ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
উইল!
উইল!
- ডাস্টিন! - মিসেস বায়ার্স?
কী হয়েছে? উইল কোথায়?
মাঠে!
উইল। আমি এসে দেখি এ অবস্থা!
মনে হয় আবারও কোনো এপিসোড দেখছে!
উইল! উইল! উইল!
বাবা, ওঠো! এই যে মা!
উইল!
উইল, ওঠো বাবা!
শুনতে পাচ্ছো?
উইল, প্লিজ, ওঠো বাবা।
প্লিজ, ওঠো।
এই যে মা!
আমি এসেছি বাবা!
Translated By HASIBUJJAMAN HASIB ; MOHAMMAD YOUSUF SARAH IQBAL ; KAMRUL HASAN SHIMUL ; RUBAYED HASAN FUAD ANAS AHMED
Edited By F U A D A N A S A H M E D
CHAPTER FOUR WILL THE WISE
আচ্ছা, পুরো ব্যাপারটাই আমার ভয়ঙ্কর লাগল।
তোমরা ভয় পাও নি?
- দুই দিনে দুই এপিসোড! - অবস্থা তো দিন দিন খারাপ হচ্ছে।
কী মনে হয়, ওটা "ট্রু সাইট" ছিল?
ট্রু সাইট আবার কী?
কিছু না।
মনে পড়ছে না।
একটু চেষ্টা করো।
আমি... আমি মাঠে গেলাম... তারপর সব...
সবকিছুই কেমন অদৃশ্য হয়ে গেল, আর... আর তারপরই তুমি এলে!
উইল, আমায় সত্যি কথাটা বলো।
বলছি তো।
এই জিনিসটাকে, তোমার হ্যালোউইন নাইটের ভিডিও টেপেও দেখেছি আমি।
তোমার আঁকা ছবিটাতেও ঠিক এটাই ছিল।
তুমি এখন যেসব এপিসোড দেখছো, সম্ভবত, ড. ওউয়েন্স কোনো ভুল করছেন।
মনে হচ্ছে, এগুলো আসলেই সত্যি।
কিন্তু... কিন্তু, সত্যিই কী হচ্ছে, না জেনে তো তোমায় আমি সাহায্য করতে পারবো না।
তাই, আমাকে সব খুলে বলতে হবে, প্লিজ।
কিচ্ছু লুকোবে না, ওকে?
ওকে।
মাঠে... ঐ জিনিসটাকে আবারও দেখেছিলে?
হ্যাঁ।
ওটা... কী ছিল ওটা?
জানি না।
এটা অনেকটা কোনো অনুভূতির মতো!
সে রাতে আর্কেডে যেমন দেখেছিলে?
হ্যাঁ।
কী চায় ওটা?
জানি না।
আমার কাছেই এসেছিল ওটা, আর...
চলে যাও!
আমি চেষ্টা করেছিলাম। খুব চেষ্টা করেছিলাম ওটাকে বিদায় করে দেয়ার।
তারপরও ওটা আমায় নিয়ে নিলো, মম।
মানে? কী বলছো এসব?
ওটাকে সবখানে অনুভব করেছি আমি।
সবখানে।
এখনও... অনুভব করছি।
আমি শুধু মুক্তি চাই।
ঠিক হয়ে যাবে।
শোনো। তাকাও আমার দিকে।
তোমার সাথে আমি আর খারাপ কোনোকিছু হতে দেব না, কক্ষনো না।
আর যেটাই হচ্ছে, আমরা সারিয়ে তুলব। আমি সারিয়ে তুলব।
প্রমিজ। আমি আছি তো।
"বন্ধুরা মিথ্যা বলে না।" এটাই না বলছিলে তুমি?
এই, এই, এই! আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছো কেন?
কোথায় ঘুরতে গিয়েছিলে, হাহ্?
কোথায়?
মাইককে দেখা দিতে গিয়েছিলে?
ও আমায় দেখেনি।
হ্যাঁ, কিন্তু ঐ মা-মেয়ে দেখেছে আর পুলিশকেও খবর দিয়েছে।
এখন বলো, আর কেউ দেখেছে তোমাকে?
আর কেউ? কোনোখানে?
কথা বলো, ভেবে দেখো!
কেউ দেখেনি!
তোমার কারণে আমরা বিপদে পড়লাম।
বুঝতে পারছো সেটা?
তুমি প্রমিজ করেছিলে...
আমি যেতে পারবো!
কিন্তু কখনোই যাইনি আমি!
তাতে কিছুই হয়নি।
হ্যাঁ, কিছু হয়নি বলেই, এখনও সহিহ্ সালামতে আছো!
মিথ্যা কথা বলো তুমি!
আমি মিথ্যা বলি না! আমি খাওয়াই, পরাই, দেখাশোনা করি!
আর এত কিছুর বদলে তোমায় মাত্র তিনটা ছোট্ট নিয়ম মেনে চলতে বলেছি!
তিনটা নিয়ম, আর কী হলো?
সেটাও তুমি ঠিকভাবে করতে পারোনি!
তোমার শাস্তি শুরু!
এর মানে জানো?
এর মানে এগোস খাওয়া বন্ধ...
আর টিভি দেখাও বন্ধ! পুরো এক সপ্তাহ!
আচ্ছা, থামো। টিভি ছাড়ো।
আচ্ছা।
দুই সপ্তাহ।
ছাড়ো বলছি!
-এক মাস! -না!
বেশ, কংগ্রাচুলেশনস!
একমাসের বদলে, এখন থেকে চিরতরে টিভি দেখা বন্ধ!
না!
না। না। না।
মনে রাখবে, প্রতিটা কাজের জন্যই মানুষকে পরিণাম ভোগ করতে হয়!
তুমিও পাপার মতো!
আচ্ছা?
আমিও সেই পাগলের বাচ্চার মতো?
বাহ! বেশ। তো এখন তাহলে তুমি ল্যাবে ফিরে যেতে চাও?
একটা কল দিলেই কাজ হয়ে যাবে।
আই হেইট ইউ!
আমার তো তোমার ওপর আর রাগও করতে ইচ্ছে করছে না।
কেন জানো? কারণ তুমি একটা বজ্জাত!
শব্দটার মানে জানো?
নতুন আরেকটা শব্দ শিখে গেলে, হাহ্? বজ্জাত।
দেখো তো শব্দটার মানে কী? বজ্জাত!
বজ্জাত।
এই! সমস্যাটা কী তোমার?
এই!
এই!
এই! এই!
দরজা খোলো!
দরজা খোলো বলছি!
বাইরে যাবার খুব ইচ্ছে তাই না?
মাথা খাটিয়ে কাজ করো!
ঘিলুটাকে একটু কাজে লাগাও!
মম?
উইল?
হ্যালো?
আঙুর মজা লাগছে, হলি?
মা, ভাবছিলাম আজ রাতে স্টেসির বাসায় থাকবো।
সব বান্ধবীরা আসবে
হাসি-ঠাট্টা, গল্পগুজব...
হ্যাঁ! খুব মজা হবে মনে হচ্ছে!
টোস্ট? না?
- এই - এই
তোমার মাকে বলে এসেছ?
না, ঘুমাচ্ছিল। একটা চিরকুট রেখে এসেছি।
তোমার কিন্তু এসব না করলেও চলতো!
চুপ করবে তুমি?!
- হকিন্স পুলিশ। - ফ্লো, জয়েস বলছি।
হাই, জয়েস... শুনুন, উনাকে আপনার মেসেজ দিয়েছি.....
- এখনো আসেনি? - না, কিন্তু...
কাল থেকে আমার কোনো মেসেজ পেয়েছে সে? আপনি কি...
-হ্যাঁ, কথা বলবেন... -না, না। হপারকেই দরকার।
ও আসা মাত্রই আমাকে কল করতে বলবেন, প্লিজ।
থ্যাংক ইউ।
এখন কেমন লাগছে, ঘুমবাবু?
ভালো লাগছে?
গতরাতের মতো, এখনো অস্বস্তি লাগছে?
হ্যাঁ।
ঠিক আছে।
জ্বর নাকি?
না। আসলে ঠাণ্ডা।
ঠাণ্ডা লাগছে নাকি?
না। একটু অন্যরকম লাগছে।
মনে হচ্ছে যেন এখনো ঘুম ভাঙেনি।
তুমি বলেছিলে ডাক্তার ডাকবে না।
হ্যাঁ, মনে আছে। ডাক্তার ডাকবো না।
এখন কী করবো জানো?
তোমাকে সুন্দর করে গোসল করিয়ে দেবো। দেখবে, ভালো লাগবে।
আর খারাপ লাগবে না।
ঠিক আছে?
গুড মর্নিং, ডার্ট।
তোমার জন্য ব্রেকফাস্ট নিয়ে এলাম।
তোমার প্রিয় খাবার।
আমাকে এখন স্কুলে যেতে হবে,
কিন্তু খুব তাড়াতাড়িই ফিরে আসবো। ঠিক আছে?
ছেলেমানুষি ছেড়ে, তাড়াতাড়ি করো।
এ কেমন বিচার! এসবের কী আসলেই কোনো দরকার আছে?
কী হচ্ছে এসব?
তোমার কী মনে হয়? ডার্টকে খুঁজছি আমরা।
খোদা!
বাহ, বাহ, বাহ।
দেখো দেখো, কে এসেছে!
কাজ কর্ম শেষ হয়ে গেছে, এখন জমিদার সাহেবের আসার সময় হলো!
দুর্গন্ধ!
হাই, ম্যাক্স।
হাই।
- উইল কোথায়? - চলে আসবে।
এভাবে দাঁড়িয়েই থাকবে?
নাকি একটু সাহায্য করবে?
সকল জীব, জটিল স্তন্যপায়ী থেকে শুরু করে
এককোষী জীব, প্রত্যেকেই স্বীয় প্রবৃত্তিতে বিপদে আত্মরক্ষার চেষ্টা করে।
বিষাক্ত কোনো কেমিকেলের কাছে একটা ব্যাকটেরিয়া ছেড়ে দাও, দেখবে ওটা পালাবে!
অথবা অন্য কোনো ভাবে আত্মরক্ষার চেষ্টা করবে।
আমরাও প্রায় অমনই।
বিপদের সম্মুখীন হলে, আমাদের হার্টবিট বেড়ে যায়।
হাতের তালু ঘামতে শুরু করে।
এসব শারীরিক বা মানসিক লক্ষণগুলোর সমষ্টির নামই হলো...
ভয়।
হেই, জিম বলছি।
এখন হয়তো কালজয়ী কোনো কাজে ব্যস্ত আমি, তাই...
মম।
হ্যাঁ, বাবা, কী হয়েছে?
পানি তো ভীষণ গরম।
তুমি চাইলে... আরেকটু ঠাণ্ডা করতে পারি, বাবা,
- কিন্তু তোমার শরীরের তাপমাত্রা তো ঠিক করতে হবে। - না।
কী?
ও ঠাণ্ডাই পছন্দ করে।
হেই, বাবু।
শোনো, উম...
গতরাতে, আমি, আহ...
আমি ফিরে এসে যেন সব ঠিকঠাক দেখি,
তারপর টিভি ঠিক করার কথা ভেবে দেখবো।
বুঝেছো?
No comments yet. Be the first to leave one.