮
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
আরে!
চলো, এজেন্ট এক্স। যাওয়া যাক।
এত দেরি করলে কেন?
দেরি করলাম তো কি হলো?
সবেমাত্র একটা অটো নিচ্ছিলাম।
নিজের গাড়ি থাকতে অটো নিবি কেন?
গাড়ি? এই জিনিসটা?
এটা পুপ কাল্ট মাত্র।
বিশ্ব স্বীকৃত পুপ কাল্ট।
কি বলছিস!
পুপ কাল্ট!
ভিতরে আয়।
স্বামী শরণম!
পাভি, তোর ডিকশনারি এত জঘন্য শব্দে ভর্তি কেন?
- পুপ কাল্ট! - বেশ ভালো, তাই না?
এটা কে বানিয়েছে? আহ, ওটা ছাড়।
জানিস, এই গাড়িতে কত মহান মানুষ তাদের পাছা ঠেকিয়েছেন?
আর তুই বলিস কিনা...
- তুই কোথায়? - শুনতে পাচ্ছি...
তোর বেঞ্জ কোথায়?
- তাকে ফোনটা দে। - না।
- মা, লাউডস্পিকার অন আছে... কথা বলো। - বেঞ্জ।
আমার ফোন কেটে দিলে কেন?
কাটি নি, সোনা। গাড়ি চালাচ্ছি।
তো?
তোমার মেয়ে মহা বজ্জাত হয়েছে।
গুগল ক্লাসরুমের জন্য ফোন কিনেছে, আর কি গুগল করছে, হুঁ?
দেখলাম, চাদরের নিচে লুকিয়ে,
হি-হি, টি-হি করছে।
হি-হি, টি-হি। এটা আবার কী?
হাতেনাতে ধরে ফেলতে যাচ্ছিলাম, সে বাথরুমে পালালো।
তাই তালা দিয়ে রেখেছি। ওইখানেই থাকুক।
বেঞ্জ, মা পাগল হয়ে গেছে।
তোর...
তোর বাপ-ই পাগল।
এসব কী? আমার বাচ্চাকে জ্বালাতন কোরো না।
চুপ করে থাকো।
আমি ঝামেলা করছি না।
তোমার মেয়ে করছে।
হ্যালো?
- হ্যালো? - কেটে দিয়েছে।
কি সব বলছে? এসব সত্যি নাকি?
আহ! আমি জানবো কি করে?
তুইও জানিস না?
সবাই কোথায়?
এরা কি ঝগড়া করে ব্রেক আপ করলো নাকি?
যেহেতু এটা আমাদের মা,
কোনোকিছুই নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না।
পিছনে, পিছনে, পিছনে...
পিছনে, পিছনে...
- ঠিক আছে। - আমাকে সাহায্য কর।
কেটে পড়ো।
নাজ! এখানে আয়!
- এখানে আয়! - তুই!
এই!
- তোকে এত দামি একটা ফোন কিনে দিলাম।
No comments yet. Be the first to leave one.