ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
-আমি আদেশের অপেক্ষায় আছি।" -একজন কিডন্যাপার আমার লক্ষ্যে আছে।
- কী করছ তোমরা? -স্নাইপার আছে, ঈশ্বর।
-হাঁটু গেড়ে বসো। -"তারা তাক করছে।"
-আমাকে অনুমুতি দাও। -"তারা ওদের মেরে ফেলবে।"
-ওরা গুলি করতে যাচ্ছে। -গুলি করার অনুরোধ করছি।"
বন্দুক নামাও!
"তারা ওদের মেরে ফেলতে যাচ্ছে।"
সবুজ সংকেত দিলাম।
- কন্ডর ৩, গুলি চালাও। - আমরা দেখতে পারছি।
শনিবার সন্ধ্যা ৬টা
ভালো, মিস্টার তোরেস। খুব ভালো।
এখন সিরিজটা পরিবর্তন করুন, বুঝলেন?
অক্ষরগুলো পাল্টান, ঠিক আছে?
এটা অন্য দেশ, বুঝেছেন? কোনো অজুহাত চলবে না।
হেলসিনকি! তাড়াতাড়ি!
-কী হয়েছে? - মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে!
ওকে মেরে ফেলেছিস, কুত্তার বাচ্চারা!
তাড়াতাড়ি।
পানি খাবো, প্লিজ।
প্লিজ, একটু পানি।
ধন্যবাদ আর্তুরো, একটু শক্ত করে, রিও, রিও!
অ্যালকোহল, অ্যালকোহল।
তোমার হাতটা সরাও...
রাকেল।
মানি ফ্যাক্টরিতে আগে যারা কাজ করত,
তারা পুলিশের গুলিতে আহত লোকটার পরিচয় জানিয়েছে।
ফ্যাক্টরির জেনারেল ম্যানেজার, আর্তুরো রোমান,
ডাকাতদের সাথে ছাদে থাকার সময়,
পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছে।
ঘটনাটা ঘটেছে কিডন্যাপিং শুরুর ৩২ ঘন্টা পরে।"
ডাকাতির ৩২ ঘন্টা পরে
আমার স্ত্রীর সাথে কথা বলবো, প্লিজ।
আমার স্ত্রীর সাথে কথা বলবো।
"সবাই বলে, মৃত্যুর মুখে থাকার সময়ে,
আমরা নিজেদের জীবনকে ভালোমতো উপলদ্ধি করতে পারি।
টেবিলে রক্ত ঝরতে থাকা আর্তুরো,
মৃত্যুর অলোকদৃষ্টির জন্যই অপেক্ষা করছিল।
জানতে চাইছিল, ওর জীবনের আসল ভালোবাসাটা কে?
১৪ বছর একসাথে কাটানো
বিয়ের বন্ধনে জড়ানো লরা?
নাকি ওর সেক্রেটারি এবং প্রেমিকা মোনিকা
যার সান্নিধ্যে এসে ও আবার তরুণ হয়ে উঠেছিল।
দুর্ভাগ্যবশত, আর্তুরোর মাথায় ওই মুহূর্তে খেলছিল,
ওরা যদি গুলিটা না বের করত,
এই দ্বিধাদ্বন্দ্বের মাঝে বাঁচতে হত না।
সত্যি বলতে, ফার্স্ট এইড চিকিৎসায় জীবন বাঁচানো চাট্টিখানি কথা না।
ইনফেরিওর ক্যাভা।
রাইট র্যানাল।
লেফট।
মেসেন্টারিক।
রাইট পালমোনারি।
লেফট।
এটা হলো হার্ট।
ক্যাভা।
সাবক্যাভিয়ান, রাইট, লেফট।
ব্রাকিয়াল।
হিউমেরাল।
ইন্টারনাল জুগুলার।
এক্সটার্নাল জুগুলার।
এটা প্রধান ধমনি।
থামো থামো।
দেখি।
এ দুইটা মার্কার দিয়ে চিকিৎসাবচদ্যা দিতে চাও?
কেউ গুলি খেলে তাকে হাসপাতালে নেয়া যাবে না।
তোমাদেরকেই সামলাতে হবে।
-মরবো সবাই। -চুপ থাকো।
নিজেদেরকে ওই ইঁদুরের গর্তে ভরা এক কথা।
-আর মরে যাওয়া আরেক কথা। -ডেনভার।
একটা বুলেট কীভাবে বের করবে সেটা শিখাতে চাইছি।
এত লম্বা ইতিহাস শুনতে চাইনি।
এত কঠিন কিছু না।
সাঁড়াশি দিয়ে আস্তে করে বুলেটটা বের করে আনবে।
-এটুকুই। -আঘাতে তো তার আগেই অর্ধেক মরে যাবে।
আমাকে গুলি করলে অবশ্যই হাসপাতালে নিয়ে যাবে।
অবশ্যই না।
জেলের ভেতরে সুস্থ হয়ে থাকার চাইতে
জেলের বাইরে ল্যাংড়া হয়ে ঘোরা ভালো।
কেউ বাইরে যাবে না।
মাথায় বুদ্ধি থাকলে ঠিকই সুঁই চালাতে পারবে।
কেউ এ কাজ করতে না চাইলে, এটাই শেষ সুযোগ।
ডাকাতি হবার সময় ও এখানে থাকবে, তারপর চলে যাবে।
এই লেসন কত দিন চলবে ?
হেলসিনকির মতো আমার ইচ্ছাও কমে যাচ্ছে।
এই , আমার ইচ্ছার কথা কী বললে ?
- হয়েছে, থামো। - আমার ইচ্ছা দেখতে চাও ?
প্লিজ।
ওঠো , কাপড় পরে নাও। অন্য কাউকে এখানে শুতে দাও।
- মি. উইলি। - যাও।
আরে, যাও।
না ? না, না?
- বেশ... - বাহ, নাইরোবি।
- এবার আছে তো, তাই না ? - দারুণ, নাইরোবি!
ভালোই সেক্সি।
-ও তো কালো। - সেক্সি, সেক্সি।
- তুমি করো। -ওমা, আমি! আচ্ছা।
দেখি কী শিখেছ।
এটা হল ক্যারোটিড
আর এভাবে ডাক্তার সেজে
আমি বুঝলাম নাইরোবি যতটা মনে হয়েছিল, ও তারচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।
হৃৎপিণ্ড
ধমনি
আর কেউ কারও ব্যাপারে কিছু না জেনেও...
পেটের ধমনি
আমি কখনো ভাবিনি নাইরোবির ছেলে
বা মেয়ে আছে।
ওর পেটের দাগটা সিজারের মনে হলো।
- কী করছ তুমি? করছটা কী? - হেই, হেই।
- কই যাচ্ছ ? - কী হলো ?
কী দেখছ ?
- কী হলো ? - শান্ত হও।
না । এই মার্কারটা খাবে এবার তুমি।
- কী হলো ? - ওর মধ্যে লেসবিয়ানের স্বভাব আছে।
জানি না, ও এসব কী যা তা বলছে।
তুমি লেসবিয়ান। তোমার স্পর্শে কেমন যেন একটা অন্য রকম নিয়ত ছিল।
আমার স্পর্শে কী? কী বলতে চাও...।।
থামো।
আর এভাবেই আমাদের বন্ধুত্ব শুরু হলো।
Translated By SANJIDA PRITOM | AL MAKSUD TANJIDUL ISLAM SAKIB | ASIF NEWAZE | SAYEED BIN TARIQ KUDRATE JAHAN ZINIA
Edited By SARAH IQBAL
LCDP 105 :.:.: EL DIA DE LA MARMOTA :.:.:
রাকেল। মন্ত্রী মশাই ফোন করেছে।
কী বলবো ? রাকেল? উনাকে কী বলবো ?
-রাকেল? কী বলবো আমি ? - কিছু বললে ?
- ওরা জানতে চাইবে, কে অর্ডার দিয়েছে। - আমি দিয়েছি।
ওদের বলো, আহত লোকটা জিম্মিদের একজন।
-আর এই মরার ফোনটা রাখো। -ওকে ডাকাতের মত দেখাচ্ছিল।
আমি অনুমতি চেয়েছিলাম । আমি ইতস্তত করছিলাম।
ইন্সপেক্টর , দায়িত্ব তাহলে আপনি নিচ্ছেন।
ইন্সপেক্টর, অ্যাম্বুলেন্স রেডি।
কিডন্যাপারের সাথে কথা বলা যাক।
কিডন্যাপারের সাথে যোগাযোগের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
আমাদের সিধান্ত নিতে হয়েছে। ওরা...
দেখে লাগছিল, ওদের মেরে ফেলবে। তাই তাড়াহুড়োয় আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল।
চুপ করো , প্লিজ
প্রফেসর ?
তোমরা জিম্মিদের উপর গুলি করেছ।
একজন জীবন-মরণ যুদ্ধে লড়ছে, নিশ্চয়ই এজন্যই ফোন দিয়েছ।
আহত লোকটাকে বের করার জন্য অ্যাম্বুলেন্স আনা হয়েছে।
ওখান থেকে কেউ বের হবে না।
- ওই লোকটার রক্তক্ষরণ হচ্ছে। - সেটা তোমাদের দোষের কারণে হচ্ছে।
ওকে এভাবেই মরতে দেবে ?
আমি একটা মেডিকেল টিম ওখানে পাঠাই।
প্রফেসর, শোনো,
জানি দোষ আমার।
কিন্তু জিম্মি একজন মরে গেলে শুধু আমারই না, তোমারও তেমন সমস্যা হবে।
বিশ্বাস করো।
পাঁচ মিনিটের কম সময়ে আম জনতা জেনে যাবে
ওই লোকটা মারা গিয়েছে।
কারন তুমি ওকে বের হতে দাওনি।
২ জন সার্জন ও একজন নার্স, ট্রিটমেন্টের জিনিসপাতিসহ।
- ওরা আসলে আমাকে জানাবে। - ধন্যবাদ।
আমারও একটা জিনিস চাওয়ার ছিল।
আহত লোকটা ওর বউয়ের সাথে কথা বলতে চাচ্ছে।
অবশ্যই।
খোদা
মি রোমানের বউকে আনার ব্যবস্থা করো।
মেডিকেল টিম কখন আসবে ?
লা পাজ থেকে হেলিকপটার দিয়ে, এই তো, ১০ থেকে ১৫ মিনিট।
-এখানে নিয়ে এসো ওদের। -আচ্ছা
সবাই জায়গা মত থাকো।
প্লিজ। জায়গায় এসো।
দেখি একটু।
তুমি গাড়ি চালাতে পারো ?
হ্যাঁ, পারি।
আমি এখান থেকে বের হতে চাই, একটু দূরে কোথাও।
- আচ্ছা। -থ্যাংকস।
হেই, রাকেল।
কী হলো ?
আমাকে ভাবতে হবে।
চালাও।
আমার দিকে এভাবে তাকাবে না, তোমাকে একা রেখে যাচ্ছি না কোথাও।
কোথায় গেছে ও ?
হারামজাদিটা পালিয়েছে।
দেখা যাক।
আসছি।
কই গেল ফোন?
বলো, সোনা।
আজকে রাতে বাসায় ফিরবে?
- জানি না, মা। - কিন্তু কেন ? কী হয়েছে ?
মা, আসলে...
আমি...
আমি...
বড় একটা ভুল করেছি আজকে।
বাছা , তোমার কাজটাও তো অনেক কঠিন।
বলো আমাকে।
তাহলে তোমার মন হালকা হয়ে যাবে।
আমি একজনের সাথে ওয়াইন খাচ্ছিলাম।
এটা তো ভাল কথা, কার সাথে?
আমি চিনি ওকে ?
না মা , আমিও চিনি না।
ব্যাপারটা হলো, আমি তাবুতে ফিরে দেখি..
পরিস্থিতি অনেক গুরুতর হয়ে পড়েছে...
বিপদজনক পরিস্থিতি। ফ্যাক্টরির ছাদে ...
আমি ভেবেছিলাম জিম্মিদের একজনের জীবন সঙ্কটে...
তাই আমি...
গুলি করার আদেশ দিয়েছিলাম।
আর একজন নিষ্পাপ মানুষ গুলি খেয়েছে।
- হ্যাঁ, আমি টিভিতে দেখেছি, সোনা। - জানি না, আমি কী করবো এখন।
বুঝছি না, ওর বউকে ফোন দেবো,
নাকি সংবাদ সম্মেলন ডেকে নিজে পদত্যাগ করবো। জানি না, কিছুই, মা।
No comments yet. Be the first to leave one.