ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
সাবটাইটেল নির্মাতা: আদনান নাদীভ অয়ন
এটা সাক্ষাৎ দোজখ!
এখানকার ধূলার স্বাদ কুত্তার পায়খানার মতো।
তাই নাকি, খেয়ে দেখছো নাকি তুমি?
চুপ থাক ব্যাটা।
ভাঙ্গো!
একজন মিলিটারি বয়সের লোককে দেখছি...
...ফোনে কথা বলছে, নজর কনভয়ের দিকে। ওভার।
যদি সে বাহিনীর মুভমেন্ট সম্পর্কে রিপোর্ট করে থাকে...
...তাহলে গুলির অনুমতি দেওয়া হলো । তোমার ইচ্ছা । ওভার
হয়তো সে তার বউয়ের সাথে কথা বলছে।
লোকটা নিচে নেমে গেছে।
দাঁড়াও , ২০০ গজ দূরে একজন মহিলা আর একটা বাচ্চা দেখতে পাচ্ছি । কনভয়ের দিকে এগোচ্ছে।
মহিলার হাত নড়ছে না । তার হাতে কিছু একটা আছে ।
তার কাছে একটা গ্রেনেড ! একটা রাশান RKG গ্রেনেড! বাচ্চাটার হাতে দিয়েছে ।
মহিলা আর বাচ্চা ?
তোমরা দেখতে পাচ্ছো?? নিশ্চিত করতে পারো??
নেগেটিভ, তুমি আক্রমণে যাওয়ার নিয়ম জানো। এখন তোমার ইচ্ছা।
যদি ভুল করো তারা তোমাকে কাঁচা খেয়ে ফেলবে । নির্ঘাত তোমাকে লেভেনয়ার্থ জেলে পাঠাবে ।
- তুমি লাগাতে পেরেছো! - হ্যাঁ।
এখানে ফিরে আসো।
কখনো নিজের রাইফেল মাটিতে ফেলে যাবেনা।
জ্বি ,স্যার।
শটটা দারুণ ছিলো,বাছা।
তুমি আসলেই প্রতিভাবান।
একদিন তুমি অনেক বড় শিকারী হবে।
বুক অফ অ্যাক্টে ...
...পল কে বহুবার বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে...
...তার বিশ্বাসের জন্য।
সময়মতো আমাদের সবারই যার মুখোমুখি হতে হবে।
আমরা তার মতো করে দেখি না...
তাই আমরা তার পরিকল্পনার মাহাত্ন্য জানি না।
আমাদের জীবনের প্রতিফলন আমাদের সামনে উপস্থিত হবে...
- কি করছ তুমি? - শশ!
কিন্তু যেদিন আমরা উত্থিত হব, আমরা দেখবো তার নিস্কলুষতা ...
...আর বুঝতে পারব তার কাজের রহস্য!
আসুন , প্রার্থনা করি।
এই পৃথিবীতে ৩ ধরনের মানুষ আছে।
ভেড়া , নেকড়ে আর পাহারাদার কুকুর।
কিছু মানুষ বিশ্বাস করে যে দুনিয়ায় মন্দের অস্তিত্ব নেই।
আর সেই মন্দ একদিন যখন তাদের দরজায় উপস্থিত হয় , তারা নিজেদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়।
এরা হচ্ছে ভেড়া।
এরপর আছে শিকারীরা।
তারা দুর্বলকে শিকার করার জন্য অত্যাচার করে।
তারা হলো নেকড়ে।
মারো জেক, ঘুষি মারো ওকে!
আর সবশেষে আছে সেসব মানুষেরা যারা আক্রমণের বিশেষ ক্ষমতার অধিকারী,
যাদের ক্ষমতা ভেড়ার পালকে রক্ষা করে।
এমন মানুষের সংখ্যায় কম
...যারা নেকড়ের মুখোমুখি হতে পিছুপা হয় না।
এরাই হচ্ছে পাহারাদার কুকুর।
আমি এই পরিবারে ভেড়া শ্রেনীর কাউকে দেখতে চাই না।
- আর আমি তোমাদের ছিড়ে ফেলবো যদি তোমরা নেকড়ে তে পরিণত হও! - ওয়েইন!
কিন্তু আমরা নিজেদের রক্ষা করি।
যদি কেউ তোমার সাথে মারামারি করতে চায়...
অথবা তোমার ছোট ভাইকে বাজে কথা বলে তবে আমার অনুমতি থাকলো তা শেষ করার।
ছেলেটা জেফ এর ওপর আক্রমণ করেছিলো!
এটা কি সত্যি?
জ্বি ,স্যার। সেই করেছিলো।
আর তুমি এটা শেষ করেছো?
তুমি জানো তুমি আসলে কে।
তুমি জানো তোমার লক্ষ্য কি।
এই সন্ধ্যায় ক্রিস কাইল তার ঘোড়ার তেলেসমাতি দেখাবে!
আমি ঠিকভাবে করছি।
বেশ ভালো।
সুতরাং আজকে তাকে ৮৬ স্কোরের রেকর্ড ভাঙ্গতে হবে।
আপনার যত জোরে চিল্লাবেন সে তত বেশি সময় টিকে থাকবে!
চলুন! ইয়াহ!
আমার মনে হয় না... সে হেঁটে বাড়ি যেতে পারবে!
জেফ,মনে হয় তোমার ভাই আবার এটা করতে পেরেছে।
ঠিক আছে । ভদ্রলোক এবং ভদ্রমহিলারা, ক্রিস কাইল !!
ওই জায়গায় তেমন কেউ ছিলো না , আর তুমি বড়সড় একটা বেল্ট বাকল নিয়া আসছো।
- এটা দিয়ে আসলে করবে কি ? - মনে হয় পড়ে শুয়ে থাকবো।
এটা পড়ে দেখবো সারার মুড ভালো হয় কি না!
আরেহ, এমনকি একটা ঝড়ও ওর মুড ভালো করতে পারে না
- লোকে এগুলাই বলে ? - তুমি তো জানোই সবাই কি বলতো......
তাকে হাইস্কুলে ... - বলবে না খবরদার।
- সারাহ চোষে... - কি বলছি আমি?!
ধুর, ক্রিস!
ধূরো মিয়াঁ!
ওহ ,বাকল বানি সেখানে দুটা মেয়ে ছিলো...
না, সে খুজছিলো... সে তার দিকে নজর রেখেছিলো, এজন্যই শেষবার...
দেখো এটা কি করে।
দেখো কি হয়।
হেই, বেব কে শুতে চায় রোডিও স্টারের সাথে ?...এসব কি ???
তুমি বলেছিলো আগামীকালের আগে আসবে না!
- আমি কি বলেছিলাম? - ওকে যেতে যেতে দাও। ও কিছু করেনি।
- ঠান্ডা হোন! আমি কিছু জানি না। - বেরোও এখান থেকে!
ক্রিস, ওকে ছাড়ো! ধূর ক্রিস, ছাড়ো ওকে।
- ও কিছু জানত না, ঠিক আছে? - সে জানত না।
- তুমি কি জানতে না? - আমি জানতাম না। শুধু আমার হ্যাটটা দিয়ে দিন।
- সে জানত না। - হ্যাটটা নিয়ে আসো সোনা।
তুই কি ভেবেছিলি এগুলো কার রাইফেল? কোন পুরুষের কাপড়চোপড় এখানে?
তুই জানতি না? জানতি না কুত্তার বাচ্চা?
সমস্যা কি তোমার? সবাইকে পেটাতে হবে না তোমাকে!!
ওই বালের হ্যাটটা পড়ে ভাগো এখান থেকে।
কি সমস্যা তোমার?
- বেরোও তুমি! - তুমি জানো...
...আমি জানি না তুমি আমার কাছ থেকে কি আশা কর।
তুমি আমাকে এখানে এনে রেখেছো আর নিজে প্রতি ছুটির দিনে ভাইয়ের সাথে বেরিয়ে যাও!
তুমি কি মনে কর আমি কেনো করছি এসব?
আমি এসব করছি মনোযোগ পাবার জন্য। তুমি বোঝ না?
নিজের জিনিসপত্র গোছাও এবং বিদায় হও।
ঠিক আছে...মরো তুমি।
তুমি নিজেকে কাউবয় মনে কর কারণ তুমি রোডিও?
তুমি মোটেও কাউবয় না , তুমি একটা অলস , অকর্মণ্য গাধা।
আর তোমার গা থেকে গন্ধ আসে।
বোলো না।
বিয়ে করছ কবে ?
আমি বুঝেছি তুমি কি বলতে চাচ্ছ...
কিন্তু আমাদের অন্য কোন স্টেটে যেতে হবে।
প্রতি সপ্তাহে নতুন শহর।
ঘোরাঘুরি আর খাওয়া-দাওয়া।
আমি জানি না, হয়তো ও ঠিকই বলেছে।
সে ঠিক?
সে কোন ব্যাপারে ঠিক, ক্রিস ?
সে ঠিক না ভাই, আমরা কাউবয় । আমরা স্বপ্নকে সত্যি করি ।
এটি একটি বিশেষ খবর।
আমেরিকান অ্যামব্যাসিগুলোতে বোমা হামলাগুলো
...যেগুলো দারুস সালাম ,তানজানিয়া এবং কেনিয়ার নাইরোবিতে হয়েছে...
...নিশ্চিতভাবেই আমেরিকার বিরুদ্ধে কারো যুদ্ধের অংশ!
৮০ জনের বেশি নিহত হয়েছে...
...আজকের ২ টি বোমা বিস্ফোরণে আহত হয়েছে ১৭০০ এর বেশি...
হেই,জেফ! জেফ!
...যেটা এর পরের মিনিটে ৪৫০ মাইল দূরে বিস্ফোরিত হয়.
এটা দেখ।
এ হামলার পেছনে দায়ী কারা তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায় নি । যদিও অ্যামব্যাসিগুলোই প্রধানত হামলার মূল লক্ষ্য ছিলো ...
দেখো তারা আমাদের কি করেছে।
...নিহত এবং আহতদের মধ্যে অধিকাংশই আমেরিকান নয়।
এখন পর্যন্ত ১টি শিশু সহ ৮ জন আমেরিকান মারা গেছেন। আর ৫ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
- তো , তুমি টেক্সাস থেকে এসেছো? - জ্বি স্যার।
- আর তুমি একজন দেশপ্রেমিক। - জ্বি স্যার।
এবং তোমার জীবন ছ্যাড়াব্যাড়া।
আমি দেশের সেবা করতে চাই।
- লড়াই পছন্দ ? - জ্বি স্যার।
তুমি লড়তে পছন্দ কর। খুব ভালো। তোমার এই দুর্ধর্ষ যোদ্ধাদের সাথে যোগ দেওয়া উচিত।
সিলস?
হ্যাঁ। সি, এয়ার এবং ল্যান্ড।
আসলে স্যার, আমি পানি থেকে দূরেই থাকি।
না? অবশ্য এটা দুর্বল হৃদয়ের মানুষদের জন্য না।
সত্যি বলতে অধিকাংশ মানুষই পারে না, ছেড়ে পালায়।
আমি অধিকাংশ মানুষ নই, স্যার। আমি ছাড়বো না।
- এখানেই সব মজা শেষ! - এই নাও মেয়েরা!
এখন থেকে আস্তে আস্তে আরো কঠিন হবে!
এইতো! নাও , আরো নাও! প্রথম বারই শুধু ব্যাথা লাগে।
এখানে কে রে? ভাগতে চাস নাকি?
- হুইয়াহ! না , ইন্সট্রাকটর রোলি। - মিথ্যা কথা! তোর পাছা চর্বিতে ভর্তি...
...যদি দেখা যাইত যদি আর কি !
অন্যদিকে তাকিয়ো না বাছা। তুমি আমার দিকে তাকিয়ে থাকবে আর এটা সহ্য করবে।
হুইয়াহ, হ্যাঁ !
শালা বুইড়া! নূহ নবীর নৌকায় ভালো সময় কাটছে এইজন্য নেভিতে যোগ দিছিস?
তোর বয়স কত রে?
- হুইয়াহ,৩০! - ৩০?!
তোর পাদের গন্ধে তো এখানকার অর্ধেক পোলাপান মরে ভূত হয়ে যাবে!
আমরা আকাইম্মাদের আগাছার মতো ছেটে ফেলবো।
হ্যাঁ, আজ আমরা এক বা দুইজন সত্যিকার যোদ্ধা খুজে বের করেই ছাড়বো।
ডাবার, তুমি নিশ্চিত তুমি কানেক্টিকাট থেকে আসছো?
আমি এর আগে হার্টফোড থেকে আসা কোন চাষা দেখি নি।
হুইয়াহ, ইন্সট্রাকটর ফ্রাইডে! দেশ থেকে দেশান্তরে!
আমি এখানে এসেছি জঙ্গিদের মারতে।
শালার পুত, তোরে হাসতে বলছে কে?
হুইয়াহ! কেউ না, ইন্সট্রাকটর রোলি।
- আমি কি তোকে মুখ খুলতে বলছি? - হুইয়াহ! না, ইন্সট্রাকটর রোলি।
নিজের মোটকা পাছার দিকে চেয়ে হাসতে থাক!
আরেহ শালা!!
তুই দেখি একটা চিপস-জুস খাওয়া মাদারচোত!
হ্যাঁ , সেইটাই আমি বলছি!
বিগলস! আজ থেকে এইটাই তোর নাম।
আর ওইটা হচ্ছে তোর বাড়ি যাওয়ার রাস্তা।
''ডি'', আমার দল বানানোর লাইনে তুই কি করছিস?!
সবাই জানে নিগ্রোরা সাতরায় না।
সমস্যা নেই, স্যার। আমি নিগ্রো না!
- না?! - না। আমি নতুন ধরণের নিগ্রো!
আমরা আস্তে দৌড়াই , লাফ-ঝাপ কম করি, ভালো সাতার কাটি আর গ্যাপ থেকে শপিং করি।
আর সাদা মানুষের গর্বিত হয় যখন আমি তাদের বউদের সাথে ইয়ে করি।
তাদের আমি কঠিন মারা দেই!
মুরগির দল!
ওইতো!
ওইযে একটা ভাগছে।
তোমরা হয়ো বিদায় বলবে। আমি বলবো ভালো হইছে!
সে তোমাদের এখানে ফেলে চলে গেছে। যুদ্ধের ময়দানেও সে তোমাদের ফেলে চলে যেতো।
ঝামেলা দেখলে সে এগিয়ে যেতো না। তুমি গুলি খেলে সে তোমাকে বয়ে নিয়ে আসতো না।
- ছয়! - আমি যোদ্ধা খুজছি!
- সাত! - গুণতে থাকো!
- আট! - আমি শুনতে পাচ্ছি না!
নয়!
তোরে মারে ডাক দিবো? সে আইসা তোর জায়গায় বুকডন দিক?!
পাছায় তেল জমছে!
শালার হৃদয় খানরে আইনা তোর পাছায় ঢুকায় দিবো!
সেটাই বলতেছি আমি!
স্কুইরেল,স্কুইরে্ল, স্কুইরেল! তোর বিচি কই গেলো?
ওহ, তারা ভালো জায়গায়ই আছে স্যার। ভিতরে ঢুকে বসে আছে।
কিন্তু এখনো গরম!
শালার ছোট মুখে বড় কথা!
এবার,তুই।
কি অবস্থা,বুইড়া? হ্যাঁ?
কেমন লাগছে?
হুইয়াহ! বিপদজনক! বিপদজনক মনে হচ্ছে!
হুইয়াহ!কাইল নিজেকে বিপদজনক অনুভব করছে।
যাও!
No comments yet. Be the first to leave one.